কি লেখা আছে ঐ মদীনা সনদে।।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দেশ চলবে মদীনা সনদ অনুযায়ী। তাই অনেকেই ভাবছেন কি লেখা আছে এই মদীনা সনদে। তাই সকলের অবগতির জন্য মদীনা সনদের মূল বিষয় তুলে ধরলাম।

মদীনা সনদে মোট ৪৭টি শর্ত ছিল। তম্মধ্যে প্রধান শর্ত গুলি তুলে ধরা হলো।

১। সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান, ইহুদী, নাসারা এবং পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমুহ সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করিবে এবং একটি সাধারণ জাতি (উম্মাহ) গঠন করিবে।

২। মুসলমান এবং অ-মুসলমান বিভিন্ন সম্প্রদায় স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করিবে। কেহ কাহারও ধর্মীয় ব্যপারে হস্তক্ষেপ করিতে পারিবে না।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দেশ চলবে মদীনা সনদ অনুযায়ী। তাই অনেকেই ভাবছেন কি লেখা আছে এই মদীনা সনদে। তাই সকলের অবগতির জন্য মদীনা সনদের মূল বিষয় তুলে ধরলাম।

মদীনা সনদে মোট ৪৭টি শর্ত ছিল। তম্মধ্যে প্রধান শর্ত গুলি তুলে ধরা হলো।

১। সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান, ইহুদী, নাসারা এবং পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমুহ সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করিবে এবং একটি সাধারণ জাতি (উম্মাহ) গঠন করিবে।

২। মুসলমান এবং অ-মুসলমান বিভিন্ন সম্প্রদায় স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করিবে। কেহ কাহারও ধর্মীয় ব্যপারে হস্তক্ষেপ করিতে পারিবে না।

৩। কোন সম্প্রদায়ই কোরাইশদের কিংবা বাহিরের অন্য কোন শত্রুর সহিত কোন প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইতে পারিবে না।

৪। স্বাক্ষরকারী কোন সম্প্রদায়কে বহিঃশত্রু আক্রমণ করিলে সকল সম্প্রদায়ের সমবেত শক্তির সাহায্যে সেই বহিঃশত্রুর মোকাবেলা করিতে হইবে।

৫। বহিঃশত্রু কর্তৃক মদীনা শহর কখনো আক্রান্ত হইলে সনদে স্বাক্ষরকারী সম্প্রদায় সমুহ একযোগে শত্রুকে বাধাদান করিবে এবং প্রত্যেক সম্প্রদায় স্ব স্ব যুদ্ধের ব্যয়ভার বহন করিবে।

৬। ব্যক্তিগত অপরাধের জন্য অপরাধীই ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হইবে। তাহার অপরাধের জন্য তাহার সমগ্র সম্প্রদায়কে দায়ী করা চলিবে না।

৭। মদীনা শহরকে পবিত্র বলিয়া ঘোষনা করা হইলো এবং সেখানে রক্তক্ষয়, হত্যা এবং অন্যায়-অনাচার নিষিদ্ধ করা হইল।

৮। অপরাধীকে উপযুক্ত শাস্তি ভোগ করিতে হইবে এবং সর্বপ্রকার পাপী বা অপরাধীকে ঘৃণার চোক্ষে দেখিতে হইবে।

৯। ইহুদীদের মিত্ররাও সমান নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা ভোগ করিবে।

১০। দুর্বল ও অসহায়কে রক্ষা করিতে হইবে।

১১। মুহাম্মদ সাঃ এর পূর্ব অনুমতি ছাড়া কেহই কাহারও বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করিতে পারিবে না।

১২। স্বাক্ষরকারী সম্প্রদায়ের কাহারো মধ্যে কোন বিরোধ উপস্থিত হইলে হযরত নিজে আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী তাহা মিমাংসা করিবেন।

১৩। এই সনদের শর্তাবলি কেহ ভঙ্গ করিলে তাহার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত কামনা করা হইয়াছে।

১৪।হযরত মহাম্মদ সাঃ প্রজাতন্ত্রের (উম্মাহ) সভাপতি হইবেন এবং পদাধিকার বলে তাহাকে মদীনার সর্বোচ্চ বিচারালয়ের কর্তা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হইল।

সত্য সহায়। গুরুজী।।

১৬ thoughts on “কি লেখা আছে ঐ মদীনা সনদে।।

    1. জামায়াতকে বাদ দিয়ে সকলের
      জামায়াতকে বাদ দিয়ে সকলের বেলায় এটা প্রাযোজ্য হবে।

      কারণ জামায়াতের পুরা সংগঠনকেই সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা হয়েছে।

      সত্য সহায়। গুরুজী।

    1. একমাত্র রাজাকার ও
      একমাত্র রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীরা ছাড়া সকলে ই বাংলাকে সোনার বাংলা জানে ও তাকে ভালোবাসে।

      সত্য সহায়। গুরুজী।।

  1. ৪৭টি শর্তের মধ্যে আপনি যে
    ৪৭টি শর্তের মধ্যে আপনি যে ১৪টি শর্ত কোট করলেন এর মধ্য থেকে ৩,৫,৭,১১,১৩,১৪ এই ৬টি শেখ হাসিনা তথা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয় ।
    আপনি এই পোষ্টটির মাধ্যমে কি বুঝাতে চাইলেন কিছুই তো বুঝলাম না?

    1. ওগুলোও বাংলাদেশের জন্য
      ওগুলোও বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য। শুধু মাত্র স্থান ও বংশটা পরিবর্তন করে নিলেই হয়।

      সত্য সহায়। গুরুজী।।

  2. ১। সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান,

    ১। সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান, ইহুদী,
    নাসারা এবং পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমুহ
    সমান নাগরিক অধিকার ভোগ
    করিবে এবং একটি সাধারণ জাতি (উম্মাহ)
    গঠন করিবে।

    অর্থাৎ কোন সম্প্রদায় অতিরিক্ত অধিকার ভোগ করতে পারবে না। এতে অস্প্রদায়িকতার কথা বলা হয়েছে। সকলেই সমান ক্ষমতার অধিকার হবে । তাহলে আমাদের সংবিধান হতে “বিসমিল্লাহ ……(বানান টা জানা নেই)… রাহিম” কথা টা তুলে দেয়া প্রয়োজন।

    ২। মুসলমান এবং অ-মুসলমান বিভিন্ন
    সম্প্রদায় স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম
    পালন করিবে। কেহ কাহারও ধর্মীয়
    ব্যপারে হস্তক্ষেপ করিতে পারিবে না।

    আর ২ তাহলে ধর্ম প্রচারের নামে তারা অন্য ধর্মাবলোম্বীদের ওপর জুলুম তার পর মানসিক প্রেসার কেন দেয়। অন্যের ধর্ম পালন নিয়ে কেন প্রশ্ন তোলে। তাহলে তারাই তো এই সনদ অবমাননা করছে

    1. বিসমিল্লাহি রাহমানির রাহিম।
      বিসমিল্লাহি রাহমানির রাহিম।

      এটা আরবি কথা। এর বাংলা হলো-

      শুরু করিতেছি দাতা দয়ালু স্রষ্টার নামে। তো আপনি যে সম্প্রদায়েরই হউন না কেন? শুরু করিতেছি দাতা দয়ালু স্রষ্টার নামে। বাক্যটি বলতেই হবে। আপনি আরবিতে বলতে না চাইলে- আপনাকে কেউ বাধা দিবে না।

      এটা ধর্মের জুলুম নয়, এটা সাম্প্রদায়ীক জুলুম। এই সাম্প্রদায়ীক জুলুম বন্ধে, ইসলাম বা শান্তি ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তবেই বন্ধ হবে এই সাম্প্রদায়ীক নির্যাতন।

      সত্য সহায়। গুরুজী।।

      1. এই
        সাম্প্রদায়ীক জুলুম বন্ধে,

        এই
        সাম্প্রদায়ীক জুলুম বন্ধে, ইসলাম
        বা শান্তি ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত
        করতে হবে। তবেই বন্ধ হবে এই
        সাম্প্রদায়ীক নির্যাত

        অর্থাৎ অমুসলিম দের মুসলিম করতে হবে সেই একই হয়ে গেল না!! তাহলে অন্য ধর্মাবলম্বী থাকলো কি করে??
        তাহলে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনের স্বাধিনতা কি করে দেয়া হল। তাকে তো ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে তায় নয় কি? ইসলাম গ্রহন করুন নয়তো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হবে।

        আসলে মদিনা সনদ এর এই কয়েকটি পয়েন্ট যা পড়লাম তা অসাম্প্রদায়িক সম্যবাদের নীতিরই বহি:প্রকাশ কিন্তু আমাদের মত পণ্ডিতেরা উল্টো বোঝে

  3. অর্থাৎ অমুসলিম দের মুসলিম

    অর্থাৎ অমুসলিম দের মুসলিম করতে হবে সেই একই হয়ে গেল না!! তাহলে অন্য ধর্মাবলম্বী থাকলো কি করে??

    মহাবিশ্বে মোট দুটি ধর্ম বিরাজমান। এক শান্তি বা ইসলাম ধর্ম ও দুই অ-শান্তি বা শান্তি আচ্ছাদনকারী বা কাফের ধর্ম। এখন আপনি যদি নিজে শান্তিতে থাকতে চান, তাহলে আপনি শান্তি ধর্মের লোক আর যদি আপনি অ-শান্তিতে থাকতে চান, তাহলে আপনি কাফের।

    যাহার চিন্তা, বাক্য ও কর্ম-নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োযিত, সেই ইসলাম বা শান্তি ধর্মের লোক।

    আর যাহার চিন্তা, বাক্য ও কর্ম-নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োযিত, সেই অ-ইসলাম বা অ-শান্তি বা কাফের ধর্মের লোক।

    সত্য সহায়। গুরুজী।।

    1. আপনি তাহলে অন্য ধর্মকে
      আপনি তাহলে অন্য ধর্মকে স্বাধীনতা কোথা থেকে দিলেন?
      আপনি নিজেই বলছেন সকল সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে তাহলে আবার নিজেই বলেন অন্য ধর্ম অশান্তির্।

      যেহেতু প্রত্যেক সম্প্রদায়ের স্বাধীনতা আছে অন্য ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করবার অধিকার আপনি পেলেন কি করে???

      বলুন !! অশান্তির ধর্ম বললেন কেন?
      অন্য সম্প্রদায়কেই তো রাখতে চাচ্ছেন না তবে কি করে সকল সম্প্রদায়ের ব্যক্তি থাকবে????

      1. আপনি ধর্ম ও সম্প্রদায়কে
        আপনি ধর্ম ও সম্প্রদায়কে গুলিয়ে ফেলছেন। নিজ নিজ সম্প্রদায়ের কর্মকান্ড নিজ নিজ সম্প্রদায় করবে ইহাতে কোন বাধা থাকবে না। কিন্তু যাহার দ্বারা শান্তি বিঘ্নিত হবে, তাকেই প্রতিহত করতে হবে, প্রয়োজনে তাকে উচ্ছেদ করতে হবে। সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন।

        তবেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে।

        ——————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————————

        যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন।

        আর-যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই অ-ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।।

        সত্য সহায়। গুরুজী।।

        1. সেই একই কথা বলছেন ইসলাম
          সেই একই কথা বলছেন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে গেলে কি করে অন্য ধর্ম কে স্বাধীনতা দেন?

          আর বিস্ব অশান্তি যে কারা ছড়ায় তা তো দেখাই যায় আপনি হলে একটা ছাগু তা আগেই আঁচ করতে পেরেছিলাম

          1. আমার কথা বুঝতে হলে আপনার এই
            আমার কথা বুঝতে হলে আপনার এই মাথা দিয়ে বুঝা সম্ভব নয়। আরও কয়েক লাখ জনম পাড়ি দিয়ে এসে, তার পরে চেষ্টা কইরেন আমার কথা বুঝতে।
            ——————————————————————————————————————————————————————————————————————————–
            যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন।

            আর-যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই অ-ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।।

            সত্য সহায়। গুরুজী।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *