বিএনপির দুর্নীতি ও দলবাজি বনাম আমার সুশীলতা

আমি একজন তরুণ সমাজের প্রতিনিধি।যে বিশ্বাস করে নতুন ধারার রাজনীতিতে।যে রাজনীতিতে থাকবে না কোন হানাহানি,থাকবে নাহ্ কোন দলাদলী,থাকবে নাহ্ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রী,এমপিদের বাঁচানোর চেষ্টা।থাকবে নাহ্ বিরোধী দলকে কোণঠাসা করার মনোভব।
রাজনীতি হবে সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।রাজনীতি হবে সাধারণ মানুষের জন্য,রাজনীতি হবে সত্যিকার অর্থেই দেশের উন্নতির জন্য।
রাজনীতিবিদদের আদর্শ হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
যারা সত্যিকার অর্থেই হবে দেশপ্রেমিক,যাদের চেতনায় থাকবে মহান মুক্তযুদ্ধ।যারা রাজনীতি করবে শুধুমাত্র দেশ ও দেশের মানুষের জন্য।


আমি একজন তরুণ সমাজের প্রতিনিধি।যে বিশ্বাস করে নতুন ধারার রাজনীতিতে।যে রাজনীতিতে থাকবে না কোন হানাহানি,থাকবে নাহ্ কোন দলাদলী,থাকবে নাহ্ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রী,এমপিদের বাঁচানোর চেষ্টা।থাকবে নাহ্ বিরোধী দলকে কোণঠাসা করার মনোভব।
রাজনীতি হবে সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।রাজনীতি হবে সাধারণ মানুষের জন্য,রাজনীতি হবে সত্যিকার অর্থেই দেশের উন্নতির জন্য।
রাজনীতিবিদদের আদর্শ হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
যারা সত্যিকার অর্থেই হবে দেশপ্রেমিক,যাদের চেতনায় থাকবে মহান মুক্তযুদ্ধ।যারা রাজনীতি করবে শুধুমাত্র দেশ ও দেশের মানুষের জন্য।

এতো গেল রাজনীতিকে ঘিরে আমার প্রত্যাশা সর্বাপরি তরুণ সমাজের প্রত্যাশা।

এবার চলুন একটু বাস্তবতায় যায়, চোখের সানগ্লাসটা একটু খুলে রাখি এবং বাস্তবতাকে দেখার চেষ্টা করি।

মূলত রাজনীতিতে দূরবৃত্তায়ন শুরু হয় ৭৫ পরবর্তীত মেজর জিয়ার হাত ধরে।যিনি পরবর্তীতে সেনাছাউনিতে বসে একটি দল গঠন করেন এবং শুধুমাত্র হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন।
এরপর তিনি শুরু করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলার প্রক্রিয়া।শুরু হয় পাকিস্তান তোষণ নীতি।
মেজর জিয়ার কারনেই রাজনীতি হয়ে ওঠে আমলাতান্ত্রিক ও দুর্নীতি পরায়ন।
মেজর জিয়া সেসময় সদর্পে ঘোষনা করেন ”আমি রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে তুলব।” এবং করেছিলেন ও তাই।
তার দল শহর থেকে গ্রামে সব জায়গাতেই রাজনীতিক নেতা, কর্মীদের উপর অকথ্য নির্যাতন শুরু করে।
রাজনীতিক ব্যক্তিবর্গ ছিল রাজনীতি থেকে নির্বাসিত।তাদের উপর নেমে এসেছিল অকথ্য নির্যাতন।
প্রকৃতপক্ষে মেজর জিয়া ও তার দলই রাজনীতিকে কুলসিত করার জন্য দায়ী।

এরপর আরো একজন সেনাশাসক এরশাদের আমলে রাজনীতি পুনরায় আমলাতান্ত্রিক ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রীক হয়ে পরে।এরফলে রাজনীতিতে জবাবদিহিতা লোপ পায়।
এই ধারা প্রায় ১৫ বছর চলতে থাকে।
এরপর ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে শুরু হয় দুর্নীতির মহাজগ্ঞ।শুরু হয় দলবাজির স্বর্ণযুগ।
২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট পুনরায় ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি,দলবাজির আগের সব রেকর্ডকে বুড়ো আঙ্গুল দেখান।তখন দেশে শুরু হয় হাওয়া ভবনের শাসন।
শুরু হয় বিরোধী দলকে দমন পিড়নের নতুন ইতিহাস।বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের উপর সেসময় আবারও নেমে আসে অকথ্য নির্যাতন।
শুরু হয় সংখ্যালঘুদের উপর একের পর এক হামলা।ঠিক যেমনটা ঘটেছিল ১৯৭১সালে।এসব হামলায় নেতৃত্ব দিত মূলত জামায়াত-শিবির।
দেশকে জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করার কোন চেষ্টাই সেসময় তারা বাদ রাখেনি।
একসাথে ৬৩ জেলাই বোমা হামলার মত জঘন্য ঘটনাও তাদের পরোক্ষ মদদেই ঘটে।
তারা দুর্নীতিতে দেশকে নিয়ে যায় ১ম কাতারে।তাদের আমলেই পর পর পাঁচবার দুর্নীতি পরায়ন শীর্ষদেশ হিসাবে বিশ্বে আমাদের দেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে।অথচ তারা বর্তমান সরকারকে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার হিসাবে উল্লেখ করে।এ যেন ভূতের মুখে রাম নাম শোনার মতই হাস্যকর ব্যাপার।

তাই আমি আর দলবাজির বিপক্ষে নই।আমি দলবাজির পক্ষে; আওয়ামী লীগের দলবাজির পক্ষে।

২ thoughts on “বিএনপির দুর্নীতি ও দলবাজি বনাম আমার সুশীলতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *