কওমি মাদ্রাসারকে আধুনিকায়নের চেষ্টা এবং মাওলানা শফিদের গৃহযুদ্ধের হুমকির ব্যাবচ্ছেদ

কওমি মাদ্রাসার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার যে আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে তা পাশ হলে হেফাজতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা শফি গৃহযুদ্ধ শুরু হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। আসুন বর্তমানে এই মাদ্রাসার ছাত্রদের অবস্থা জানি-


কওমি মাদ্রাসার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার যে আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে তা পাশ হলে হেফাজতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা শফি গৃহযুদ্ধ শুরু হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। আসুন বর্তমানে এই মাদ্রাসার ছাত্রদের অবস্থা জানি-

*কোন সার্টিফিকেট দেয়া হয় না। হুজুরদের দেয়া মৌখিক সার্টিফিকেটই একমাত্র ভরসা। তাই মাদ্রাসার বাইরে এসে অফিস আদালতে কাজ করার সুযোগ নাই। কাজের একমাত্র ভরসা হুজুর যদি দয়ামায়া করে কোনও মাদ্রাসায় মুয়াজ্জিন, ইমাম হিসাবে সুপারিশ করেন অথবা বড়জোর কোন মাদ্রাসার শিক্ষক হয়ে ক্লায়কেশে বেঁচে থাকা। এর বাইরে আয় উপার্জনের একমাত্র রাস্তা অবস্থাপন্নদের করুনা। বিনিময়ে হুজুরেরা চান আনুগত্য আর তাদের প্রজেক্ট অনুসারে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মানুষকে বিপথে পরিচালিত করা। নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের কাজ বাচ্চা ছেলেগুলোকে দরকার অনুসারে রাস্তায় যখন তখন নামিয়ে দেয়া। যেমনটা আমরা দেখেছি মতিঝিলে হেফাজতের সমাবেশে। এইবারের প্রজেক্ট ছিলো যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করা।

এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হয় সাধারনত বিদেশী ডোনেশন আর দেশী অবস্থাবান লোকদের দান দক্ষিনায়। বিদেশী ডোনেশন এমনি এমনি আসে না। নানানজন নানান উদ্দেশ্যে দান করেন। এ ধরনের উদ্দেশ্যের আউটপুট হিসাবে জঙ্গিবাদের চাষ হয় সেখানে। গ্রেনেড, গোলাবারুদ কোনও কিছুরই কমতি নেই। সাম্প্রতিককালে চট্রগ্রামের এক কওমি মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরনে কয়েকজন মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু এবং গ্রেনেড উদ্ধার আমাদের ভয়াবহভাবে শংকিত করে। বাংলাকে তালেবান স্টেটে পরিনত করার জন্য যা যা দরকার সবই তারা করে যাচ্ছেন এবং সেটা পরিকল্পনামাফিক।

কওমি মাদ্রাসার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে আইন পাশ হলে বাংলাকে আফগানিস্তানে পরিনত করার যে লক্ষ্য নিয়ে তারা এগুচ্ছেন তা মাঝপথেই বিনষ্ট হয়ে যায়। মাদ্রাসাগুলো সরকারী অর্থায়নে পরিচালিত হবে। তাই বিদেশী জঙ্গি গোষ্ঠীর এখানে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা শেষ হয়ে যাবে। মাদ্রাসার ছাত্ররা সার্টিফিকেট পাবে। শিক্ষা ব্যাবস্থা আধুনিক ও বাস্তবমুখী হওয়ায় দ্রুত সমাজের মূল স্রোতে চলে আসবে্ন তারা। চাকুরীর সুযোগ উন্মোচিত হবে। বড় হুজুরদের তাদের জীবন জীবিকা আটকে রেখে যা খুশী তাই করানোর সুযোগ থাকবে না। শফি হুজুরদের প্রজেক্ট বেসিসের অর্থ আসা তাতে বন্ধ হয়ে যায়। হেলিকপ্টারে চড়ার অর্থ আসবে না, কোটি টাকার গাড়িও কেনা সম্ভব হবে না। নিজের পেটে লাত্থি আসলে কে-ই বা শান্তশিষ্ট হয়ে বসে থাকতে পারে। তাও দুই চার লাখ টাকার ব্যাবসা না। কোটি কোটি টাকার ব্যাবসা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। তাই গৃহযুদ্ধের হুমকি দেয়াটাই স্বাভাবিক।

মাদ্রাসার ছাত্ররা আমাদের সমাজেরই মানু্‌ষ, আমাদেরই ভাই। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে নিয়েই এগোতে হবে। এই দেশের উন্নয়নে তাদের হাত আমাদের আরো শক্তিশালী করবে। সেইসাথে সমাজ এগোবে আলোর পথে। স্বনির্ভর হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে দরিদ্র ছেলেটি আর অর্থাভাবে ভুগবে না। কারো কাছে হাত পাততে হবে না। বর্তমানে তাদের দান দক্ষিনার মাধ্যমে সমাজে একরকম পরগাছায় পরিনত করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে তারা পরিনত হবেন বটবৃক্ষে।

কওমি মাদ্রাসার এই আইন হতে পারে আমাদের দেশকে এগিয়ে নেয়ার পথে একটা মাইলফলক। লাখ লাখ অসহায় ছেলের স্বনির্ভর হবার একমাত্র সুযোগ। তাই যত বাধায় আসুক না কেন, সরকার আশা করি শত বাধাকে অগ্রাহ্য করে অবশ্যই এই আইন পাশ করবেন। কারো দয়া দাক্ষ্যিন্যের উপর আমাদের দেশে কেউ নির্ভরশীল থাকুক আমরা তা চাই না। বাঁচলে বাঁচার মত করেই বাঁচুক, মাথা উঁচু করেই বাঁচুক।

১৬ thoughts on “কওমি মাদ্রাসারকে আধুনিকায়নের চেষ্টা এবং মাওলানা শফিদের গৃহযুদ্ধের হুমকির ব্যাবচ্ছেদ

  1. মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে
    মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে দেওয়াটাই হত সঠিক সিদ্ধান্ত। মাদ্রাসাগুলো এদেশে ধর্মীয় ভিক্ষুক তৈরী করছে। যা দেশ ও জাতির জন্য বোঝা। ধর্মীয় ভিক্ষুক তৈরীর প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করছে সরকার। সরকারের সিদ্ধান্ত হচ্ছে রাজনৈতিক। ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করল সরকার।

    1. হুট করে মাদ্রাসা বন্ধ করার
      হুট করে মাদ্রাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত বোধ হয় আত্মঘাতী হবে প্রগতিশীলতার জন্যই। এটাকে পুঁজি করে জঙ্গিবাদ আরও উস্কে দেবে ধর্ম ব্যবসায়ীর দল। তাই সরকারের সিদ্ধান্তই আপাতত সময়োপযোগী বলে মনে হচ্ছে।

      1. ভালো বলেছেন আতিক ভাই। শুধু কি
        :থাম্বসআপ:
        ভালো বলেছেন আতিক ভাই। শুধু কি তাই?
        কওমী মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত লাখ লাখ শিশুদের বেশির ভাগই এতিম বা অত্যন্ত হত দরিদ্র ঘরের সন্তান। এদের পুনঃবাসন না করেই হুট করে বন্ধ করে দেয়াটা কোন মানবিক কাজ হতো না কখনোই! বরং এগুলোকে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার মধ্যে আনতে পারলে দরিদ্র শিশুগুলো আধুনিক শিক্ষার ও উন্নত জীবন যাপনের সুযোগ পাবে।

        মাথা ব্যথার চিকিৎসা যেমনিভাবে মাথা কেটে ফেলা নয়, তেমনি কওমী মাদ্রাসার বর্তমান পরিস্থিতিও দমন নয় বরং নিয়ন্ত্রণ করাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

      2. আতিক ভাই, আমার হয়ে মন্তব্যটা
        আতিক ভাই, আমার হয়ে মন্তব্যটা করার জন্য ধন্যবাদ। দুলাল ভাইয়ের মন্তব্যে আমার আমার মাথায়ও ঠিক এ কথাগুলাই এসেছিলো।

  2. চমৎকার বলেছেন সফিক ভাই
    চমৎকার বলেছেন সফিক ভাই :ফুল: :ফুল: … এই ফাকিবীর্যের চেতনায় লালিত-পালিত জঙ্গিগুলো আসলে কোন কারণে মাদ্রাসাগুলোর আধুনিকায়ন চায় না, সেটা আজ দিবালোকের পরিস্কার… :এখানেআয়: :এখানেআয়: :এখানেআয়: দেশ ও জাতির জন্য এরা বিষাক্ত কীটের মত… :দেখুমনা: :তুইরাজাকার:

  3. শফিকে বলতে শুনলাম – “আমাদের
    শফিকে বলতে শুনলাম – “আমাদের মাদ্রাসায় বোমা তৈয়ার হয় না; আমরা বোমা তৈয়ার করতে ফারিনা..| আমি আফনাদের সব মাদ্রাসায় ঘুরিয়া দেখাব…| কোন বোমা ফাইবেন না…|”

    কথা হইল, আফনাদের মাদ্রাসায় বোমা না থাকলে আফনারা ল্যাপটপে কী এমন জিনিস রাখেন যাহা উত্তেজিত হইয়া নিজে নিজে বিস্ফোরিত হয়? :মানেকি:

  4. ভাই ভাল লিখেছেন। আপনি আপনার
    ভাই ভাল লিখেছেন। আপনি আপনার আলোচনায় বিদেশীদের অর্থায়ন এর স্বার্থের কথা বলেছেন। কিন্তু দেশেও অনেক ডোনার আছে যারা বেশির ভাগ শিক্ষিত ও অর্থশালী। এরা জানে আধুনিক শিক্ষা কি কিন্তু কেন তারপরও এই গোষ্ঠী এখানে টাকা দেয়? এর অন্যতম একটা কারণ এইসব ধনীদের ফোর্স হিসাবে কাজ করে। নিজেরা পশ্চিমা ধারায় জীবন যাপন করবে কিন্তু গোপন দান ধ্যানের ক্ষেত্রে জন্য বেছে নেবে মাদ্রাসা গুলোকে।
    এর বাইরে আরেকটি কারণ হচ্ছে শোষণের সিস্টেম টা ঠিক রাখা। এই বিশাল গোষ্ঠী যদি শিক্ষিত হয় তাহলে তাদের আধারে ভাগ বসাবে।

  5. আমার প্রতিক্রিয়া মিশ্র
    আমার প্রতিক্রিয়া মিশ্র –
    উদ্যোগ মন্দ নয় কিন্তু কথা হচ্ছে আধুনিক ই যদি করা হবে তবে মাদ্রাসা শিক্ষা চালু রাখার যৌক্তিকতা কোথায় ? মাদ্রাসা শিক্ষা একটি পশ্চাদপদ মধ্যযুগীয় শিক্ষা । এই শিক্ষা মানুষকে সামনের দিকে না নিয়ে পেছনের দিকে নিয়ে যায় । সরকারকে মাদ্রাসা শিক্ষা চিরতরে বিলোপ করার জন্য কৌশল অবলম্বন করতে হবে । যেমন বাধ্যতামূলক বিজ্ঞান শিক্ষা, ইংরেজি শিক্ষা, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য শিক্ষা , বাধ্যতামূলকভাবে আরজ আলী মাতুব্বর, আহমদ শরীফ, হুমাউন আজাদ আজাদ পড়ান যেতে পারে সেই সাথে মারক্সিও দর্শন পড়ালে মাদ্রাসার বুড়ো ভূত গুলো বাপ বাপ করে পালাবে —- গ্যারান্টি দিলাম ।

    1. মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ না করলে
      মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ না করলে ধর্মীয় ভিক্ষুক ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করা সম্ভব না। যতই আধুনিকায়ন করা হোক না কেন, ধর্মকে ব্যবহার করে স্বার্থন্বেসী মহল ফায়দা লুটবেই। মাদ্রাসা শিক্ষা দিয়ে এতিমদের খেদমত করা যায় না। বরং এতিমদের সমাজেও এতিম বানানো হয়। এরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উন্নত বিশ্বেও এতিমখানা আছে। তাদেরকে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করেনা। এতিমদেরকে দেশের সম্পদ হিসাবে তৈরী করতে হলে অবশ্যই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। যারা এতিমদেরকে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করার পক্ষে তাদের উদ্দেশ্য অবশ্যই সৎ নয়। মুলধারার শিক্ষার বিকল্প কখনই মাদ্রাসা হতে পারেনা। মাদ্রাসায় শিক্ষা নিয়ে কেউ মুলধারার কাজে অংশ নিতে পারবেনা। সেই যোগ্যতা ঐ শিক্ষা ব্যবস্থায় নেই। ধর্মীয় শিক্ষার সাথে মুলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক সাংঘর্ষিক বিষয় আছে। আধুনিক করার নামে ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রমোট করে কোন লাভ হবেনা। হলে আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মুলধারার সাথে মিশতে পারত।

    2. রাহাত মুস্তাফিজ ভাই,
      মাদ্রাসা

      রাহাত মুস্তাফিজ ভাই,
      মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করে দিলে আমরা মরার পর জানাজা পড়াবে কে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরা ?
      বরং মাদ্রাসা গুলোকে সরকারের নিয়ন্ত্রনে রেখে মূলস্রোতে নিয়ে আসাটা হবে বাস্তবসম্মত।

      1. অলৌকিক সৈকত
        মরার পর জানাজা

        অলৌকিক সৈকত
        মরার পর জানাজা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন !!!!
        সার্থক নাম রেখেছেন ভাই । ইহলোকে যে আপনার আস্থা নেই তা বেশ বুঝতে পারছি । যদিও ইহলোকের সব রকম সুযোগ সুবিধা নিয়ে বেঁচে আছেন !!!
        আগে বেঁচে থাকাটাকে নিরাপদ করেন । মাদ্রাসা শিক্ষা আমাদের মূল শিক্ষা ধারা হিসেবে কোন কালেই ছিল না । তখন কি জানাজা পড়ানোর লোকের অভাব হয়েছিলো ?
        আর আমার কমেন্টের তাৎপর্য সম্ভবত আপনি ধরতে পারেন নি । এখনি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হবেনা । তবে লক্ষ থাকবে এটাকে বন্ধ করে দেওয়ার ।
        ধর্ম শিক্ষা লাভের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার কোন দরকার নেই । যুগ যুগ ধরে এই অঞ্চলের মানুষ ধর্মের প্রাথমিক জ্ঞান নিচ্ছে অপ্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমে । এতে তো কোন বড় ধরণের সমস্যা তৈরি হচ্ছে না । কিন্তু যখনি কওমি মাদ্রাসার মাধ্যমে এটাকে মুনাফা লাভের জন্য বেসরকারিকরণ করা হল তারপর থেকে কি উৎপাদন হচ্ছে তা মনে হয় উদীচী বোমা হামলা, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা, ছায়ানটে বোমা বর্ষণ , ৬৩ জেলায় একসাথে বোমা হামলা, কোটালি পাড়ায় বোমা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ইত্যাদি ইত্যাদি থেকে অনুভব করতে পারি । সুতরাং এই বিষয়টাকে নোংরা রাজনীতির খেলা হিসেবে না নিয়ে এই মাদ্রাসা শিক্ষার আশু বিলোপ সাধনে জরুরী পদক্ষেপ নিতে হবে ।

        1. রাহাত ভাই
          আপনার মন্তব্যের

          রাহাত ভাই
          আপনার মন্তব্যের গুরুত্ব আমি বুঝেছি।
          আপনি মাদ্রাসায় যে সব বিষয়ে শিক্ষা দেওয়ার কথা বলছেন তা সরকার চেষ্টা করতেছে। এর মাধ্যমে মাদ্রাসার ছাত্ররা সরকারি চাকরি করার জন্য নিজেদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে॥
          কিন্তু আমাদের দেশে কোন ভাবেই কোন সরকার মাদ্রাসা বন্ধ করতে পারবে না।

  6. একজন মুসলিম হিসেবে মাদ্রাসা
    একজন মুসলিম হিসেবে মাদ্রাসা বন্ধের সরাসরি বিপক্ষে আমি। তবে আধুনিকিকরন খুবই দরকার। ধর্মে বিশ্বাস যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। একজন মুসলিম হিসেবে আমি এটা স্বপ্নেও ভাবতে পারি না যে আমার এলাকার মসজিদে কোন মোয়াজ্জিন নেই, বা উপযুক্ত ঈমাম নেই! স্কুল কলেজে নিশ্চয়ই আজান দেওয়া বা ঈমামতি শেখানো হয় না, অন্তত আমার প্রতিষ্ঠানগুলোতেতো নয়ই।

    তাই ঢালাও ভাবে মাদ্রাসা বন্ধের মন্তব্য না করাটাই শ্রেয়।
    লেখককে ধন্যবাদ।

  7. ধর্মশিক্ষা চালু হ​য়েছিল যখন
    ধর্মশিক্ষা চালু হ​য়েছিল যখন জ্ঞানশিক্ষা বহুদুর পৌছায়নি। ধর্মশিক্ষা বাদ দেয়ার জিনিস হ​য়ত না, কিন্তু তার মানে এই না যে ধর্মের নামে ধ্বংসের কারখানা না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *