আমার যাপিত জীবন-২ [বিড়াল বিলাস]

আমাদের বাড়িটা যে চৌচালা সে কথা তো সবাই জানেই। শহরে আজকাল চৌচালা বাড়ি দেখা যায় না। হয় বিন্ডিং নয়তো দোচালা বাড়িতেই ফলস সিলিং লাগিয়ে এমন ভাবে ডেকারেশন করে যে বাইরে বা ভেতর থেকে দেখলেও ফ্ল্যাট বাসা মনে হয়! তবে আমাদের বাড়িটা যে ঠিক শহরে নয় সেটাও তো আগেই বলেছি। শহরের ভেতরেই একটুকরো মফঃস্বল, সেখানেই আমাদের বাড়ি।


আমাদের বাড়িটা যে চৌচালা সে কথা তো সবাই জানেই। শহরে আজকাল চৌচালা বাড়ি দেখা যায় না। হয় বিন্ডিং নয়তো দোচালা বাড়িতেই ফলস সিলিং লাগিয়ে এমন ভাবে ডেকারেশন করে যে বাইরে বা ভেতর থেকে দেখলেও ফ্ল্যাট বাসা মনে হয়! তবে আমাদের বাড়িটা যে ঠিক শহরে নয় সেটাও তো আগেই বলেছি। শহরের ভেতরেই একটুকরো মফঃস্বল, সেখানেই আমাদের বাড়ি।

আমাদের এই চৌচালা বাড়ির ঘরে আবার মাচা/চাঙ্গও আছে। যারা মাচা/চাঙ্গ চেনেন না তাদের জন্য বলছি- আগে গ্রামের চৌচালা বাড়িগুলোতে এই মাচা বা চাঙ্গ খুব কমন জিনিস ছিলো। এখনকার সময়ে এই জিনিস খুব একটা দেখা যায় না যদিও! জিনিসটা অনেকটা আধুনিক ফ্ল্যাট বাসার “ফলস রুফ”-এর মত। মূল টিনের চালের নিচে কাঠ বা মুলি বাঁশের একটা মাচা বানানো হয় মূলতঃ যাতে টিনের চালের গরমটা সরাসরি ঘরে ঢুকতে না পারে। বিশেষত্ব হলো- এই মাচার একটা অংশে ছোট একটা খোপ রাখা হয় যেটা দিয়ে ইচ্ছা করলে মাচার ওপর ওঠা যায়। সাধারণতঃ বিভিন্ন ওকেশনাল সামগ্রী (যেমনঃ হাঁড়ি-পাতিল-থালা-বাসন-তৈজসপত্র) ফেলে রাখার জন্য স্টোর রুম হিসেবে এই মাচা বা চাঙ্গ ব্যবহার করা হয়।

যাই হোক, ‘চাঙ্গ’ পরিচিতি পর্ব শেষ করে এবার মূল গল্পে আসি। আমাদের বাড়িটা পারিবারিক ভাবেই পশু-পাখিদের অবাধ আশ্রম! “জীবে দয়া করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর” এই মূল মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ায় বরাবরই আমাদের বাড়িতে পশু-পাখিদের অবাধ বিচরণ। আমাদের আম গাছে কাকের বাসা আর আমার ঘরে খড়-কুটোর জঞ্জালে ভরিয়ে ফেলা চড়ুই পাখির একান্নবর্তি সংসার তার উৎকৃষ্ঠ উদাহরণ! এদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হলেও আমরা কখনও এদের ওপর উচ্ছেদ অভিযান চালাই না। কারণ, মা বলে- যে বাড়িতে পাখ-পাখালি থাকে না সেই বাড়িতে আল্লাহর রহমত থাকে না! ফল স্বরূপ এরা কিভাবে যেন বুঝে গেছে এই বাড়িটা খুব নিরাপদ। তাই তারা প্রতি বছর তাদের সঙ্গীসাথি বাড়িয়েই চলছে!
তবে পাখিরা খুব একটা বিরক্ত না করলেও আক্ষরিক অর্থেই যে প্রাণিটা প্রতি বছর একটা নির্দিষ্ট সময় আমাদের রাতের ঘুম ও পাতিলের খাবার নষ্ট করে দেয় সে হচ্ছে বিল্লি দ্যা গ্রেট!

বছরের নির্দিষ্ট সময়ে আমরা চাঙ্গের ওপর তাদের হুটোপুটির আওয়াজ পাই। একটানা কয়েকরাত চলে সেই আওয়াজ! আমরা বুঝতে পারি- এবারও আমরা একটা বিড়ালিনীর নয়া সংসারের হোস্ট হতে যাচ্ছি! তারপর কয়েকদিন সব চুপচাপ। এর কিছুদিন পর এক রাতে শোনা যায় চিকন স্বরে একত্রে ৪/৫ বিড়াল ছানার মিঁউ মিঁউ! কাহিনি এখানেই শেষ হলে কোন কথা ছিল না। কিন্তু অত্যাচার শুরু হয় তার পর থেকে…! প্রায় প্রতি রাতে বাবা বিড়ালটা আসে তার নিজের সন্তানদের মেরে ফেলার জন্য আর মা বিড়ালটা সেটা কাউন্টার করে। শুরু হয় এক তুলকালাম কান্ড! দুই বিড়ালের হুঙ্কার আর ধ্বস্তাধস্তিতে সয়লাব হয়ে যায়। চাঙ্গের ওপর রাত দুপুরে আচমকা তাদের শুধু পায়ের আওয়াজ শুনলেই যে কেউ ভয় পেয়ে যাবে! তার মধ্যে যখন ঝগড়া শুরু হয় তখন তো কথাই নেই! মা বিড়ালটা বাচ্চা রেখে খাবারের সন্ধানে দূরে কোথাও যেতে পারে না বলে সেই মাশুল দিতে হয় আমাদেরকেই। প্রায়ই দেখা যায় খাবার টেবিলের ওপর মাছ তরকারির বাটিটা উলটে পরে আছে কিংবা রান্না ঘরের মাংসের পাতিলের ঢাকনা খুলে পরে আছে পাশে! এতো যন্ত্রণা সত্যেও আমরা ওদের তাড়িয়ে দিই না… তাড়িয়ে দিলে যাবেই বা কোথায়? বরং সপ্তাহ খানেক পর এক সকালে বাড়ির সবাই আয়োজন করে চাঙ্গে উঠে দেখে আসি- এবারে বিড়ালের কয়টা বাচ্চা হলো! অন্ধকারে এক কোনায় সদ্য চোখ ফোঁটা বাচ্চাগুলো কুত কুত করে চেয়ে থাকে আমাদের দিকে…!

মাঝে মাঝে এমনও হয় যে একটা বাচ্চা মরে গেছে! পঁচে গলে গন্ধ হয়ে গেছে রিতিমত! সেটা তখন আমাকেই বেলচা দিয়ে উঠিয়ে এনে ফেলে দিতে হয়। বাচ্চার চোখ ফুটলেই যে ওদের নিয়ে মা বিড়ালটা চলে যায় এমন নয়। একটু বড় হলেই শুরু হয় তাদের ট্রেনিং… এবং সেটাও আবার এই আমাদের বাড়িতেই! কখনো চাঙ্গে কখনও বা বারান্দার চালের ওপর শোনা যায় মা বিড়াল ও তার বাচ্চাদের পদচারণার মহড়া! বাচ্চাগুলো চালের ওপর হুটোপুটি করে খেলে বেড়ায়।
মাঝে মাঝে আমাদের বাড়ির উঠোনেও নেমে পরে ওরা। লাফ দিয়ে দেয়ালে ওঠা বা আধমরা একটা তেলাপোকা ধরে খাওয়ার প্রশিক্ষণগুলো তখন আমরা লাইভ দেখতে পাই।
এরও কিছুদিন পর তারা স্বদলবলে বিদায় হয়। আবার আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারি। আবার আমরা খাবার টেবিলের ওপর নিশ্চিন্তে মাছের বাটি রাখতে পারি।

তবে বিড়ালগুলো বছর শেষে ঠিকই আবার আসে! এতো সুযোগ সুবিধা শহরের বাড়িতে আর কোথায় পাবে? তাই প্রতি বছর কোন না কোন বিড়ালিনী তার সঙ্গীকে নিয়ে আবার এসে ঘাটি গাড়ে আমাদের বাড়ির চাঙ্গে…!
এভাবেই চলছে আমাদের যাপিত জীবন। বাড়ি ভেঙ্গে বিল্ডিং না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলবে বোধহয়! খারাপ কী? চলুক…

– সফিক এহসান
২২ অক্টোবর ২০১৩

২৬ thoughts on “আমার যাপিত জীবন-২ [বিড়াল বিলাস]

  1. বিঃদ্রঃ ছবির বিড়ালটি আমাদের
    বিঃদ্রঃ ছবির বিড়ালটি আমাদের বাসার নয়। প্রাইভেসির খাতিরে আমাদের বাসার বিড়ালদের কোন ছবি তোলা হয় না! এটা নানাবাড়িতে তোলা হয়েছিল… আজকে চান্সে মেরে দিলাম… 😛

  2. সুন্দর লেখা সফিক ভাই। আপনাদের
    সুন্দর লেখা সফিক ভাই। আপনাদের পরিবার যে প্রাণীদের দের এত ভালোবাসে জেনে খুব ভাল লাগলো। এখন মানুষ অন্য কোন প্রানি সহ্য করতে পাড়ে না। খাবার বা একটু জায়গার অভাবে কুকুর বিড়াল এর অবস্থা ত্রাহি মধুসূদন। আপনারা যাকে মাচা বলেন বা চাঙ্গা বলেন সিরাজগঞ্জে এতাকে ধাপার বলে থাকে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. তাই নাকি? নতুন তথ্য জানলাম…
      তাই নাকি? নতুন তথ্য জানলাম… তবে মাচার আরেক নাম “চাঙ্গা” নয়, শব্দটা “চাঙ্গ” হবে (অভিধানেও ‘চাঙ্গ’ই লেখা!) আজকে ‘ধাপা’র সাথে পরিচিত হলাম… 😀

      আর অন্য প্রাণির কথা বলছেন? মানুষ তো আজকাল আরেকজন মানুষকেই সহ্য করতে পারে না!
      :ভাঙামন:

    1. বিড়াল সেলফিস কিনা জানি না তবে
      বিড়াল সেলফিস কিনা জানি না তবে যারা ব্লগে যারা ফেসবুকের মত এমন পোস্ট দেয় তারা নিঃসন্দেহে সেলফিস…

      1. দাদা! আপনার যদি আমার প্রতি
        দাদা! আপনার যদি আমার প্রতি কোন ব্যক্তিগত আক্রোশ থাকে তাহলে বলে ফেলেন। শুধু শুধু আমার সব পোস্টে গিয়ে মিনিংলেস মন্তব্য করার দরকার নেই…

        এটা “ব্যক্তিগত কথাকাব্য” ক্যাটাগরিতে লেখা “আমার যাপিত জীবন” সিরিজের একটা লেখা/গল্প মাত্র। এটাকে ফেসবুকিয় পোস্ট বলে গালমন্দ করার যুক্তি দেখি না। তাছাড়া আমার কার্যকলাপ কোন ভাবেই ইস্টিশনবিধি লঙ্ঘন করে না বরং ইস্টিশনবিধির ৩নং পয়েন্ট এটাকে স্পষ্ট অনুমোদন দেয়! তারপরেও আমাকে “সেলফিস” বলে ভর্ৎসনা করার কারণ বোধগম্য নয়।

        কেন যেন মনে হচ্ছে কোন কারণে আমাকে বা আমার কর্মকান্ড আপনার পছন্দ নয়! কারণটা আমাকে জানালে ভুলগুলো শুধরে নিয়ে আপনার পছন্দের পাত্রে পরিণত হবার চেষ্টা করবো… :ফুল:

      2. আপনার জন্য দেয়া আগের পোস্টের
        আপনার জন্য দেয়া আগের পোস্টের মন্তব্য এখানে আবার দিলাম। ।

        এইটা ইস্টিশন,
        এখানে একে অন্যের সাথে অদৃশ্য আত্মীয়তার
        সূত্র আবদ্ধ। আপনি নিয়মিত নন তাই
        এটা আপনার কাছে অবাক লাগছে।
        এখানে আমি সবার ছোট। ছোট ভাই এর মতই
        সবাই আদর করে।
        আবার সেই হিসেবে আমাকে বিভিন্ন
        মন্তব্যও করে।
        এখানে র পরিবেশ অনেক ভিন্ন।
        আমার সুইসাইড নোট এ ৮০+ মন্তব্য
        পড়েছিল। তার মধ্যে বেশির ভাগ শাষণ
        মূলক।
        বুঝলেন।

    2. এই কথা প্রকাশ্যে বইলেন না
      এই কথা প্রকাশ্যে বইলেন না ডাক্তার সাব! গত দুইদিনে ইস্টিশনে যে পরিমান বিড়াল প্রেমী দেখলাম তাতে আপনার বিরুদ্ধে “ফাঁসি চাই” দাবি উঠতে পারে… 😛

      😀 😀 😀

      1. লিখাটা চমৎকার হয়েছে। তবে
        লিখাটা চমৎকার হয়েছে। তবে কুকুর বিড়াল আমার পছন্দ না। আমার পছন্দ হল ময়ূর, তেলাপোকা, শিম্পাঞ্জি, খরগোশ, আর অবশ্যই কবুতর। তেলাপোকা আর শিম্পাঞ্জি আমার কেন এত বেশি পছন্দের এই রহস্যের কুলকিনারা আজও করতে পারিনাই। :আমারকুনোদোষনাই:

        1. তাই নাকি! আমাদের বাসায়
          তাই নাকি! আমাদের বাসায় তেলাপোকাও মোটামুটি আছে! রান্না ঘরে ও বাথরুমে প্রায়ই তাদের দর্শন পাওয়া যায়… এসে দেখে যাবার আমন্ত্রণ রইলো! 😛

    1. এই বিড়াল আপনাকে কে গিফট করতে
      এই বিড়াল আপনাকে কে গিফট করতে যাচ্ছে? আমাদের বাড়ি বিড়ালের অভয় আশ্রম, এখান থেকে বাচ্চা বিক্রি/গিফট করা হয় না!
      তাছাড়া এটা আমাদের বাসার বিড়াল না। পোস্টের একদম প্রথম কমেন্ট দ্রষ্টব্য…!
      😛

  3. বিড়াল আপনার খুব পছন্দের
    বিড়াল আপনার খুব পছন্দের নাকি?!
    লেখাটা খুবই জবরদস্ত হয়েছে। আমাদের পরিবারের মতো আরেকটা পশুপ্রেমী পরিবার পেয়ে ভালো লাগলো 😀

    আমরা বাসায় বিড়াল, কুকুর দুটোই পুষি। কিন্তু কুকুর আমার আর বিড়াল আমার ভাইয়ের। বিড়াল আমি দেখতেই পারি না। শয়তান একটা প্রাণী! খালি খাবারে মুখ দেওয়ার তালে থাকে। আদর করে কোলে নিলে মাথায় উঠে বসে। সাহস পেয়ে আরও বেশী করে ডাইনিং টেবিলের দিকে দৌড় দেয়।
    তবে বিড়ালটা যখন বাচ্চা দেয় (খুব সম্ভবত প্রতি ৬ মাস অন্তর), তখন বাচ্চাগুলোর প্রতি খুব মায়া লাগে। এত্তো আদুরে হয় এরা…!

    1. তাই নাকি?
      জাপানে একটা

      তাই নাকি? :লইজ্জালাগে: :মুগ্ধৈছি:

      জাপানে একটা মিথ প্রচলিত আছে-
      একটা বিড়াল ভাবে- আমরা মানুষের প্রভু! তাই মানুষ আমাদের খাবার দিয়ে পুজা করে…
      এজন্য বিড়ালের আচরণ দাম্ভিকতাপূর্ণ… এরা কোলে উঠে খামচি দেয়!
      আর একটা কুকুর ভাবে- মানুষ আমাদের প্রভু! তাই মানুষ আমাদের খাবার দিয়ে অনুগ্রহ করে…
      এজন্য কুকুরের আচরণ প্রভুভক্তিপূর্ণ… এরা লেজ নাড়তে নাড়তে পায়ের কাছে বসে পা চাটে!

    2. জাতীয় প্রানী রক্ষা দিবসে
      জাতীয় প্রানী রক্ষা দিবসে আপনাদের দুজনকে (সফিক ভাই ও আপনি) পুরষ্কৃত করা হবে।
      তাহার আগে কুকুর নিয়ে পোস্ট চাই 😀

  4. সফিক ভাই
    আপনার লিখাটা ভাল

    সফিক ভাই
    আপনার লিখাটা ভাল লাগল। বিড়ালের গল্পটা ভাল লাগল।
    কিন্তু আপনার ঘরের বর্ণনা শুনে কিছু বুঝলাম না॥

    1. বোঝার কিছু নাই… সিম্পলী
      বোঝার কিছু নাই… সিম্পলী চাঙ্গ বিশিষ্ট চৌচালা বাড়ি। চাঙ্গের ওপর বিস্তর খোলা যায়গা থাকার কারণে ওটা বিড়ালের ডেলিভারী সেন্টারে পরিনত হয়েছে! 😀

  5. বিড়াল বোধহয় আমার শত্রু! (আমার
    বিড়াল বোধহয় আমার শত্রু! (আমার কুকুর থাকার সুবাদে বিড়াল আমারও শত্রু)

    একবার এক বন্ধুর বাসায় খাটের তল থেকে বিড়ালের বাচ্চা বের করার সময় ব্যাটা আমার বাম হাতের তর্জনীতে মোক্ষম কামড় দিয়েছিল!
    ঐ কামড়ে এত ব্যথা-যে মনে হচ্ছিল আমার হাতে ড্রিল মেশিন ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে :মাথানষ্ট:
    রাগে ক্ষোভে হারামীর বাচ্চাকে পরেরদিন ধরে ধুনা দিলাম;
    তারপর এলাকার বড় কুকুরের কাছে ক্রসফায়ারে!
    এক গুলিতেই বিলাই বিলীন!

    এরপর বুঝলাম সেটা আমার জীবনে করা কিছু জঘন্য কাজের মধ্যে একটা ছিল 🙁
    সরি বিলাই,মাফ করে দিও 🙁

    1. তাইলে ভাই আপনি এই পোস্ট থেকে
      তাইলে ভাই আপনি এই পোস্ট থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন… 😛

      আর আপনার জন্য আমার এই সিরিজের আগের পোস্টটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো…
      😀
      http://istishon.blog/node/4744#sthash.E3ZH9EPv.dpbs

      1. কুকুর সমাচার তো চব্বিশে
        কুকুর সমাচার তো চব্বিশে সেপ্টেম্বরই পড়ে ফেলেছি……
        কী অদ্ভুত! আজকে তো আবার চব্বিশে অক্টোবর! :ভাঙামন:
        আমাদের কুকুরটা মারা গেল আজ দুই মাস :ভাঙামন:
        আমি ঘুমাইতে গেলুম :খাড়াফোনাইয়ালই:

  6. হাহাহাহাহাহা সফিক ভাই চরম মজা
    হাহাহাহাহাহা সফিক ভাই চরম মজা পাইলাম। । তাই তো বলি আপনি বিড়াল বিশেষজ্ঞ কেন!! বিড়ালের জীবন যাত্রা সকলই প্রত্যক্ষ করেন দেখছি ( 😛 )

    আর ভাই প্রানী গুলোকে শিক্ষা দেন বেশি সংখ্যা বৃদ্ধি করলে সমস্যা। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কুফলের মত। 😀

    আপনার তো ভাই পশু পাখির ডাক্তার হবার প্রয়োজন ছিল।

    1. মুখ দিবেন যিনি আহার দেবেন
      মুখ দিবেন যিনি আহার দেবেন তিনি! 😛

      (কোন প্রাণিকে সচরাচর না খেয়ে মরতে দেখা যায় না। পৃথিবীতে একটা প্রাণিই সবচেয়ে বেশি না খেয়ে মারা যায়। সেটা হল সৃষ্টির শেরা জীব, আশরাফুল মাকলুকাত- মানুষ!)
      :কথাইবলমুনা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *