ভার্চুয়াল জগতে মেয়েদের পচানো

যেহেতু ব্লগ, ফেসবুক ইত্যাদি হলো ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগের সাইট।
সেহেতু এখানে আমাদের মানসিকতারও বিরাট একটা প্রভাব রয়েছে।

যাই হোক,আজকে আমি এমন একটা মানসিক বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরব যাতে আপনারা অনেকেই হয়তো একমত হবেন।

কিছু কিছু ছেলেরা সেই বিষয় টা কে বলে “মেয়ে পচানো”!
অনেক আগে থেকে শুরু হলেও ইদানীং এর উৎপাত একটু বেশী বেশী লক্ষ্য করছি!!

জানি না মেয়েরা বিষয় টা কে কিভাবে নেয়, তবুও বলি বিষয় টা অনেক ক্ষেত্রেই বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যায়!

ব্লগে তেমন ভাবে না হলেও ফেসবুকে এর ব্যাপক প্রসার রয়েছে।


যেহেতু ব্লগ, ফেসবুক ইত্যাদি হলো ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগের সাইট।
সেহেতু এখানে আমাদের মানসিকতারও বিরাট একটা প্রভাব রয়েছে।

যাই হোক,আজকে আমি এমন একটা মানসিক বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরব যাতে আপনারা অনেকেই হয়তো একমত হবেন।

কিছু কিছু ছেলেরা সেই বিষয় টা কে বলে “মেয়ে পচানো”!
অনেক আগে থেকে শুরু হলেও ইদানীং এর উৎপাত একটু বেশী বেশী লক্ষ্য করছি!!

জানি না মেয়েরা বিষয় টা কে কিভাবে নেয়, তবুও বলি বিষয় টা অনেক ক্ষেত্রেই বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যায়!

ব্লগে তেমন ভাবে না হলেও ফেসবুকে এর ব্যাপক প্রসার রয়েছে।

“মেয়ে পচানো” জিনিস টা হলো পোস্ট/স্টাটাস/কমেন্টের মাধ্যমে সাইটে মেয়েদের কে নেতিবাচক ভাবে তুলে ধরা,তাদের খুত গুলোকে নিখুঁত ভাবে তুলে ধরে অন্যদের প্রশংসা লাভ করা(অবশ্যই ছেলেদের)।

আরেক টি ব্যাপার হলো অধিকাংশ ছেলেরাই কোন না কোন মেয়ের দ্বারা প্রতারিত বা প্রভাবিত হয়েই এরকম করে থাকে!
আর বাকি ছেলেরা উক্ত ছেলেদের থেকে প্রভাবিত হয়ে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় শুধুমাত্র খ্যাতি লাভের জন্য মেয়েদের বিরুদ্ধে লিখে থাকে!

মূল কথা হলো-
তারা লিখুক কোন সমস্যা নেই কিন্তুু সমস্যা টা হলো গুটি কয়েক মেয়ের জন্য পুরো নারী জাতিকে টেনে আনবে কেনো…?

অনেক আপুকে এসবের বিরুদ্ধে লিখতে দেখেছি,কিন্তুু কোন ভাইয়া কে এ ব্যাপারে লিখতে দেখিনি!
তার মানে কি সেই সব সচেতন ভাইয়ারাও “মেয়ে পচানোর” পক্ষে…?

সেই সব ভাইয়াদের বলবো-
বুঝলাম আপনারা এর পক্ষেও লেখেন না বিপক্ষেও লেখেন না, তার মানে নীরব থাকেন!
তাহলে আপনাদের বলবো ‘কোন কিছুতে নীরব থাকা সেই বিষয়ে সমর্থন দেয়ারই শামিল’!

ভাই শোনেন…
‘মেয়ে পচানো’ শব্দ টা উচ্চারণ করার আগে একটি বারও কি আপনার ছোট/বড় বোনটির কথা মনে হয় না…?
এমনও তো হতে পারে আপনার ঐ বোন টি কে কেউ একজন পচাচ্ছে ভার্চুয়াল জগতের সবার সামনে!

অনেকেই আবার বলবেন হাসি-তামাশার ছলে এসব করা হয়!
ভাই হাসি-তামাশারও একটা লিমিট আছে!!

আশা করব অন্তত আপুরা এ ব্যাপারে সোচ্চার হবেন।
ভাইয়ারা, আসুন না আপুদের পাশে দাড়াই!

শেষ কথা———
ভাইয়ারা:
এখন থেকে পচাবেন আরো বেশী করে পচাবেন,যারা আপনাদের প্রতারিত করেছে,যাদের কারণে পুরো নারী জাতিকে পচতে হয়েছে তাদের!

আপুরা:
এখন থেকে আপনারাও চুপ থাকবেন না,যে সব ছেলেরা আপনাদের সরল বিশ্বাস কে ভেঙেছে শুধু তাদেরকেই পচানো শুরু করুন!

“এ বিশ্বে যাহা কিছু চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।
বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ
বেদনা অশ্রুবারি,অর্ধেক তার আনিয়াছে নর,অর্ধেক তার নারী”
-কাজী নজরুল ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *