The Green Mile– নির্মম বাস্তব, অভাবিত পরাবাস্তব আর আত্নগ্লানিময় কিছু যন্ত্রণার উপাখ্যান…

আমরা মানুষেরা বিধাতার খুব অদ্ভুত এক সৃষ্টি। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে যদিও আমাদের পাঠানো হয়েছে, কিন্তু এই আমরাই খুব ঠাণ্ডা মাথায় নিষ্পাপ মুখভঙ্গিতে অবলীলায় করে ফেলি জগতের সব রোমহর্ষক অভাবিত নিকৃষ্ট কাজগুলো। তারপর ভাবটা দেখাই যেনো এটা হবারই ছিল।



আমরা মানুষেরা বিধাতার খুব অদ্ভুত এক সৃষ্টি। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে যদিও আমাদের পাঠানো হয়েছে, কিন্তু এই আমরাই খুব ঠাণ্ডা মাথায় নিষ্পাপ মুখভঙ্গিতে অবলীলায় করে ফেলি জগতের সব রোমহর্ষক অভাবিত নিকৃষ্ট কাজগুলো। তারপর ভাবটা দেখাই যেনো এটা হবারই ছিল। যার ফলে বাধ্য হয়েই স্রষ্টা আমাদের এই নির্দয়, রুঢ় এই বাস্তুবতার মাঝে কিছু ব্যাখ্যাতীত অবাস্তবতা ঢুকিয়ে দেন। যেন এক মুহূর্তের জন্য হলেও আমরা থমকে যাই, একটু গভীরভাবে চেয়ে দেখি আমরা আসলে কি করছি। হোক না সেটা পরাবাস্তবতার মোড়কে…

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের এক ওল্ড হোম,১৯৯৯ সাল। টপ হ্যাট মুভিটা দেখার সময় হঠাৎ কোন এক অদ্ভুত কারণে Paul Edgecomb নামের এক অতীশিপর বৃদ্ধ কাঁদতে শুরু করেন। তার সবচেয়ে ভালো বন্ধু Elaine যখন তার এ হঠাৎ কান্নার কারন জিজ্ঞেস করেন, তখন বৃদ্ধ ফিরে যান ১৯৩৫ সালের গ্রীষ্মে, Cold Mountain Penitentiary নামের এক জেলে তিনি যখন প্রিজন অফিসার ছিলেন। মৃত্যুদণ্ড হয়ে যাবার পর আসামিদের শেষবারের মত যে ওয়ার্ডে/ব্লকে রাখা হয়, সেরকম একটা ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা প্রিজন অফিসার ছিলেন পল। এই ধরনের ওয়ার্ডগুলোকে বলা হয় মাইল। পল তার ওয়ার্ডের নাম দিয়েছিলেন গ্রিন মাইল। তাদের প্রধান দায়িত্ব হল ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে কয়েক হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। যেহেতু জীবনের শেষকয়েকটা দিন আসামিরা তাদের সাথে থাকতে আসে, সুতরাং তারা যেন শান্তিতে এবং অনুশোচনায় তাদের শেষদিনগুলো অতিবাহিত করতে পারে, সেইদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখেন এই গ্রিন মাইলের অফিসাররা। এব্যাপারে পল একদিন বলেছিলেন,

We think of this place like an intensive care ward of a hospital.

কয়েকদিন পর হঠাৎ এক দৈত্য এল। একজন বিশাল আফ্রিকান নিগ্রো, দুটো নিষ্পাপ ফুটফুটে বাচ্চা মেয়েকে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ এবং নির্মমভাবে হত্যার অপরাধে ইলেকট্রিক চেয়ারের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রায় দেয়া হয়েছে। খুব অবাক হয়ে ব্লকের সব অফিসার এবং অপরাধীরা লক্ষ্য করল, দেখতে বিকট আর ভয়ানক প্রচণ্ড অশুভ কিছুর ইঙ্গিত দেয়া এ অপরাধীর চোখ দুটো শিশুর চোখের মত নিস্পাপ আর কোমল।পুরোপুরি বিভ্রান্ত হয়ে পল যখন অপরাধীকে তার নামের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তিনি আরেকদফা চমকালেন। পাহাড়ের মত বিশাল ঐ শরীর থেকে যে কণ্ঠস্বরটা বেরিয়ে এল, তাকে মোটেও নির্মম ও ভয়াবহ কোন অপরাধীর কণ্ঠের মত লাগলো না। বরং মনে হল নিকৃষ্ট এই পৃথিবীর আরও নিকৃষ্ট এই মানুষগুলোর মাঝে হঠাৎ ভুল করে চলে আসা কোন দেবদূত। কাঁপাকাঁপা গলায় সে বলল,

My Name is John Coffey, Sir, boss.
Like the drink, only not spelled the same.

তার আগে আপনাদের সাথে একটা অশুভ আত্মার পরিচয় করিয়ে দেই। গভর্নরের শালা Percy Wetmore গ্রিন মাইল প্রিজনে নতুন অফিসার হিসেবে জয়েন করেছে। প্রচণ্ড অহংকারী, ভয়াবহরকমের স্যাডিস্ট এবং নিকৃষ্ট কাপুরুষ, অতি সংক্ষেপে পার্সি সম্পর্কে বলতে গেলে এই কথাগুলো পারফেক্ট। নিজের অযোগ্যতা ঢাকতে অপরাধীদের সাথে নির্মমতাকে একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে স্থির করা পার্সি সবাইকে নিজের প্রজা মনে করতে ভালবাসে। একমাত্র সরকারের উচ্চপর্যায়ের সাথে ভালো যোগাযোগ থাকার কারণে তাকে কেউ কিছু বলতে পারে না।

কফির কথা বলি। বাচ্চার মত সরল এই আসামী অন্ধকারে ভয় পায়। ঝড়ের রাতে প্রচণ্ড আতংকে নীল হয়ে যায় !! অথচ সে একজন ভয়ংকর অপরাধে দন্ডিত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী!!কফি একদিন খেয়াল করল পল প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতরায়, কিন্তু কাওকে কিছু বলে না। সে পলকে তার সেলের সামনে ডাকল। মুত্রনালীর ইফেকশনে প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর পল তখনও জানতেন না, কত বড় এক চমক অপেক্ষা করছে তার জন্য। খুব সাবধানে পল কফির সেলের সামনে গিয়ে পৌছালেন। আর তারপর যা ঘটল, সেটা পল বোধহয় স্বপ্নেও কোনদিন কল্পনা করেননি। কাঁপাকাঁপা ভয়ার্ত গলায় পল যখন কফিকে জিজ্ঞেস করলেন, সে এটা কি করল, তখন কফি শিশুর সারল্যে জবাব দিল,

Paul Edgecomb: What did you just do to me?
John Coffey: I helped it. Didn’t I help it? I just took it back, is all. Awful tired now, boss. Dog tired.

অবাক বিস্ময়ে হঠাৎ পল আবিস্কার করলেন, যে যন্ত্রণা তাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল গত ৪ বছর, তার বিন্দুমাত্র কিছু অবশিষ্ট নেই। কফির ক্লান্ত হাসিমাখা মুখের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ পল বুঝতে পারলেন, কোথাও একটা বড় ধরনের গোলমাল হয়েছে। তার সামনে দাঁড়ানো এই মানুষটার ঐ লোহার শিকের পেছনে থাকার কথা নয়। বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হল যখন প্রমান হল মৃতের ভেতর আবার প্রানসঞ্চারের এক অভাবিত ক্ষমতা রয়েছে এই মানুষটার। কিন্তু কিভাবে? এবং কেন? সৃষ্টিকর্তা যাকে এতো অভূতপূর্ব এক ক্ষমতা দিয়েছেন, সে কিভাবে কল্পনার অতীত ঐ জঘন্য কাজটি করতে পারে? যদি সে এই কাজটি না করে, তবে কেন স্রষ্টা শিশুর মত একজন নিষ্পাপ মানুষকে এতো বড় শাস্তি দিচ্ছেন? এর জন্য কে দায়ী? কফি? কফির চারপাশের মানুষ নামের অচেনা প্রাণীগুলো নাকি কফির স্রষ্টা ??

Stephen King এর উপন্যাস অবলম্বনে Frank Darabont এর পরিচালনায় American drama film দা গ্রিন মাইল মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। Michael Clarke Duncan, টম হ্যাঙ্কস, David Morse, Bonnie Hunt, and James Cromwell প্রমুখের স্পিচলেস অভিনয়ে এই মুভিটি মনোনীত হয়েছিল ৫ টি অস্কার পুরস্কারের জন্য। রটেন টোম্যাটোতে ৮০% দর্শক তাদের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন আর আইএমডিবিতে পৌনে ৫ লাখ মানুষের মুগ্ধতা ছড়িয়েছে এর ১০ এ ৮.৫ স্কোর। প্রথমবার Best Supporting Actor ,Best Picture, Best Sound, and Best Adapted Screenplay তে অস্কার মনোনয়ন পাবার পরও অস্কার জিততে না পারার অতৃপ্তি মুছে যায় ২০০০ সালের Academy of Science Fiction, Fantasy & Horror Films পুরস্কারে। জন কফি চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য Michael Clarke Duncan সেরা পার্শ্বঅভিনেতার পুরস্কার জিতে নেন। আরও অস্কার পান Patricia Clarkson সেরা পার্শ্বঅভিনেত্রীর ভুমিকায় অভাবিত অভিনয়ের জন্য। আর গ্রিন মাইল নির্বাচিত হয় Best Action/Adventure/Thriller Film । মুভি ক্রিটিক রজার গ্রেট এবারট এই মুভিকে ৪য়ে দিয়েছেন সাড়েতিন এবং বলেছেন এটা তার দেখা অন্যতম সেরা অভিনয়…

জন কফি চরিত্রে মাইকেল ক্লার্ক ডানকানের অভিনয় আর পল এজকম্ব চরিত্রে টম হ্যাঙ্কসের অভিনয় নিয়ে বলার মত আসলে কোন ভাষা জানা নেই। কতটা ডেডিকেশন থাকলে একটা ক্যারেকটারের হাসি-কান্না আর দর্শকের হাসিকান্না মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়, সেটা জানতেও একবার এই মুভিটা দেখা উচিৎ। শুধু অভিনয়ই নয়, সমকালীন সমাজ ব্যবস্থার ভঙ্গুর উদ্ভট নিয়মনীতি, মানব মনের অতি বিচিত্র সব কুঠুরি আর সেই কুঠুরির মাঝে থাকা অভাবিত সব চিন্তাধারা, সেই চিন্তায় তৈরি ভাল-মন্দ, শুভ-অশুভ সব ঘটনার গভীর বিস্লেশন, টান টান স্টোরিলাইন, তারসাথে অদ্ভুত বৈচিত্র্যময় অসাধারন সব ডায়লগ এবং সবকিছুর ভেতরে স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠা একটা সরল বার্তা– বিধাতা আমাদের চোখদুটো শুধু দৃশ্যমান বস্তু দেখার জন্য দেননি, দৃশ্যমানের ঠিক পেছনে থাকা আপাত অদৃশ্য কিন্তু অনন্য অসাধারণ কিছু দেখার জন্যও দিয়েছেন, আর কি চাই আপনার? বিশেষ করে জন কফির এই ডায়ালগটা আমাদের খুব অদ্ভুত অপরাধী বানিয়ে দেয়…

John Coffey: People hurt the ones they love. That’s how it is all around the world.

যদি আজো দেখা না হয়ে থাকে এই মাস্টারপিস, দেরি না করে বসে পড়ুন। হয়তোবা মশলা ছবির নাচাগানা নেই, নেই চোখ ঝলসানো গ্লামারাস, কিন্তু আমি আপনাকে নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি, জীবনবোধের এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা লাভ করবেন আপনি এই মুভি দেখে, জন কফির নিষ্পাপ চাহনি ভেতরে থাকা শিশুর সারল্য আর পল এজকম্বের বিস্ময়কর যন্ত্রণাদায়ক উপলব্ধি আপনাকে হয়তোবা দাড় করিয়ে দেবে আত্নগ্লানির ধূসর এক আয়নার সামনে, পলের মত আপনিও হয়তোবা বলে উঠবেন—

We each owe a death – there are no exceptions – but, oh God, sometimes the Green Mile seems so long.

http://www.imdb.com/title/tt0120689/quotes

http://www.rogerebert.com/reviews/the-green-mile-1999

http://yify-torrents.com/movie/The_Green_Mile_1999

৩১ thoughts on “The Green Mile– নির্মম বাস্তব, অভাবিত পরাবাস্তব আর আত্নগ্লানিময় কিছু যন্ত্রণার উপাখ্যান…

  1. টম হাঙ্কস । বসদের বস !
    টম হাঙ্কস । বসদের বস !

    রিভিউ বরাবরের মতোই আকর্ষণীয় । মুভি দেখতে উৎসাহী করবে । আমি দেখে নিয়েছিলাম ।

    রিভিয়তে বসের একটা পিক দাবী করি । 🙂

    1. ধন্যবাদ জানবেন সিফাত ভাই
      ধন্যবাদ জানবেন সিফাত ভাই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: … আপনার রিভিউ চাই :জলদিকর: … “ভালোবাসা জিন্দাবাদ” মুভিটার রিভিউ দিয়ে দেন ইষ্টিশনে… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. টম হ্যাংকসের দুইটা ছবি দেখা
    টম হ্যাংকসের দুইটা ছবি দেখা বাকী আছে এটা তার একটা। ভাগ্যিস দেখিনি। কারন চমৎকার এই রিভিউটি পড়ার পর মুভি দেখার আনন্দ কয়েকগুন বেড়ে যাবে। এটাই রিভিউ লেখক হিসেবে আপনার সার্থকতা। দারুন লিখেছেন ডন ভাই। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. আপনারা এই অধমকে অবিরাম উৎসাহ
      আপনারা এই অধমকে অবিরাম উৎসাহ দেন বলেই সামান্য লেখালেখি করার সাহস করি। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: তাই এই লেখালেখির কৃতিত্ব আমার যতটা, আপনাদেরও কোন অংশে কম নয়… :ভাবতেছি: :নৃত্য:

      অশেষ ধইন্নাপাতা সহ অজস্র গোলাপ রইল… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল:

  3. যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা

    যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের এক নার্সিং হোম,১৯৯৯ সাল।

    আমি ঠিক বুঝতে পারিনাই নার্সিং না ওল্ড হোম হবে। আরও একটা বিষয় ছিল এই মুভিতে আমার মনে হয়,

    যে শাস্তি টা পলকে পেতে হয় সেটা হচ্ছে বেঁচে থাকার কষ্ট। দীর্ঘ জীবন নিয়ে বেঁচে থাকা। কফি মানুষের কষ্ট নিজে গ্রহণ করে মারা যায় আর পলকে বেঁচে থাকার মাধ্যমে কষ্টটা গ্রহণ করতে হয়।
    কিন্তু কেন এই কষ্ট মানুষকে ভালবাসার কষ্ট!!!
    মানব মনের বিভিন্ন প্রকাশ, রাগ, অপরাধ, ঘৃণা ভালবাসার মিশ্রণে এক অভূতপূর্ব চ্চলচিত্র।
    অনেক ভাল রিভিউ হয়েছে ডন ভাই।

    1. আমারও কেন যেন মনে হচ্ছিল ওইটা
      আমারও কেন যেন মনে হচ্ছিল ওইটা ওল্ড হোম হবে, কিন্তু অন্য সবখানে নার্সিং হোম দেখে কনফিউজ হয়ে গেছিলাম। :মাথাঠুকি: যাই হোক, আমরা দর্শক, আমাদের পর্যবেক্ষণই শেষ কথা… :চশমুদ্দিন: ঠিক করে দিলাম…

      আর আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ দেয়া যায় ভেবে না পাওয়ায় আপাতত গোলাপ দিলাম… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ভেংচি: :বুখেআয়বাবুল: 😀

  4. ডাউনলোড হচ্ছে।আশা করি
    ডাউনলোড হচ্ছে।আশা করি রাত্রের মধ্যে দেখতে পারবো।চমৎকার রিভিউটির জন্য ডন ভাইকে অফুরন্ত ধন্যবাদ।

    1. কষ্ট সার্থক হল আসেন
      কষ্ট সার্থক হল :নৃত্য: :নৃত্য: :ধইন্যাপাতা: আসেন ভাই বুকে আসেন… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: 😀

      1. ৬৭২ মেগাবাইট খরচা করে ইউটিউব
        ৬৭২ মেগাবাইট খরচা করে ইউটিউব থেকে নামানোর পর যদি ছবিটি না চলে তখন কতটা ব্যাথিত হতেপারে মন তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।কিছু মেগাবাইট বাঁচাতে আপনার দেয়া লিঙ্ক থেকে না নামিয়ে পুরাই বাংলা ধরা খাইলাম ডন ভাই।কথায় আছে কৃপনের ধন বক্ষিলায় খায়।আমার মেগাবাইট ইউটিউব খাইল।

        1. এইটা কিছু হইল??? হায়
          এইটা কিছু হইল??? :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: হায় হায়… আপনে ইউটিউব থেইকা নামাইতে গেলেন ক্যান?? :এখানেআয়: আমারে বললেই তোঁ হইত, আমি ডিরেক্ট ডাওনলোড লিংক দিয়ে দিতাম :মানেকি: … ৬৭২ মেগা :মাথানষ্ট: … কেউ আম্রে মাইরালা… কষ্ট পাইলাম, ভাই বিশাল কষ্ট পাইলাম… :মাথাঠুকি: :কানতেছি: :মনখারাপ: :আমারকুনোদোষনাই:

        2. মুভিটা কি পড়ে দেখতে পারছিলেন
          মুভিটা কি পড়ে দেখতে পারছিলেন শঙ্খনীল ভাই :মাথাঠুকি: … কিছু তো জানাইলেন না?? :চিন্তায়আছি: :-B :জলদিকর: :অপেক্ষায়আছি: :আমারকুনোদোষনাই:

    1. ওয়েল, আপ্নেরে তো আর বুকে
      ওয়েল, আপ্নেরে তো আর বুকে ডাকতে পারতেছি না :মাথাঠুকি: :ভেংচি: :আমারকুনোদোষনাই: … কি আর করা :কানতেছি: … আপ্নেরে চায়ের দাওয়াতই দিয়া দিলাম তিতলি আপু… :চা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :চশমুদ্দিন:

  5. গুরুর এই ছবিখানা দেখা হয় নি।
    গুরুর এই ছবিখানা দেখা হয় নি। সংগ্রহের কাজও শেষ। গতরাতে শুরু করে দেখি ৩ ঘণ্টার একদিন সময় করে দেখে ফেলব। ডন-ভাই আপনার রিভিউ সোজা প্রিয়তে…
    মুভি দেখার পরে আবার পড়ে তারপর আপনার রিভিউ সম্পর্কে কথা বলব!!
    একজন অবিরত ফিল্ম নিয়ে লিখে যাচ্ছেন এইটাই সবচে বড় পাওয়া আসেন :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:
    :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ:

    1. উপযুক্ত শব্দ খুঁজে না পাওয়ায়
      উপযুক্ত শব্দ খুঁজে না পাওয়ায় আপাতত কিছু বলতে পারছি না… :মাথাঠুকি: :খাইছে: :মাথানষ্ট: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: জাস্ট মন্তব্য করেই কাওকে অসম্ভব অনুপ্রেরণা দেবার এরকম গুন সবার মাঝে থাকে না… :তালিয়া: :মুগ্ধৈছি: :থাম্বসআপ: :ফুল: বুকে আসেন ভাই… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ:

    1. যত ত্রাত্রি পারেন দেইখা ফালান
      যত ত্রাত্রি পারেন দেইখা ফালান :জলদিকর: , এই জিনিস মিস করা ঠিক না… :ভাবতেছি: :অপেক্ষায়আছি:

      ধইন্নাপাতা সহ গোলাপ রইল… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

    1. দেখার আগ্রহ জাগাতে পেরে
      দেখার আগ্রহ জাগাতে পেরে কৃতার্থ বোধ করছি :দেখুমনা: :খাইছে: :ফুল: … শুভকামনাসহ গোলাপ রইল খান সাব… :লইজ্জালাগে: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

    1. পরিশ্রম সার্থক বলে মনে হচ্ছে
      পরিশ্রম সার্থক বলে মনে হচ্ছে :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: … পড়ে উৎসাহ দেবার জন্য অশেষ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *