দিগন্তের কাছে চিঠি

প্রিয় দিগন্ত,

ঋতুর হিসেবটা আমি বরাবরই ভুল করি, আমার চোখে শুধু বর্ষা আর শীতটাই ভাসে। আমার ক্ষুদ্র জীবনটাতে যে সামান্য টুকু দুঃখের স্মৃতি আছে তার সিংহ ভাগই হিম শীতল কুয়াসাছন্ন দিনের। ব্যাথাতুর হৃদয় ব্যাথাকেই ভালবাসে বেশি, তাই শীতকালটা বেশ প্রিয়। আর বর্ষার কথা যদি বলি তাহলে বলতে হয় বর্ষার কঠিন রুপ জমাট বাধা মেঘ তো আমি। আর তাছাড়া সিক্ততা আমার আজন্মের পছন্দ।সিক্ত আকাশ, সিক্ত হৃদয়, সিক্ত চোখ। বাড়ির সর্ব কনিষ্ঠা যার বয়স কয়েকদিন আগে মাত্র চার মাস একুশ দিন ছিল, সেদিন তার চোখ থেকে জল গড়াতে দেখলাম, কি নিষ্ঠুর অথচ কি সুন্দর দৃশ্য।আজকাল এমন দৃশ্য তো বিরল।

প্রিয় দিগন্ত,

ঋতুর হিসেবটা আমি বরাবরই ভুল করি, আমার চোখে শুধু বর্ষা আর শীতটাই ভাসে। আমার ক্ষুদ্র জীবনটাতে যে সামান্য টুকু দুঃখের স্মৃতি আছে তার সিংহ ভাগই হিম শীতল কুয়াসাছন্ন দিনের। ব্যাথাতুর হৃদয় ব্যাথাকেই ভালবাসে বেশি, তাই শীতকালটা বেশ প্রিয়। আর বর্ষার কথা যদি বলি তাহলে বলতে হয় বর্ষার কঠিন রুপ জমাট বাধা মেঘ তো আমি। আর তাছাড়া সিক্ততা আমার আজন্মের পছন্দ।সিক্ত আকাশ, সিক্ত হৃদয়, সিক্ত চোখ। বাড়ির সর্ব কনিষ্ঠা যার বয়স কয়েকদিন আগে মাত্র চার মাস একুশ দিন ছিল, সেদিন তার চোখ থেকে জল গড়াতে দেখলাম, কি নিষ্ঠুর অথচ কি সুন্দর দৃশ্য।আজকাল এমন দৃশ্য তো বিরল।
যে ক্ষন থেকে ভাললাগার অনুভুতি মনে জন্ম নিয়েছে, সেই তখন থেকেই একটা ভাললাগা, একটা চাওয়া মনের মাঝে লালন করে আসছি এবং আজ অবধি তা অব্যাহত রেখেছি- তা হল “আমার কারনে কারো দুচোখ একটু সিক্ত থাকবে”।
জানি এটা স্বার্থপরতা কিন্তু আর কিছু তো নয়, এই এতটুকুই তো চাওয়া।

যার কারনে এত কিছু বললাম সেই ঋতুর কথা বলি -আজকাল হাসিগুলো কেমন বাতাসে ধুলো ওড়া দিনের মত শুষ্ক মনে হয়।এটা বর্ষা বা শীত একটার মধ্যেও পড়েনা।বৃষ্টি হলে তো তবে রোদের মাঝে প্রান পাওয়া যায়।বহুদিন আমার মধ্যেকার জমাটবাধা মেঘগুলো ঝরেনি তাই হাসিতেও প্রান নাই।মেঘ গুলো ঝরাই কি করে বলো, আমার আকাশে যে এখন নাম না জানা অচেনা সে শুষ্ক ঋতু চলে বর্ষাকে ডাকি কি হেতু?মাঝে মাঝে কি মনে হয় জানো, হৃদয়ের মধ্যেকার বিরোহী অংশটুকু ছিন্ন করে ফেলে দিয়ে ছুটে যাই তোমার কাছে।জানি তাতেও ব্যাথা আছে কিন্তু ও ব্যাথা যে অর্ধ হৃদয় হারানোর ব্যাথা, কোন হৃদয় ক্ষতের ব্যাথা নয়, এতে বাকি অর্ধ বেঁচে যাওয়ার আনন্দটা যে লুকানো।

দিগন্ত, সবাই বলে তুমি নেই, তুমি ভ্রম, তবুও তোমার অস্তিত্ব সবাই মানে! হোক ভ্রম আমি যে সাধারন, সবাই যে ভুল করে আমিও সে ভুল করব। একা একা ভুলের মাঝে যে অনুশোচনার ভয় আছে, এটা আমি কিছুতেই পেরে উঠিনা। তাই তোমাকে জানালাম- একদিন আমার সব প্রয়োজনের আয়োজন সাঙ্গ করে অপ্রয়োজনে ছুটে আসব তোমার কাছে আর কিছু না হোক নিজের কাছে অপরাধী থাকা মনটা শান্তি পাবেতো।

ইতি
এক সাধারনা তনয়া

৬ thoughts on “দিগন্তের কাছে চিঠি

  1. নাহ এর আগে অন্য কোথাও লেখা হয়
    নাহ এর আগে অন্য কোথাও লেখা হয় নি। তবে কাব্য আকারে লেখার যথেষ্ট প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *