প্রক্সিকে না … ভর্তি পরিক্ষা সম্পর্কিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সুনামযোগ্য একটি বিশবিদ্যালয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারী থানার ফতেপুর ইউনিয়নের জোবরা গ্রামে পাহাড়ি ও সমতল ভূমির উপর অবস্থিত। এটি ১৮ই নভেম্বর, ১৯৬৬ সালে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু এই সুনামযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আছে অনেক দুর্বলতা যা বিশবিদ্যালয়ের সুনামকে নষ্ট করে দেয়। প্রক্সি নামক ওয়াড টা বেশি প্রচলিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আবার মনে করবেন না আমি ক্লাস এর প্রক্সির কথা বলতেছি, আমি বলতেছি ভর্তি পরিক্ষার সময় প্রক্সির কথা। যা এখন নরমাল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।



চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সুনামযোগ্য একটি বিশবিদ্যালয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারী থানার ফতেপুর ইউনিয়নের জোবরা গ্রামে পাহাড়ি ও সমতল ভূমির উপর অবস্থিত। এটি ১৮ই নভেম্বর, ১৯৬৬ সালে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু এই সুনামযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আছে অনেক দুর্বলতা যা বিশবিদ্যালয়ের সুনামকে নষ্ট করে দেয়। প্রক্সি নামক ওয়াড টা বেশি প্রচলিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আবার মনে করবেন না আমি ক্লাস এর প্রক্সির কথা বলতেছি, আমি বলতেছি ভর্তি পরিক্ষার সময় প্রক্সির কথা। যা এখন নরমাল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন যে কেউ এই পথ অবলম্বন করে পরিক্ষাই অংশগ্রহণ করে যা পরিক্ষার পরিবেশকে নষ্ট করে দেয় সাথে একজন ছাত্র/ছাত্রীর ভবিষ্যৎ কে নষ্ট করে দেয়।

২০০৮ সালে আমার দেখা প্রথম ঘটনা। এই প্রথম আমি ভর্তি পরিক্ষা দি এবং প্রক্সির কর্মকান্ড দেখতে পাই। এই গেল প্রক্সির কথা, এখন বলি কিছু অনিয়মের কথা। পরিক্ষার জন্য একটা নিদির্ষ্ট সময় বরাদ্দ থাকে। হয় ১ ঘন্টা বা ১ ঘন্টা ২০ মিনিট ৩০ মিনিট এই রকম এবং সঠিক সময়ে পরিক্ষা শেষ হওয়ার নিয়ম ও আছে। কিন্তু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর বেপক অনিয়ম দেখা যাই। এক এক রুমে এক এক সময়ে পরিক্ষা শুরু হয় এমনকি কোন সিট প্ল্যান থাকে না। যার কারনে স্যাররা ক্লাস এ এসে অনেক সময় নষ্ট করে, ছাত্র/ছাত্রীদের অনেক সময় হয়রানির শিকার করতে হয়। সময়ের প্রতি কোন দৃষ্টি দেওয়া হয় না। অনেক সময় পুরো সময় দেওয়া হয় না। যার কারনে অনেক মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীর জীবন নষ্ট হয়ে যাই। যে বারে আমি প্রথম পরিক্ষা দি ঐ সময়ে আমাদের রুমে সময় শেষ হওয়ার ২০ মিনিটের উত্তরপত্র নিয়ে ফেলা হয়। এই অনিয়মের কারনে আমাদের রুম থেকে কেউ ঠিকতে পারে নাই। হতে পারে আমাদের কপাল খারাপ কিন্তু এই সব অনিয়মের জন্য অনেক পরিক্ষাথীর সঠিক মূল্যায়ন হয় না যা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এই সব দিকে খেয়াল করার জন্য কেউ কি নেয়। এই সব কারনে পড়ালেখার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এই জন্য এই অনিয়ম এর দিকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং এর যথাযথ প্রদক্ষেপের অনুরোধ জানাছি।

১ thought on “প্রক্সিকে না … ভর্তি পরিক্ষা সম্পর্কিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *