আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের এতো দৈন্যতা কেন?

আমি বুঝি না,আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের এতো দৈন্যতা কেন?
তাদের কেন নিজেদের উপর নিজেদেরই কোন আস্থা নেই যে,
তারাই তাদের জন্য যথেষ্ট !
অন্য কারোর প্রয়োজন বা অধিকার~
কোনটাই নেই,তাদের এসে নির্বাচিত করে দেয়ার।

কারণ,আমি অন্তত মনে করি~
“একজন ছাপোষা মানুষের থেকে,যে কিনা রাজনীতি নিয়ে বা দেশ-দশকে নিয়ে কিছুই কোনদিন ভাবে না,ভাবতে পারে না বা চায় না;
কিংবা একজন সুবিধাবাদী মানুষের চেয়ে,যে কিনা সমাজ,দেশ-দশের কাছ থেকে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়েই জীবনধারণ করে,রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে;
অথবা সেই মানুষজনদের থেকে,যারা কিনা চাইলেও দেশ-দশকে নিয়ে ভাবার ক্ষমতা রাখেন
না,সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা…”~


আমি বুঝি না,আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের এতো দৈন্যতা কেন?
তাদের কেন নিজেদের উপর নিজেদেরই কোন আস্থা নেই যে,
তারাই তাদের জন্য যথেষ্ট !
অন্য কারোর প্রয়োজন বা অধিকার~
কোনটাই নেই,তাদের এসে নির্বাচিত করে দেয়ার।

কারণ,আমি অন্তত মনে করি~
“একজন ছাপোষা মানুষের থেকে,যে কিনা রাজনীতি নিয়ে বা দেশ-দশকে নিয়ে কিছুই কোনদিন ভাবে না,ভাবতে পারে না বা চায় না;
কিংবা একজন সুবিধাবাদী মানুষের চেয়ে,যে কিনা সমাজ,দেশ-দশের কাছ থেকে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা নিয়েই জীবনধারণ করে,রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে;
অথবা সেই মানুষজনদের থেকে,যারা কিনা চাইলেও দেশ-দশকে নিয়ে ভাবার ক্ষমতা রাখেন
না,সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা…”~

সবার থেকে একজন জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতা অবশ্যই অনেক বেশি যৌগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি।
রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে,সবধরনের বিরুদ্ধ প্রচার ও অপপ্রচার সত্ত্বেও,

কারণ হিসেবে আমি এটাই বলতে চাই~
তারপরও মাঠে-ঘাটে-হাটে কিংবা আমাদের এক হাতের দূরত্বে,তাদের আমরা কোন না কোনভাবে,
আমাদের পাশে বিপদের-আপদে পাই বা আমরাই তাদের কাছে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে,কাজে-অকাজে ছুটে যাই বা যেতে পারি;

আমাদের কিছু না কিছু ভরসার জায়গা শেষপর্যন্ত এরাই!!
সুবিধাবাদী,সুবিধাভোগী কিংবা সুবিধাবঞ্চিত,যাদের কথাই বলি না কেনো~
এরা আমাদের ভরসার যায়গা কখনই নয়,হয়ও না,
হবেও না আর হতে এরা চায়ও না,কোনদিন পারবেও না~
এটাই সত্যি।

সবকিছুর পরেও,
এই রাজনৈতিক নেতারাই যা একটু আমাদের কথা ভাবে,দেশের জন্য কিছু করে।
আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেকেই হয়তো অনেক কিছু করি,
কিন্তু নিজের গন্ডি বা সীমাবদ্ধতার সীমা পেরিয়ে,
খুব বেশি দূরে গিয়ে করি না বা পারি না।

কারণ একটাই~সবকিছুর পরেও আমাদের সাথে ব্যাপক অর্থে জনসাধারণের সংযোগ নেই।
সাধারণকে নিয়ে খুব বিস্তৃত ভাবনার অবস্থানে থাকতে গেলে,তথাকথিত সুশীল হওয়ার আদৌ কোন সুযোগ নেই !!!

এটা এই জন্যই যে,এইসব তথাকথিত সুশীল হতে গেলে~
তাদের আর জনগণের জন্য কিছু করার মতন যে কলিজাটা দরকার,
সেটা খুব একটা অবশিষ্ট থাকে না।
জনগণের জন্য কিছু করতে হলে,কোন ব্যক্তিমানুষের~
জীবন,যৌবণ,প্রভাব-প্রতিপত্তি,বুদ্ধি-বিবেচনা,মেধা-মনন;
সর্বোপরি নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পুর্ণ সত্তাটাকেই বাজি ধরার মন থাকতে হয়,কলিজা থাকতে হয়।

যেটা কিনা একজন রাজনৈতিক নেতার পক্ষেই শুধুমাত্র সম্ভব(কিছু ব্যতিক্রম ব্যতীত),
ব্যাপক জনসমর্থন বা জনসংযোহীন কিংবা নূন্যতম সংযোগহীন সুশীলদের পক্ষে কখনোই সম্ভবপর নয়,হতে পারে না।

তাই এই সুশীলদেরকে কেনো “নির্দলীয়”-ট্যাগের আড়ালে,যারা কিনা সমাজের সবচেয়ে সুবিধাভোগী,স্বার্থপর এবং জনসংযোগহীন ব্যক্তিত্ব~তাদেরকে দিয়েই আমাদের রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আগ্রহী হবেন?

তাদের কি নিজেদের উপর এতোটুকু ভরসা নেই যে~
জনগনের প্রতিনিধি হতে,জনগনের সমর্থনে,জনগণেরই সামনে দাঁড়িয়ে তারাই তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারেন,একে অপরের উপর আস্থার রেখে জনগণকে স্বস্তি দিতে পারেন?

কেনো বারবারই অনির্বাচিত সুবিধাভোগী সুশীলদেরকেই “নির্দলীয়”-ট্যাগ দিয়ে সামনে এনে, জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়াটির দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করাকে সমর্থন করা !
একজন নির্বাচিত হওয়ার মতো ব্যক্তিকে,কেনো একজন অনির্বাচিত ব্যক্তি এসে নির্বাচিত করে দিবে?

এতোটুকু মান-সম্মানবোধও কি আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের হবে না?
আরে, এরা আপনাদের অক্ষমতা,পারস্পরিক আস্থাহীতার সুযোগে~
দুইদিনের জন্য ক্ষমতায় এসে,আপনাদেরকেই চোর-বাটপার-দুর্নীতিবাজ বলে প্রমাণ করার কে?
সুস্থ-স্বাভাবিক,আস্থাশীল রাজনৈতিক পরিবেশে~এদের সত্যিকারের কোন রাজনৈতিক যোগ্যতা,প্রজ্ঞা দেখানোর ক্ষমতা বা সুযোগ আছে?

কখনোই নেই।কারণ, একজন অনির্বাচিত ব্যক্তি এই কারণেই অনির্বাচিত যে~
তার নির্বাচিত হওয়ার মতো জনসংযোগ নেই বা তার নির্বাচিত হওয়ার কোন আগ্রহও নেই;
যার কারণে,হয়তো কারো কারো নির্বাচিত হওয়ার মতন যোগ্যতা বা দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও~

তারা তাদের নিজস্ব জগৎ-কেই বেশি গুরুত্বের সাথে দেখে বা সেখানেই বেশি আন্তরিক থাকে;
আর সেটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

একজন অনির্বাচিত ব্যক্তির জনগুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে দায়িত্ব নেয়া সঠিক পন্থা হতে পারে না।
কিন্তু,একজন অনির্বাচিত ব্যক্তিই যখন আস্থাহীনতার সুযোগে,অনির্বাচিত এবং জনসংযোগহীন হওয়া সত্ত্বেও~
একটি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়,আর এসেই নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে “চোর-বাটপার-দুর্নীতিবাজ”-চিহ্নিত করতে আগ্রহী হয়ে উঠে;

তখন সেই প্রক্রিয়াকে কখনোই খুব স্বাভাবিক বলে মেনে নেয়ায় সুযোগ নেই।এটা এতো সহজও নয়।
এখানে অনেক কিছুই ভাবার অবকাশ আছে।
আর এটা এই জন্যই যে,এরা “নির্দলীয়”-ট্যাগ এমনি এমনিই পায়নি।সেই ইতিহাসটাও খুব কাদাহীন নয়।

সেই ইতিহাসের দেখা যাবে,এইসব “চোর-বাটপার-দুর্নীতিবাজ”-দের ইতিহাসের চেয়েও অনেক বড়ো কূটনীতি জড়িয়ে আছে।

“নির্দলীয়” আবার কি ব্যাপার?
একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিমাত্রই,তার নিজস্ব বিচার-বিবেচনা,নীতি-নৈতিকতা থাকবে।
সে কোন না কোন পক্ষ নিবে,তা ভালোই হোক কি মন্দ।

“নির্দলীয়” মানেই তারা সব দলের থেকে সুবিধা নিয়েই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
এরা নিজের জগৎ-তেই অনেকাংশে স্বার্থপরতা এবং সুবিধাভোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত।
সেখানে রাজনৈতিক দর্শনে তাদের প্রজ্ঞার উপরে আস্থা রাখার সুযোগ কোথায়?

আর কেনোইবা আমরা বারবার তাদের কাছে,আমাদের দেউলিয়াত্বের কারণে ধরনা দিতে যাবো?
আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের যতোই অযোগ্যতার ইতিহাস থাক না কেনো,
জনগণতো তাদের কাছেই যাকিছু হোক বা যতো নূন্যতমই হোক~ভরসায় থাকে।

জনগণই এই প্রতিনিধিদেরকে কষ্ট করে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে,
এই নেতাদের ভালো-মন্দ বিচার-বিবেচনার দিকেই,যাইহোক,শেষপর্যন্ত তাকিয়ে থাকে।
তাহলে কেনো “নির্দলীয়”,অগ্রহযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে,”সর্বদলীয়” সরকারের অধীনে একটি সুস্থ নির্বাচনের উদ্যোগে আমাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞাবান নেতাদের সমর্থন থাকবে না?

নিকট অতীতের রাজনৈতিক শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে,কেনো তারা নিজেদের পারস্পরিক আস্থাশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার কথা বিবেচনা করবে না?

বারেবারেই কেনো নিজেদের দেউলিয়াত্ওয়ের এমন নির্লজ্জ উপস্থাপন !
বর্তমান পরিস্থিতির দাবীতে,সুযোগ এসেছে~আপনাদের রাজনৈতিক দৈন্যকে শুধরে নেয়ার।
জনগনের উপর আস্থা রেখে,সেই সুযোগটা দয়া করে আপনারা নিন।
নিজেদেরকেই আস্থাবান করে তোলার ব্যবস্থা করুন।

এই দেশের দুঃখজনক রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার জের ধরে,আগামীতেও এইরকম অগ্রহণযোগ্য “নির্দলীয়” সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে না গিয়ে,যেটা বিশ্বব্যাপী গ্রহনযোগ্য গনতান্ত্রিক পদ্ধতি,সেই “সর্বদলীয়” নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থাকে সমর্থন করার মাধ্যমে,নিজেদের পারস্পরিক আস্থাশীলরাত প্রতি গুরুত্ব দিন।

জনগনের উপর বিশ্বাস রাখুন,নিজেদের উপর বিশাওস রাখুন।
আর এর মাধ্যমেই জনগনকে স্বস্তি দিন।
নিজেদেরকে দৈন্যতা থেকে বের করে আনুন,রাজনীতিতে সুস্থ-স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টিতে অগ্রসর হোন।

১০ thoughts on “আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের এতো দৈন্যতা কেন?

  1. যেহেতু ক্ষমতার স্বাদ নেওয়াই
    যেহেতু ক্ষমতার স্বাদ নেওয়াই আমাদের রাজনীতিবীদদের একমাত্র লক্ষ্য, তাই তারা যে কোন ভাবেই ক্ষমতায় বসার জন্য তারা মরিয়া॥
    আর আমাদের দেশের রাজনীতিরা দেশপ্রেমিক নয়, পকেটপ্রেমিক। তারা দেশের কথা চিন্তা করে না শুধু নিজের পকেটের কথা চিন্তা করে॥

    1. হয়তো আপনার কথাই অনেকখানি
      হয়তো আপনার কথাই অনেকখানি সত্য,কিন্তু তবুও আমি আশাবাদী মানুষ।
      এরপরও আমি মনে করি না যে,একজন রাজনৈতিক নেতার পক্ষে জাতীয় উন্নয়নে বা সুপরিবর্তনে যতখানি সুফল বয়ে আনা সম্ভব,তার খানিকটাও এইসব সুশীলদের পক্ষে সবভব…!!!
      আমি ঠিক এদের বিশ্বাসযোগ্য মনে করি না,যতটুকুওবা রাজনীতিবিদদেরকে এখনও করি…
      আপনার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ… :হাসি: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

  2. অনেক ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে কথা গুলো
    অনেক ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে কথা গুলো লিখেছেন কিন্তু আপনার সাথে আমিও একমত যে রাজনীতি বিদদের সেই বোধের জায়গা থাকা উচিৎ। তারা নিজেদের কেউ কাউকে বিশ্বাস করেন না তাদের সবসময় নিরপেক্ষ রেফারি লাগে। কাজ তো করবে এখানে সিস্টেম সেটা যদি ঠিক থাকে কে আসল গেল সেটা বিষয় না। তারা নিজেদের স্বার্থে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোকে কলুষিত করেছেন জন্য তাদের আজ নিজদের উপর ভরসা নাই।
    ভাল বিষয় নিয়ে লিখেছেন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. হ্যাঁ,একটু বোধ হয় ঘুরিয়ে
      :লইজ্জালাগে:
      হ্যাঁ,একটু বোধ হয় ঘুরিয়ে পেঁচিয়েই বলা হয়ে গেছে…আসলে কিছুটা আবেগতাড়িত হয়ে লিখাটা লিখেছিলাম বলেই হয়তো এমনটা হয়েছে…আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি… :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

  3. দিনকে কর রাত তোমরা,
    রাতকে কর

    দিনকে কর রাত তোমরা,
    রাতকে কর দিন
    যতই হাসি,যতই কাঁদি সবই অর্থহীন….
    নতুন নতুন নিয়ম বানাও আমরা ভাঙব বলে
    নতুন চিন্তা ভাবতে গেলেই ভরবে মোদের সেলে……
    …….
    বাজনা দশ বছরের হিসাব করতে দাও,
    আমরা যে ভাই আমজনতা একটু ক্ষান্ত দাও :জলদিকর:

    1. “আমরা যে ভাই আমজনতা একটু
      “আমরা যে ভাই আমজনতা একটু ক্ষান্ত দাও”
      সহমত,ভাইয়া…:)
      কিন্তু,জানেন বোধ হয়~
      “কোন দেশের জনসাধারণের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বুঝতে হলে,সেই দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করলেই বোঝা যায়।”
      কথাটা আমার নয়,খুব বিখ্যাত একজন ব্যক্তির,নামটি এখন আমার মনে পড়ছে না…
      তাই,ক্ষান্ত তাদের কাছে চাইলে আমাদেরই ক্ষতি…!!!
      আমাদের উচিৎ তাদের উপর বিবেচনাপ্রসুত চাপপ্রয়োগ করা,
      যাতে তারা আমাদেরই কল্যাণে কাজ করতে পারে,আবার ফাঁকিও না দিতে পারে…!!!
      মুগ্ধ হওয়ার মত এই সুন্দর মন্তব্যেটি’র জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ… :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

  4. ক্ষান্ত বলতে কেউ উনাদের দেশ
    ক্ষান্ত বলতে কেউ উনাদের দেশ ছেড়ে ভাগতে বলছে না; শুধু তাঁদের ফাটা বাঁশের চাপ থেকে আমাদের রেহাই দিক
    :জলদিকর:
    আর তাঁদের চাপ প্রয়োগ করে আর তেমন কী হবে?

    আমরা দূর্ভাগ্যপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী;
    পাঁচটা বছর স্টেশনে অপেক্ষা করি দূর্ভাগ্যপুর ছেড়ে সৌভাগ্যপুর এক্সপ্রেসে করে যার যার গন্তব্যে পৌঁছাতে….
    কিন্তু ট্রেন আসতেই মারামারি শুরু হয় যাত্রীদের মধ্যকার কিছু নেতাদের…সাধারণ যাত্রীরা ট্রেনে উঠতে পারে না!

    ট্রেন চলে যায়,নেতাদের হুশ ফেরে;
    কিন্তু ট্রেন ততক্ষণে চলে যায় বহুদূরে……(দীর্ঘশ্বাস) :জলদিকর:

    1. ভালই বলেছেন…
      আপনার কথার

      ভালই বলেছেন…
      আপনার কথার যথার্থতা বাস্তব পরিস্থিতিতেই বিদ্যমান!
      আমি আশাবাদী মানুষ কিনা,যার কারনে এখনও আমি সামনে ভালো কিছুই আশা করছি… :খুশি: :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *