হরতালের নামে গাড়িতে আগুন দিতে এবং ভাংচুর করতে দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হোক


হরতালের দিন জোর করে কাজ-কর্ম বন্ধ রাখতে বিরোধী দল যেই ভাবে গাড়ি পোড়াচ্ছে ও ভাংচুর করছে তা কোনও ভাবেই গ্রহন যোগ্য নয় । গাড়ি গুলো যখন পুড়তে দেখি তখন মনে হয় না যে এই দেশে কোনও সরকার আছে । ক্ষমতা দখলের জন্য বিএনপি দায়িত্বহীন ভাবে ধারাবাহিক ভাবে দেশের ক্ষতি করে চলেছে, এই সব নাশকতা ঠেকাতে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকা থাকা উচিৎ । কিন্তু সরকারের সেই দায়িত্বশীল ভূমিকা একেবারেই অপ্রতুল । আমি মনে করি, যে কোনও মূল্যে এবং যে কোনও শক্তি প্রয়োগ করে জনগণের সম্পদ রক্ষা করার অধিকার সরকারের রয়েছে । প্রয়োজন হলে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এমন ক্ষমতা দেওয়া হোক যাতে তাঁরা কাউকে গাড়িতে আগুন দিতে দেখা মাত্র গুলি করতে পারে । অন্যথায় এই গাড়ি পোড়ানো তথা ভাংচুর কখনোই বন্ধ হবে না ।

দুই দলের সংলাপের ব্যাপারে আমি বলবো- বিএনপি কখনোই সংলাপ করতে আসবে না, আর যদি আসেও তাহলে তাঁদের স্বার্থ থেকে তাঁরা এক চুলও নড়বে না । কারণ, বিএনপি ক্ষমতা দখলের জন্য লড়াই করছে, ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য নয় । এই জন্য লীগের সাথে বিএনপি কখনোই সমঝোতায় যাবে না । দলটি তত দিন পর্যন্ত লড়তে থাকবে যত দিন না দলটি জয়ী হতে পারছে । দেশবাসীকে সতর্ক করে দিতে চাই- এই লড়াইয়ে জেতার জন্য ১৮ দলীয়রা বিদেশিদের সাহায্য নিয়ে দেশে গৃহ যুদ্ধও বাধাতে পারে । অতএব, ১৮ দল সরকারের সাথে সমঝোতায় আসবে এমনটি ভাবা অনর্থক ।

আমি মনে করি, সংসদে দল গুলোর প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে একটি সর্ব দলীয় সরকার গঠন করা যেতে পারে । অর্থাৎ, যেই দলের ছয় থেকে দশ জন এমপি আছে সেই দল একটি মন্ত্রীত্ব পাবে । একটি দলের কাছে যদি ১৪ জন এমপি থাকে তাহলে সেই দল ১টিই মন্ত্রীত্ব পাবে, আর যদি ১৬ জন এমপি থাকে তাহলে দুটি মন্ত্রীত্ব পাবে । আর সব চাইতে বড় দলের কাছে প্রধান মন্ত্রীর মন্ত্রীত্ব থাকবে । যেহেতু পিএম শেখ হাসিনাকে বিরোধী দল কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারছে না, তাই সর্ব সম্মতি ক্রমে আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে অন্য কোনও মন্ত্রী বা এমপিকে প্রধান মন্ত্রী নিয়োগ করা যেতে পারে ।

৯ thoughts on “হরতালের নামে গাড়িতে আগুন দিতে এবং ভাংচুর করতে দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হোক

  1. নাশকতা টেকাতে সরকারের অবশ্য
    নাশকতা টেকাতে সরকারের অবশ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। হরতার গাড়ি ভাঙচুর কোন অবস্থাতেই কাম্য নয়।
    .
    .
    ভাই। আপনার সাথ সহমত। তবে, আলোচনাটা পক্ষপাতদোষে দুষ্ট। আপনি শুধু বিম্পর দোষগুলো দেখিয়েছেন। আম্লীগ কী ফিরিস্তা নাকী? মনে রাইখেন, লাল কুত্তা শিয়ালের ভাই।

    1. যাহা সত্য তাহাই তো লিখিবো ।
      যাহা সত্য তাহাই তো লিখিবো । আমি বিএনপির হরতালের বিরুদ্ধে কিছুই লিখিনি, লিখেছি শুধু গাড়ি ভাংচুর ও গাড়ি পোড়ানোর বিরুদ্ধে । আ’লীগ যদি কোনও দিন এই ভাবে জনগণের সম্পদ নষ্ট করে তখনও আমি এই ভাবেই লিখবো । আমি আমার দেশ ও জনগণের জন্য লিখি, কোনও দলের জন্য নয় । হরতালের সময় আ’লীগের অফিসও বিএনপি পুড়িয়েছিল সেই ব্যাপারেও আমি কিছু লিখিনি । শেষ কথা হলো, আমার দেশের স্বাধীনতার তথা স্বার্থের বিরুদ্ধে যারা যাবে তাঁদের বিরুদ্ধে আমার কীবোর্ড চলবেই । মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

  2. আচ্ছা কালকের হরতাল ডাকার কারণ
    আচ্ছা কালকের হরতাল ডাকার কারণ কি?
    সংলাপ?? আওয়ামিলীগ তো সংলাপের ডাক দিল তবে হরতাল কেন?

    কিছু দিন আগে আতিক ভাই একটা কথা বলেছিল

    আওয়ামিলীগ সরকার যানজট হ্রাস করার জন্য মেট্ররেল,ফ্লাইওভার বানিয়েছে। আর বিএনপিও পিছিয়ে নেই তারা যানজট হ্রাস করার জন্য টানা তিন দিন করে হরতাল দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আমার ও তো আতিক ভাই এর মত মনে হচ্ছে।

    1. ক্ষমতায় যাবার জন্য খালেদা
      ক্ষমতায় যাবার জন্য খালেদা জিয়া পাগল হয়ে গেছেন । সম্ভব হলে ত্নি রোজ হরতালের ডাক দেবেন । খালেদা জিয়া সরকারের নমনীয়তার সুযোগ নিচ্ছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *