পরীমহল

পরীমহল নামের একতলা বাড়িটা শহরতলির শেষ মাথায়। জীর্ণ বললে যতটুকু পুরোনো বোঝায় বাড়িটা তার থেকেও পুরোনো। এখানে নিঃশ্বাসের শব্দও প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে। বাড়িটা বুড়ো অমলেন্দুর। ভদ্রলোক একা থাকেন। অথচ এককালে এই বাড়িতে লোকে গমগম করতো। এখন আর এদিকটা কেউ মাড়ায় না। কারণ মানুষ হয়তো নিঃসঙ্গতা উপভোগ করে, কিন্তু নিস্তব্ধতা নয়। তারপরও প্রতিদিন কেউ একজন সন্ধ্যা নামার অপেক্ষায় থাকে। সন্ধ্যায় পরীমহলে বাতি জ্বলবে। আর রাস্তার ওপাশের আরেকটা বাড়ির জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকে কোন এক বুড়ো পরী। ঝাপসা চোখে আলোটা দেখে খুশি হয়। কারণ কোথাও কেউ একজন বেঁচে আছে।

৮ thoughts on “পরীমহল

    1. ব্যাপারটা ঠিক নিঃসঙ্গতাকে
      ব্যাপারটা ঠিক নিঃসঙ্গতাকে রিপ্রেজেন্ট করতেছে না। একটা আনন্দ, সুক্ষ আনন্দ। যে আনন্দে চোখে জল আসে এরকম কিছু 🙂

  1. ছোট্ট একটা গল্পে দুজন মানুষের
    ছোট্ট একটা গল্পে দুজন মানুষের সীমাহীন নিঃসঙ্গতা ভালো ভাবেই ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. “জীবন সুন্দর, বর্ণিল, চমৎকার
      “জীবন সুন্দর, বর্ণিল, চমৎকার এবং অত্যন্ত স্পর্শকাতর কিন্তু শোচনীয় ভাবে চরম নিরর্থক” :খুশি:

  2. ছোট্ট পোস্টটা পড়ার আগে
    ছোট্ট পোস্টটা পড়ার আগে ভাব্লাম অর্থহীন বোধ হয় । কিন্তু নাহ !! পড়ে বুঝলাম । ছোট্ট কয়েকটি লাইন এর মধ্যে নিঃসঙ্গতার একটা প্লাটফর্ম তুলে এনেছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *