“আমার পরিচয় আমি বাঙালী…”

মাঝে মাঝে বুঝে পাই না একত্তরে মুক্তিযোদ্ধারা কেন যুদ্ধ করছিল আর দেশটারে স্বাধীনই বা কেন করলো?তারা যুদ্ধ করলো ত বাংলাদেশ নামে একটা স্বাধীন দেশ পাওয়ার জন্য নাকি?যেই দেশে কোন বিভেদ থাকবে না হানা-হানি থাকবে না অন্তত সব ধর্মের মানুষ একসাথে বসবাস করবে এক দেশে শান্তিতে এই টা ত মনে হয় তারা অবশ্যই চাইছিল।


মাঝে মাঝে বুঝে পাই না একত্তরে মুক্তিযোদ্ধারা কেন যুদ্ধ করছিল আর দেশটারে স্বাধীনই বা কেন করলো?তারা যুদ্ধ করলো ত বাংলাদেশ নামে একটা স্বাধীন দেশ পাওয়ার জন্য নাকি?যেই দেশে কোন বিভেদ থাকবে না হানা-হানি থাকবে না অন্তত সব ধর্মের মানুষ একসাথে বসবাস করবে এক দেশে শান্তিতে এই টা ত মনে হয় তারা অবশ্যই চাইছিল।

কিন্তু আফসোস,এখন আজকের এই বাংলাদেশে যুদ্ধ শেষে যুদ্ধের ৪২ বছর পর কি দেখলাম যেই স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করছিল সেই স্বাধীনতার প্রতীক আমাদের জাতীয় পতাকা আর আমাদের মুখের ভাষা যারা যাদের রক্তের বিনিময়ে রক্ষা কইরে গেল তাদের স্মরণে নির্মিত সেই শহীদ মিনার’ই কিনা এখন সুরক্ষিত না।সকল ধর্মের মানুষদের এক সাথে বসবাস সেই টা আর নাই বা বলি।স্বাধীনতা অর্জনের পর আমাদের যেই দেশ দ্রোহীদের দেশ থেকে ধাক্কা দিয়ে বাইর করার কথা ছিল সেই রাজাকারদেরই কিনা আমাদের রাজনৈতিক দল গুলা প্রত্যেক বার নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে এই স্বাধীন বাংলাদেশে।তাদের কে সুযোগ দিতে দিতে এখন এমন অবস্থা হইছে যে আমি ভালো ভাবেই দেখতে পারতেসি ভবিষ্যতে আমাদের কে আরেকটা একাত্তরের মতন যুদ্ধ করতে হবে।আর বর্তমান এই বাঙালী জাতির উপর আমার ভরশা অনেকটা নাই বললেই চলে।কারন এই বাঙালিরাই এই রাজাকারদের কে সুযোগ কইরে দিছে তাদের শাখা-প্রশাখা বানানর জন্য তারা যদি সময় থাকতে এদের কে প্রতিরোধ করতো তাইলে আজকে হয়ত মনিরের মতন ছেলেরা বাংলাদেশের মতন একটা স্বাধীন দেশে আগুনে ঝলশায় নির্মম ভাবে মরতে হইত না তাও আবার স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে।ধর্মের নামে মানুষ হত্যা কোন ধর্ম গ্রন্থে লেখা আমি জানিনা অথবা ককটেল আর বোমা ফুটায় মানুষ মারাই বা কেমনে ধর্ম প্রচার হয় বুইঝে পাই না।

বাঙালী পাবলিক একটা বার ভালো কইরা ভাবো ত তোমরা কাদের জন্য আজকে নিজেরে বাঙালী হিসেবে পরিচয় দেও?একাত্তরে যেই মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হইছিল তাদের জন্য ত।তখন যদি ঐ মুক্তিযোদ্ধারা একজন সেনা থেকে শুরু কইরে সাধারণ কৃষক, তরুন থেকে শুরু কইরে বৃদ্ধ সবাই একবার ভাবো ত তারা যদি তখন যুদ্ধ না করতো তাইলে আজকে তোমরা কই থাকতা আর কেমনেই বা থাকতা?কান খুইলা শুইনা রাখো পাবলিক এই দেশে তোমরা বইসা আরামে সিগারেট ফুকাবা আর আমাদের যেই মুক্তিযোদ্ধারা এখন জীবিত তারা রাস্তায় বইসা ভিক্ষা করবে তা কেমনে হয়।সারা পৃথিবীর উন্নত সকল দেশে যখন তাদের যোদ্ধাদের তাদের মাথায় তুইলে রাখে তাদের জন্য কিনা একটা দিনকে “ভিটারন্স ডে” হিসেবে পালন করে তখন আমরা আমাদের মুক্তিযোদ্ধা রা কেমন আছে সেইটাত জানিই না আমার সন্দেহ আমাদের সমাজে অনেকে আমাদের দেশের সঠিক ইতিহাসটাই হয়ত ভালো ভাবে জানে না।কেমনে জানবে রাজাকারদের যত্ন সহকারে লালন-পালন করছ জানবা কেমনে।যাদের কল্যাণে তুমি আজকে বাঙালী তাদের প্রতি তোমার প্রতিদান আমি আশা করি না খালি একটা কথা বলি ভোট কেন্দ্রে গিয়া যারে খুশি ভোটাও খালি ভোট মারার আগে নিজের পরিচয় টা একবার মনে কইরো…।
“আমার পরিচয় আমি বাঙালী…এবং আমি বাঙালী হিসেবে গর্বিত বোধ করি”

১ thought on ““আমার পরিচয় আমি বাঙালী…”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *