গুটি কয়েক পুলিশ অফিসারের জন্য আজ কলংকিত বাংলাদেশ পুলিশ

শুনেছি নরওয়েতে পুলিশ নেই,পুলিশকে তারা শান্তি কর্মী বলে।আমিও বাংলাদেশ পুলিশকে যথেষ্ঠ সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতাম।কিন্তু আজ মনে হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ পুলিশের বিবেকে মরিচা ধরে গেছে।এখন আসল কথায় আসি……
আমি আমার এক বড়ভাই এর সাথে জামালপুর থেকে শেরপুর-নালিতাবাড়ি বেড়াতে যাই।সেখান থেকে ফিরবার পথে সি.এন.জি না পাওয়ায় শেরপুর সদরে আসতে প্রায় রাত ৮টা বেজে যায়।
শেরপুর-জামালপুর মহাসড়ক এর মাঝামাঝি পুলিশ চেক পড়ে।এর ঠিক মিনিট পাঁচ পরেই আবারো পুলিশের অন্য একটা পিকআপ আমাদের সি.এন.জি দাড় করায়।আমি বলে উঠি,“একটু আগেই তো আমাদের সব চেক করা হয়েছে আবারো নামিয়ে পকেট চেক করছেন।আমরা সাধারন লোক ভাই।’’

শুনেছি নরওয়েতে পুলিশ নেই,পুলিশকে তারা শান্তি কর্মী বলে।আমিও বাংলাদেশ পুলিশকে যথেষ্ঠ সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতাম।কিন্তু আজ মনে হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ পুলিশের বিবেকে মরিচা ধরে গেছে।এখন আসল কথায় আসি……
আমি আমার এক বড়ভাই এর সাথে জামালপুর থেকে শেরপুর-নালিতাবাড়ি বেড়াতে যাই।সেখান থেকে ফিরবার পথে সি.এন.জি না পাওয়ায় শেরপুর সদরে আসতে প্রায় রাত ৮টা বেজে যায়।
শেরপুর-জামালপুর মহাসড়ক এর মাঝামাঝি পুলিশ চেক পড়ে।এর ঠিক মিনিট পাঁচ পরেই আবারো পুলিশের অন্য একটা পিকআপ আমাদের সি.এন.জি দাড় করায়।আমি বলে উঠি,“একটু আগেই তো আমাদের সব চেক করা হয়েছে আবারো নামিয়ে পকেট চেক করছেন।আমরা সাধারন লোক ভাই।’’
দায়িত্বরত এ.এস.আই বলে উঠে,কোন মাদারচোদ পক পক করে ওরে সি.এন.জি থেকে নামাও।আমাকে সি.এন.জি থেকে নামানোর পরে বলে,কি খাইয়ে যাইতাছস?কয় বোতল খাইছস?চেহারা দেইখা তো মনে হয় ডাইল-বাবার বেবশা করস।
আবারো তারা পকেট চেক করে।পকেটে ১৫ টাকা আর মোবাইল ছাড়া কিছুই ছিল না।আমার মেজাজ চরম খারাপ হয়ে যায়।আমি বলি,আমি একজন ছাত্র,এছাড়াও আমি নিউজ পোর্টালে কাজ করি।এ.এস.আই আবারো গালিগালাজ করে পিকআপ এ উঠায় এবং আমার মোবাইল বন্ধ করে তাঁর কাছে রেখে দেয়।এক কনষ্টেবল বলে উঠে এই বেয়াদবরে ৭৪সনের২৫-বি তে দিয়ে দেন।(৭৪সনের২৫-বি জিনিসটা কি সেটা আমি জানি না)
তাঁর কাছে আমি বলি যে,আমি হয়ত আপনার সাথে জোরে কথা বলছি,আমি আপনার ছেলের মত আমাকে মাফ করে দিন।আমার কথায় তাঁর কোন ভ্রূক্ষেপই হয় না।পিকআপ এর সামনে আমার ওই বড় ভাই বার বার তাকে অনুরোধ করে তাতেও কোন কাজ হয় না।
আমার পাশে বসা কনষ্টেবল বলে,আপনার ভাইরে পাঠায়ে হাজার দশেক টাকা নিয়ে আসেন বিষয়টা আমরা মিট করতাছি।
আমার সেই বড় ভাই ব্যাপার টা আমার বন্ধুর মাধ্যমে আমার ‘মা’ কে জানায়।‘মা’ এর মাধ্যমে এক থানার ও.সি স্যারের ফোনে আমাকে ছাড়ে।ও.সি স্যারকে ফোনালাপে বলে আমি নাকি মদ খেয়েছি,তাই আমাকে আটক করা হয়েছে। মদ এর বোতল দেখেছি কিন্তু এর গন্ধ ক্যামন এটাই আমি জানি না।আর আমাকে পারলে তারা মদ,গাজা,ফেনসিডিল এর ব্যবসায়ি বানিয়ে ফেলে।
একবার হরতালে আহত এক পুলিশ অফিসারকে নিজ খরচে উত্তারা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে সেচ্ছায় রক্ত দিয়েছিলাম।আজ মনে হচ্ছে এই রক্ত পুলিশকে না দিয়ে আহত কোন জন্তুকে দেওয়া উচিৎ ছিল।
পিকআপ থেকে নামার পর এ.এস.আই আমাকে বলে ‘তোর বাপ এর ফোনে তোরে ছারলাম,খা**র পুলা সময় থাকতে ভালো হ আর মানুষ দেইখা কথা কইস।’(৩ বছর বয়সে আমি বাবা হারিয়েছি,বাবা নিয়ে কথা বললে যে কতটা খারাপ লাগে এটা বোঝান সম্ভব না)
আমি হয়ত এ.এস.আই সাহেব এর ছেলের বয়সি।আমি হতে পারে একটু জোরে কথা বলিছি,কিন্তু একটা নির্দোষ ছেলেকে এভাবে জব্দ করে,মা বাবা তুলে গালিগালাজ করে,টাকা আদায় এর যে পাঁয়তারা তিনি করেছেন এটা কি তিনি ঠিক করেছেন?
আমি কি তবে স্বাধীন দেশের নাগরিক?
ত্রিশ লক্ষ শহীদ কি এই মানুষরূপী শকুন গুলোর দেশ স্বাধীন করেছিল?
যতদিন এই শকুন গুলো খামছে ধরে থাকবে দেশের মানচিত্র ততদিন এটা সোনার বাংলা হতে পারবে না,হয়ে থাকবে বিকলাঙ্গ বাংলা।

৬ thoughts on “গুটি কয়েক পুলিশ অফিসারের জন্য আজ কলংকিত বাংলাদেশ পুলিশ

  1. আপনার শিরোনামের সাথে সহমত হতে
    আপনার শিরোনামের সাথে সহমত হতে পারলাম না! আসলে শিরোনামটা হওয়া উচিৎ ছিল এ রকম… “গুটি কয়েক ভাল পুলিশ অফিসারের জন্য কোন রকম টিকে আছে বাংলাদেশ পুলিশ” ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *