The Black Magic

যেকোনো প্যারানর্মাল একটিভিটি নিয়ে আমার বিপুল আগ্রহ। বিভিন্ন রিচুয়াল স্পেল ইত্যাদি ইত্যাদি। নেট ঘাটাঘাটি করে এসব ব্যাপারে জানতে চেষ্টা করি অবসর সময়ে। কিন্তু বাংলা ভাষায় তেমন সুসজ্জিত কোন তথ্য পাই না। ব্ল্যাক ম্যাজিক শেখার বা প্রয়োগের প্রতি কোন আগ্রহ বা ইচ্ছা আমার নাই। শুধু জানার জন্যই জানছি।
আমার মত হয়তো অনেকেই আছে। তাই ব্ল্যাক ম্যাজিক সম্পর্কে আমার জানা সংগৃহীত তথ্যগুলোকে একত্রিত করছি। হয়তো এ বিষয়ে আগ্রহীদের কিছুটা সাহায্য করবে এটা।


যেকোনো প্যারানর্মাল একটিভিটি নিয়ে আমার বিপুল আগ্রহ। বিভিন্ন রিচুয়াল স্পেল ইত্যাদি ইত্যাদি। নেট ঘাটাঘাটি করে এসব ব্যাপারে জানতে চেষ্টা করি অবসর সময়ে। কিন্তু বাংলা ভাষায় তেমন সুসজ্জিত কোন তথ্য পাই না। ব্ল্যাক ম্যাজিক শেখার বা প্রয়োগের প্রতি কোন আগ্রহ বা ইচ্ছা আমার নাই। শুধু জানার জন্যই জানছি।
আমার মত হয়তো অনেকেই আছে। তাই ব্ল্যাক ম্যাজিক সম্পর্কে আমার জানা সংগৃহীত তথ্যগুলোকে একত্রিত করছি। হয়তো এ বিষয়ে আগ্রহীদের কিছুটা সাহায্য করবে এটা।

তবে একটি কথা আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, প্রতিটি ধর্মেই এটা একটা নিষিদ্ধ চর্চা। তাই সবার উচিৎ এটা থেকে নিরাপদ দূরত্ব রাখা। শুধু মাত্র জানার জন্যই আমার এ লেখা!! শুধু জানার জন্যই………………

>>> যাদুবিদ্যা আর যাদুকর এই দুইয়ের প্রতিই মানুষের আগ্রহ সীমহীন সেই মানব সভ্যতার শুরু থেকেই। পৃথিবীর মানুষের লোকসংস্কারের এটা বড় অংশই হলো যাদুবিদ্যা। যাদুবিদ্যা মূলত: অতিন্দ্রিয় আর প্রাকৃতিক শক্তিকে বশ করার বিদ্যা! ইংরেজি ম্যাজিক শব্দের উদ্ভব হয়েছে ফার্সি মাজি থেকে! মাজিরা যে সব ক্রিয়া-কর্ম পালন করতো, গ্রীকরা তাকেই ম্যাজিক বলে অভিহিত করতেন!
সারা বিশ্বজুড়ে যাদুবিদ্যা নিয়ে রয়েছে অপার কৌতূহল। পৃথিবীর সব প্রাচীন জাতিগুলোর মধ্য যাদু ও মন্ত্রের প্রচলন ছিল। আদিম মানবজাতির কাছে যাদু ছিল ধর্মের অঙ্গ। প্রাকৃত বা অপ্রাকৃত ঘটনাকে অলৌকিক উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার নামই হলো যাদুবিদ্যা। যাদুবিদ্যায় মূলত তিনটি বিষয় থাকে – মন্ত্র, মন্ত্রপূত বস্তু ও মন্ত্রাচার বা বিশেষ কাজ।

পারস্যের জোরেয়াস্তার (আনু: ১০০০ খ্রি:পূ) মাজিয়ান ধর্মের প্রচলন করেছিলেন যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ভাল ও মন্দের মধ্যের ভালোর জয় লাভ। কিন্তু পরে এ ধর্মমতের মধ্যে যাদুবিদ্যার উদ্ভব হয়। মেসোপটেমিয় সভ্যতা গুলো থেকে যাদুবিদ্যার প্রচুর ট্যাবলেট পাওয়া গিয়েছে, তবে যাদুবিদ্যায় যারা সবচাইতে বেশি ভূমিকা রেখেছে তারা হলো প্রাচীন মিশরীয়রা। চতুর্থ রাজবংশ প্রতিস্ঠা হাবার আগে থেকেই মিশরে ব্যাপক হারে যাদুবিদ্যার চর্চা শুরু হয়!
হরপ্পা মহেঞ্জোদারতে উৎখননে প্রাপ্ত রিং স্টোন গুলো যাদুবিদ্যায় ব্যাবহার করা হতো, জাপানের প্রাচীন শিন্টো ধর্মের মধ্যে যাদুবিদ্যার প্রচুর উদাহরণ দেখা যায়। যাদুবিদ্যা চর্চায় প্রাচীন গ্রীক আর রোমানরাও কম ছিলেন না।গ্রীকরা যাদুবিদ্যার জন্য বিশেষ বর্নমালার সৃষ্টি পর্যন্ত করেছিল। ইহুদিদের বাইবেল(ওল্ড টেস্টেমেন্ট) যাদুবিশ্বাসের উল্লেখ আছে।
তবে প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আল- কুরআনে স্পষ্টভাবে যাদুবিদ্যার নিন্দাবাদ করা হয়েছে । মূলত : হযরত মুহাম্মদ ( স ) এর নবুয়ৎ প্রাপ্তির আগ পর্যন্ত সেমেটিক জাতি গুলোর মধ্যে ব্যাপক ভাবে যাদুবিদ্যা চর্চার প্রমাণ পাওয়া যায় !

যাদুবিদ্যা দিয়ে ভালো-মন্দ দু ধরনেরই কাজ করা হয়। মঙ্গলের জন্য যাদু প্রকাশ্যে করা হয়। ঝাড়ফুঁক, টোটকা চিকিত্‍সা ইত্যাদিতে যাদু সমাজস্বীকৃত। এগুলোকে শুক্ল ইন্দ্রজাল বা white magic বলে। অন্যের ক্ষতি সাধনের জন্য যাদুমন্ত্র গোপনেই করা হয়। মারণ, উচাটন, বশীকরণ ইত্যাদি যাদু ক্ষতিকারক বলে এগুলো গোপনে করা হয়। এগুলোকে কৃষ্ণ ইন্দ্রজাল বা black magic বলা হয়।
যাদুবিদ্যার চর্চা করত এমন ডাকিনী, যোগিনী, ওঝা, গুণীন প্রভৃতি শ্রেণীর নরনারীর উল্লেখ প্রাচীন যুগ থেকে পাওয়া যায়। বৌদ্ধগুরু, নাথযোগী, হিন্দুতান্ত্রিক, মুসলমান ফকির, বৈষ্ণব বৈরাগীরা গুণমন্ত্র ও অলৌকিক শক্তির অধিকারী ছিলেন। তাঁরা যে যাদুবিদ্যার চর্চা করতেন তার প্রমাণ হলো ডাকতন্ত্র, বিবিধ বচন, নাথসাহিত্য, যোগতন্ত্র, ফালনামা ইত্যাদি রচনা গ্রন্থ।

যাদুবিদ্যার ধরন আর প্রাকরভেদ নিয়ে অনেকে অনেক মত দিয়েছেন, তাদের সকল মতবাদ সমূহ একসাথে করেলে বলা যায় যাদুবিদ্যা প্রধাণত তিন ধরণের. ১, সৃজনধর্মী যাদু বা হোয়াইট ম্যাজিক: ফসলের ভাল উৎপাদন, বৃষ্টি আনা, গাছে ভাল ফল হওয়া, প্রেম বিয়ে হবার ইত্যাদির উদ্দেশ্য ব্যবহৃত যাদু। এটাকে বলা হয় হোয়াইট ম্যাজিক। ২,প্রতিরোধক যাদু: এই যাদুও হোয়াইট ম্যাজিকের মধ্যেই পরে। এটা বিদপ আপদ এড়ানো, রোগব্যাধির দূর করা আর কালো যাদুর প্রভাব এড়াবার কাছে ব্যবহার করা হয়! ৩,ধ্বংসাত্মক যাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিক : রোগব্যাধি সৃষ্ট, সম্পত্তি ধ্বংস, জীবন নাশের কাজ ব্যাবহার করা হয়, ডাইনি বিদ্যায় এর প্রয়োগ বেশি দেখা যায়! এটাই হলো ব্ল্যাক ম্যাজিক।
Black magic বা কালো জাদু হচ্ছে এক ধরণের অতি প্রাকৃতিক শক্তি যার মাধ্যমে শয়তান কিংবা নিজের স্বার্থসিদ্ধি’র জন্য ব্যবহার করা হয়। সাধারণত মানুষের ক্ষতি করার জন্য এই কালো জাদু করা হয়।

ব্ল্যাক ম্যাজিক নির্ভর করে সাতজন বিশেষ শয়তানের ক্ষমতার উপর। কালো জাদু চর্চায় সাফল্য পেতে হলে এদের একজনকে পছন্দ করে উপাসনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হয় । এদের নাম যথাক্রমে লুসিফার, মেমোন, আসমোদিয়াস, শয়তান, বিলজিবাব, লেভিয়াথান, বেলফেগোর । এদের অস্তিত্বের অংশ এরা কিছু মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় যারা মানুষের ভালো দেখলে ঈর্ষান্বিত বোধ করে, পাপ করতে মানুষকে প্রলুব্ধ করে । ভালো পথে যেতে বাধা দেয় । শুধুমাত্র তাদের চোখে পড়ার কারনে ভাল কিংবা সমৃদ্ধি সংক্রান্ত সবকিছু মুহূর্তে ধুলিস্মাৎ হয়ে যায় । বাংলায় যাকে বলে কু-নজর বা কু-দৃষ্টি ।

দ্যা বুক অব রাজিয়েল, গ্রিমোরিস, আরাদিয়া এসব গ্রন্থকে ব্ল্যাক ম্যাজিক অথবা কালো জাদুর মূল গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সাপ, ব্যাঙ, বিড়াল ও পেঁচা মধ্যযুগীয় যাদুবিদ্যায় অবশ্যকীয় পশু-পাখি হিসাবে গণ্য করা হয়। শয়তানের প্রতিক হলো শিং। ব্লাক ম্যাজিক চর্চায় শিং অপরিহার্য!
একটা কথা না বললেই নয়, বর্তমানের রূপচর্চার বহুল ব্যাবহৃত প্রসাধন দ্রব্য শুরুতে শুধু যাদুবিদ্যার কাজেই লাগানো হত!

…… (আশা করি চলবে)

৩০ thoughts on “The Black Magic

  1. ব্লাক ম্যাজিকের প্রতি
    ব্লাক ম্যাজিকের প্রতি কৌতুহলটা আমারও আছে। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম আজ। চালিয়ে যান।

  2. আহা, পোস্টের শিরোনাম দেইখাই
    আহা, পোস্টের শিরোনাম দেইখাই মনডা ভইরা গেলো :খাইছে: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :ভালাপাইছি: :ভালাপাইছি: :মাথানষ্ট: … ব্ল্যাক ম্যাজিকের উপ্রে বিশাশাশাল আগ্রহ আছে :চশমুদ্দিন: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: … লেখা চখাম, কিন্তু জাতি আরও জানতে চায়… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: 😀 :বুখেআয়বাবুল:

  3. আমি দুইটা ম্যাজিক দেখাতে পারি
    আমি দুইটা ম্যাজিক দেখাতে পারি কিন্তু এই ব্ল্যাক ম্যাজিক আমি বিশ্বাস করিনা। তারপর অনেক ধন্যবাদ। বেশ সুন্দর সুন্দর কিছু তথ্য দিয়েছেন।

  4. তিতলি আপু আসেন আপনাকে একটা
    তিতলি আপু আসেন আপনাকে একটা ম্যাজিক শেখাই।ম্যাজিকটার নাম হল ধোঁয়ার ম্যাজিক।ছোট খাটো ম্যাজিক হলেও অনেককেই চমকে দেবার জন্য যথেষ্ট। তিতলি আপু আপনি হয়ত জানেন যেখানেই ধোঁয়া সেখানেই আগুন,অনেকটা যেখানেই আমি সেখানেই তুমির মত। কিন্তু বিনা আগুনেও ধোঁয়া হওয়া সম্ভব এবং আমি আগুন ছাড়াই সেই ধোঁয়া ওড়াতে পারি। আমি আমার ডান হাতের দুটো আঙ্গুল ঘষতে থাকবো এবং সেখান থেকে কোনো প্রকার আগুন ছাড়াই ধোঁয়া উড়তে থাকবে অথচ আগুনের কোন নাম গন্ধও থাকবেনা । আবার আঙ্গুল দুটো আলাদা করতেই দেখা যাবে, কোথায় ধোঁয়া হাত একেবারে খালি ।

    এবার আপনাকে কৌশলটা শিখিয়ে দেই।যা করতে হবে,আপনাকে কতক গুলো খালি দেশলাই বাক্সের বারুদ ছুরি/ব্লেড দিয়ে ঘষে তুলে একটা কাচের প্লেটের উপর রেখে দেশলাই দিয়ে জ্বালিয়ে দিতে হবে । বারুদ জ্বলে যাওয়ার পর উপরের কালো ছাইটা সাবধানে ও আস্তে করে সরিয়ে দিলে নিচে হলুদ রং এর একটা তেলের মত জিনিস দেখা যাবে । সেটাতে ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুল এবং তর্জনী ঘষে নিলেই হলো । দেখতে মনে হবে হাত খালি কিন্তু ঐ আঙ্গুল দুটো ঘষলেই ধোঁয়া বেরুতে আরম্ভ করবে । আপনি চাইলে এই হলুদ তরল জিনিস টা বোতল ভর্তি করে রাখতে পারবেন এবং সহজে আঙ্গুলে লাগিয়ে ম্যাজিক দেখাতে পারবেন।এটা সিম্পল হোয়াইট ম্যাজিক।আপনাকে আরেকদিন ব্ল্যাক ম্যাজিক শেখাবো। এবং আশা করি আপনার পরবর্তি পর্বে আপনার কাছ থেকেও কিছু শিখবো।

    1. খাইছে আম্রে… এইটা
      খাইছে আম্রে… :খাইছে: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: এইটা যদি সিম্পল হয় তাইলে ব্ল্যাক কেমন হইব… :মাথাঠুকি: :-B :ভাবতেছি: :আমারকুনোদোষনাই:

  5. দেশের ভাবগতিক যা বুজলাম,
    দেশের ভাবগতিক যা বুজলাম, শিঘ্রই কামরুপ কামাখ্যা যাইয়ে ব্ল্যাক ম্যাজিক শিখতে হইবে। তারপর আমার লিস্টি ধইরা কয়েকটারে ডাইরেক্ট ঠাস ঠাস বাণ মাইরতে হইবে। অতঃপর দেশে শান্তি নামিয়া আইসবে বলিয়া আশা রাখি।

    (আপনার লেখা সুপাঠ্য ও তথ্যবহুল হয়েছে। পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষার রইলাম।)

    1. দেশের ভাবগতিক যা বুজলাম,

      দেশের ভাবগতিক যা বুজলাম, শিঘ্রই কামরুপ কামাখ্যা যাইয়ে ব্ল্যাক ম্যাজিক শিখতে হইবে। তারপর আমার লিস্টি ধইরা কয়েকটারে ডাইরেক্ট ঠাস ঠাস বাণ মাইরতে হইবে। অতঃপর দেশে শান্তি নামিয়া আইসবে বলিয়া আশা রাখি

      এই কথা বলার লাইগা গুম হইয়া যাইতে পারেন কিন্তু ইকরাম ভাই… :দেখুমনা: :ভাবতেছি: :আমারকুনোদোষনাই: :ভেংচি: 😀 😀

          1. তোরে আগে পায়া লই…
            তোরে আগে পায়া লই… :এখানেআয়: :অপেক্ষায়আছি: আমাগোরে পার কইরা দিয়া একলাই সব মজা নিতে চাও, তাই না? :ভাবতেছি: :শয়তান: :-B

          2. আপ্নেরে ফালায়া কই যামু
            আপ্নেরে ফালায়া কই যামু :মাথাঠুকি: :বুখেআয়বাবুল: … আপ্নেই তো আমাদের অগ্রদূত… :চোখমারা: :বিগবস: :ভেংচি: 😀

  6. আমার সহজ একটা প্রশ্ন, ম্যাজিক
    আমার সহজ একটা প্রশ্ন, ম্যাজিক কি আসলেই সম্ভব নাকি সব মানুষের চোঁখে ধূলো দিয়ে মিথ্যে ছলনা?

    1. ম্যাজিক শব্দটা আমরা সাধারনত
      ম্যাজিক শব্দটা আমরা সাধারনত যে অর্থে ইউজ করি তা শুধু মাত্রই হাতের কারসাজি অথবা আমাদের দৃষ্টির বিভ্রম। স্রেফ ভেল্কিবাজি।
      কিন্তু এখানে আমি যে জাদুর কথা বলছি তা অতিপ্রাকৃত একটা ব্যাপার। প্রতিনিয়তই আমাদের চারপাশে অনেক কিছুই ঘটে যা সহজে ব্যাখ্যা করা যায় না ( বর্তমানে ব্যাখ্যা না পেলেও হয়তো ভবিষ্যতে ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে)

      তাই আমার মতে, ,‘মঞ্চের জাদু’ অবশ্যই চোখের ধাঁধাঁ ছাড়া আর কিছুই নয় কিন্তু ‘অতিপ্রাকৃত জাদু’ বলে কিছু না কিছু তো আছেই …

      1. অতিপ্রাকৃত জাদু বা ব্ল্যাক
        অতিপ্রাকৃত জাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিক বলে কিছু নেই। যদি থাকতো, তাহলে আমেরিকা আর এতো বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে অস্ত্র তৈরি করতো না। বুশ বাবাজীও এতোদিন বহাল তবিয়তে বেঁচে থাকতো না। ভারত, বাংলাদেশ কিংবা আফ্রিকা হতো পরাশক্তি। ভুডু মেডিসিন ম্যান বা ডাইনী-ডাকিনীরা হতো ভাগ্য বিধাতা রাজনীতিবিদ। বাস্তবতা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার হার যত কম, ব্ল্যাক ম্যাজিক সেখানে তত প্রভাবশালী। ব্ল্যাক ম্যাজিকের ইন্ধন হচ্ছে প্রচলিত সংস্কার-কুসংস্কার, অন্ধ বিশ্বাস আর অশিক্ষা-কুশিক্ষা।

        1. প্রতিটি ধর্মেই কিছু
          প্রতিটি ধর্মেই কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনার কথা উল্লেখ আছে। আপনি সেগুলোকে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন তা হলে??

          1. ধর্মগ্রন্থে অনেক কথাই লেখা
            ধর্মগ্রন্থে অনেক কথাই লেখা আছে। সেটা নিয়ে তর্ক করা মানে বহু চর্বিত আস্তিক-নাস্তিক ইস্যুকে আবার টেনে আনা। তাই সেই প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। কিন্তু একথা ঠিক যে, আপনি অনেকের কাছে বর্তমান কালের অনেক অতি প্রাকৃত ঘটনা শুনবেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে (!!!) চাইলেও নিজে কোন অতিপ্রাকৃত ঘটনার সাক্ষী হতে পারবেন না। অন্তত আমি পারি নি। তাই আমি আবারো বলছি, অতিপ্রাকৃত জাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিক বলে যদি থাকতো, ভুডু মেডিসিন ম্যান বা ডাইনী-ডাকিনীরা হতো ভাগ্য বিধাতা রাজনীতিবিদ। আর ভারত, বাংলাদেশ কিংবা আফ্রিকা হতো পরাশক্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *