আর নয় প্রতিরোধ চাই এবার প্রতিশোধ

জামায়াত শিবির তাদের এক সাথী মারা গেলে গোটাদেশে হরতাল ডাকে,আর আমাদের ব্লগার থাবা বাবা জবাই হলে কালো ব্যাজ ধারণ করে অসহযোগ চোদাই।আজ থাবা,কাল আমি,পরশু আপনি এইভাবে আমরা মরতে থাকব।আর শাহবাগে স্লোগান চলতেই থাকবে অমুকে রক্ত,বৃথা যেতে দিবনা,তমুকের রক্তের বণ্যায় ভেসে যাবে অন্যায়।এই যাত্রায় যদি জামাত শিবির বেঁচে যায়,তাহলে কারো পুটকি অক্ষত থাকবেনা।আর সারাদেশে জেলায় জেলায়,থানায় থানায়,বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজে যারা এই গণজাগরণ আন্দোলন সংগঠিত করছে তাদের হিটলিস্ট তৈরি শেষ।এখন সুযোগ বুঝে কোপায়ে কল্লা নামাই ফালাব।বিনা যুদ্ধে মরতে রাজি নই।বেলুনে গ্যাস মারা আন্দোলন করে জামায়াত শিবিরের বালটাও ফালান যাবনা।গত পনের দিনে আন্দোলনের কোন হার্ডকোর দাবী নেই।কাল রাতে রাজশাহীতে আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে হামলা হল,কয়টা শিবির গ্রেফতার করতে পারছে পুলিশ!রাজশাহীতে বিনোদপুরে কমপক্ষে হাজার খানেক শিবির আছে বিভিন্ন মেসে।আস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন,হাসি পাচ্ছে।সন্ত্রাসী ও খুনি,যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামাতকে কেন এখনও নিষিদ্ধ করা হচ্ছেনা?কেন শাহবাগ থেকে আল্টিমেটাম আসছেনা?আন্দোলনের স্বার্থে পনের দিন কোন প্রশ্ন করি নাই,এখনকার বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছেই।

১০ thoughts on “আর নয় প্রতিরোধ চাই এবার প্রতিশোধ

  1. আসুন আনন্দে আমরা বেলুন উড়াই।
    আসুন আনন্দে আমরা বেলুন উড়াই। আরো যারা বিভিন্ন পন্যের ব্যাবসায়ি আছে তাদের পাশে দাড়াই। তাদের ব্যাবসা চাঙ্গা করি। আর আমাদের সহযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে খুন হোক বাংলার শুয়রের বাচ্চাগুলোর হাতে

  2. কাল আমি,পরশু আপনি এইভাবে আমরা
    কাল আমি,পরশু আপনি এইভাবে আমরা মরতে থাকব।আর শাহবাগে স্লোগান চলতেই থাকবে অমুকে রক্ত,বৃথা যেতে দিবনা,তমুকের রক্তের বণ্যায় ভেসে যাবে অন্যায়।ছাত্র ইউনিয়ন আর ছাত্রমৈত্রীকে সরিয়ে যায়গা নেবে ছাত্রলীগ আর জয় বাংলা। ইলেকশন পর্যন্ত যদি ক্রেজটা ধরে রাখা যায়- তবে পাবলিক ভুলে যাবে তত্ত্বাধায়ক সরকারের ইস্যু। আর ঠেকায় কে। আপাতত প্লানটা এমনি।

  3. আন্দোলন ঠিক পথেই
    আন্দোলন ঠিক পথেই আছে।আল্টিমেটাম দিয়ে যদি জামাতের রাজনীতি বন্ধ করতে চান তাহলে আমাকে বলতেই হচ্ছে আপনি বোকার স্বর্গে আছেন।বিচার ঠেকানোর জন্যে কত লবিষ্ট ছিল এইটা এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে চলবে না।আর সেখানে টোটাল রাজনীতি বন্ধের প্রশ্ন।সুতরাং সবকিছু করতে হবে ধীরে,চিন্তা ভাবনা করে।১৫ দিন খুব কম সময়।

    আচ্ছা তারপর ধরেন আপনি আল্টিমেটাম দিলেন,সরকার শুনল না।তারপর?আপনি সরকার বিরোধী আন্দোলন করবেন?তাহলে ফসলটা ঘরে যাবে কার?জামাতের।এখন অধৈর্য হবার সময় না।৪২ বছরের ময়লা সরানোর সময় মাত্র ১৫ দিন?এত অল্পতেই ধৈর্যহারা হলে,আন্দোলন সম্ভবত আপনার জন্যে না।

    আরেকটা অনুরোধ।যদি একান্তই আন্দোলনের গতি প্রকৃতি ভাল নাই লাগে তবুও অন্তত নেগেটিভ পোষ্ট দিয়েন না।প্রয়োজনে চুপ থাকেন,প্লিজ।এসব বলার সময় পরে আনেক পাবেন।

    1. ভবঘুরে@ আপনার সাথে একমত।
      ভবঘুরে@ আপনার সাথে একমত। আল্টিমেটাম ঘোষণা এমন কোন কঠিন কাজ নয়। কিন্তু বাস্তবায়ন করা অনেক কঠিন। যারা মনে করছে আল্টিমেটাম দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে তারা আন্দোলনের বিষয়টা এখনো বুঝে উঠতে পারেনি।

      তবে ক্রমান্ময়ে সরকারের উপর চাপ বাড়াতে হবে। সরকার এই নিয়ে যেন নতুন কোন রাজনীতি করতে না পারে সেই দিকেও সতর্ক থাকতে হবে।

    2. দুলাল ভাই @
      সংবিধানের দরকার

      দুলাল ভাই @

      সংবিধানের দরকার নাই। একাত্তরের অপরাধী হিসেবেই তাদের নিষিদ্ধ করতে পারে। আর সাম্প্রতিক যে হত্যা যজ্ঞ করেছে তার পরে এদের রাখার কোন যৌক্তিকতা থাকতে পারেনা। তবে নিষিদ্ধ করার ব্যপারে সরকারের আন্তরিকতার অভাব যে আছে তাতে কোন সন্দেহ নাই।

  4. আমি মনে করি ১৫ দিনের সাফল্য
    আমি মনে করি ১৫ দিনের সাফল্য কিন্তু একদম ফেলে দেওয়ার মত না। জামায়াতকে হয়ত এই মহুর্তে রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ সরকারী প্রজ্ঞাপণের মাধ্যমে সরকার করতে চাইছে না। সরকার আইনী পথেই যেতে চাচ্ছে। কারণ, জামায়াত ইসলামীর রাজনীতি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। সেই প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছে করলে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে পারে। কিন্তু অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশন এই দায়িত্ব নিতে রাজী নয়। এজন্য সরকার আইনী পথে গিয়ে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চাইছে। কিন্তু, শিবিরকে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে যে কোন সময় রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করতে পারে সরকার। এতে কোন ধরণের আইনী বা সাংবিধানিক জটিলতা নাই। জামায়াতের দলীয় সংবিধানে (যেটা নির্বাচন কমিশনে জমা আছে) শিবির জামায়াতের কোন সংগঠন হিসাবে দেখানো হয় নাই। আবার শিবিরের অফিসিয়াল কাগজপত্রে কোথাও জামাতের অঙ্গ সংগঠন হিসাবে উল্লেখ নাই। কিন্তু আসল সত্য আমাদের জানা আছে। তাই সরকার ইচ্ছে করলে যে কোন মহুর্তেই শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে পারে। কিন্তু শিবিরকে নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের এখনও দৃশ্যমান কোন আন্তরিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অন্ততঃ পক্ষে সরকার এই মহুর্তেই জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করুক। বিগত পনর দিন যাবত সমগ্র বাংলাদেশের আন্দোলনকারীরা সরকার থেকে এই আশাটুকু করতেই পারে। না হয় সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে অবশ্যই একটা প্রশ্ন আমাদের কাছে বড় হয়ে উঠবে। আশাকরি সরকার খুব শীগ্রই শিবিরকে নিষিদ্ধ করে তরুণদের এই লাগাতার আন্দোলন ও গণজাগরণের গণদাবীর প্রতি সম্মাণ দেখাবে। জয় হোক গণআন্দোলনের। জয় হোক তারুণ্যের। ……. জয়বাংলা।

    1. আপনার লেখা খুব ভাল লাগলো। আশা
      আপনার লেখা খুব ভাল লাগলো। আশা করি সকল বুদ্ধিজীবী, সামজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, সকল পেশাজীবিসহ তথা সর্ব সাধারণ এ বিষয়ে সোচ্চার হবে!

  5. যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্ছ
    যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্ছ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এবং জামায়াত শিবির-কে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হওয়াটাই ভালো হবে মনে হয়। এক্ষেত্রে সরকার চাইলেই আমার মনে হয় সহজেই এবং দ্রুত এবিষয়টির নিষ্পত্তি করতে পারে। তবে এখানেও রাজনীতির খেলা আছে মামা। তা নাহলে আন্দোলনের মুখে চাঁপা পরে ১২ দিনের মাথায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের আইন সংশোসধনের বিল যদি পাশ করাইতে পারে তাহলে রাজনীতি থেকে তাদের নিষিদ্ধকরার বিষয়টি ও করতে পারার কথা অল্পতেই। তবে এখানেও কিন্তু আছে, সেটা কি ??????????????????????? :কনফিউজড: :কনফিউজড: :কনফিউজড:

  6. আন্দোলনের অর্জনঃ
    গণসচেতনতা।

    আন্দোলনের অর্জনঃ
    গণসচেতনতা। বিশেষতঃ নতুন প্রজন্ম তার ইতিহাস জানতে আগ্রহী হয়েছে। হতাশ তরুন সমাজ ৭১ এর পর আরেকবার দেশ গড়তে উদ্বুদ্ধ হয়েছে,
    ট্রাইবুনালে প্রদত্ত শাস্তি পুনর্বিবেচনার আইন সংসদে পাশ হয়েছে,
    সঙ্ঘঠন হিসেবে জামাতের বিচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে,
    নষ্টের হাতে কষ্ট পাচ্ছিল দেশ,আবার ভ্রষ্টের হাত থেকে দেশ উদ্ধারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
    জাগরণের হুইসেল আজ সাধারণের হাতে হাতে। সে হুইসেল হল আমাদের ইন্টারনেট আর আমাদের কীবোর্ড।
    সনত্রাসী সঙ্ঘঠন হিসেবে জামাত-শিবিরের মুখোশ উম্মোচন। কাল সারা দেশে জামাতের ডাকা হরতাল জনতা যেভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে তা আমাদের ইতিহাসে বিরল। কারণ ভয়কে জয় করে সাধারণ মানুষ যে রাস্তায় নেমে এসেছে, তা ঐ শাহবাগের আন্দোলনেরই ফসল, অতএব, ‘হাল ছেড়োনা বন্ধু…বরং কন্ঠ ছাড়ো জোড়ে!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *