চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও কিছু সম্ভাব্য ভবিষ্যত

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ বেশ চিন্তিত। কারন পরিস্থিতি খারাপ হলে তারা তাদের পেটের দায় মিটানো কষ্টকর হয়ে পড়বে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।
নির্বাচনের সময়টা অবশ্য সবসময় অস্থির থাকে। বর্তমানে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দুই দলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান তেমন কোন সমস্যা নয়। মূল সমস্যা ক্ষমতায় বসতে না পারলে দলগুলোর অস্তিত্ব হুমকির মধ্যে পড়বে।
তবে সবচেয়ে বেশী সমস্যা হবে যদি আ’লীগ ক্ষমতায় আসতে না পারে। কারণ এতে শুধুমাত্র তাদের ক্ষতি হবে না বরং গোটা দেশ বিপর্যস্ত হবে।


দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ বেশ চিন্তিত। কারন পরিস্থিতি খারাপ হলে তারা তাদের পেটের দায় মিটানো কষ্টকর হয়ে পড়বে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।
নির্বাচনের সময়টা অবশ্য সবসময় অস্থির থাকে। বর্তমানে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দুই দলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান তেমন কোন সমস্যা নয়। মূল সমস্যা ক্ষমতায় বসতে না পারলে দলগুলোর অস্তিত্ব হুমকির মধ্যে পড়বে।
তবে সবচেয়ে বেশী সমস্যা হবে যদি আ’লীগ ক্ষমতায় আসতে না পারে। কারণ এতে শুধুমাত্র তাদের ক্ষতি হবে না বরং গোটা দেশ বিপর্যস্ত হবে।

আর বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারলে তারা দেউলিয়া হয়ে পড়বে এবং তাতে দেশের মানুষের কোন সমস্যা হবে না। তবে যারা স্বপ্ন দেখেন বিএনপি ক্ষমতায় বসবে তবে তা কখনও পূরণ হবে না। তাদের অতীত কর্মই তাদের ক্ষমতায় ফিরে আসার পথে মূল বাঁধা॥

আমাদের দেশে ক্ষমতার মূল শক্তি হচ্ছে আমেরিকা আর ভারত। একসময় দেশ দুটির মধ্যে দূরত্ব থাকলেও বর্তমানে তারা ঘনিষ্ট বন্ধু। বাংলাদেশ বিষয়ে ভারত অসন্তুষ্ট হয় এমন কোন কাজ করবে না আমেরিকা। ভারত বিএনপিকে কোন ছাড় দিতে নারাজ। ভারতের এই মনোভাবের কারণ বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে অতীতে।

২০০৪ সালে দশ ট্রাক অস্ত্র আনা হয়েছিল উলফার জন্য। পাকিস্তানের পরিকল্পনায় তারেক জিয়ার সহায়তায় এই মিশন চলছিল। কিন্তু বিধি বাম, তা বাংলাদেশে ধরা পড়ায় উলফার হাতে অস্ত্র গুলো যায় নাই। তখন থেকেই ভারত সুযোগ খুঁজছিল , এই ঘটনার প্রতিশোধ নেবার। ২০০৭ সালে নির্বাচনের কাছাকাছি যেয়েও নির্বাচন করতে পারে নি এই ভারতের কারনে। ভারত তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে জাতিসংঘের মাধ্যমে সামরিক বাহিনীকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য চিঠি দেয়। তারপর আসে ১/১১ এবং জরুরী অবস্থা।
জরুরী অবস্থার মধ্যে গ্রেফতার হলেন যুবরাজ তারেক। তার প্রতি দেশের মানুষ আগে থেকেই ক্ষুদ্ধ ছিল। গ্রেফতার হবার পর তাকে রিমান্ডে নিয়ে দশ ট্রাক অস্ত্রের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপর সামরিক বাহিনীর এক শীর্ষ কর্তা তারেক জিয়াকে টর্চার করেন। ঐ কর্তা ছিলেন জিয়া পরিবারের আত্মীয়। তারপরের ঘটনাবলী সবার জানা।

আ’লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা বিএনপি-জামাতের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই খালেদা বারবার সেনাবাহিনীকে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি হয়ত একটা জিনিস খেয়াল করেন নি আর সেটা হল সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনটাই নেয় বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর। সামরিক বাহিনী যদি তাই চাইত, তাহলে পিলখানা হত্যাকান্ডের পরপরই আ’লীগ ক্ষমতায় থাকতে পারতে না।
পরিশেষে একটা কথা বলতে চাই, ভারত তার দেশের জন্য হুমকি এমন কাউকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দিবে না। তারা এখনও দশ ট্রাক অস্ত্রের কথা ভুলে যায় নাই।

পুন্শচ-: এই লিখাটা ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধি দিয়ে লিখা॥

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *