ধর্ষণ প্রতিরোধে বর্তমান প্রযুক্তি এবং কার্যকরী কৌশল

বর্তমান বিশ্বের সব থেকে আলোচিত ঘটনা হল ধর্ষণ। সারা বিশ্বেই ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন আইন, রয়েছে সচেতনতা আর মানুষের মানবিকতা। কিন্তু তবুও ঠেকানো যাচ্ছে না ধর্ষণের ঘটনা। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে নারীদের সাথেই। ফলে ঘরে-বাইরে সর্বত্রই নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।


বর্তমান বিশ্বের সব থেকে আলোচিত ঘটনা হল ধর্ষণ। সারা বিশ্বেই ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন আইন, রয়েছে সচেতনতা আর মানুষের মানবিকতা। কিন্তু তবুও ঠেকানো যাচ্ছে না ধর্ষণের ঘটনা। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে নারীদের সাথেই। ফলে ঘরে-বাইরে সর্বত্রই নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

যেহেতু ধর্ষণ প্রতিরোধে আইন বা মানবিকতা কোন কিছুই যথেষ্ট নয় তাই ভাবতে হচ্ছে বিকল্প নিয়ে। কীভাবে ধর্ষণের হাত থেকে নিজেদের বাঁচানো যায়, এ নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। আর গবেষণার মাধ্যমে বের হয়ে এসেছে বেশ কিছু প্রযুক্তি। নিম্নে ধর্ষণ প্রতিরোধে কয়েকটি প্রযুক্তি নিয়ে আমি আলোচনা করছি এবং শেষে ধর্ষণ প্রতিরোধে আমার আবিষ্কৃত কৌশল আলোচনা করছিঃ

পেন্টি প্রযুক্তিঃ ধর্ষণ প্রতিরোধে সম্প্রতি আমেরিকার বাজারে এসেছে এক ধরনের বিশেষ পেন্টি। নিউইয়র্কের রুথ ও জুভাল নামে দুই মহিলা বেশ কয়েক বছর গবেষণার পর এক ধরনের বিশেষ অন্তর্বাস তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের মতে, ধর্ষণ ঠেকাতে বা এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় এই অন্তর্বাস সহায়ক হবে। এ ধরনের বিশেষ পেন্টিতে রয়েছে পাসওয়ার্ড সিস্টেম যা ধর্ষক টানা-হেঁচড়া করলে ছিঁড়বে তো নাই উল্টা বরং বৈদ্যুতিক শক দিয়ে দিবে। রাতের বেলা একা চলাচল করার সময় বা একা ভ্রমণে, নৈশ ক্লাবে যাওয়া-আসার সময় এ ধরনের অন্তর্বাস ধর্ষণ প্রতিরোধে খুবই সহায়ক হবে বলে প্রচার করা হচ্ছে। এজন্যে একটি প্রকল্পে ৫০ হাজার ডলার তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ১৭ দিনে সেখানে ৩৭ হাজার ডলারও মিলে গেছে। অনলাইনে এ ধরনের অন্তর্বাস বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়ার পর তা বিক্রিও হচ্ছে বেশ।

আংটি প্রযুক্তিঃ অন্যদিকে ভারতের কর্ণাটকের এক ফার্মাসিস্ট ধর্ষণ ঠেকাতে নতুন ধরনের এক আংটির কথা জানান; যা মহিলাদের সাহায্য করবে ধর্ষণ প্রতিরোধে। ফার্মাসিস্টের নাম ইমরান খান। ইমরান খান দাবি করেন, নারীদের নিরাপত্তা দেয়ার একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে কোনো পুরুষ কোনো নারীকে ধর্ষণ বা শারীরিক নির্যাতন করতে পারবে না। তিনি জানান, তিনি আবিষ্কার করেছেন একটি আংটি যার নাম স্ট্রিং বি সিলভার রিং। এতে ব্যবহার করেছেন একটি রাসায়নিক যৌগের তরল।

স্ট্রিং বি সিলভার রিং পরতে হবে নারীদের ডান হাতের তর্জনিতে। কোনো পুরুষ তাকে ধর্ষণে উদ্যত হলে বা শারীরিক নির্যাতনের চেষ্টা করলে আংটি থেকে বাঁটন পুশ করতে হবে আর সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়বে ওই পুরুষ। ইমরান বলেছেন, গত ১৬ ডিসেম্বরে দিল্লিতে যে গণধর্ষণ হয় তা তাকে এ ডিভাইস আবিষ্কারে উদ্বুদ্ধ করেছে। ইমরান খানের বয়স এখন ৩০ বছর। তিনি এই আংটির নাম দিয়েছেন স্ট্রিং বি। এটি সিলভারের একটি আংটি। এর সামনের দিকে আছে ক্যাপসাইসিন নামে একটি রাসায়নিক যোগ্য। এটি আংটির ভেতরে লুকানো অবস্থায় ক্ষুদ্র একটি চেম্বারে জমা রাখা থাকবে। এটি আক্রমণকারীর ওপর প্রয়োগ করলেই সে দুর্বল হয়ে পড়বে।

ব্রা প্রযুক্তিঃ এদিকে ভারতের তিন শিক্ষার্থী নারীদের জন্য অভিনব আরেক ধরনের ব্রা তৈরি করেছেন বলে জানা যায়। এটি পরিহিত কেউ আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে সে বার্তা চলে যাবে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের কাছে। পাশাপাশি হামলাকারী পাবে উচ্চমাত্রার ইলেকট্রিক শক। বিশেষ এই ব্রা উদ্ভাবন করেছেন চেন্নাইয়ের এসআরএম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন প্রকৌশলী। তারা হলেন মনীষা মোহন, নীলাদ্রি বসু ও রিম্পি ত্রিপাঠি।

মনীষা বলেন, এই ব্রাতে থাকবে একটি ডিভাইস যেটা জিপিএস আর জিএসএম ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকা ছাড়াও এতে থাকবে শক প্রযুক্তি। ফলে ব্রার উপর অস্বাভাবিক চাপ পড়লে সেটা থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বার্তা চলে যাবে পুলিশ আর পরিবারের সদস্যদের কাছে। এছাড়া এটি হামলাকারীকে ৩,৮০০ কিলো-ভোল্টের শক দিতে পারবে। একবার দুবার নয়, ৮২ বার। বিশেষভাবে তৈরি এই অন্তর্বাসের দাম যেন সবার হাতের নাগালে থাকে সে চেষ্টাও করা হবে বলে জানান মনীষা। কারণ তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে নারীর সুরক্ষা, মুনাফা অর্জন নয়।

অণ্ড থেরাপিঃ তবে এতোসব প্রযুক্তি আমাদের মেয়েরা কবে পাবে তার নিশ্চয়তা নেই। তাই ধর্ষণ প্রতিরোধে আমার আবিষ্কৃত কৌশলটি হল অণ্ড থেরাপি। ধর্ষণ যখন নিশ্চিত আর আপনি যদি তা সাকা চৌধুরীর মতো উপভোগ নাও করেন এবং বুঝেন যে সে আপনার চেয়ে অনেক শক্তিশালী তাহলে তাকে আর বাধা দেবার চেষ্টা করবেন না। বরং তাকে সহযোগিতা করার অভিনয় করুন। একটা পর্যায়ে সুযোগ বুঝে তার অণ্ডকোষটা চেপে ধুরুন। শরীরের যত শক্তি আছে তা হাতে প্রয়োগ করুন। আপনার লক্ষ্য ২ টা, প্রথমত, লিঙ্গ থেকে অণ্ডকোষকে টেনে ছিঁড়ে ফেলে আলাদা করা আর দ্বিতীয়ত অণ্ডকোষের দুটি অণ্ডকে একেবারে পিশে গুঁড়িগুঁড়ি করে ফেলা।

এই লক্ষ্যে আপনি SUCK করার অভিনয় করে অণ্ডকোষ মুখের ভিতর নিয়ে দাত দিয়ে থেঁতলে দিতে পারেন যতটা সম্ভব। কতখানি পারবেন তা আপনার পারফর্মেন্সের উপর কিন্তু এইটুক বলতে পারি খুব শক্তিশালী কোন পুরুষও অণ্ডকোষে বড় প্রেশার পেলেই মারা যেতে পারে। আর মোটামুটি প্রেসার পেলেই অজ্ঞান হয়ে যাবে, আর অজ্ঞান না হলেও আগামী কয়েক ঘণ্টায় তার ধর্ষণ করার মতো কোন অবস্থাই থাকবে না।

এতোকিছু সম্ভব না হলে দাড়িয়ে পুরুষটির দুই পায়ের সন্ধিস্থলে সর্বশক্তি প্রদান করে একটা লাথি মারুন । মনে রাখবেন আপনার লাথি অবশ্যই তার অণ্ডে লাগতে হবে। তার যেমন উদ্দেশ্য আপনার যোনী আর আপনার উদ্দেশ্য থাকবে তার অণ্ড। সকল নারীদের বলছি উপরের অণ্ড থেরাপি শুধুমাত্র ধর্ষকদের জন্য প্রযোজ্য। দয়া করে টেস্ট করার জন্য বা ফাজলামি করার জন্য বয়ফ্রেন্ড স্বামী বা অন্য কারো সাথে ইহার সামান্যতম প্রয়োগ করবেন না। মনে রাখবেন একটি দুর্ঘটনা কিন্তু সারা জীবনের কান্না।

৪ thoughts on “ধর্ষণ প্রতিরোধে বর্তমান প্রযুক্তি এবং কার্যকরী কৌশল

  1. আপনার দেয়া থেরাপিটা(অন্ড
    আপনার দেয়া থেরাপিটা(অন্ড থেরাপি) মন্দ নয় ।এই থেরাপিটা অত্যন্ত কার্যকরী, সাশ্রয়ী, ও সময়োপযোগী ।একমাত্র হাত পা বাধা না থাকলে ভিকটিম এই পদ্ধতিটি অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *