বিজ্ঞানময় অন্ধকার-৪ (শেষ পর্ব)

এই ৪ পর্বের শেষ পর্বে এসে যখন ৫ম প্রশ্নটি আজ রাখব বা রাখতে যাব তখন অতি সচেতনভাবে খেয়াল করলাম সবাই বা অনেকে আমার পোস্টের ধরণ অথবা রচনাশৈলী নিয়ে অনেক বা মাঝারী আকারের তর্ক অথবা বিতর্ক করেছেন আর, বিশ্বাসীরা স্বভাবেই প্রশ্নগুলো এড়িয়ে গেছেন। এর কারণ হতে পারে-
i) হয় তাঁদের প্রশ্নের উত্তর জানা নেই অথবা, ii) প্রশ্নকে মুকাবিলা করতে পছন্দ করেন না বা ভয় পান তাই ত্যানা পেচিয়ে এড়িয়ে জান।

আমি আগের ৪ টি সহ আজকের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আপনাদের কাছে রাখব…

মহামতি আইনস্টাইনের সেই উক্তিটি


এই ৪ পর্বের শেষ পর্বে এসে যখন ৫ম প্রশ্নটি আজ রাখব বা রাখতে যাব তখন অতি সচেতনভাবে খেয়াল করলাম সবাই বা অনেকে আমার পোস্টের ধরণ অথবা রচনাশৈলী নিয়ে অনেক বা মাঝারী আকারের তর্ক অথবা বিতর্ক করেছেন আর, বিশ্বাসীরা স্বভাবেই প্রশ্নগুলো এড়িয়ে গেছেন। এর কারণ হতে পারে-
i) হয় তাঁদের প্রশ্নের উত্তর জানা নেই অথবা, ii) প্রশ্নকে মুকাবিলা করতে পছন্দ করেন না বা ভয় পান তাই ত্যানা পেচিয়ে এড়িয়ে জান।

আমি আগের ৪ টি সহ আজকের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আপনাদের কাছে রাখব…

মহামতি আইনস্টাইনের সেই উক্তিটি

প্রশ্ন- ১)
পৃথিবীতে রাত ও দিনের মোট সময় মিলে একদিনে ২৪ ঘণ্টা (প্রায়) হলেও সব যায়গায় রাতের ও দিনের সময় একই নয় এইটা যেমন সন্দেহাতীত তেমনি সকলের জানা। তাহলে প্রশ্ন জাগে কোন যৌক্তিক কারণে ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ নামায এবং রোযা সূর্যের অবস্থানের সাথে সম্পর্ক যুক্ত? এই নিয়ম শুধুই কি তাহলে মরু অঞ্চল বা ইসলামের পুণ্যভূমির জন্য?

প্রশ্ন- ২)
কোন সঠিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেও এই ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টিকর্তা ১০০ বার চেষ্টার পর এবং আরও ৩ মহা চেষ্টার পর এমন মহাগ্রন্থের রচনার বা নাযিল কাজ সম্পন্ন করেন? আসমানি কিতাব গুলোর কথা বলছিলাম? আমাদের রবীন্দ্রনাথও গীতাঞ্জলী লিখতে এতবার প্রুফ দেখেন নি। তাহলে কীভাবে তাকে আমরা মহাজ্ঞানী বলী? কেননা বলা হয়ে থাকে সৃষ্টিকর্তা মহান, সর্বজ্ঞানী এবং মহাকরুণাময়। তাহলে কেন ১০০ বার ছোট চেষ্টা এবং ৪ বার মহাচেষ্টার পর কেন তিনি তার মহান গ্রন্থের পরিপূর্ণতা দেন? তিনি কি তার সৃষ্টি সম্পর্কে ধারণা রাখেন না? রাখলে কেন একবারেই এই মানবকুলের জন্যে একটা পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান নাযিল করতে পারলেন না? আর কেনই বা একটার পর একটা ধর্ম এনেও তিনি তার সৃষ্ট মানবকুলে শান্তি আনতে ব্যর্থ হলেন?

প্রশ্ন- ৩)
বিজ্ঞান যেখানে এখনও নিশ্চিত নয় সেখানেই কেবল বিশ্বাসীরা ধর্মীয় বিশ্বাসের মৌলিক বিষয়সমূহ লুকিয়ে থাকেন।। তাহলে আমার প্রশ্ন, তাহলে কি একদিন জীন-ভূতের বিশ্বাসের মত এই ধর্মীয় বিশ্বাসও বিজ্ঞানের ব্যাখ্যায় পরে বাতিল হয়ে যাবে না? এরই মধ্যে অনেক দাম্ভিক এবং আত্মবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা ধর্মীয় বিশ্বাসের মূলে এমন তীব্র প্রশ্ন করেছেন!!

প্রশ্ন- ৪)
নিশ্চিত ফসিল ইভিডেন্স (Evidence) যেখানে মানুষের বিবর্তন ইতিহাসের সত্যতা নিয়ে সহমত পোষণ করে সেখানে কিসের ভিত্তিতে আব্রাহামিক ধর্মগুলো আদম-হাওয়ার গাল-গপ্পো বিশ্বাস করে-করবে?

এইবার আজকের নয়া প্রশ্নঃ
প্রশ্ন- ৫)
উন্নত বিশ্বের রাষ্ট্র সমূহের প্রত্যাশিত গড় আয়ুর দিকে একটু চোখ বুলিয়ে নিন

এইবার বলুন এরপরও কি মনে হয় আজ থেকে হাজার হাজার বছর পূর্বে ঈশ্বর সকলের জন্ম-মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করতে সক্ষম ছিলেন? অথবা সৃষ্টিতত্ত্বে বিশ্বাসীদের কি এমন পর্যবেক্ষণের পরও মনে হয় ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন?

নাকি সেই যুগান্তকারী লাইনটিই সকল উত্তর দিয়ে দেয়।
“ঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেন নি বরং ঈশ্বরের সৃষ্টি বা ঈশ্বর ধারণার উৎপত্তি বহুবছরের মানব বিবর্তনের দুর্ঘটনা মাত্র?”

২৯ thoughts on “বিজ্ঞানময় অন্ধকার-৪ (শেষ পর্ব)

  1. প্রশ্ন- ১)
    নামাজের সময় শুধু

    প্রশ্ন- ১)

    নামাজের সময় শুধু মাত্র সূর্যের অবস্থান দেখে পড়া হয় না। আপনি যদি এমন কোন জায়গায় যান যেখানে আপনি নামাজের সময় নির্ধারণ করতে পারছেন না, like South or North pole সেখানে ২৪ ঘণ্টার সময় হিসেব করে নামাজ আদায় করে নিতে হবে। এটা আমার খালুকে জিজ্ঞেস করে জেনেছিলাম।
    রোজার ব্যাপারটা বলতে পারছি না, কারণ এই প্রশ্নটা কখনো মাথায় আসেনি।

    প্রশ্ন- ২)

    বলা হয় ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান। তার মানে এই না যে আগের গুলা ভুল। আপনি যদি Torah,Bibel বা Quran পড়েন তাহলে দেখবেন এখানে কিছু জিনিস বারবার Repeat হচ্ছে।
    আসলে ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান বলতে আমি যেটা বুঝি সেটা হল এখানে নবুয়তের সমাপ্তির মাধ্যমে দ্বীনের একটা ফাইনাল ষ্টেজের কথা বলা হচ্ছে। আর কিছু না।
    ইহুদি খ্রিস্টানরাও আল্লাহ্‌ কেই মানে, সমস্যা একটাই, ওরা শেষ নবীকে মানে না। আর শেষ নবীকে না মেনে ওরা আল্লাহর নির্দেশকে অমান্য করেছে আর সেটাই ওদের সাথে আমাদের পার্থক্য।

    প্রশ্ন- ৩)

    বিশ্বাসের ব্যাপারটা নিয়ে আসলে কিছু বলার নাই। আমি কেন ধর্ম বিশ্বাস করি, আমি কেন অদেখায় বিশ্বাস করি সেটা নিয়ে কোন তর্ক চলে না। আমার বউকে আমি কেন ভালোবাসি সেটার কোন জবাব নাই। জগতে অনেক কিছুরই আপনি জবাব পাবেন না। এমনকি বিজ্ঞান দিয়েও না।

    প্রশ্ন- ৪)

    বিবর্তনবাদ বা ফসিল ইভিডেন্স নিয়ে যে কথা বলছেন সেটার বিরুদ্ধেও অনেক কথা আছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সেটা নিয়ে আমরা কেউ কিছু বলি না। কেন?

    প্রশ্ন- ৫)

    অদ্ভুত একটা প্রশ্ন করলেন। আমি বিশ্বাস করি যে আল্লাহ্‌ এই মহা বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। যিনি এই মহাবিশ্ব তৈরি করেছেন তিনি কি হাজার হাজার বছর পূর্বে সকলের জন্ম-মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করতে সক্ষম হবেন না?

    সমস্যা তো গোড়াতেই।

    সুরা কাফিরুন

    শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

    ১. বলুন, হে কাফেরকূল,
    ২. আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
    ৩. এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
    ৪. এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
    ৫. তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
    ৬. তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।

    1. যেখানে মূল ধর্ম কোনটুকু তা-ই
      :থাম্বসআপ:

      :হাসি: :হাসি: :হাসি:
      যেখানে মূল ধর্ম কোনটুকু তা-ই এখনও আমরা বুঝে উঠতে পারিনি সেখানে ধর্ম নিয়ে যুক্তি-তর্ক-আলোচনাই আজকাল বেকার মনে হয়।
      আমি ব্যক্তিগত ভাবে একটা জিনিস বলতে চাই- ধর্মগ্রন্থের প্রতিটা লাইনই কিন্তু ধর্ম নয়! এর মধ্যে মাত্র কয়েকটি লাইন হচ্ছে “মূল ধর্ম” যা সৃষ্টির শুরু থেকেই সকল নবী-রাসুল-আসমানী কিতাব বা পীর-ওলী-দরবেশরা রিপিট করে গেছেন! বাকিটুকু কেবলই জীবন ব্যবস্থা! আর জীবন ব্যবস্থা স্বভাবতই পরিবর্তনশীল!

      ১৪শ’ বছর আগে রাসুল (সঃ) কোন এক রোগীকে ডায়রিয়ার জন্য মধু খেতে বলেছিলেন। তার মানে এই নয় যে এখনও ডায়রিয়া হলে আমাদের কেবল মধুই খেতে হবে! স্যালাইন বা ফ্লাজিল ট্যাব্লেট খেলে ঈমান বা ধর্ম চলে যাবে…
      এই সহজ সরল কথা যারা বোঝে না তারা আদৌ ইসলাম (বা কোন ধর্ম)-এর ভেতর ঢুকতে পারেনি। ধর্ম কোন জটিল বস্তু নয়… আর সেজন্যই সূরা ফাতিহাতে একটা জিনিষই কেবল চাওয়া হয়েছে-
      “ইহদিনাস সিরাতুল মুস্তাকিম…”
      – (হে আল্লাহ) আমাদের সহজ-সরল পথ দেখাও…

      1. “ইহদিনাস সিরাতুল

        “ইহদিনাস সিরাতুল মুস্তাকিম…” – (হে আল্লাহ) আমাদের সহজ-সরল পথ দেখাও

        :bow: :bow: :bow: এইটাই আমাদের চাওয়া হওয়া উচিৎ… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

        1. হুদাই প্রণাম দেন কেন? উনি তো
          হুদাই প্রণাম দেন কেন? উনি তো কোন ভাল যুক্তি দেন নাই…
          ধর্মের বানী দিয়ে ধর্মকে সত্য প্রমাণই যদি করবেন তবে মাথা রাখছেন কেন?

      1. ফ্রয়েড তত্ত্বই হোক আর যে
        ফ্রয়েড তত্ত্বই হোক আর যে তত্ত্বই হোক, তত্ত্ব বড়জোর “পুরুষ কেন একটা নারীকে ভালোবাসে” তার ব্যাখ্যা দিতে পারবে। দুনিয়ার প্রায় সাড়ে তিনশ’ কোটি নারীর মাঝে শুধু এবং কেবল মাত্র “আমার বউ” নামক নারীটিকেই কেন? -এর ব্যাখ্যা দিতে পারবে কি?

    2. কায়সার ভাই-
      ক) এইটা কি

      কায়সার ভাই-
      ক) এইটা কি সর্বজ্ঞানীর কাছে প্রত্যাশিত? বিচারক হলেওতো বিব্রত হওয়ার কথা…

      খ) আমি নিজেকে সত্য দাবী করছি এইটাই কি সত্যতার প্রমাণ হয়?

      গ) কোন উত্তর না দিয়েই কারও কারও থাম্বস আপ পেয় গেলেন? এতই সস্তা ধর্মীয় বিবেক?

      ঘ) বিবর্তনবাদ নিয়ে অনেক কাজ বাকি কিন্তু যতটুকু নিশ্চিত হওয়া গেছে তাতেই ধর্ম সব গালগপ্পোতে পরিণত হয়েছে…

      ঙ) আমারও তো একই প্রশ্ন! যদি তাই হয় তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন কীভাবে মানুষের গড় আয়ুকে বৃদ্ধি করল?

      1. প্রিয় হাইপেশিয়া,
        আমি আমার

        প্রিয় হাইপেশিয়া,
        আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে চেষ্টা করেছি ধর্ম সম্পর্কে আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে। হয়তো পারিনি। না পারারই কথা। আমি শুধু একটা কথাই বোঝাতে চেয়েছি বিশ্বাসের উপর কথা চলে না।

        আমি যে সৃষ্টিকর্তাকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সর্বশক্তিমান ভাবি; তিনি কেন নিজেকে আড়ালে লুকিয়ে রেখে আমার বিশ্বাসের পরীক্ষা নিচ্ছেন সেই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই। আমাকে বিশ্বাস করতে হচ্ছে “অদেখায়” , that which cannot be seen।

        আপনি কি জানেন আমরা আমাদের চারপাশে যত গ্রহ, নক্ষত্র, তারা ছায়াপথ দেখতে পাচ্ছি সেটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মাত্র ১%?
        ৭০% ধরা হয় Dark energy, 25% ধরা হয় Dark matter, বাকি ৪% হল হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম। এখন কথা হচ্ছে এই ৭০+২৫=৯৫% যে Dark matter আর Dark Energy সেটা আমরা চোখে দেখতে পাই না, এমনকি অনুভবও করতে পারি না। কিছু কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে আমরা ধীরে ধীরে নিশ্চিত হচ্ছি যে না, Dark matter আর Dark Energy বলে কিছু একটা অবশ্যই আছে। আমি যদি আরও ২০০-৩০০ বছর আগে জন্মাতাম তাহলে কিন্তু এই তথ্য না জেনেই আমাকে মরতে হতো।

        So, প্রিয় হাইপেশিয়া,
        কোন একসময় যদি এটা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই তাহলে আপনি জিতে গেলেন। But I’ll have my fingers crossed!

        1. ঈশ্বর কি এমন কোন ভূমিকম্প
          ঈশ্বর কি এমন কোন ভূমিকম্প দিতে পারবেন যেখানে কোন নিষ্পাপ শিশু মারা যাবে না?
          পারলে তিনি এতদিন করেন আনি কেন? কীভাবে সুনামি-ভূমিকম্পে এমন নিষ্পাপ শিশুরা মারা যায়?
          আর পারেন যেহেতু নাই, এমন কিছুকে আমি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সর্বশক্তিমান ভাবি না ভাবতে পারছি না…

          আবারও বলি বিজ্ঞান যেখানে অসম্পূর্ণ সেখানেই যদি ধর্মকে লুকাতে চান তবে ঈশ্বরে বিশ্বাস না করে চোরকেই বিশ্বাস করুন। দেখুন বিজ্ঞানের এইটুকুন অগ্রগতিতে ধর্ম হাস্যকর এবং চরম হঠকারী প্রমাণিত…

          1. ঈশ্বর কি এমন কোন ভূমিকম্প
            ঈশ্বর কি এমন কোন ভূমিকম্প দিতে পারবেন যেখানে কোন নিষ্পাপ শিশু মারা যাবে না?
            পারলে তিনি এতদিন করেন আনি কেন?
            কীভাবে সুনামি-ভূমিকম্পে এমন নিষ্পাপ শিশুরা মারা যায়?

            :হাসি: :হাসি: :হাসি:

            Extremely sorry bro. I don’t have the answer. And I don’t think no one has one!

          2. হাসেন ভাল করে হাসেন
            হাসেন ভাল করে হাসেন :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: ধর্মগুরুদের ভণ্ডামির দিন শেষ হয়ে আসছে!!
            খালি আরও বছর ৩০/৪০ বাঁচলেই দেখতে পাবেন সকল ভণ্ডামি ডাস্টবিনে চলে যাবে! :জলদিকর: :জলদিকর: :জলদিকর: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:

  2. “ঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেন নি

    “ঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেন নি বরং ঈশ্বরের সৃষ্টি বা ঈশ্বর ধারণার উৎপত্তি বহুবছরের মানব বিবর্তনের দুর্ঘটনা মাত্র?”

    :থাম্বসআপ:

    1. ধন্যবাদ… হুম! ইস্টিশন এখনও
      ধন্যবাদ… হুম! ইস্টিশন এখনও নষ্টদের অধিকারে যায় নি!! আপনাকেও :ধইন্যাপাতা: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      1. হুম! ইস্টিশন এখনও নষ্টদের

        হুম! ইস্টিশন এখনও নষ্টদের অধিকারে যায় নি!!

        বুঝলাম না… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মানেকি: :মানেকি: :কনফিউজড: :কনফিউজড: :চিন্তায়আছি:

        1. সরকার দলের বাইরের সবাই
          সরকার দলের বাইরের সবাই বিরোধীদল।
          আর ওনার দলের বাইরের সবাই “নষ্টদের দল” :ভেংচি:
          :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  3. আমি এইসব ব্যাপারে পুরোপুরি
    আমি এইসব ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত নই। কিন্তু আমি বিশেষ ভাবে সফিক ভাই এবং নাভিদ ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম। আমি আগেই স্বীকার করে নিচ্ছি এই কমেন্টের মাধ্যমে আমি নিজের একটা কনফিউশান দূর করতে চাই। কাউকে আঘাত দেয়া নয় বরং ব্যাখ্যা জানতে ইচ্ছা হচ্ছে আমার। জানলে বলবেন।

    সহী আল বুখারীতে চতুর্থ অধ্যায়ের ৪২১ নাম্বার হাদীস টি আবু ধার কর্তৃক বর্ণিত। এই হাদীসে বলা হয়েছে- মহানবী (সাঃ) সাহাবা আবু জর কে জিজ্ঞেস করলেন,”তুমি কি জানো রাতে সূর্য কোথায় থাকে?” সাহাবা বললেন,”আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন।” তখন মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন,” রাত্রিকালে সূর্য থাকে আল্লাহর আরশের নীচে। সারা রাত ধরে সূর্য আল্লাহর আরশের নীচে থেকে ইবাদত বান্দেগী করে। তারপর ভোর বেলা উদয়ের অনুমতি প্রার্থনা করে।”

    এখন এই হাদীসে আসলে কি বুঝানো হচ্ছে? সূর্য তো মূলত অস্ত যায়না বা উদিত হয়না। সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় আসলে আমাদের দৃষ্টির ভ্রান্তি। তো এর ব্যাখ্যা কি?

    আবার বাইবেলের গসপেল ক্রুনিকলস এর ১৬ তম অধ্যায়ের ৩০ তম লাইনে বলা হয়,”আর জগৎ সুস্থির, তা বিচলিত হবেনা।”
    গসপেল সাম এর ৯৬ তম অধ্যায়ের ১০ ম লাইনে বলা হয়েছে,”তিনি পৃথিবীকে অনড় এবিং অচল করেছেন।”

    তাছাড়া খ্রিস্টানদের ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে জানা যায় জেসাস ছিলেন মূলত মানব এবং তার স্ত্রী পুত্রের অস্তিত্ব ছিলো। এমনকি তার স্ত্রী ম্যারি মাগদালিনকে নিয়ে বাইবেলের একটি গসপেল ছিলো ‘নাগ হাম্মাদি’ যা জেসাসের মৃত্যুর চারশত বছর পর রোমের রাজা কনস্টানটিন ধ্বংস করতে চেয়েও ব্যর্থ হন। মোট বারোটি গসপেল ধ্বংস করা হয় যেখানে জেসাসকে মানুষ বলা হয়েছে, কিন্তু নাগ হাম্মাদি টিকে যায় এবং সেটা বাদ পড়ে যায়। এই গসপেলের দলিল ভ্যাটিকানে রাখা আছে।
    কেউ যদি কনস্টানটিনের সংস্করণকৃত বাইবেল বাদ দিয়ে ঐসব গসপেল বেছে নিতো তাদের বলা হত, heretic বা ধর্মবিরোধী। সেই থেকে হেরেটিক শব্দ প্রচলিত হয়ে গেল। heretic এর ল্যাটিন ধাতুমূল হচ্ছে haereticus যার অর্থ হচ্ছে পছন্দ। কিন্তু সুকৌশলে আজ সবাই হেরেটিকের যায়গায় athiest শব্দ ব্যবহার করছে!! অথচ দুটার অর্থই পুরো ভিন্ন। নিউ টেস্টামেন্টে প্যাগান ধর্ম মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। এমনকি পূর্বে খ্রিষ্টান দের সম্মানিত দিন ছিলো শনিবার। কিন্তু কনস্টানটিন সেটাকে রবিবার করে দিলো যেটা ছিলো সূর্যপুজক প্যাগানদের সম্মানিত দিন। অথচ অনেকেই এখন এটা জানেনা! এমনকি, এটাও জানেনা আমাদের বহুল ব্যবহৃত দুই আঙুলের V চিহ্নের উৎপত্তি। victory শব্দের উৎপত্তি হয়েছে হিব্রু শব্দ bapometh হতে। বাফোমেট হচ্ছে প্যাগানদের উর্বরতার দেবতা। যার প্রতিকৃতি ছিলো ছাগল বা ভেড়ার মাথা। ভেড়ার মাথার সেই দুটো শিং ঈ আজ আমাদের ব্যবহৃত V চিহ্নে রূপ নিয়েছে। মুসলিমরা এই চিহ্ন ব্যবহার করছে!!! এমন অনেক রেফারন্স আমি দেখাতে পারবো যেখানে মুসলিমরা না জেনে শয়তানের পূজক প্যাগানদের ভাষা, চিহ্ন ব্যবহার করছে যেটা স্পষ্ট শিরকের শামিল! তো? ধর্ম কিভাবে মানুষকে আলাদা করে ফেলে দেখতেই পাচ্ছেন!!

    হিব্রু ভাষার সাথে আরবী ভাষার মিল দেখেই অবাক হতে হয় আব্রাহামিক ধর্ম দেখে। হিব্রু অক্ষরগুলো বলছিঃ আলেফ, বেই, গিমেল, ডালেত, হেই, ভাভ, জাইন, শেত, তেত, য়ুদ, কাফ, লামদ, মিম, নূন, সামেখ, আইন, পাই, জাদিক, কফ, রিশ, শীন, তাভ।

    ভাষার মিল দেখলেই বুঝা যায় কিভাবে ধর্মের কারনে প্যাগানরা আলাদা হয়ে গেছে! এমনকি আমরা নিজেদের অজান্তেই শিরক করে যাচ্ছি প্যাগান ঐতিহ্য পালন করে!!!

    হিন্দু ধর্মের ঋগ্বেদ দশম মন্ডলের ১৭৩/৪ এ বলা হয়েছে,”ধ্রুবা দৌধ্রুবা পৃথিবী ধ্রুবাসঃপর্বতা ইমে।” অর্থাৎ, আকাশ নিশ্চল, পৃথিবী নিশ্চল, এ সমস্ত পর্বতও নিশ্চল।

    ঋগ্বেদ দশম মন্ডল ১৪৯/১ এ বলা হয়েছে,”সবিতা যৈন্ত্রঃপৃথিবীমরন্মা দগ্ধম্ভনে সবিতা দ্যামদৃং হত।”
    অর্থাৎ, সবিতা নানা যন্ত্রের দ্বারা পৃথিবীকে সুস্থির রেখেছেন এবং তিনি বিনা খুঁটিতে আকাশকে দৃঢ় ভাবে ধারন করেছেন।

    আকাশের কি আসলেই অস্তিত্ব আছে?? আকাশ বলেই তো কিছু নেই! কিন্তু আকাশকে ছাদ স্বরূপ বলা হচ্ছে। যেন কঠিন এক বস্তু এই আকাশ!

    এইরকম আরো অনেক রেফারেন্স আমি দেখাতে পারি। তাহলে এক্ষত্রে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ধর্ম মূলত একই শিকড় উদ্ভুত নয় কি? বিভিন্ন গোত্রকে ভাগ করে দিয়েছে ধর্ম। পৃথিবী ঘোরার ব্যাপারেই কোনো ধর্ম সঠিক তথ্য দিতে পারছেনা। সব ধর্মই বলছে পৃথিবী স্থির!

    আশা করি আমি এসবের গঠনমূলক ব্যাখ্যা পাবো।

    1. বাপরে! শুরুতে “কনফিউশান দূর”
      বাপরে! শুরুতে “কনফিউশান দূর” করার কথা বলে এত্তো এত্তো রেফারেন্স দিলেন যেগুলোর নামই শুনিনি কোনদিন… এখন তো আমি নিজেই কনফিউজড! 😛

      যাকগে, সিরিয়াস কথা হলো- আমি আমার একেবারে প্রথম বক্তব্যেই বলেছি “ধর্মগ্রন্থের প্রতিটা লাইনই কিন্তু ধর্ম নয়!”
      সেখানে আপনি টেনে এনেছেন হাদিসের রেফেরেন্স যা আদৌ কোন ধর্মগ্রন্থই নয়!
      আমি বিতর্কে যেতে চাই না এজন্য যে- এ নিয়ে সারাদিন তর্ক করা যাবে এবং দিন শেষে না আপনার যুক্তি আমি মেনে নিব না আমারটা আপনি! (পূর্ব অভিজ্ঞতায় দেখেছি… উপরন্তু ঝগড়া লেগে যাবার অবস্থা তৈরী হয়!) তাই শুধু শুধু পুরোন কাসুন্দি ঘেঁটে লাভ নেই।

      বিশ্বাসের ব্যাপারটা খুবই আপেক্ষিক। আপনি আপনারটা বিশ্বাস করতে থাকুন আর আমারটাও আমাকে করতে দিন… জানার যখন শেষ নেই তখন আসুন আমরা সবাই আরো জানতে থাকি। বিজ্ঞান এগিয়ে যাক আর সেই সাথে বেড়ে যাক আমাদের জ্ঞানের পরিধিও!

      ইন্ড অফ দ্যা ডে যদি মৃত্যুর পর দেখি আদৌ পরকাল বলে কিছু নেই তাহলে যা হতাস হবার তাতো আমরা (বিশ্বাসীরাই) হব তাই না? আপনার নাস্তিকতায় যেহুতু আমার কোন মাথা ব্যথা নেই তখন আমার আস্তিকতা নিয়েও আপনার মাথা ঘামানোর কোন দরকার দেখি না!
      শুধু একটা ব্যাপার খেয়াল রাখলেই হলো- আমার আস্তিকতা বা আপনার নাস্তিকতা মানবতাকে আঘাত করে কিনা?
      যদি আমি ধর্মের ভয়ে হলেও সভ্য থাকি আর আপনি জাস্ট নৈতিকতা বোধ থেকেই সভ্য থাকতে পারেন তবে আর সমস্যা কী? সভ্য ও শৃঙ্খলবদ্ধ থাকাটাই তো আসল কথা- তাই না? ধর্মের মূল কাজও শুধু ঐটাই- শৃঙ্খলবদ্ধ রাখা।

      আপনিও ভালো থাকুন, আমিও ভালো থাকি এই হচ্ছে শেষ প্রার্থনা। সবার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। :ফুল:

      1. “ধর্মগ্রন্থের প্রতিটা লাইনই
        “ধর্মগ্রন্থের প্রতিটা লাইনই কিন্তু ধর্ম নয়!”
        এইটা কিছু এপিক হইছে, এবইবার বলুন তো খালেদার ক্ষমায় ভণ্ডামি কোথায়?

        আপনি যেকোন কিছু বিশ্বাস করতে পারেন তাতে আপনার অধিকার আছে;
        আমারও কিন্তু দায়িত্ব আছে ভুত-পেত্নীতে বিশ্বাস করা মানুষদের আলোর পথ দেখানোর।
        ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: 😀 😀 😀 😀
        বিশ্বাসের বিনাশ হোক, যুক্তির জয় হবেই হবে… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    2. ঘূর্ণি ভাই আপনার পরিমিতভাব
      ঘূর্ণি ভাই আপনার পরিমিতভাব এবং সহনশীল তথ্যভাণ্ডার সবসময় অসাধারণ এবং শিক্ষণীয়…
      :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow: :bow:

    3. সব ধর্মই বলছে পৃথিবী
      সব ধর্মই বলছে পৃথিবী স্থির!==ইলেকট্রন ভাই, কথাটা কি স্থির (still) নাকি Stable? ধর্ম গ্রন্থগুলোতে কিন্তু ভীষণ ভাষার মারপ্যাঁচ আছে!

    1. ইলেকট্রন ভাই,
      কুরআনে এমন অনেক

      ইলেকট্রন ভাই,
      কুরআনে এমন অনেক বিষয় উপমা দিয়ে লেখা আছে যার ব্যাখ্যা আমরা আজো জানি না। এবং সেই ব্যাখ্যা সম্পর্কে খুঁজতে গিয়ে আমি জেনেছি সেই ব্যাখ্যা আছে “গায়েব” এর কাছে অর্থাৎ আল্লাহ্‌ পা’কের কাছে। তাহলে? আমি যেটা জানতে চাচ্ছি সেটা কিভাবে জানবো?
      সহী আল বুখারী আমি পড়িনি যে কারণে আপনি যে হাদিসটির উল্লেখ করেছেন সে সম্পর্কে এই মুহূর্তে আমি কিছুই জানি না। আন্দাজে কিছু একটা বলে দেয়া ঠিক হবে না। তবে আমি আপনার প্রশ্নের জবাব অবশ্যই দেবো।

      সূর্য তো মূলত অস্ত যায়না বা উদিত হয়না। সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় আসলে আমাদের দৃষ্টির ভ্রান্তি। তো এর ব্যাখ্যা কি?
      কিভাবে বোঝাই? আপনি যদি একটি অবস্থানে স্থির থাকেন তাহলে আপনার অবস্থানের সাপেক্ষে সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় অবশ্যই ঘটবে, সেটা দৃষ্টির বিভ্রান্তি নয়। আপনি তো এটা জানেন যে পৃথিবী গোল, কিন্তু আপনার কাছে কি সেটা গোল লাগছে? না। কারণ আপনার দৃষ্টি সীমা ততোখানি দূরত্ব কভার করতে পারছে না যাতে করে আপনি পৃথিবীর কার্ভেচার বুঝতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার কাছে পৃথিবী ফ্ল্যাট বলে মনে হবে (যদিও তা না)। এবং অতি অবশ্যম্ভাবী ভাবে আপনার কাছে মনে হবে সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় ঘটছে।

      ইলেকট্রন ভাই, প্রথম কথা আমি ধর্মে বিশ্বাস করি কিন্তু ধার্মিক না। আপনি তো সামান্য একটা প্রশ্ন করেছেন। এর চাইতে আরও ভয়াবহ প্রশ্ন আমার মনে চলে আসে যার কথা আমি কাউকে জিজ্ঞেস করিনি। আপনি book of ইজেকিয়েল পড়ে দেখবেন। কিছু বুঝতে পারলে আমার সাথে শেয়ার করবেন। খুশী হবো।

      মজার ব্যাপার হল, আমি যতই পড়ছি ততোই বিস্মিত হচ্ছি।

      একটা ব্যাপার একটু ভেবে দেখবেন, আপনি যদি অশিক্ষিত কাউকে পৃথিবীর আকৃতি বোঝাতে চান তাহলে বলবেন যে পৃথিবীটা একটা কমলা লেবুর মতো। এখন সেই লোক যদি আপনার উদাহরণের উলটা পালটা ব্যাখ্যা দিয়ে বলে যে আপনি আসলে কিছুই জানেন না তাহলে আপনার কেমন লাগবে?

      অফিস যাচ্ছি, এসে আবার কথা হবে। ধর্ম, বিজ্ঞান, আর্কিওলজি আমার সাবজেক্ট অফ ইন্টারেস্ট। এতো চমৎকার বিষয় নিয়ে কথা বলতে আমার খুবই ভালো লাগে। আশা করি আপনার সাথে ে বিষয়ে অনেক কথা বলা যাবে!

      1. তোরা প্রশ্নকর্তার যথার্থ
        তোরা প্রশ্নকর্তার যথার্থ উত্তর না দিয়ে অথবা প্রশ্নের অসাড়তা প্রমাণ না করে এইসব কি বলছিস?
        অন্যদিকে ইলেকট্রন যে ঘূর্ণায়নের সৃষ্টি করল তার কি হবে? আমার কিছু কথা বলার আছে তোকে আর, সফিক ভাইকে-

        ১) আংশিক উত্তর দিয়ে তো কিছু হবে না। অমলেশ থেকে জানলাম এখন সুইডেনে রোজা ১৮ ঘণ্টা, কীভাবে? মধ্যপ্রাচ্যে কিন্তু কখনই ১৪ ঘণ্টার বেশী হবে না!
        তাহলে পোস্টকর্তার প্রশ্নকে অনেক বেশী প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় স্বাভাবিক…

        ২) প্রশ্নটা চমৎকার হলেও স্টাইল বা প্রশ্ন করার ধরণ হয়ত পছন্দ হবে না আমাদের কিন্তু…

        ৩-৫) আমি নিজেকে সত্য দাবী করছি এর অর্থ যদি আমি সত্য হই তবে সাকা চৌধুরীও যুদ্ধাপরাধী না আসলে… আবার কাদের মোল্লাও মুক্তিযুদ্ধা হয়ে যায়…

        ইলেকট্রন কিছু না বল্লেও আমিও এই তর্কে যেতাম না। সময়ে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করাই আমাদের কাম্য।। এখন রাহাত ভাইয়ের কথা ধরেই বলি আগে প্রাইম টাস্ক ঠিক করে সমস্যার সমাধান করা শ্রেয়…

        তবে তোদের তর্ক একতরফা হয়ে যাচ্ছে, একদলের শক্তি হচ্ছে যুক্তি আর আরেক দলের আবেগসর্বস্ব হা-হুতাশ!! খুবই দৃষ্টিকটু… :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি:

        1. আরে বাপ! ইলেকট্রন সাহেব যে
          আরে বাপ! ইলেকট্রন সাহেব যে প্রশ্ন করেছেন সেই প্রশ্নের জবাব যে আমার কাছে নেই সেটা তো আমি স্বীকার করলাম! আর কি চাস? সহী আল বুখারী আমি পড়িনি।
          ইলেকট্রন ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন বলে আমি হয়তো সেই অংশটা পড়ে , আলেমদের কাছ থেকে জেনে , নিজের জ্ঞান বুদ্ধি প্রয়োগ করে যতটুকু জানতে পারি সেটা জানাবো। আমি দুনিয়াতে ধর্ম প্রচার করতে আসিনি, আমাকে সেই দায়িত্বও দেয়া হয় নাই। আমার জ্ঞানের সীমার মধ্যে যা আছে সেটা নিয়ে আমি কথা বলতে পারি তার বাইরে আমি কিভাবে যাবো?
          এখন তুই যদি জিজ্ঞেস করিস Where is you God? Show me. I just can’t!

          আর ১ নং প্রশ্নের উত্তরে যে সুইডেনের কথা বলেছিস, সেখানেও লোকে রোজা রাখে। রাখে না? তুই এক কাজ কর। সুইডেন যা। ওই সব বেয়াকুব রোজাদারদের ধরে মাইর দে! :হাসি: :হাসি: :হাসি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *