মুক্তির কাব্য

জীবনকে উৎসর্গঃসেই সকল প্রতিপাদ্য বিষয়ে
আত্মহত্যায় ব্যর্থ নাগরিক,যাদের দায় নিয়েছে এ নষ্ট সময়
শরীরে জন্মাচ্ছে প্রলয়াকারের নিত্যনতুন ছত্রাক
বিভীষিকাময় জীবনপ্রণালী এবং খুন রাঙ্গা পথ,তাদের বেড়ে উঠা
নিয়ে কতো অভিযোগ,শৈশবের অপরিকল্পিত চর্চা

শৈল্পিক মূর্তি বেয়ে বীর্য-বিন্দু রক্ত-জলকণা
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এক পরিণত জলদস্যু
নতুন ধারার বিজ্ঞাপন নিয়ে আসা সপ্নভূক স্তন্যপায়ী
বৃষ্টি এবং জলপ্রপাতে ধুয়ে যাওয়া বিশুদ্ধ নীতিনির্ধারক
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভ্রূণের মস্তিষ্কে সুপ্ত জনদুর্ভোগ

নিকোটিনের প্রাদুর্ভাব,গ্রাস করেছে বিবেক,হ্রাস করেছে হতবুদ্ধি

জীবনকে উৎসর্গঃসেই সকল প্রতিপাদ্য বিষয়ে
আত্মহত্যায় ব্যর্থ নাগরিক,যাদের দায় নিয়েছে এ নষ্ট সময়
শরীরে জন্মাচ্ছে প্রলয়াকারের নিত্যনতুন ছত্রাক
বিভীষিকাময় জীবনপ্রণালী এবং খুন রাঙ্গা পথ,তাদের বেড়ে উঠা
নিয়ে কতো অভিযোগ,শৈশবের অপরিকল্পিত চর্চা

শৈল্পিক মূর্তি বেয়ে বীর্য-বিন্দু রক্ত-জলকণা
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এক পরিণত জলদস্যু
নতুন ধারার বিজ্ঞাপন নিয়ে আসা সপ্নভূক স্তন্যপায়ী
বৃষ্টি এবং জলপ্রপাতে ধুয়ে যাওয়া বিশুদ্ধ নীতিনির্ধারক
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভ্রূণের মস্তিষ্কে সুপ্ত জনদুর্ভোগ

নিকোটিনের প্রাদুর্ভাব,গ্রাস করেছে বিবেক,হ্রাস করেছে হতবুদ্ধি
বৃষ্টি এবং জলপ্রপাতে ধুয়ে যাওয়া সুপ্ত নীতিনির্ধারক
ফুলে ফেপে উঠা মৃত শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণুর অভয়নগর
বিস্ময়কর শরীর বীর্য-রক্ত কণা-জল পৃথক করে

নিস্পাপ নিয়মে ঘুমুচ্ছে ধর্ম কর্ম ছেড়ে
নীলাভ চোখের পরাজিত সৈনিকের নগ্নদৃশ্য
উনার তরবারি জানান দেয়, হে মুক্ত জেহাদী

বোঝনা তুমি রাজনীতি? বোঝনা তুমি বাংলাদেশ?
তুমি কী চাও? -রক্ত
তুমি কী পেলে? -মৃত্যু
তুমি কি বোঝনা রাজনীতি? তুমি কি বোঝনা বাংলাদেশ?
হায়! সপ্নচারী! নতুন ধারার বিজ্ঞাপন,নতুন ধারার রাজনীতি!

৬ thoughts on “মুক্তির কাব্য

  1. বরাবরের মতই আরেকটা শিখা
    বরাবরের মতই আরেকটা শিখা কাব্য… :মাথানষ্ট: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল:

  2. কবিতা বুঝবার জ্ঞান আমার হয়ে
    কবিতা বুঝবার জ্ঞান আমার হয়ে উঠে নি আপু। । । তবুও পড়ে দেখলাম… ভালই লেগেছে (যদিও বুঝি নি কিছুই)

  3. নিকোটিনের প্রাদুর্ভাব,গ্রাস

    নিকোটিনের প্রাদুর্ভাব,গ্রাস করেছে বিবেক,হ্রাস করেছে হতবুদ্ধি।

    এই কতাটুক জানা ছিল নাকো দিদিমনি ।জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে আরও কত কিছু যে আমরা জানতে পারব!!!!! তা একমাত্র মহান ঈশ্বরই জানেন।
    বাঙলার মানুষ নিকটিনের প্রাদুর্ভাব থেকে বেরিয়ে আসুক,অতঃপর তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাক,নিকোটিন খোররা সব মোড়ে ছারখার হয়ে যাক।কবিদের জ্ঞান দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাক।তারা বিজ্ঞান চর্চা করে বৈজ্ঞানিক কবিতা লেখুক,বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, এই কামনাই করি।

    তবে কবিতাডা অসাম হইছে।এত্ত ভাল কবিতা আমি জিবনেও পরি নাই।সত্যি ভাবা যায় !!!
    এত্ত বড় কবিতা মাগার একটাও দারি নাই।যতি চিহ্নের ইরাম ব্যবহার বোধ করি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও দেখাতে পারে নাই।মারহাবা।

    পুনশ্চঃঅগ্রিম মাফ চাইয়া রাখতেছি।এই লেখকের কোন ভক্ত যদি আমার উপর রুষ্ট হয়ে যায়, তার জন্যই এই আগাম মাফ চাওয়া।ইতিপূর্বে কমেন্টে আমি এই কবির অনেক ভক্তের দেখা পেয়েছি।তারপর ও যদি কেউ কিছু বলেল তাহলে ভাবব আমি লোকটা আসলে খুবই বজ্জাত।
    ===============================================

  4. জানার কোন শেষ নাই।
    জানার

    জানার কোন শেষ নাই।
    জানার ইচ্ছা বৃথা তাই।
    গিতি খবিতায় তাল,রাগিণী উল্লেখ করি না দিলে আয়ারা কি খরি বুইজতাম ইতা গীতি খবিতা। আয়ার মনে কয় ইতা রাগিণী ভৈরবী, তাল আড়াঠেকায় বাজিব।
    ====================================================

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *