কিছু যন্ত্রণার কথাকাব্য আর এক সোনালি ভোরের স্বপ্ন…

দৃশ্যপট ১– ২০০৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর…


দৃশ্যপট ১– ২০০৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর…

ছেলেটা আজ প্রচণ্ড উত্তেজিত। এক দুর্নিবার বিজয় যে হাতছানি দিয়ে ডাকছে পুরো বাংলাদেশকে। কেননা টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার দীর্ঘ ৪ বছর পর প্রথম টেস্ট বিজয় আজ সময়ের ব্যাপার মাত্র। ২৬২ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪র্থ দিনেই ১৪৮ রানে ৬ হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তান। তারপর ৫ম দিনে একমাত্র ইনজামাম উল হক নামের এই মোটকা ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতে পারছে না। একটু আগেই ফিরে গেছে ৯ম ব্যাটসম্যান উমর গুল। এদিকে আফতাব মেমোরিয়াল একাডেমীতে আজকে মান্থলি পরীক্ষা। ক্লাস সেভেনের খ শাখার ৮৮ রোলের স্থানটি শুন্য। টিচারেরা চিন্তিত। এই পরীক্ষা মিস দেয়া মানে বিশাল পিছিয়ে যাওয়া। কিছু হল না তো ছেলেটার? তারা কি আর জানেন যে রোল ৮৮ পরীক্ষা দিতে বেরিয়ে স্কুলে না গিয়ে সোজা চলে এসেছে স্কুলের পাশে থাকা তার এক বড়ভাইয়ের বাড়িতে? আজ যে বাঙ্গালদেশ জিতবে। এই মুহূর্ত কি মিস করা যায়? কিন্তু এই মোটকা গাধাটা দেখি ক্রিজে তাবু টাঙ্গায়া ফেলছে। কি সমস্যা?আউট হয় না ক্যান? উইকেটে লাস্ট ব্যাটসম্যান। হঠাৎ করেই ছেলেটা এক অতি অদ্ভুত দৃশ্য দেখল। মোহাম্মাদ রফিক বল করতে এসেছেন। ওভারের লাস্ট বল বলে ইনজামাম চাচ্ছেন একটা সিঙ্গেল নিয়ে পরের ওভারে স্ট্রাইক নিয়ে রাখতে। রফিক ডেলিভারি দিতে এসে দেখেন নন- স্ট্রাইকে থাকা ১০ম ব্যাটসম্যান উমর গুল রান নিতে দাগের বাঈরে চলে গেছেন। ইচ্ছা করলেই রফিক সেইমুহূর্তে উইকেট ভেঙ্গে দিয়ে ম্যাচ শেষ করে দিতে পারেন। বাংলাদেশ জিতে যাবে, প্রথম টেস্ট জয়। কিন্তু কাজটা ভদ্রলোকের মত হবে না। রফিক একজন পিউর স্পোর্টসম্যানশিপের পরিচয় দিলেন। উইকেট না ভেঙ্গে জাস্ট সতর্ক করে দিলেন। ছেলেটার মত এইরকম আরও ১৩ কোটি মানুষের প্রচণ্ড বিস্ময়সুচক দৃষ্টির সামনে ইনজামাম এক হাতে বাঙলাদেশের হাত থেকে ম্যাচ বের নিয়ে গেলেন। বিস্ময় কখনও একা আসে না। তার সাথে অনাবিল সুখ কিংবা প্রচণ্ড কষ্ট আসে। পরীক্ষার গুল্লি মেরে বাঙলাদেশের প্রথম টেস্ট বিজয়ের সাক্ষী হতে আসা ছেলেটার কাছে প্রচণ্ড কষ্টটাই আসলো। বড়ভাইকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে নিজের দুইচোখকে বিশ্বাস করতে না পেরে হাওমাও করে কাঁদতে কাঁদতে সে নিজের বাসায় চলে এল। তার মা তাকে দেখে ভাবলেন ছেলেটা বোধহয় পরীক্ষায় খুব খারাপ করেছে। মার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছেলেটার বাধভাঙ্গা কষ্টের ভিড় ঠেলে শুধু এই কথাটা বেরিয়ে আসতে পারল “আম্মু, আমরা হেরে গেছি”, আম্মু আমরা হেরে গেছি”

দৃশ্যপট ২— ২২শে মার্চ, ২০১২…

প্রচণ্ড শব্দে কানে তালা লেগে যাবার যোগাড়। ছেলেটার বাসার পাশে মহল্লার সবাই মিলে চাঁদা তুলে এক বিশাল স্ক্রিন আনা হয়েছে। সেখানে ক্যাবল সংযোগ দিয়ে সম্প্রচার করা হচ্ছে ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ফাইনাল। এক অভূতপূর্ব ইতিহাসের সাক্ষী হতে শতশত মানুষ জড়ো হয়েছে এই ছোট্ট জায়গাটিতে। পাকিস্তানকে মাত্র ২৩৬ রানে আটকে রেখে এক অবিস্মরণীয় বিজয় রচনা করতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সাকিবের একের পর এক মাইন্ডব্লোইং শটে ক্রমেই জয়ের বন্দর চলে আসছে নিকটে। ভারতকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকমানের পুন্দানি দেয়ার পর যেই ব্যানার নিয়ে মিছিল করে স্টেডিয়ামে গিয়ে রঙ ও জরির হোলি উৎসব করা হয়েছিল, সেটাকে আরও রোশনাই করে সাজানো হয়েছে। সব প্রস্তুতি সমাপ্ত, এখন শুধু উৎসব শুরু হওয়া বাকি। সবচেয়ে বড় কথা ছেলেটা তার সদাচিন্তিত বাবা-মাকেও ম্যানেজ করে ফেলেছে আজকের এই উৎসবের ব্যাপারে। এখন শুধু উইনিং শটটার অপেক্ষা। হঠাৎ একটা অদ্ভুত দুর্ঘটনা ঘটল। অজেয় সাকিব আল হাসান হঠাৎ আউট হয়ে গেলেন। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকল। ছেলেটা ভাবে,ব্যাপার না, মাহমুদ্দুল্লাহ রিয়াদ তো আছে। সে জিতিয়ে ফিরবে। লাস্ট ওভার। জয় হাতের মুঠোয়। হঠাৎ আইজাজ চু… নামের এক পাকিস্তানি বোলার তার ফাকিস্তানি জাতীয়তাবোধের সম্মান রেখে একটা চরম গর্হিত কাজ করে বসল। যেখানে দুই রান নিশ্চিত হয়, সেখানে রিয়াদকে সে ২য় রান নিতে বাধা দিল। রিয়াদ আর স্ট্রাইক প্রান্তে ফিরতে পারল না। শাহাদাত হোসেনের সামনে শেষ বলে ৪ রান নেয়ার এক অসম্ভব টার্গেট দাঁড়াল। শাহাদাত তোঁ আর সুপারম্যান না। কোনমতে ব্যাটে বল লাগিয়ে এক রানের বেশী নেয়া তাই তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। জাস্ট দুইমিনিট আগে যেখানে বাংলাদেশ ধ্বনিতে কান পাতা যাচ্ছিল না, সেখানে হঠাৎ কবরের নিস্তব্ধতা নামলো। প্রথম দুইমিনিট তো কেউ বিশ্বাসই করতে পারল না কি হয়েছে। বিস্ফোরিত চোখে সবাই ৫২ ইঞ্চি মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছে। নিস্তব্ধতা ভাঙল এক ফাকিস্তানি জারজ সাপোর্টারের টিটকারিতে। “আরে কইছিলাম না, বাংলাদেশ যতই ফাল পারুক, শেষপর্যন্ত পাকিস্তানই জিতবো। দেখলি তো, ঠিকই জিতছে। পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশ দাঁড়াইতে পারে? আজাইরাই এতক্ষন চিল্লাইলি তোরা।” কথাটা পুরোপুরি ওর মুখ থেকে বেরও হয় নাই,বাঘের গর্জন তুলে ছেলেটা ওর চেয়ে বহুগুনে শক্তিশালী ঐ ফাকি জারজের উপর ঝাঁপায়া পড়ল। এই ঝাঁপানোর অপেক্ষাতেই বোধ হয় ছিল সবাই, তার পরের ১০ মিনিট চলল ফাকি জারজ পুন্দানি কার্যক্রম। এই জারজগুলার পিছে শিবিরের ব্যাকআপ আছে, কয়েকটার বিহারি ফ্রেন্ডও আছে, কিন্তু আজকে কেউ কিছুই পরোয়া করল না। যেই জানোয়ারগুলোকে ৭১রে নাকে খৎ দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে ফেরত পাঠাতে বাধ্য করেছিলাম সবাই, সেই শুয়োরগুলোর চামচামি করবে আমার মাতৃভুমির উপর দাঁড়িয়ে, কক্ষনো না। ব্যানারগুলো পড়ে থাকলো ঐখানেই, ফাকি চামচাগুলোকে ভবিষ্যতে আর কখনও অন্তত প্রকাশ্যে এই ধরনের চামচামি না করার ব্যাপারে নিশ্চয়তা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হল। ছেলেটা কাওকে আর কিছু না বলে বাসায় ফিরল। মায়ের বিস্ময়কর দৃষ্টির সামনে চোখভরা কষ্টের নদী নিয়ে গটগট করে হেঁটে ছাদে চলে গেলো। পরে রাত ৪টার দিকে ছেলেটার বাবা বহু বুঝিয়ে তাকে নামিয়ে নিয়ে আসলেন। বলাই বাহুল্য প্রচণ্ড ফুলে যাওয়া নাক কিংবা ভয়াবহ ফুলে উঠা চোখ কোনভাবেই ছেলেটার ভেতরে হতে থাকা প্রচণ্ড রক্তক্ষরনকে বোঝাতে পারছিল না। কিভাবে পারবে?

দৃশ্যপট ৩– ৬ই নভেম্বার, ২০১৩…

ওডিআই সিরিজে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকমানের বাঙলাওয়াস হবার পর একমাত্র টি-টোয়েনটিতে ২০৪ রান তুলে বিপুল বিক্রমে ফিরে আসার চেষ্টা করেছিল কিউই পাখিরা। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভীম গর্জনে চোখে চোখ রেখে প্রচণ্ড লড়াইয়ের পর টাইগারেরা থামল জয় থেকে ১৫ রান দূরে। ছেলেটা যেহেতু প্রতিজ্ঞা করেছে হারজিত যাই হোক,টাইগাররাই হবে তার প্রথম ও শেষ, সুতরাং একটুও কষ্ট না পাবার চেষ্টা করে ফেসবুকে টাইগারদের পাশে আমৃত্যু থাকার ঘোষণা দিয়ে সে স্টুডেন্টের বাসায় গেলো। যাওয়ার পথে বারবার তার মনে হতে লাগলো আজকে খুব অল্পের জন্য একটা ইতিহাস গড়তে পারল না টাইগারেরা।কিন্তু মনকে বারবার ব্যাপার না বলে পুরো ঘটনাটা সে ভুলে থাকার চেষ্টা করছিল। কিন্তু সে যে নিজের সাথে কত বড় প্রতারনা করছে, সেটা হঠাৎ খুব অদ্ভুতভাবে ধরা পড়ে গেলো স্টুডেন্টের সামনে। পড়া বোঝাতে গিয়ে হঠাৎ লাবণীর দিকে তাকাতেই সে অবাক হয়ে গেলো। জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার তোমার চোখে পানি কেন? লাবনী তাকে বলল, স্যার, আপনার চোখে পানি দেখে আমার কান্না পাচ্ছে। ছেলেটা অতি অবাক হয়ে হঠাৎ বুঝতে পারল যতবার বাংলাদেশের কথা তার মনে এসেছে, ততবার অশ্রু কোন বাঁধা মানেনি। তার “ব্যাপার না” নিশ্চয়তায় তার মন কোনভাবেই নিশ্চিত হতে পারেনি। তার অজান্তেই প্রচণ্ড কষ্টগুলো চোখের বাঁধ ভেঙ্গে বেরিয়ে এসেছে। তাড়াতাড়ি স্টুডেন্টের সামনে থেকে সে পালিয়ে এল। কষ্টগুলো যে এভাবে প্রকাশ করতে নেই।

জাগতিক জীবনের নানা সমস্যা, ব্যাথা, বেদনা, কষ্ট সবকিছু থেকে এক লহমায় এক গর্বের ভেলায় ভাসিয়ে নিয়ে যায় আমাদের রয়েল বেঙ্গল টাইগারেরা। টাইগারদের একটা জয় এক নিমিষে ভুলিয়ে দেয় হাজারো কষ্ট, দুঃখ, যন্ত্রণা। আজ হয়ত হতে হতে হয়নি, কালকেও হয়তো হবে না, কিন্তু আমি, তুমি, আমরা সবাই জানি পরশুদিন আর আমাদের কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। পরশুদিন আমরা ঠিকই বিজয় ছিনিয়ে আনব। হয়তোবা অনেক বাঁধা পেরোতে হবে, হয়তোবা দিতে হবে যোগ্যতার সর্বোচ্চ পরীক্ষা। কিন্তু তাতেও আমরা পরোয়া করি না। জয় আমাদের হবেই। যদিও এই সামান্য টি-টোয়েনটির মশলাদার ম্যাচটা অল্পের জন্য মিস হওয়ায় ড্রেসিংরুমের পাশের গ্যালারিতে বসে থাকা বাচ্চা মেয়েটা চোখের নীরব অশ্রু আমাদের নাড়িয়ে দিয়ে যায়, তবুও হৃদয়ের অনেক গভীরে আমরা জানি আমরাই সেরা, আমরাই সত্যিকারের লড়াকু, যারা হারার আগে হারতে জানে না, মরার আগে মরতে জানে না। ডিয়ার বেঙ্গল টাইগার্স, হার বা জিত যাই হোক, চোখের জলকে শক্তি করে তোমাদের পাশে চিরকাল থাকব। কোন চিন্তা করো না।

আবারো ভোর, আবারো অপেক্ষায়
আবারও জেগে ওঠো এখনই সময়।
আমার সোনার বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে
আবারও ঝাঁপ দেবে এমন নিরুপায়।

জানি এই পৃথিবী, স্বাধীনতার ছবি
আঁকা আমাদেরই হাতে
দেখেছে এই দেশ, নতুনের বেশ
শত আলোর ভরা রাতে।

তাই গর্জে উঠো আবারো
পেছনে ফেলে সামনে বাড়ো
জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো

২৯ thoughts on “কিছু যন্ত্রণার কথাকাব্য আর এক সোনালি ভোরের স্বপ্ন…

  1. আজ হয়ত হতে হতে হয়নি, কালকেও

    আজ হয়ত হতে হতে হয়নি, কালকেও হয়তো হবে না, কিন্তু আমি, তুমি, আমরা সবাই জানি পরশুদিন আর আমাদের কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। পরশুদিন আমরা ঠিকই বিজয় ছিনিয়ে আনব। হয়তোবা অনেক বাঁধা পেরোতে হবে, হয়তোবা দিতে হবে যোগ্যতার সর্বোচ্চ পরীক্ষা। কিন্তু তাতেও আমরা পরোয়া করি না। জয় আমাদের হবেই।

    অসাধারণ! একেবারে প্রাণের কথা বলেছেন।

  2. [আবারো ভোর, আবারো
    [আবারো ভোর, আবারো অপেক্ষায়
    আবারও জেগে ওঠো এখনই সময়।
    আমার সোনার বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে
    আবারও ঝাঁপ দেবে এমন নিরুপায়।]

    জয় বাংলা ।

  3. কথাটা পুরোপুরি ওর মুখ থেকে

    কথাটা পুরোপুরি ওর মুখ থেকে বেরও হয় নাই,বাঘের গর্জন তুলে ছেলেটা ওর চেয়ে বহুগুনে শক্তিশালী ঐ ফাকি জারজের উপর ঝাঁপায়া পড়ল। এই ঝাঁপানোর অপেক্ষাতেই বোধ হয় ছিল সবাই, তার পরের ১০ মিনিট চলল ফাকি জারজ পুন্দানি কার্যক্রম। এই জারজগুলার পিছে শিবিরের ব্যাকআপ আছে, কয়েকটার বিহারি ফ্রেন্ডও আছে, কিন্তু আজকে কেউ কিছুই পরোয়া করল না। যেই জানোয়ারগুলোকে ৭১রে নাকে খৎ দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে ফেরত পাঠাতে বাধ্য করেছিলাম সবাই ,সেই শুয়োরগুলোর চামচামি করবে আমার মাতৃভুমির উপর দাঁড়িয়ে, কক্ষনো না।

  4. অস্থির লেখা… বাংলাদেশকে
    অস্থির লেখা… 🙂 বাংলাদেশকে ভালোবাসি, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ভালোবাসি। বড্ড বেশি রকমের ভালোবাসি

  5. আবারো ভোর, আবারো অপেক্ষায়

    আবারো ভোর, আবারো অপেক্ষায়
    আবারও জেগে ওঠো এখনই সময়।
    আমার সোনার বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে
    আবারও ঝাঁপ দেবে এমন নিরুপায়।

    জানি এই পৃথিবী, স্বাধীনতার ছবি
    আঁকা আমাদেরই হাতে
    দেখেছে এই দেশ,নতুনের বেশ
    শত আলোর ভরা রাতে।

    তাই গর্জে উঠো আবারো
    পেছনে ফেলে সামনে বাড়ো
    জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো

    এর পর ার কিছুই বলার নেই…
    জীবনানন্দের মত ভালবাসতে চাই এই বাঙলাকে…
    জয় বাঙলা… জয় বঙ্গবন্ধু…

  6. “পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা
    “পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা শুধুমাত্র একটি সাধারণ লড়াই নয়। এটি বাংলাদেশীদের মনে করিয়ে দেয় ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর বিপক্ষে বীর বাঙ্গালীর মাকে বাঁচানের মরনপণ লড়াই”॥

    1. খুব নির্দয় বাস্তব এক সত্য কথা
      খুব নির্দয় বাস্তব এক সত্য কথা ভাই :মাথাঠুকি: … সমস্যা হইল ভারতও আমাদের শত্রুবেশী বন্ধু… কিন্তু ফাকিস্তানের বিষয়টা পুরাই আলাদা :ভাবতেছি: … ওরা আমাদের রক্তের শত্রু :তুইরাজাকার: … আর যে জারজগুলো আমার দেশের চেয়ে ওই ফাকিস্তানকে সাপোর্ট করতে বেশী ভালবাসে, তারা আর যাই হোক, মানুষ না :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: :এখানেআয়: … অশেষ ধন্যবাদ সৈকত ভাই… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

  7. আরে! এই পোস্ট আমার চোখ এড়িয়ে
    আরে! এই পোস্ট আমার চোখ এড়িয়ে গেছিল ক্যামনে!
    তয় আপনি ভাই লোকটা সুবিধার না;
    অযথাই চোখটা ঝাপসা কইরা দিলেন। :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  8. আবারো ভোর, আবারো

    আবারো ভোর, আবারো অপেক্ষায়
    আবারও জেগে ওঠো এখনই সময়।
    আমার সোনার বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে
    আবারও ঝাঁপ দেবে এমন নিরুপায়।

    জানি এই পৃথিবী, স্বাধীনতার ছবি
    আঁকা আমাদেরই হাতে
    দেখেছে এই দেশ, নতুনের বেশ
    শত আলোর ভরা রাতে।

    তাই গর্জে উঠো আবারো
    পেছনে ফেলে সামনে বাড়ো
    জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো

    :salute:

  9. কষ্ট যন্ত্রনার বাংলাদেশে
    কষ্ট যন্ত্রনার বাংলাদেশে ক্রিকেট এক মাত্র আনন্দের জায়গা !

    জানি এই পৃথিবী, স্বাধীনতার ছবি আঁকা আমাদেরই হাতে দেখেছে এই দেশ, নতুনের বেশ শত আলোর ভরা রাতে। তাই গর্জে উঠো আবারো পেছনে ফেলে সামনে বাড়ো জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো

    1. আসলেও আপু্‌… সবই তো
      আসলেও আপু্‌… :থাম্বসআপ: সবই তো নষ্টদের অধিকারে চলে গেছে এবং যাচ্ছে… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: এটাই একমাত্র শুদ্ধ আবেগের জায়গা হয়ে এখনও টিকে আছে… :bow: :bow: :bow: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  10. আগেও একবার পড়েছিলাম। শেষের
    আগেও একবার পড়েছিলাম। শেষের দিকের অংশ তখন পড়তে পারি নি। আজকেও পারলাম না। হঠাৎ করেই চোখটা কেমন যেন ঝাপসা হয়ে এলো। ধুররর!!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *