গণজাগরণ মঞ্চ ও কিংবদন্তি ব্লগাদের কোন্দল

৫ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বলতম দিন এবং এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।মূলত ৫ই ফেব্রুয়ারি কাদের মোল্লার রায়ের বিরুদ্ধে কিছু ব্লগারের আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নবজাগরণের সৃষ্টি হয়।১৯৭১ সালের পরে এই আন্দোলনই স্বপ্রনোদিত ভাবে এতো বৃহৎ আন্দোলনের রূপ ধারণ করে।যদিও এই আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল শাহবাগ চত্বর থেকে কিন্তু পরবর্তীতে এর ব্যাপকতা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
সারাদেশের দেশের মানুষ এই আন্দোলনের সাথে একত্বতা ঘোষনা করে।এই আন্দোলনের ব্যাপকতা এতই বৃহ পরিসরে ছিল যে,প্রথম দিকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিও এর ব্যাপকতা দেখে হতবিহব্বল হয়ে গিয়েছিল।

৫ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বলতম দিন এবং এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।মূলত ৫ই ফেব্রুয়ারি কাদের মোল্লার রায়ের বিরুদ্ধে কিছু ব্লগারের আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নবজাগরণের সৃষ্টি হয়।১৯৭১ সালের পরে এই আন্দোলনই স্বপ্রনোদিত ভাবে এতো বৃহৎ আন্দোলনের রূপ ধারণ করে।যদিও এই আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল শাহবাগ চত্বর থেকে কিন্তু পরবর্তীতে এর ব্যাপকতা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
সারাদেশের দেশের মানুষ এই আন্দোলনের সাথে একত্বতা ঘোষনা করে।এই আন্দোলনের ব্যাপকতা এতই বৃহ পরিসরে ছিল যে,প্রথম দিকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিও এর ব্যাপকতা দেখে হতবিহব্বল হয়ে গিয়েছিল।
এই আন্দোলন এত বৃহৎ পরিসরে ছড়িয়ে যাওয়ার একটিই কারন ছিল আর তা ছিল বাঙ্গালী জাতির প্রাণের দাবি যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি।
এই আন্দোলন শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে প্রায় একমাস স্থায়ী হয়েছিল।পরবর্তীতে বিভিন্ন কারনে এই আন্দোলন আস্তে আস্তে থিতু হয়ে পড়ে।

শুরু থেকেই একটি মহল এই আন্দোলনের বিরোধিতা এবং এই আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে আসছিল।যে চেষ্টা
বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে।
যদিও বস্তুত পক্ষে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল ৫ই ফেব্রুয়ারি পর থেকে কিন্তু আসলে এই আন্দোলন অনেক আগেই অনলাইনে শুরু হয়েছিল।

অনলাইনে জামাত-শিবিরের অপপ্রচার রুখে দেওয়া,স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা,স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির পক্ষে জনমত গঠন করার মধ্যে দিয়েই মূলত এই আন্দোলনের সূচনা ঘটেছিল।মূলত এর নেপথ্য ছিল কিছু কিংবদন্তি ব্লগার।যাদের কঠোর পরিশ্রম এবং বস্তুনিষ্ঠ লেখালেখির মাধ্যমেই স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সেসময় যুদ্ধাপরাধীদের ভূমিকা সকলের সামনে উঠেএসেছে।যাদের আন্দোলনের ফসল আজকের এই গণজাগরণ মঞ্চ।

অথচ সেসব কিংবদন্তি ব্লগারদের মাঝে কোন্দল আজ তুঙ্গে।
তারা রীতিমত একে অপরের বিরুদ্ধে কাঁদা ছোড়াছুড়ি তেও মেতে উঠেছে।এই কাঁদা ছোড়াছুড়ি ফেসবুক থেকে ব্লগ পর্যন্ত গড়িয়েছে।
যা আমাদের কাছে মোটেও কাম্য নয়।বোধকরি এর ফলও খুব বেশি মধুর হবে নাহ্।

আচ্ছা সেসব কিংবদন্তি ব্লগাররা কি ভুলে গেছে আমাদের আন্দোলন এখনও শেষ হয়নি?তারা কি বুঝতে পারছে যে এই মুহূর্তে তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা কতটা জরুরী?নাকি তারা ইতিহাস ভুলে গেছে???নাকি তারা কি ভুলে গেছে যে এর থেকে বৃহৎ আন্দোলনও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে শুধু মাত্র আন্দোলনকারীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারনে?????

১২ thoughts on “গণজাগরণ মঞ্চ ও কিংবদন্তি ব্লগাদের কোন্দল

  1. আচ্ছা সেসব কিংবদন্তি ব্লগাররা
    আচ্ছা সেসব কিংবদন্তি ব্লগাররা কি ভুলে গেছে আমাদের আন্দোলন এখনও শেষ হয়নি?তারা কি বুঝতে পারছে যে এই মুহূর্তে তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা কতটা জরুরী?নাকি তারা ইতিহাস ভুলে গেছে???নাকি তারা কি ভুলে গেছে যে এর থেকে বৃহৎ আন্দোলনও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে শুধু মাত্র আন্দোলনকারীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারনে?— :তালিয়া: :আমারকুনোদোষনাই: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  2. প্রতিষ্ঠিত ব্লগারদের মাঝে এই
    প্রতিষ্ঠিত ব্লগারদের মাঝে এই রেষারেষি খুব দুঃখজনক। আর এর কারণে সুযোগ পাচ্ছে ছাগুরা। বার বার একে অপরের প্রতি অভিযোগ করে যাচ্ছে পেইড এজেন্ট হিসাবে। যার কারণে আমাদের মত সাধারণ ফেসবুকার রাও দ্বন্দে পরে যাই, কে ঠিক বলছে আর কে বলছে না। এর সাথে যোগ হয়েছে একগ্রপ মুরিদ যারা নিজের গ্রুপের বাইরে অন্য কাউকে সহ্য করতে পারে না বা আক্রমণ করে বসে। দেখা যাক কি হয় শেষ পর্যন্ত।

  3. ভাই কিরন শেখর।প্রতিযোগিতা বলে
    ভাই কিরন শেখর।প্রতিযোগিতা বলে একটা ব্যাপার আছে।আছে ফেমাস হবার সুপ্ত লোভ।মানুষ তো ফেরেস্তা না।

  4. অতীতেও বহু আন্দোলন, বিপ্লব
    অতীতেও বহু আন্দোলন, বিপ্লব চুরি হয়ে গেছে সুযোগসন্ধানীদের হাতে, শুধুমাত্র অন্তঃকোন্দলের জন্য;
    এক্ষেত্রেও একই পরিণতি হোক, এটা কোনক্রমেই চাই না।

  5. হোক বল্লে তো হবেনা! বলেন হলো
    হোক বল্লে তো হবেনা! বলেন হলো বলে।…অনেক দুঃখ লাগে,বুক খা খা করে।প্রতিবাদের উদ্ভিন্নযৌবন কিভাবে ছিবরা বানিয়ে দিলো খবিসেরা।

  6. খুব বিরক্তি আর প্যারা লাগে
    খুব বিরক্তি আর প্যারা লাগে নিজেদের মধ্যে এই পুন্দাপুন্দি দেখলে। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: আরে ভাই, আমরা যদি আমাদের পিছনেই ২৪ ঘণ্টা দণ্ড চালাইতে থাকি, তাইলে ছাগুদের লেদানি বন্ধ করবে কে?? :মানেকি: খুব ইচ্ছা করে মাঝে মাঝে উনাদের সবাইকে একসাথে জড়ো করে দেখাই যে, যখন আমরা নিজেরাই পুন্দাপুন্দি করি, তখন ওই জারজগুলা কিভাবে মুখ টিপে হাসে :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: … কিছু বলার নাই ভাই, শুধু প্রচণ্ড একটা বিরক্তি চলে আসে সবকিছুর উপর… :ক্ষেপছি: :এখানেআয়:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *