‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ অতঃপর দেশের সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলীর সমাধান (৩য় পর্ব)

যে ৭ টি সমস্যার সমাধানে এই ধারাবাহিক পোস্টটির শুরু হয়েছিলঃ
১) সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, ২) পদ্মা সেতুর নিজস্ব অর্থায়ন, ৩) তীব্র যানজট, ৪) বেকারত্ব, ৫) দারিদ্রতা, ৬) জনসংখ্যা সমস্যা এবং ৭) সন্ত্রাস এবং বিপথগামী ছাত্র ও যুব রাজনীতি।


যে ৭ টি সমস্যার সমাধানে এই ধারাবাহিক পোস্টটির শুরু হয়েছিলঃ
১) সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, ২) পদ্মা সেতুর নিজস্ব অর্থায়ন, ৩) তীব্র যানজট, ৪) বেকারত্ব, ৫) দারিদ্রতা, ৬) জনসংখ্যা সমস্যা এবং ৭) সন্ত্রাস এবং বিপথগামী ছাত্র ও যুব রাজনীতি।

৪)বেকারত্ব এবং ৫)দারিদ্রতা এদুটি সমস্যার সমাধানকল্পে আজকের এই ব্লগপোস্ট লিখা; এইখানে উল্লেখ্য ১ম এবং ২য় পর্বের আলোচ্য বিষয় ছিল যথাক্রমে ১) সর্বগ্রাসী দুর্নীতি আর ২)পদ্মা সেতুর নিজস্ব অর্থায়ন ও ৩) তীব্র যানজট সমস্যাবলীর সমাধান নিয়ে আলাদা আলাদা প্রস্তাব করা। প্রাসঙ্গিক কারণেই আজকের দুটো সমস্যা নিয়ে একসাথে আলোচনা করব এবং নিজের ভাবনা তুলে ধরব।

৪) বেকারত্ব এবং ৫) দারিদ্রতাঃ

দারিদ্রতা এবং বেকারত্ব আসলে একই সুতোয় গাঁথা একটি সামাজিক অভিশাপ। একটির সমাধানে কিছু করলেই বা সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারলেই অপরটি থেকে সমাজ মুক্তি পাবে বলেই আমার ধারণা কেননা এটি দরিদ্র অর্থনীতির সে চিরায়ত দুষ্টচক্রের একটি মরণ ফাঁদ। এইবার সরাসরি কাজে আসি, পরিসংখ্যান ব্যুরো অব বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO), কমনওয়েলথসহ একাধিক সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত এক দশকে বাংলাদেশে বেকারত্ব বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। এই হার বজায় থাকলে ২০১৫ সালে মোট বেকারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬ কোটিতে অথবা সাড়ে ৫ কোটিরও অধিক, এদিকে শিক্ষিত এবং স্বল্পশিক্ষিত জনসাধারণের মধ্যেই এই হার সবচেয়ে বেশি। ILO’র সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারত্ব বাড়ার হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর কর্মবাজারে প্রবেশ করছে প্রায় ২৭ লাখ আর চাকরি পাচ্ছে ১ লাখ ৮৯ হাজার অর্থাৎ মাত্র ৭ শতাংশ ; ব্যাপকহারে গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ কিছুটা শামাল দিলেও বিশাল জনগোষ্ঠী ঠিকই বেকার থেকে যাচ্ছে। ILO’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ বেকার, বর্তমান কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধির হার ২ দশমিক ২ শতাংশ। এমন আরও অনেক অনেক পরিসংখ্যানগত তথ্য দিয়ে পোস্ট ভরিয়ে ফেলা সম্ভব। যদিও দেশের মোট কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারীকেও এই হিসেবে ধরা হয়েছে অন্যদিকে সমাজের রক্ষণশীল গোষ্ঠীর কারণে নারীকে সমানভাবে সমাজ কর্মক্ষেত্রে পাচ্ছে না। যদিও এই ভুল ধরার উদ্দেশ্যে এবং কথার ফুলঝুরি দেয়ার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রস্তাব করা হয় নি। তাই এমন ব্যাপক হারে বর্ধিষ্ণু বেকারত্ব যা কিনা দরিদ্র বিমোচনের অন্যতম প্রধান বাধা কীভাবে আমরা মোকাবিলা করব তার উপায় বের করতে চেষ্টা করব। তার আগে একটু দেখে নিই আমাদের বেকারত্বের কারণসমূহ কি কি?

বেকারত্বের কারণসমূহ অনেকটা এইভাবে তালিকাবদ্ধ করা যায়-

ক) দক্ষ জনবলের অভাব বা, শ্রমিকের অদক্ষতা যা দুভাবে ভাগ করা যেতে পারে
– দরিদ্র জনসংখ্যার মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার
– যুগোপযোগী কারিগরি, আধুনিক এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ঘাটতি

খ) প্রশাসনিক সুষ্ঠ পরিকল্পনার অভাব বা পরিকল্পনাহীনতা
গ) অপ্রতুল শিল্পখাতের বিকাশ এবং নতুন কর্মসংস্থানের অভাব
ঘ) কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন বা বনায়নের মত সম্ভাবনাময় খাতে শিক্ষিতদের অনীহা ও অনাগ্রহ
ঙ) উন্নয়নের রাজধানী কেন্দ্রিকতা বা শহর কেন্দ্রিকতা।

এইসব বাধাগুলো অতিক্রম করতে আমাদের করণীয় কি? আমি তিনটা প্রস্তাব তুলে ধরছি, আপনাদের সকলের আরও ভাল ভাল নতুন আইডিয়া এই উদ্যোগকে হয়ত আরও অনেক বেশী মানসম্পন্ন এবং শক্তিশালী করবে। সবাইকে এই উদ্যোগে মতামত দিয়ে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করছি।

ক) টেকসই কৃষিঃ প্রথমেই একটা উক্তি “A strong agriculture means a strong economy” said by John Fisher। এখন উন্নত বিশ্বের একটি কার্যকর কৃষি প্রকল্পের সম্পর্কে জানব এবং বাঙলাদেশে এর ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করব। এই উদ্দেশ্যে কানাডার The Central Experimental Farm (CEF) এর কথা দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতেই হয়। CEF হচ্ছে একটি কৃষি গবেষণা ক্ষেত্র, একটি আদর্শ খামার এবং কানাডার একটি ঐতিহাসিক প্রসিদ্ধ স্থান যার আয়তন ৪ বর্গকিমি বা ১.৫ বর্গমাইল। বাঙলার জীন বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরীকে একবার এক সাক্ষাৎকারে বলতে শুনেছিলাম যে সবাই যেভাবে তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পরছে তাতে করে ভয় হয় কেননা মানুষ কিন্তু দিন শেষে কৃষিপণ্য শস্যদানাই মানব সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখবে । তথ্য-প্রযুক্তি-জ্ঞান-বিজ্ঞানে অবশ্যই সভ্যতা এগিয়ে যাবে আমরাও তাই চাই কিন্তু সাথে সাথে আমাদের কৃষি উৎপাদন সমানতালে বৃদ্ধি করতে হবে। এই উদ্দেশ্যই বাংলাদেশে টেকসই কৃষি এবন অর্থনীতির লক্ষ্যে কৃষিকে মজবুত এবং দৃঢ় করতে হবে। বাংলাদেশের মত একটি দেশে Central Experimental Farm (CEF) এর মত কৃষি খামার এবং গবেষণা ক্ষেত্র হওয়া উচিৎ ন্যূনতম ৭ বিভাগে ৭ টি। কানাডার The Central Experimental Farm (CEF) সম্পর্কে কিছু তথ্য
• Founded in 1886, is 425 hectares,
• Declared a National Historic Site in 1998,
• More than 100,000 crop research plots,
• Millions of plant, insect and fungal specimens in the National Collections,
• 2,400 varieties of trees and shrubs in the Dominion Arboretum,
• 90 science and admin buildings of which 29 are designated as heritage
[তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া]


Overview map of the CEF

এই বিশাল কৃষিক্ষেত্রে হতে পারে একটি করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সহস্রাধিক খেটে খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থান এবং লক্ষ লক্ষ স্বল্পশিক্ষিত মানুষের প্রশিক্ষণকেন্দ্র। যা একই সাথে গ্রামের সাধারণ মানুষকে আধুনিক এবং অধিক লাভজনক চাষাবাদ সম্পর্কে জ্ঞান দিবে। এইধরণের শিক্ষাকে বলা হয়ে থাকে SAGE বা Sustainable Agricultural Education. বর্তমানে বাংলাদেশে এমন শিক্ষার ব্যাপক প্রয়োজন। প্রথমে CEF এর আদলে গড়ে তোলা ৭ বিভাগের এমন ৭ টি ফার্ম, খামার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শুধু বেকারত্ব কমাতে নয় সাথে সাথে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উত্তরণের একটা পথ হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে ৬৪ টি জেলায় এমন কৃষিভিত্তিক ব্যাপক ফার্ম বা খামার করা যেতে পারে।

Site Map of Central Experimental Farm

খ) দক্ষ জনশক্তিঃ বর্তমানে দেশে কি পরিমাণ বেকার আছে তার পরিসংখ্যান আমাদের আঁতকে দিতে যথেষ্ট। এই বিপুল পরিমাণ জনগণ আমরা কি বেকার রেখে অসামাজিক কর্মকাণ্ড আর অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়তে সুযোগ করে দিব নাকি তাদেরকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করব? গ্রামে গঞ্জে সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই বিপুল জনশক্তিকে কীভাবে কর্মক্ষম করা যায়? আমাদের দেশে যতটুকু জমিতে যতটুকু চাষাবাদ হয়ে থাকে সভ্যতার এই অবস্থানে তা অগ্রহণযোগ্য। আধুনিক বিজ্ঞান ভিত্তিক চাষাবাদ আমাদের সকল ধরণের কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্যাপক ইতিবাচক ভুমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে সংশ্লিষ্ট কৃষিবিদ এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কিন্তু সর্বত্রই আমরা দেখি আমাদের কৃষিকাজে ব্যাপকভাবে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী নিজেদের সংযুক্ত করছে না। এইবার দেখি কীভাবে সরকার বা রাষ্ট্র দক্ষ জনশক্তিকে অপচয় করছে। দুনিয়ার তাবৎ দেশের মত বাঙলাদেশের সেনাবাহিনীও ঐতিহ্যগতভাবে বা বুনিয়াদী প্রথাগত প্রশিক্ষণ করে থাকে শান্তিকালীন সময়ে। ২০০৭-৮ এ যদি জরুরী অবস্থা চলাকালীন এইসব কার্যক্রম বন্ধ হতে পারে তবে কেন প্রায় তিন লক্ষাধিক আর্মি-নেভি-এয়ারফোর্সের দক্ষ জনবলকে দেশের এই বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করতে কাজে লাগানো যাবে না?

প্রতিটি থানায় যদি কলেজের শিক্ষক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং যৌথবাহিনীর টিমের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ প্রশিক্ষণ দল মিলে এমন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে করা যায় তবে ২/৩ বছরেই আমরা কমপক্ষে ১ কোটি বেকার জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারব। এই বিশাল পরিমাণ জনবল দেশের উন্নয়নের অংশীদার হওয়া ছাড়াও দক্ষজনবল হিসেবে বহির্বিশ্বেও পাঠানো যাবে। এছাড়াও সুপ্রশিক্ষিত ড্রাইভার তৈরিতেও সরকার সেনাবাহিনীকে ব্যাপক হারে ব্যবহার করতে পারে। এই কাজ শুধু দক্ষ জনবল তৈরি করবে না দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপদ সড়ক যোগাযোগে দ্রুত ব্যাপক নাটকীয় পরিবর্তন করবে।

৬৪ জেলার প্রটিতে গড়ে ১০০ টি করে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ৬ মাসের করে একেকটি কোর্স, কমপক্ষে ৬ টি কোর্স এক সাথে চলবে, ২.৫ বছর ধরে চলবে এই প্রশিক্ষণাভিযান প্রতি কোর্সে ন্যূনতম ৬০ জন করে প্রশিক্ষণার্থী যদি প্রশিক্ষণ নেয় তবে আড়াই বছর পর মোট নতুন সৃষ্ট দক্ষ জনবল হবেঃ
৬৪*১০০*৬*৬০*৫= ১,১৫,২০,০০০ জন। যদি ১৫%-ও আমাদের সিস্টেম লস হয় তবুও আড়াই বছরে ১ কোটি দক্ষ জনশক্তি দেশের কৃষি এবং অর্থনীতিতে অবদান রাখতে শুরু করবে। এই অর্জন হবে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির জন্য যুগান্তকারী একটি পরিবর্তন।

গ) আউট সোর্সিংঃ বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজের চাহিদা ক্রমাগত বিশ্বজুড়ে দিন দিন বেড়ে চলছে। এখানে উল্লেখ্য বলা হয়ে থাকে যে দুনিয়াতে এক্সপার্টদের সংখ্যা সারা প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ৪০-৪৫%, বাংলাদেশে এই হার আরও কম। ২০০০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে প্রযুক্তি নির্ভর কর্মকাণ্ডের একটা মৃদু ঢেউ উঠলেও তা ব্যাপক সাড়া ফেলতে পারেনি নানাবিধ সরকারি উদ্যোগের অভাবে। প্রধান কারণ তখন কম্পিউটারের ব্যবহার চালু থাকলেও ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার থেকে বংলাদেশ অনেক দূরে ছিল এদিকে বর্তমানে বাংলাদেশ ৩জি (3G) ইন্টারনেট সেবার আওয়তায় এসেছে। টেলিটকের ৩জি সেবা ১৮ টি জেলায় বিস্তৃতি, সদ্য লাইসেন্স প্রাপ্ত বাকি অপারেটররাও দ্রুত তাদের সেবা দেশব্যাপী পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখন সরকারকে তথ্যপ্রযুক্তির এই অতিসম্ভাবনাময় খাতকে কাজে লাগিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের আওয়তায় নিয়ে আসতে হবে। এজন্য কি কি উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে এবং কি কি করণীয় তা কোন তথ্য-প্রযুক্তিবিধ মন্তব্যে জানাবেন।

উপরোক্ত তিনটি পদ্ধতি বা উদ্যোগ ছাড়াও আরও অনেক ভাল উদ্যোগ অথবা আইডিয়া সবার মনে আসতে পারে যা শুধু দেশের বেকার সমস্যাকেই প্রশমিত করবে না সাথে সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং ব্যাপক হারে অর্থনীতিকে গতিশীল এবং রাষ্ট্রের ভিতকে মজবুত করবে।

নোটঃ আগামী এবং শেষ পর্বে ৬) জনসংখ্যা সমস্যা এবং ৭) সন্ত্রাস এবং বিপথগামী ছাত্র ও যুব রাজনীতি সমস্যাদ্বয় নিয়ে নিজের কিছু প্রস্তাব বা ভাবনা তুলে ধরব।

প্রাসঙ্গিক পূর্বের পোস্টগুলোঃ
ক) “বঙ্গবন্ধুর ইউটোপিয়া ‘বাংলাদেশ’ গঠনে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের অনিবার্যতা”-একটি প্রস্তাব ও সম্ভাবনা”
খ) ‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ অতঃপর দেশের সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলীর সমাধান (১ম পর্ব)
গ) ‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ অতঃপর দেশের সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলীর সমাধান (২য় পর্ব)

২৯ thoughts on “‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ অতঃপর দেশের সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলীর সমাধান (৩য় পর্ব)

  1. সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনা এবং
    সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনা এবং দায়িত্বশীল পোস্ট।অনেক ক্ষেত্রে লেখক কিছু সাজেশন আশা করেছেন,যা লেখায় ভিন্ন মাত্র যোগ করেছে।সমসাময়িক ও যুগোপযোগী পোস্টটির জন্য নিশ্বঃন্দেহে প্রশংসার প্রাপ্য।

    1. অফুরন্ত ধন্যবাদ…সবসময় সাথে
      অফুরন্ত ধন্যবাদ…সবসময় সাথে থাকবেন, পরামর্শ দিবেন আশাকরি…
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল:

  2. দারুন একটা লেখা ।বঙ্গবন্ধু
    দারুন একটা লেখা ।বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের জন্য এরকম একটা সিরিজ পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ তারিক ভাইকে

    1. ধন্যবাদ রাইয়ান ভাই…
      ধন্যবাদ রাইয়ান ভাই… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল:

  3. আপনার চমৎকার প্রচেষ্টা চলছে
    আপনার চমৎকার প্রচেষ্টা চলছে দেখে খুব ভালো লাগছে… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :নৃত্য: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: বহুদিন পর এই পোস্ট এলেও ঝাঁঝ ছিল আগের মতই… :bow: :bow: :খাইছে: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :তালিয়া: :তালিয়া: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :ভালাপাইছি: :ভালাপাইছি: চালিয়ে যান ভাই… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: জাতির এই ক্রান্তিকালে জাতিকে পথ দেখাতে আপনার মত ৭১রের পক্ষের সৈনিকদের এই ধরনের উদ্যোগ আরও দরকার… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

    1. ডন ভাই বুকে আসেন…
      ডন ভাই বুকে আসেন… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল: :ফুল:
      এমন করে পাশে পাইলে আরও কাজ করতে ইচ্ছা করে হোক ভুলে পূর্ণ বা অসম্পূর্ণ!!
      তবুও সুশীল শিল্পী থেকে আমি কাজ করা খেটে খাওয়া মানুষকে বেশী ভালোবাসি…

  4. অনেকদিন পর এলাম ইস্টিশনে।এসেই
    অনেকদিন পর এলাম ইস্টিশনে।এসেই এমন একটা পোস্ট।একটু সময় নিয়ে পড়তে চাই।তাই প্রিয়তে রাখলাম।চালিয়ে যান ভাই।আমরা আছি।

    1. গঠনমূলক কিছু সাজেশনের
      গঠনমূলক কিছু সাজেশনের অপেক্ষায় রইলাম… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:
      অফুরন্ত ধন্যবাদ!! ভাল থাকবেন… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল:

  5. বরাবরের মতই মৌলিক এবং
    বরাবরের মতই মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট। এখানে ডিজিটাল বাংলাদেশ ও তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে আমি কিছু আলোচনা করতে চাই।

    তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ও উন্নয়নঃ বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনী ইস্তেহারে বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি অংশের ১১.১ নং অনুচ্ছেদের একাংশে বলা হয়েছে “সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের বর্তমান ফাইল ব্যবস্থাপনাকে ই-গর্ভমেন্ট বা ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থায় রূপান্তর করা হবে ও জনগণকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবাদান নিশ্চিত করা হবে”। প্রথম দিকে ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তব রূপটি কেমন হবে তা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের মনে সংশয় ছিল।

    বলতে দ্বিধা নেই সরকারের মন্ত্রীপরিষদ, সাংসদ, নীতিনির্ধারক এবং আইসিটি বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও এককভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপরেখা স্পষ্ট ছিল না। কিন্তু বিগত তিন বছরে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা এবং অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটি স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। এখন এক কথায় বলা যায়, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে সরকারের সকল প্রতিশ্রুত সেবা ডিজিটাল প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে জনগণের হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে চায়।

    গৃহীত কিছু পদক্ষেপ তথা উন্নয়নের পথে লংমার্চঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো প্রায় পাঁচ হাজার ইউআইএসসি (ইউনিয়ন ইনফরমেশন এন্ড সার্ভিস সেন্টার) প্রতিষ্ঠা। এই ইউআইএসসি গুলি মূলত ইউনিয়ন ভিত্তিক হাব বা জনগণের মিলন কেন্দ্র, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার দেয়া হয়েছে। সরকার যেসকল নাগরিক সেবাসমূহ ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রদান করার জন্য উন্মুক্ত করবে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণ ইউআইএসসিতে এসে সেই সকল প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

    আরেকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো মন্ত্রণালয় ভিত্তিক কুইক উইন প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নেতৃত্বে ইউএনডিপির সহযোগিতায় সরকারের সকল মন্ত্রণালয় এক বা একাধিক কুইক উইন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সকল নাগরিক সেবার মধ্যে গুটি কয়েক সেবা স্বল্প সময়ে জনগণের দোর গোঁড়ায় পৌঁছে দিয়ে জনমনে ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারনাটির একটি দৃশ্যমান অবয়ব তৈরি করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই কুইক উইন প্রকল্পগুলি জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচার এবং এ বিষয়ে আগ্রহ তৈরি করার লক্ষ্যে জাতীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে ডিজিটাল ইনোভেশন ফেয়ারের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মেলায় জনমত নির্বিশেষে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রতি জনগণের চাহিদার প্রতিফলন হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

    ২০১০ সালে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ গঠন করে দুজন সচিব নিয়োগ প্রদান করা হয়। বর্তমানে এই দুটি বিভাগকে দুটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ে উন্নীত করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন পূর্ণ মন্ত্রীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়।

    প্রয়োজন আরো কিছু সংস্কারঃ বিগত প্রায় এক যুগ ধরে বিভিন্ন নামে এবং মর্যাদায় বিজ্ঞান ও আইসিটি মন্ত্রণালয় তার অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকলেও প্রকৃত পক্ষে আইসিটির বাস্তবায়নে এই মন্ত্রণালয়ের উল্লেখ করার মতো তেমন কোন ভূমিকা ছিল না। আমার কাছে মনে হয়, এর একটি মূল কারণ হলো আইসিটি বাস্তবায়নের জন্য এর নিজস্ব জনবলের অভাব। মন্ত্রণালয়ের রুটিন মাফিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা ছাড়া এর কোন উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম ছিল না। সরকারের সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর/পরিদপ্তরের প্রতিশ্রুত নাগরিক সেবাসমূহকে তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক আধুনিকায়নের জন্য প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আইনগত সংস্কার প্রয়োজন।

    প্রচলিত আইনে সরকারের অনেক সেবার অনলাইন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওয়ার্ক-ফ্লো অপরিবর্তিত রেখে শুধুমাত্র ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিস্থাপন করলে সেবার কাঙ্ক্ষিত মান, দ্রুততা, সহজলভ্যতা, কৃচ্ছ্রতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা আসবেনা। এই জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অ্যালোকেশন অব বিজনেসে প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট বা পরিবর্তন ব্যবস্থাপনার আইনগত এখতিয়ার প্রদান করা যেতে পারে। আর এই আইনগত এখতিয়ার বাস্তবায়নের জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয়কে সরকারের সকল আইসিটি জনবলের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রদান করা প্রয়োজন।

    সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর/পরিদপ্তরে রাজস্ব খাতে দুই শতাধিক প্রথম শ্রেণীর আইসিটি কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। এখনো পর্যন্ত এসকল জনবলের জন্য সরকার কর্তৃক কেন্দ্রীয়ভাবে কোন কর্মপরিধি নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতাহীন এই দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন ক্ষমতা নেই। স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়/দপ্তরের প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং, আইনগত সংস্কার, ওয়ার্ক-ফ্লো পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয়ে এসকল জনবলের ভূমিকা রাখার তেমন কোন সুযোগ প্রতীয়মান নয়।

    প্রয়োজন আরো বেশি কর্ম্পরিকল্পনাঃ ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল চালিকা শক্তি তরুণ প্রজন্মকে আইসিটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইসিটিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ব্যাপারে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা যা ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারনাটির টেকসই বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু এই দক্ষ জনশক্তিকে বেসরকারি সেক্টরের পাশাপাশি সরকারি সেক্টরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে না দিলে সরকার প্রতিশ্রুত নাগরিক সেবার তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক আধুনিকায়ন সম্ভব নয়। সরকারের সকল আইসিটি জনবলকে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে এনে একটি আইসিটি সার্ভিস গঠনের মাধ্যমে সরকারের আইসিটি খাতকে একটি সম্মানজনক পেশায় পরিণত করে দক্ষ আইসিটি জনবলকে এই খাতে আকৃষ্ট করা প্রয়োজন।

    এখানে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার ইলেক্ট্রনিক আন্ত-যোগাযোগ ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি তাদের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনের উপর ভিত্তিকরে আইসিটি সংশ্লিষ্ট কোন উন্নয়ন (সফটওয়ার/হার্ডওয়ার সংশ্লিষ্ট) করে তবে সে প্রতিষ্ঠান হয়তো তাদের নিজস্ব গণ্ডির মধ্যে আন্ত-যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে তাতে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু সে প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আন্ত-যোগাযোগ দূর হবে বইকি। এমনকি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি পৃথক- পৃথক ভাবে নিজস্ব ধ্যান-ধারনায় আইসিটি সংশ্লিষ্ট কোন উন্নয়ন (সফটওয়ার/হার্ডওয়ার সংশ্লিষ্ট) করে তবে সরকারী অর্থের অপচয় হওয়াটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়।

    ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে হাতে নেওয়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের মধ্যে এখনো পর্যন্ত কোনো সমন্বয় নেই। একেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগ একেকভাবে কাজ করছে। এক মন্ত্রণালয়ের কাজ সম্পর্কে জানে না অন্য মন্ত্রণালয়। সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ জন্য একযোগে কাজ করা প্রয়োজন। বর্তমান সরকার কর্তৃক জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা-২০০৯ গৃহীত হয়েছে।

    একটি মাত্র রূপকল্প, ১০টি উদ্দেশ্য, ৫৬টি কৌশলগত বিষয়বস্তু এবং ৩০৬টি করণীয় বিষয়কে এ নীতিমালায় পিরামিড আকারে ক্রম বিভক্ত করে সাজানো হয়েছে। ৩০৬টি করণীয় বিষয় এর মধ্যে ক্রমিক নম্বর ৯৬তে বলা হয়েছে‍ “সরকারী পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানে আইসিটি পেশাজীবী দ্বারা সজ্জিত আইসিটি সেল স্থাপন। এ সেলের জন্য আইসিটি সংশ্লিষ্ট পদ সৃজন করা। সরকারী পর্যায়ের সকল আইসিটি সংশ্লিষ্ট পদকে কারিগরি পদ হিসেবে চিহ্নিতকরণ”। যেহেতু সরকারী পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানে আইসিটি পেশাজীবী দ্বারা আইসিটি সেল স্থাপন করা হবে (আমার জানামতে ইতোমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানে আইসিটি সেল স্থাপন করা হয়েছে) তাই সরকার চাইলে সহজেই আইসিটি সংশ্লিষ্ট কোন উন্নয়ন (সফটওয়ার/হার্ডওয়ার সংশ্লিষ্ট) করার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে পারে। সব কাজের মধ্যে থাকতে হবে সমন্বয়।

    গ্রহন করতে হবে আরো সুনির্দিষ্ট কর্ম্পরিকল্পনাঃ বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর, বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনায় এনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর/পরিদপ্তরে রাজস্ব খাতে কর্মরত সকল আইসিটি জনবলকে একটি একক প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রথম থেকে কাজ করে গেছেন। তারই ধারাবাহিকতায়, গত মার্চ ২০১২ এ আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ও তার সাংগঠনিক কাঠামোর বিষয়ে কয়েকটি শর্তসাপেক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়েছে। যার আওতায় দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় আইসিটি জনবল নিয়োগ করা যাবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া শর্তসমূহ যতদ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন পূর্বক এই কাঠামোটির দ্রুত অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবী।

    প্রয়োজনে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, টেলিফোন শিল্প সংস্থা ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড কে আইসিটি মন্ত্রণালয় ভুক্ত করার বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাগরিক সনদ অনুযায়ী ভোক্তাদের দোরগোড়ায় সরকারের সেবা পৌঁছে দেয়া তথা আধুনিক বাংলাদেশ (ই-গর্ভমেন্ট বা ডিজিটাল সরকার) বিনির্মাণে আইসিটি মন্ত্রণালয়কেই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।

    বেকারত্বের দুষ্টচক্র এবং পরিত্রানের কিছু আপাত উপায়ঃ বেকারত্ব নিরসনে নিম্মোক্ত পদক্ষেপ আমার কাছে খুব ফলপ্রসূ বলেই মনে হয়েছে।

    ১। সরকারী চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোঃ আমাদের দেশের সরকারী চাকুরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩০ বছর কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থীর মাস্টাস ডিগ্রী পাশ করে বের হতে হতে প্রায় ২৭ বছর পার হয়ে যায়, তারপর হাতে থাকে মাত্র ৩টি বছর। এই তিনটি বছর শুধু চাকরির বিজ্ঞাপন খুজতে খুজতে চলে যায় ফলে সরকারী চাকুরি পাওয়া আর হয়ে ওঠে না। বাংলাদেশের প্রায় ঘরে ঘরে এমন বেকার জনশক্তি রয়েছে যারা সরকারী চাকুরিতে প্রবেশের বয়স খুয়িয়ে বেকার হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে সরকারী চাকুরীতে অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থাকায় আমাদের ৫৭ থেকে ২বছর বাড়িয়ে ৫৯ করা হয়েছে অথচ তাদের সরকারী চাকুরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর। আমাদের দেশের সরকারী চাকুরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো না হলে দিন দিন বেকার সমস্যা প্রকট হবে।
    ২। চাকুরির আবেদনের জন্য কোন প্রকার ব্যাংক ড্রাফট, পে অর্ডার বা পোষ্টাল অর্ডার না নেয়াঃ আজকাল প্রত্যেকটা চাকুরির আবেদনের জন্য ৫০০, ৩০০,২০০ টাকা করে ব্যাংক ড্রাফট/পে অর্ডার/পোষ্টাল অর্ডার চাওয়া হয় একটি বেকার ছেলের জন্য এটা ‘‘মরার উপর খাড়ার ঘায়ের’’ মতো। তাছাড়া এ ব্যাংক ড্রাফট বা পোষ্টাল অর্ডার সংগ্রহ করতে গেলে বাড়তি চাজ প্রয়োজন হয় লাইনে দাড়াতে হয় নানা রকম ঝামেলায় পড়তে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ভাল ছাত্র হয়ে শুধুমাত্র টাকার কারণে চাকরির আবেদন করা হয় না।
    ৩। বেকারদের কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাঃ দেশের যুব বেকারদের সল্প মেয়াদের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ, (যেমন, ড্রাইভিং, কম্পিউটার, অটোমোবাইল, ইলেকট্রিক, ইলেট্রনিক্স, মোবাইল সার্ভিসিং, হাস, মুরগি, গরু, ছাগল পালন, টেইলারিং বিভিন্ন প্রকার কুটির শিল্প) জোরদার করা। শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাথমিক স্তর থেকেই কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা থাকলে অনেকেই শিক্ষা জীবন থেকে উর্পাজনের পথে পা বাড়িয়ে স্বাবলম্বি হতে পারবে।
    ৪। কৃষি খাতে গুরুত্ব দেয়াঃ বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের মাটিতে সব সময় সোনা ফলে। তাই সকলকে কৃষি কাজের উপর গুরুত্ব দেয়া শেখাতে হবে। এবং তৃতীয় স্বত্ত ভোগীর হাতে যাতে কৃষক না পড়ে এবং কৃষক যাতে ন্যয্য মূল্য পায় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। দেশের যেখানে যত পতিত জমি/বাড়ির আনাচে কানাচে খালি জমি সব চাষযোগ্য করে তোলার জন্য আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।শুধু সরকার নয় দেশের জনগণের সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং কৃষি কাজে জোর দিতে হবে।
    ৫। হাঁস, মুরগি ও গবাদি পশু পালনঃ বাংলাদেশের প্রতিটা পরিবারে যাতে হাঁস, মুরগি, গরু বাছুর পালন করে সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে প্রতিটা পরিবারে যাতে এগুলি পালন করে সেজন্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

    ৬। ছোট ছোট কুটির শিল্প স্থাপন করাঃ নিজ আঙ্গিনায় বিভিন্ন ধরনের কুটির শিল্প গড়ে তুলতে হবে। নকসি কাঁথা, বাঁশ, বেত, মোমবাতি, আইচক্রীম, কাঠ, ঠোঙ্গা তৈরী ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের কুটির শিল্প তৈরিতে বিভিন্ন ভাবে সহোযোগীতা করতে হবে।
    ৭। বিনা সুদে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করাঃ দেশের সরকারি বেসরকারী উভয় ব্যাংকে বিনা সুদে প্রকৃত বেকারদের লোনের ব্যবস্থা বাধ্যতা মূলক করতে হবে। এবং এ লোন পেতে যেন কোন প্রকার হররানি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
    ৮। সঠিক উপায়ে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানী করাঃ কম খরচে সঠিক উপায়ে যাতে জনশক্তি রপ্তানী করা যায় সেদিকে গুরুত্বারোপ করতে হবে। প্রায়ই শোনা যায় অবৈধ পথে বিদেশে গিয়ে ধরা পড়ে জেল জরিমানা খেটে সর্বশান্ত হয়ে দেশে ফিরেছে অথবা অবৈধ পথে বিদেশে যাবার সময় সাগরে টলার ডুবে মারা গেছে। এ সকল অপরাধের জন্য যেসকল আদম ব্যবসায়ী দায়ী তারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। এসকল আদম ব্যবসায়ী যাতে কঠিন সাজা পায় সেজন্য প্রয়োজন হলে নতুন আইন প্রনয়ন করতে হবে। এ ব্যপারে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য ব্যপক প্রচার করতে হবে।
    উপরোক্ত কাজগুলি আমরা যদি সঠিকভাবে পালন করতে পারি তাহলেই বাংলাদেশের বেকার সমস্যার অনেকাংশ সমাধান করা সম্ভব হবে।

    আপনাদের এই ব্যাপারে আরো আলোচনা আশা করছি।

    বিভিন্ন তথ্য দিয়ে কমেন্ট বড় করে ফেলেছি বলে দুঃখিত। তবে, আমি মনে করে তারিক ভাইয়ের এই পোস্টে আরো গঠনমূলক আলোচনার প্রয়োজন আছে। প্রত্যেকটা ইস্যুই বর্তমানে বাংলাদেশে সমান গুরুত্বপূর্ন। সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করি। যদি এইসব চিন্তা ভাবনা সংসদ পর্যন্ত পৌঁছাতো!

    1. ইলেকট্রন ভাই,
      আপনাকে অফুরন্ত

      ইলেকট্রন ভাই,
      আপনাকে অফুরন্ত ধন্যবাদ। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: আপনি অনেক তথ্য এবং রেফারেন্স দিয়ে মন্তব্য করেন সবসময় যা অনেক সময় মূল পোস্টকেই ছাড়িয়ে যায়। যাহোক আপনার গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: এইবার কাজের কথায় আসি। আমি যে তিনটি প্রসঙ্গের উপস্থাপন করেছি তার দুটোই বাঙলাদেশে নতুন বা অভিনব। সেইজ বা SAGE এবং CEF এর কথা বা ভাবনা এইখানেই প্রথম হয়েছে দেশের প্রেক্ষাপটে। আমি নতুন এবং যুগোপযুগী দুটি প্রস্তাব করেছি যার প্রথমটি অতিসমসাময়িক এবং অভিনব একই সাথে প্রশ্নাতীত সফলতার অর্জনে উন্নত বিশ্বে প্রশংসিত। ২য় টি আমার স্বল্প চাকুরী জীবনের অভিজ্ঞতা এবং দেশের অর্থসংকটের প্রাসঙ্গিকতার বিচারে নিজের একান্ত ধারণা (আইডিয়া) যা নাটকীয়ভাবে দেশের ব্যাপক পরিবর্তন করতে সক্ষম বলেই আমার ধারণা। ৩য় টি অতি সাম্প্রতিক একটি বিষয় যা নিয়ে দেশের তাবৎ প্রযুক্তিবিদই বলে আসছে আমি নতুন করে কাজটিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছি। আবারও ধন্যবাদ ইলেকট্রন ভাই…

  6. আউট সোর্সিং-এর ভার সরকারের
    আউট সোর্সিং-এর ভার সরকারের উপর না দিয়ে আমাদের নিজেদের নিজেদেরই সচেতন করে তুলতে হবে। আমাদের এটা সম্পর্কে আমার যদিও জ্ঞান কম। তারপরও যেটা মনে হয় আমরা ঠিকমত জেনে আমাদের আশেপাশে চেনাশুনার মধ্যে যারা চাকরি খুঁজছে তাদের এর আওতায় আনতে পারলে ভাল হয়। তবে আপনি যদি সরকারের উপর এরকম খাত তৈরির দায়িত্ব দিয়ে থাকেন তাহলে ঠিক একমত পুরোপুরি।
    দাদা, আপনাকে আর ধন্যবাদ দেওয়া যাবে না। এক কথা আর কতবারই বা বলব? তবে কোন আইডিয়া আসলে অবশ্যই জানাবো

    1. আমরা সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া
      আমরা সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া কিছুই করতে পারব না! আমি শুধু সমসাময়িকতা আর উন্নত বিশ্বের আলোকে কিছু সমাধান আর আমাদের সমাজের পরিস্থিতির জন্য সমাধান বের করার চেষ্টা করলাম…
      আর আপনার কাছ থেকেও ভাল কিছু অভিজ্ঞতার জন্য অপেক্ষায় রইলাম :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  7. তারিক ভাই প্রথমে কিছু প্রশ্ন
    তারিক ভাই প্রথমে কিছু প্রশ্ন করি

    বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এই দারিদ্র বিমোচন প্রকল্পে কিভাবে কাজ করবে? তারা কি প্রশিক্ষণ কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকবে শুধু?
    প্রশিক্ষণ দিলে সেটা কি শুধু সেনা বাহিনীর দ্বারা কেন?

    বেকার আর দারিদ্রতার একই সুতায় গাঁথা ঠিক আছে কিন্তু বেকার হলেই কি দরিদ্র হবে? বা বেকারত্ব্বই কি দারিদ্রতার একমাত্র কারণ? যদি তা না হয় দুটোকে এক সাথে দেখানো কত টুকু যৌক্তিক?

    ঘ) কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন বা বনায়নের মত সম্ভাবনাময় খাতে শিক্ষিতদের অনীহা ও অনাগ্রহ

    পোস্টে বেকারত্বের কারণ হিসাবে মানসিক বিষয় আনলেও আপনার দেয়া সমাধানে কোথায় মনস্তাত্ত্বিক বা মননের উন্নয়নের ব্যাপারে কিছু লেখেননি।

    ১) সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, ২) পদ্মা সেতুর নিজস্ব অর্থায়ন, ৩) তীব্র যানজট, ৪) বেকারত্ব, ৫) দারিদ্রতা, ৬) জনসংখ্যা সমস্যা এবং ৭) সন্ত্রাস এবং বিপথগামী ছাত্র ও যুব রাজনীতি।

    আপনি সাত টি বিষয় সামনে নিয়ে কথা বলেছেন কিন্তু এখানে পরিবেশ এর মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনি আনেন নি। যা আমি পুরো থিওরির একটা দুর্বলতা বলে মনে করছি।

    আপনি এক কোটি মানুষ কে প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা বলেছেন কিন্তু এর অর্থায়ন কিভাবে হবে সেটা লেখেন নি?

    আপনার দেয়া সমাধানে টেকসই কৃষি ও দক্ষ জনশক্তি ঠিক আছে কিন্তু আপনি যে আউট সোরসিং এর কথা বলছেন সেটাকে আমি এই জন শক্তির মাঝেই যোগ করতে চাই। এটাকে আমার আলাদা কোন অংশ মনে হচ্ছে না।

    আপনার দক্ষ জনশক্তি তৈরি প্রকল্পে ক্রীড়া বা খেলা ধুলার বিষয় টা সম্পূর্ণ বাদ গেছে সেটা কি প্রশিক্ষণে থাকবে?

    আমাদের দেশে কিন্তু যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে সেখানে যুব পুরুষ ও মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, সেগুলো যদি কার্যকর না হয় তাহলে আপনার সিস্টেম কি আদৌ কাজ করবে?

    এবার আসি এই পোস্টের সবচাইতে সুন্দর দিকে।
    আপনি কৃষি কে সর্বচ্চো গুরুত্ব দিয়েছেন যেটা হওয়া উচিৎ। আজ ন্যাশনাল জিওগ্রাফী তে ‘Street Food of the World’ এ একটা তথ্য জানলাম ভিয়েতনাম বছরে ১.২ বিলিয়ন টন কফি রপ্তানি করে! কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি আমারা শিল্পায়ন এর নামে উন্নত দেশ গুলোর সাপোর্টইং হ্যান্ড হিসাবে কাজ করছি মাত্র। আপনার কৃষি শিল্পায়ন ধারণা আমাকে খুশি করেছে।

    আপাতত থাক বাকি বিষয় নিয়ে পড়ে লিখব। তবে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন তত্ত্ব প্রনয়ন এর জন্য।

    1. অফুরন্ত ধন্যবাদ কিরন ভাই,
      অফুরন্ত ধন্যবাদ কিরন ভাই, ইলেকট্রনের আলোচনায় পরে আসছি!
      যেহেতু আপনি প্রশ্ন করেছেন তাই প্রথমে উত্তর দিব, তারপর তার সম্পূরক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করব!!

      এইসব বিষয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা ইচ্ছা করেই করি নি। দেখেন আমি বলতে চেয়েছি বেকারত্ব আর দারিদ্রতা একি সূত্রে গাঁথা কেননা সাধারণত দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়েরা স্বল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত থাকে অন্যদিকে কৃষিকাজে ব্যাপকভাবে শিক্ষিত (তথাকথিত)জন গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ না থাকায় গ্রামের মানুষ সাধারণত যারা স্বল্প/অ-শিক্ষিত তারাই শহরমুখী হয়। এখন শিক্ষিত এবং এমন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী যখন প্রশিক্ষণ শেষে কাজে নামবে তখন ওইসব দরিদ্র পরিবারের জনগণ আধুনিক কৃষিভিত্তিক মুনাফায় তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মকে আর্থিক সচ্ছলতা থাকার কারণে সুশিক্ষিত করবে ক্রমান্বয়ে। আপনি উন্নত বিশ্বের কৃষিকাজে নিযুক্ত জনগোষ্ঠী সম্পর্কে পড়লে ব্যাপারটা সম্পর্কে ভাল ধারণা নিতে পারবেন। এখন কথা হচ্ছে আচানক আমাদের এমন মানসিকতা কীভাবে পরিবর্তন করবেন? এ জন্যেই আমি এমন গণমুখী প্রশিক্ষণের কথা বলেছি…

      শুধু সেনা বাহিনী কখন বললাম? আমি নিজ নিজ থানার শিক্ষাবিদ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরও সংশ্লিষ্ট হওয়ার কথা বলেছি। এতে লাভ আছে- প্রথমত ক্র্যাচের কর্নেল তাহের পিপলস আর্মি ধারণার কিছুটা বাস্তবায়ন, দ্বিতীয়ত সরকারের খরচ বাঁচানো, আপনার আরেকটি সম্পূরক প্রশ্নে যা এসেছে। কলেজের শিক্ষক এবং আর্মি দিয়ে যদি এমন প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করা যায় ৬৪০০ টি তাহলে দেশের আইন শৃঙ্খলা এমনি এমনি পরিবর্তন হয়ে যাবে। আবার প্রতিরক্ষাখাতের বিশাল বাজেট থেকে চমৎকার গণমুখী কল্যাণকর একটি সুফল পাওয়া যাবে… অন্যদিকে প্রশিক্ষণের মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং মানুষের আস্তা অর্জনে সুবিধা হবে…

      মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারটাই আপনার কোর্স কনটেন্টে রাখতে হবে। যেমন ধরেন যদি সরকার কৃষি, মৎস্য চাষ, বহুমুখী খামার , পোলট্রি, ড্রাইভিং এমন আরও কিছু কোর্স করে সবগুলোতেই কিছু বেসিক কোর্স থাকবে যেখানে জনগণকে বুঝানো হবে। আর কোর্স ডিটেলস নিয়ে নিশ্চয় আমি-আপনি লিখব না, দেশের গণ্যমান্য শিক্ষাবিদ এবং কৃষিবিদরা আছেন এসব করতে।

      যেমন ক্রীড়া এবং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে যেই কলেজের মাঠে ক্যাম্প হবে সেইখানেই সকালে শারীরিক প্রশিক্ষণ হবে যা তাদেরকে মানসিকভাবে সর্বাংশেই সাহায্য করবে।এটিও যৌথবাহিনীকে যুক্ত করার অন্যতম প্রধান কারণ।

      ভাই আমি কোন তত্ত্ব দেই নাই… আমি শুধু অনেক ঘেঁটে একটা গ্রহণযোগ্য এবং বাস্তবায়নযোগ্য সমাধান বের করার চেষ্টা করেছি মাত্র।
      পাশে থাকার জন্য অফুরন্ত ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      1. তারিক ভাই আপনার ভাবনাকে
        তারিক ভাই আপনার ভাবনাকে স্বাগত জানাই :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: । আপনি তাহেরের পিপলস আর্মির কথা বলেছেন যেটা ছিল তার স্বপ্ন যার কারণে তার সেনাবাহিনীতে ঢোকা। স্যালুট মহান এই বিপ্লবীকে :salute: ।

        আমি আপনাকে আরেকটা প্রশ্ন রেখেছিলাম-
        **এই প্রকল্প গুলোর অর্থায়ন কিভাবে বা সরকারের কোন বিভাগের মাধ্যমে হবে?
        সাথে আরেকটা প্রশ্ন যোগ করছি-
        **আপনি মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের কাঠামো বিশ্লেষণ করলেও মূল রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে এটা কিভাবে পরিচালিত হবে সেটা উল্লেখ করেননি?
        **আপনি প্রশাসনিক বা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সমন্ধে ভাল ধারণা রাখেন আপনি কি মনে করেন এই মিশ্রিত বিভিন্ন মানুষ এক সাথে কাজ করতে পারবে?

  8. সবাইকে পাশে থেকে প্রেরণা
    সবাইকে পাশে থেকে প্রেরণা দেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল: :ফুল:
    আর বিশেষ করে ইলেকট্রন ভাইকে আরও বেশী ধন্যবাদ!!
    আপনার সম্পূরক আলোচনা থেকে কিছু বিষয় আমি পোস্টে যোগ করব!! অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য শেয়ার করেছেন যেসব বিষয়ে আমার জানা ছিল না…

  9. বড্ড দেরীতে এলাম…
    কিছুটা

    বড্ড দেরীতে এলাম…

    কিছুটা সীমাবদ্ধতা(যার প্রায় সবগুলোই কিরণ ভাই আলোচনায় এনেছেন ) থাকলেও নিঃসন্দেহে বরাবরের মত আপনার লিখা এই পর্বটিও বিশেষ প্রশংসার দাবীদার ।
    প্রত্যাশা করি আপনার আইডিয়াগুলো সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হবে ।
    ধন্যবাদ আপনাকে ।

  10. সেদিন খবরে দেখছিলাম বাংলাদেশে
    সেদিন খবরে দেখছিলাম বাংলাদেশে আবাদী জমির পরিমাণ ১.৮% করে কমছে। এই জমির পরিমাণ এভাবে কমার জন্য আমাদের কৃষি খাত যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমনি কৃষক ধীরে ধীরে তাদের কাজ হারাচ্ছে। সরকারের এদিকে একটু লক্ষ্য করা উচিত। বিশেষজ্ঞরা ওখানে বলেছিলেন বাংলাদেশের যে সব স্থান কৃষির জন্য অতি উপযোগী সেগুলোকে কৃষি জোন হিসেবে চিহ্নিত করে সেসব কিছু অঞ্চল বাসস্থান ও কৃষি ছাড়া অন্যান্য কাজের জন্য নিষিদ্ধ করে দেওয়ার। আমার কাছেও মনে এধরনের একটি পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ কৃষির জন্য। দ্বিতীয়ত দেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আইন করা হয়। আইনগুলো অবশ্যই উপযোগী কিন্তু এই আইনের পরবর্তী সময়ে অসংখ্য মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারায়। এরকম ব্যাপারে সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ থাকেনা। এরকম একটা আইন হল তামাক চাষ নিষিদ্ধ আইন। আমাদের দেশে এই আইন প্রনয়নের পর উত্তরাঞ্চলের অসংখ্য তামাক চাষী বেকার হয়ে পড়ে একাধারে। কেননা সেসময়ে নারীরা ঘরে বসেই এর সাথে সংযুক্ত থেকে আয় করতে পারত এবং ঐ অঞ্চল তামাক চাষের জন্য অতি উপযোগী ছিল। আমাদের দেশে তামাক নিধন আইন হলেও ধুমপান নিধন আইন হয়নি। বিদেশ থেকে ঠিকই ফাইভ ফাইভ, বেনসন আমদানী হয়েছে। শুধু দেশীয় আজিজ অচল হয়ে গেছে। এ নিয়ে আর বেশি লিখছি না। আইনটি ভাল আইন হলেও এর পরবর্তীতে এত সংখ্যক মানুষ বেকার হয়ে পড়ার ক্ষেত্রে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ ছিলনা। তাই এরকম যেকোন আইন প্রনয়নের পর সরকার যদি কৃষকদের কিছু আর্থিক সহায়তা দেয় তাহলে তারা কুটির শিল্প বা পশু পালন বা অন্যান্য কাজ করে বেকারত্ব ঘুচাতে পারে। তৃতীয়ত, আমাদের দেশে বেকারত্বের একটা বড় কারণ আমার মনে হয় স্বল্প শিক্ষিত বা শিক্ষিতের বিভিন্ন কাজকে ক্ষুদ্র করে দেখার মানসিকতা। এই মানসিকতার জন্য অনেকেই বিভিন্ন ধরনের কাজে যুক্ত হতে চায় না। কিছু সম্ভাবনাময়ী সেক্টর তাই সব সময়ই পিছিয়ে থাকে। তারিক ভাই, আমাদের শহরমুখীতা দূর করার কোন একটা কার্যকরী উপায় সম্পর্কে জানতে চাই।
    দাদা, এই ধরনের পোস্টে ব্লগারদের গঠনমূলক আলোচনা বেশ কম। এরকম কেন সেটা আমি বুঝতে পারিনা।

    1. আপনি খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন
      আপনি খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন আমার প্রস্তাবের ৬৪০০ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে যে প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণরূপে গ্রাম কেন্দ্রিক… কৃষি, মৎস্যচাষ বা খামার এমন কিছুই হতে পারে মৌলিক পেশা যা শহরের উপর অপরিসীম চাপ কমাতে এবং একইসাথে প্রচুর মানুষের কর্ম সংস্থান করতে সক্ষম…

      আপনি আরও লক্ষ্য করবেন আমি প্রচলিত সকল প্রচেষ্টার কোন প্রকার সমালোচনা এবং বিরোধিতা করি নি আমি যা করেছি তা হল একদমই নতুন (আমাদের দেশে…) কিছু আইডিয়ার কথা যা করে নাটকীয়ভাবে অতি দ্রুত আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারে!!!

      আপনার সুন্দর পর্যবেক্ষণগুলোরও প্রচুর উপযোগিতা আছে যার সমাধান বা প্রতিকারও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  11. নিঃসন্দেহে মৌলিক, গঠনমূলক এবং
    নিঃসন্দেহে মৌলিক, গঠনমূলক এবং তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট ।

    প্রশ্ন হলো,বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে ? সরকার গুলো দিনকে দিন ব্যবসায়ী হয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতায় যাওয়া আর টিকিয়ে রাখার স্বার্থে দেশী বিদেশি ব্যাবসায়ীদের সাথে আঁতাত করছে । পাল্লা দিয়ে ধর্ম্ম-চেতনা-দালালি-মিডিয়া-পরিবেশ ধ্বংসের ব্যবসা বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে রক্তক্ষয় বাড়ছে ।

    কেন যেন মনে হয় আমাদের নিজেদের স্বার্থপরতার চাইতেও বাংলাদেশের সম্ভাবনায় ও কর্মক্ষম বিপুল জনশক্তির ব্যাক্তি ও ক্যারিয়ার-সচেতনতা, ব্যবসায় মার খাওয়া বা খেতে যাওয়া দেশগুলোর মাথা-ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে । রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে বিভাজন ও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া পার্টি-গুলোর শুধু ক্ষমতায় যাওয়া দিয়ে কথা !! সেটা লাশ-রক্ত মাড়িয়ে হোক, দেশ বেচে হোক, ধর্ম বেচে হোক কিমবা চেতনা !! কার কাছে বেচছি, কিভাবে বেচছি, কেন বেচছি, কতটুকু বেচছি সেটা কারোরই ধর্তব্য না !!!

    1. ধন্যাবাদ ভাই
      ধন্যাবাদ ভাই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল:
      “প্রশ্ন হলো,বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে ?” এইটাই আপনার মূল প্রশ্নতো? আচ্ছা ‘আমরা যদি না জাগি সকাল হবে কীভাবে?’ আমি সবসময় বিশ্বাস করি গতানুগতিক আমাদের ক্লাস ওয়ান থেকে পিএইচডি করতে হলে তিলে তিলে করতে হবে। কোন শর্টকার্ট নাই… এত হতাশ হওয়ার কিছু নাই!! আমরাই একদিন পারব এই বাঙলাকে সত্যিকারের সোনার বাঙলা করতে। যদি সবাই এক সাথে প্রানে প্রান মিলিয়ে কাজ করি মানুষের তরে.. তবেই কেবল সোনার বাঙলা গড়া সম্ভব… ভাল থাকবেন!!

      জয় বাঙলা… জয় বঙ্গবন্ধু…

  12. তারিক ভাই আমি আরও কিছু প্রশ্ন
    তারিক ভাই আমি আরও কিছু প্রশ্ন রেখেছিলাম। সেগুলোর উত্তর পায়নি। আমি আশাবাদি যে রাষ্ট্র আপানার এই প্রস্তাব গ্রহণ করবে।

    1. **এই প্রকল্প গুলোর অর্থায়ন

      **এই প্রকল্প গুলোর অর্থায়ন কিভাবে বা সরকারের কোন বিভাগের মাধ্যমে হবে?

      — এইসব কার্যনির্বাহী কমিটি বা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি নির্ধারণ করবে। তাছাড়া আমি বলতে পারি যেহেতু আমি সরকারি কর্মকর্তা আর কর্মচারীদের নিয়ে এই প্রশিক্ষণ টিমের কথা বলেছি সেক্ষেত্রে তেমন একটা ব্যায় সাপেক্ষ হবে না প্রকল্পটি…

      **আপনি মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের কাঠামো বিশ্লেষণ করলেও মূল রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে এটা কিভাবে পরিচালিত হবে সেটা উল্লেখ করেননি?

      —আমি আপনাকে একইরকম একটা কাঠামোর কথা বলি। বর্তমানে দেশে সবচে সফল আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন বাহিনী হচ্ছে র‍্যাব। আর এটি একটি যৌথ বা সম্মিলিত বাহিনী এইখানে আর্মি-নেভি-এয়ার ফোর্স, পুলিশ সকল বাহিনীর লোকই কাজ করে। কাঠামো দাড় করানোর দায়িত্ব আসলে কেউ কখনই একা করবে না। সংসদীয় কমিটিসহ অনেক অনেক গুনিজনেরা আছেন এইসব নীতি নির্ধারণ করার জন্য। আমি ভাই কিছু নতুন উপায়ের কথা বললাম।

      **আপনি প্রশাসনিক বা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সমন্ধে ভাল ধারণা রাখেন আপনি কি মনে করেন এই মিশ্রিত বিভিন্ন মানুষ এক সাথে কাজ করতে পারবে?

      — আবারও র‍্যাব, এসএসএফ, সোয়াত-এর মত যৌথবাহিনী একই রকমভাবেই গঠিত। আবার র‌্যাংগস ভবন, রানা প্লাজা, ১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়, ১৯৯৮ এর বন্যা, সিডর, সকল জাতীয় নির্বাচন সহ আরও অনেক জাতীয় তলবে সকল বাঘ-সিংহ-মহিষ-কুমির এক ঘাটে জল খায় চাইলে এখনও খাবে…

      ধন্যাবাদ… কিরন ভাই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল:

  13. খুবই তথ্যবহুল এবং প্রয়োজনীয়
    খুবই তথ্যবহুল এবং প্রয়োজনীয় একটি লেখা পড়লাম। খুবই ভালো লাগলো।লিংকন ভাইয়াকে ধন্যবাদ এত ভালো একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য 🙂

  14. আপনাকেও অফুরন্ত ধন্যবাদ…
    আপনাকেও অফুরন্ত ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল: আপনারা সবাই তথ্য এবং পরামর্শ নিয় হেল্প করুন তাতেই উদ্যোগটি হয়তো আরও পরিপূর্ণরূপ ধারণ করবে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *