স্বপ্নের গনজাগরন

রাতে অনেক আশা নিয়া লগআউট দিয়া বাইর হয়ে গেলাম। আগামীকাল কুত্তা কাদেরের ফাঁসি। সেদিন মেবি রাত ১১টার বেশি এফ বি তে বসি নাই। পরের দিন এক্সাম পড়তে হইব। ঘটনা ৪ফেব্রুয়ারী রাতের। রাত ৩টা পর্যন্ত পইরা ঘুমায় গেলাম। এক ঘুমে সকাল। সকাল উঠে নাস্তা খাইয়াই দৌড়ের উপর।

পরীক্ষা শেষ করে বাইর হতে হতে বারটা বাজছে। বাইর হয়েই টি স্টলে চায়ের অর্ডার দিয়ে ফেসবুকে গুতাইতাছিলাম। হাঠাৎ একজনের স্ট্যাটাস দেখে ,বুক কাইপা উঠল। মানুষে ট্রাইবুনালের উপর ক্ষেইপ্পা কাউন্টার স্ট্যাটাস দিতাছে। তাইলে কি ফাঁসি হয়নি?

হাঠাৎ দেখলাম অনেকেই নির্ঝর মজুমদারের স্ট্যাটাসে কমেন্ট দিচ্ছে। তার স্ট্যাটাসে লেখা ছিল,

রাতে অনেক আশা নিয়া লগআউট দিয়া বাইর হয়ে গেলাম। আগামীকাল কুত্তা কাদেরের ফাঁসি। সেদিন মেবি রাত ১১টার বেশি এফ বি তে বসি নাই। পরের দিন এক্সাম পড়তে হইব। ঘটনা ৪ফেব্রুয়ারী রাতের। রাত ৩টা পর্যন্ত পইরা ঘুমায় গেলাম। এক ঘুমে সকাল। সকাল উঠে নাস্তা খাইয়াই দৌড়ের উপর।

পরীক্ষা শেষ করে বাইর হতে হতে বারটা বাজছে। বাইর হয়েই টি স্টলে চায়ের অর্ডার দিয়ে ফেসবুকে গুতাইতাছিলাম। হাঠাৎ একজনের স্ট্যাটাস দেখে ,বুক কাইপা উঠল। মানুষে ট্রাইবুনালের উপর ক্ষেইপ্পা কাউন্টার স্ট্যাটাস দিতাছে। তাইলে কি ফাঁসি হয়নি?

হাঠাৎ দেখলাম অনেকেই নির্ঝর মজুমদারের স্ট্যাটাসে কমেন্ট দিচ্ছে। তার স্ট্যাটাসে লেখা ছিল,

”আওয়ামী লীগ একটা বেইমানের দল। আমি এই দলের সঙ্গ ত্যাগ করলাম, সকল সমর্থন তুলে নিলাম। যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য দরকার হলে অস্ত্র হাতে তুলে নিব। যত দূর যাওয়ার দরকার হয় যাবো। খেলা এইখানেই শেষ না ছাগুরা। মনে রাখিস আমরা সাধারন পাবলিক, হাজার গুনে বেশি শক্তিশালী আওয়ামী লীগের থেকে। বিচার এইবার আমরা নিজেরাই করব।”

রক্তে এড্রোনালিনের পরিমান বেড়ে গেল।গা শিরশিরায় উঠল।এটা কি হল ? ফাঁসি পেলাম না ?

-মামা চা
-রাখ তোর চা ।তোর চা দিয়ে তুই গোসল কর
-মামা !এইসব কি কন
-যাহ এখান থেকে জ্বালাবি না
একেকজনের লেখা দেখে তখন আমার মাথা খারাপ ।গা জ্বলতাছে।কি করব কিছু বুঝতাছিনা। হচ্ছেটা কি?ফাঁসি দিলনা কে?ক্ষোভে গা জ্বলতাছে ।

বুঝলাম চুপ করে আর থাকা যাচ্ছেনা ।নির্ঝর মজুমদারও একটা কাউন্টার স্ট্যাটাস দেন,

”এক বাপে যদি জন্ম দিয়ে থাকে, যদি এক মায়ের সন্তান হন, যদি একবারও দেশের পতাকার দিকে তাকিয়ে এক ফোটাও ভালোবাসা অনুভব করেন, যদি দেশ কে এক ফোটাও ভালোবাসেন, যদি একবারেও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে গর্ব বোধ করেন, যদি কোন দিন একবারের জন্যও ভেবে থাকেন, সম্ভব হলে আপনিও মুক্তিযুদ্ধ করতেন, যদি এক দিনের জন্যও রাজাকারদের গালি দিয়ে থাকেন, যদি একবারের জন্যও মনে করেন এরা অপরাধী,এদের বিচার অবশ্যই করতে হবে, যদি, একটি বারের জন্য বিচার নিয়ে, ট্রাইব্যুনাল নিয়ে কোন সদর্থক কথা বলে থাকেন, তাহলে প্লিজ, ঢাকাতে অথবা চিটাগাঙে আজকে- এই মুহূর্তে থেকে থাকলে চলে আসুন। মানব বন্ধন না, শোভা সমাবেশ না, বিক্ষোভ করুন, আপনার রাগ, আপনার ক্ষোভ, আপনার ক্রোধের সব টুকু তুলে দিন রাস্তাতে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধ শক্তির বিপক্ষে। অনেক কথা বললাম আমরা, অনেক অনলাইনে বকর বকর করলাম আমরা, অনেক বার নিজেদের মধ্যে বিভেদ , বিভক্তি করলাম আমরা, অনেক ইস্যুতে নানান মত দিলাম আমরা এইবার মাঠে তাদের কে পে ব্যক করবার পালা। ৩:৩০ মিনিটে চলে আসুন। ঢাকাতে শাহবাগের মোড়ে, চিটাগাঙে প্রেস ক্লাবের সামনে। আমরা নিজেদের রাগ এবং দাবি দুইটাই একসাথে দেখাইতে চাই।ঢাকাতে যোগাযোগঃ রাকিবঃ ০১৭**** বাধনঃ ০১৭** ডাক্তার ইমরানঃ০১৭১*** চিটাগাঙে যোগাযোগঃ নিরঝরঃ ০১৭২****রমেন দাশগুপ্তঃ ০১৮**** সুমিত চৌধুরীঃ ০১৯১****”

ইমরান ভাই আর বাধন ভাই দুজন ই ১২ টা ১৮ মিনিটে একটা স্ট্যাটাস দেয়।এর একটু পরই ১২ টা ২৩ মিনিট BOANএর পেজে একটা ইভেন্ট খোলা হয়।সিডাটিভ হিপনোটিক্স ইভেন্টটা শেয়ার করে, কিছু না বুঝেই ইভেন্টে গোয়িং দিয়ে হাটা শুরু করি।

শাহবাগ যেয়ে দেখি চেনা অচেনা অনেকেই আছে। এমন অনেকে আছে যাদের কখনো দেখিনি বাধন ভাই, কাসাফাদ্দৌজা নোমান,পলাশ ভাই ,মারুফ ভাই, রাকিব ভাই ,মহামান্য কহেন,শাকিল আহমেদ অরন্য,পরাগ, আসিফ, সুব্রত শুভ,ফরিং ক্যামেলিয়া আরো অনেকে তখন ছিল।

তবুও শাহবাগ তখনো ফাকা ময়দান। দেখি মাটিতে বসে দীপ ভাই একটা কাগজে লিখছে-

‘এই পথে আজ জীবন দেব/রক্তের বদলা ফাঁসি নেব।’

কিছুক্ষন পর সবাক পাখি ভাই এবং ইমরান এইচ সরকার ভাই সিএনজি থেকে নামলেন হাতে কাগজ পত্র নিয়ে। এসেই সবার সাথে একসাথে হল ।ছোট খাট একটা সমাবেশের মত।এমন সময় হঠাৎ বাধন ভাই আসলেন এবং বললেন “আমরা স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগের দিকে যাব আর রাস্তা বন্ধ করে স্লোগান দেওয়া শুরু করব। সবাই আছেন তো? সবাই তাস্বরে চিৎকার দিয়ে সম্মতি জানাল।

তখন ও মানুষ অনেক কম।এই কম মানুষ নিয়েই স্লোগান দিতে দিতে যাচ্ছিলাম শাহবাগ দখল করতে।পুলিশ বাধা দিতে গিয়ে পাকড়াও করতে আসল শিবির ভেবে। তারপর রাজাকারের ফাঁসি চাই শুনে তারা ভরকায় যেয়ে তারাও গলা মেলানো শুরু করল। খুব সহজেই শাহবাগে বসে পরলাম।

পুরাটা দিনে চলল স্লোগান ,কালজয়ী গান। মানুষ কম।অনেক কম। প্রিয় বাপ্পা দা আসল সন্ধ্যার পর। আরো অনেক কাছের মানুষ ও আসল।

রাত অনেক বেশি। ১১টার মত। উঠে যেতে হয়। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম ।এসেই ঘুম।না খেয়েই ঘুম। কড়া ঘুম। ঘুম ভাঙল এগারটা বারটার দিকে। তখনি আবার চলে গেলাম শাহবাগে।

এইটা কোন জায়গায় নামাও মামা?শাহবাগ আরো দূর !!
-মামা আর যাওয়া যাইবনা।সামনে মানুষে ভরা।
কও কি মামা !!
-জে মামা ।এইখানেই নাইমা পর।
-আচ্ছা মামা নামাও

সামনের জায়গাটা চেনা যাচ্ছেনা। মানুষের ছড়াছরি। সবাই গলা ফাটিয়ে স্লোগান দিচ্ছে। সামনে আর যাওয়া যাবেনা। তবুও কষ্ট করে যাওয়ার চেষ্টা করতেই এক বড় ভাই বলল ,এই ছেলে কই যাও?এখানেই বস। সামনে যাওয়া যাবেনা। ওখানে কালকের সংগঠকরা আছে শুধু। আমি হেসে ফেললাম। বললাম ঠিক আছে এখানেই বসছি।বসে পরলাম।একটু পর পলাশ ভাই এসে বলল কিরে এখানে কি করিস? সামনে চল,বলে সামনে নিয়ে গেল। সবার সাথে দিন কাটিয়ে দিলাম।কত মানুষ যে ছিল। অবাক।এক সাথে বসেই গলা মিলিয়ে স্লোগান ধরলাম। জয় বাংলা ।

৪৬ thoughts on “স্বপ্নের গনজাগরন

  1. আমার ঘটনাও প্রায় সেইম। আমারটা
    আমার ঘটনাও প্রায় সেইম। আমারটা নিয়েও পোস্ট দেয়া যায়। রায়ের আগে কসাই কাদেরের ফাঁসির আশা করছিলাম। রায়ের দিন উত্তেজনায় কলেজেই যাইনি। তারপর হঠাৎ এই প্রহসনের রায় শুনেই মাথা গরম! একে তো ছাগুর আস্তানা চট্টগ্রাম কলেজ, তারউপর অধিকাংশ ছেলেই শিবির। তারপরো নেমে পড়ছি রাস্তায়। প্রেসক্লাবের সামনে। আমাদের কলেজ থেকে পাঁচজন প্রথমে গেল আমার সাথে। আস্তে আস্তে মানুষ বাড়লো। একসময় অনেক মানুষ! ব্যাস! কাজ করতে লাগলাম সবাই ভাগ হয়ে। আমাদের কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক প্রচার সম্পাদক ছিলাম আমি। সেই থেকেই ইলেকট্রন নামটা খুব প্রিয়!! একসময় কেন জানি সব মলিন হয়ে গেল। অনেক চেষ্টা করছিলাম এইটাকে সতেজ রাখতে। যখন এসব করে গলা ফাটাতাম, তখন এক বুক গর্ব এসে জমা হত। খুব ভালোবাসি এই দেশটাকে। জানি কিছুই করতে পারবোনা এই দেশের জন্য, তাও যেন বিদায় বেলাতে আমি বলে যেতে পারি যে, আমি অক্ষম হতে পারি, কিন্তু অকৃতজ্ঞ নই।

    1. আমাদের কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক

      আমাদের কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক প্রচার সম্পাদক ছিলাম আমি।

      ইলেকট্রনের গুপন রহস্য তাইলে এই… :ভেংচি: :বুখেআয়বাবুল: 😀

  2. এই টাইপ পোস্ট এ কোন রিভিউ
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    এই টাইপ পোস্ট এ কোন রিভিউ থাকে নাহ। শুধু থাকে শ্রদ্ধা

  3. অনেক ভালো লিখছিস। পড়ার সময়
    অনেক ভালো লিখছিস। পড়ার সময় সবকিছু সামনে ভাসছিল… তবে আনন্দের কথা সেদিনের চেতনা কাজে লেগেছে… কসাই কাদেরের ফাসির রায় হয়েছে। আমরা এই গনজাগরনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য পাওনা গুলো আদায় করে নেবো। :খুশি:

      1. কাঁচা খাইতে সমস্যা হলে সস
        কাঁচা খাইতে সমস্যা হলে সস দিয়ে খাব :ভাবতেছি: :ভেংচি: :হাহাপগে: :বুখেআয়বাবুল: … পার্টিও :পার্টি: :পার্টি: দিলাম নাহয় একটা… :শয়তান: :হাসি: 😀 😀

    1. ডেফিনিটলি। অনেক খোঁচা,
      ডেফিনিটলি। অনেক খোঁচা, টিটকারী এতো দিন সহ্য করতে হয়েছে। এবার অন্তত গর্বের সাথে বলতে পারছি শাহবাগ কাদের কসাই এর ফাঁসীর রায় এনেছে। এটা সত্যিই অনেক বড় অর্জন।

      1. রাজাকার কাদের মোল্লার
        রাজাকার কাদের মোল্লার সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি ছিল আমাদের প্রধান দাবী ।আমরা তা পেয়েছি এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।তাছাড়াও ধর্মব্যাবসায়ীদের নিবন্ধন বাতিল,এক কোটি সাক্ষর সম্মিলিত ড্রাফট সংসদে প্রদান।দিগন্ত ,আমারদেশ বন্ধ।তাছাড়াও আমাদের অনেক সাফল্য আছে ।ধন্যবাদ

  4. আবেগ প্রবণ হয়ে পড়ছিলাম পড়তে
    আবেগ প্রবণ হয়ে পড়ছিলাম পড়তে পড়তে। শাহবাগ মুভমেন্ট কি দিয়েছে? কি হয়েছে ওটা করে? এমন অনেক প্রশ্ন এতোদিন শুনতের হয়েছে, এখন নির্দ্বিধায় এবং গর্বের সাথে আমরা বলতে পারি শাহবাগ কাদের মোল্লার ফাঁসী দিয়েছে। ধন্যবাদ, খুব ভালো লিখেছেন নিজের মতো করে। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

    1. পড়ার জন্য এবং এত সুন্দর একটা
      পড়ার জন্য এবং এত সুন্দর একটা মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞ ও আফুরন্ত ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন।জয় আমাদের হবেই ।জয় বাংলা ।

    2. এখন নির্দ্বিধায় এবং গর্বের

      এখন নির্দ্বিধায় এবং গর্বের সাথে আমরা বলতে পারি শাহবাগ কাদের মোল্লার ফাঁসী দিয়েছে।

      :salute: :salute: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :গোলাপ:

    1. (No subject)
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  5. এই লেখার একটা অংশ বৃত্তদার
    এই লেখার একটা অংশ বৃত্তদার পোস্ট থেকে সরাসরি কপি পেস্ট করা । ইস্টিশনে যেটা কাম্য না ।

    সিডাটিভ হিপ্নোটিক্স এর শাহবাগ আন্দোলন দর্শন নামে লেখার একটি অংশ ”সবাক পাখি” এবং ”ইমরান এইচ সরকার” সিএনজি থেকে নামলেন হাতে ব্যানার কাগজ পত্র নিয়ে ।
    আসলেন আম্মা (“সেলিনা মাওলা”), আমার দোস্তরা আসলো -”মাজহার মিথুন”, “কাশাফাদ্দুজা নোমান”, ‘আশিক । ”শশী হিমু” “মাহবুব রশীদ” কে দেখলাম। “অনিমেষ আইচ” এসে ব্যানার ধরে দাড়ালেন।
    আসলেন ‘মিন সাজু’,
    ব্যানার নিয়ে দাড়িয়ে আছি । এমন সময় হটাৎ বাধন ভাই আসলেন- ” আমার এই সমাবেশে পর স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগে দিকে চলে যাবো ।” ঠিক তার পরই তিনি বোমা ফাটালেন – ” দরকার বোধে আমরা শাহবাগের রাস্তা বন্ধ করে দেব ।” রক্তে এড্রেনালিনের পরিমান বেড়ে গেল, উত্তেজনা ভর করলো । বাধন ভাইয়ে আবার জিজ্ঞাসা – ” আপনার আমাদের সাথে আছেন ?” মুহূর্ত হাত তুললো সবাই- ” হা… আছিইইইইই”

    কাজটা কি ঠিক হলো ?

  6. শাহবাগ শুধু কাদের মোল্লার
    শাহবাগ শুধু কাদের মোল্লার ফাসি এনে দেয় নি। জামাত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার পথ খুলে দিয়েছে।

    এখন কেউ সব্য সমাজে বলতে পারে না আমি জামাত শিবিরকে সমর্থন করি। সভ্য হতে গেলে আগে জামা-শিবির ত্যাগ করতে হয়। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *