আশি বছর পড়ে

কোন এক শরতের বিকেলে,
চায়ের কাঁপ হাতে বারান্দায় দু-জন।
আমাদের সেইসব খুনসুটি, মান অভিমান, টেনশন,
ভালোবাসার পাগলামি ভেবে হবে হাসাহাসি।

আমি তখন বলব হেসে আজও তো আমার ভালোবাসা এতটুকু কমে নি,
তুমি বলবে মুখ বেঁকিয়ে আশি বছরের বুড়োর মুখে ভালোবাসার কথা শুনলে,
লোকে বলবে বুড়োর ভীমরতি হয়েছে।



কোন এক শরতের বিকেলে,
চায়ের কাঁপ হাতে বারান্দায় দু-জন।
আমাদের সেইসব খুনসুটি, মান অভিমান, টেনশন,
ভালোবাসার পাগলামি ভেবে হবে হাসাহাসি।

আমি তখন বলব হেসে আজও তো আমার ভালোবাসা এতটুকু কমে নি,
তুমি বলবে মুখ বেঁকিয়ে আশি বছরের বুড়োর মুখে ভালোবাসার কথা শুনলে,
লোকে বলবে বুড়োর ভীমরতি হয়েছে।

আমি তখন বলব হেসে আমার না হয় হয়েছে আশি,
তোমার হয়েছে কত?
আটাত্তর পেরিয়েছ এ বুকেই কিন্তু মাথা রেখে।
তুমি তখন লজ্জায় মুখ ফিরাবে ওইদিকে।

এই খুনসুটি করতে চাই আরও এক শত বছর।
তোমাকেই ভালোবেসে তোমার উষ্ণ আবেশে।

১ thought on “আশি বছর পড়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *