কলঙ্কিত নয়, অলঙ্কার

তোমার নিষ্ঠুরতা আমায় অবাক করে
সত্য বলে বিদায় নিলেই পারতে
যেটাকে তুমি কলঙ্ক বলছ
সেটাকে আমি অলঙ্কার বলি

তোমার দেয়া উপাধিটা ইশুমাত্র
ব্যাবচ্ছেদের নোংরা-কুত্সিত ইশু!
হিব্রুভাষায় বিচ্ছেদ না ঘটালে হতোনা?
কোমল ভাষায় ভালোবাসাটা পবিত্র থাকতো



তোমার নিষ্ঠুরতা আমায় অবাক করে
সত্য বলে বিদায় নিলেই পারতে
যেটাকে তুমি কলঙ্ক বলছ
সেটাকে আমি অলঙ্কার বলি

তোমার দেয়া উপাধিটা ইশুমাত্র
ব্যাবচ্ছেদের নোংরা-কুত্সিত ইশু!
হিব্রুভাষায় বিচ্ছেদ না ঘটালে হতোনা?
কোমল ভাষায় ভালোবাসাটা পবিত্র থাকতো
অলঙ্কারগুলো কলঙ্কিত না করলে হতোনা?
সেটাতো তোমার দেয়া উপহার
ওটাতো কখনো কলঙ্ক হতে পারেনা।

জান?
তুমি কলঙ্ক বললে শরীরটা ব্যাথায়…
আমি নারী, চাঁদের সমতুল্য কোমল…
চাঁদের দেহ কলঙ্কিত না, আমার ঈর্ষাকাতর ভাষা
আমিও একদিন চাঁদ হবো!

ষষ্ঠশীর রজনীতে পূর্ণিমা থাকবেনা
ভেবোনা, ঐদিন নাহয় নগ্ন চাঁদ হবো!
জানি, তাও তুমি তাকাবেনা
তবুও কলঙ্কিত বলোনা, শরীরটা ব্যাথায়…

অলঙ্কারটা প্রতীক হয়ে রূপ নিয়েছে!
রূপকারের নাম দিব দিব ভাবছি
নাম ছাড়াতো ইতিহাস পূর্ণতা পাবেনা
বরং পবিত্র প্রতীক কলঙ্কিত হবে
লোকমুখে জারজের উপমায় অপমানিত হবে তোমার উপহার
প্রার্থনা করছি, শেষ প্রার্থনা
রূপকারের ঘরে তোমার পরিচয়টুকু…

শুনেছি,
তোমার নতুন প্রেম পূর্ণ জোস্নায় ঢাকা
শশীর জোস্নায় আমার মতো কলঙ্ক নেই তো?
ওটাকে শরীর ভেবোনা, ভেঙ্গে যাবে!
ফেটে যাবে, নুয়ে পড়বে, কলঙ্কিত হবে!
এটা নারী, চাঁদ, প্রকৃতি, নদী, সমুদ্রের ঢেউ!
কলঙ্কিত বলোনা, শরীরটা ব্যাথায়…

৫ কার্তিক ১৪২০

৫ thoughts on “কলঙ্কিত নয়, অলঙ্কার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *