আক্কেল দাঁতঃ একটি আক্কেল গুড়ুম কাহিনী

দুই মাস ধরে দাঁতে ব্যথা হচ্ছিলো ভীষণ।
আমার দাঁতের উপরের পাটিতে, উল্টাপাল্টা জায়গা দিয়ে একটা আক্কেল দাঁত বেরিয়েছে। অসহ্য ব্যথায় “মাথার ঘায়ে কুত্তী পাগলী” অবস্থা। যখন মানুষের আক্কেল লাভের বয়স হয়, তখন নাকি আক্কেল দাঁত গজায়। এজন্যেই নামটা এতো কুৎসিত। কিন্তু এই দাঁত গজানোর পর আমি উল্টা বেআক্কেল হয়ে গেলাম। গজানোর সময়ে ব্যথা, গজানোর শেষে ব্যথা। ডাক্তারের কথামতো, তাও নাকি ঠিকমত গজায় নাই! অর্ধেকের বেশী ভিতরে আর বাকীটা বাইরে।
এই অবস্থায়ই মানুষ বলে, “মাইরালা, আম্রে মাইরালা।”


দুই মাস ধরে দাঁতে ব্যথা হচ্ছিলো ভীষণ।
আমার দাঁতের উপরের পাটিতে, উল্টাপাল্টা জায়গা দিয়ে একটা আক্কেল দাঁত বেরিয়েছে। অসহ্য ব্যথায় “মাথার ঘায়ে কুত্তী পাগলী” অবস্থা। যখন মানুষের আক্কেল লাভের বয়স হয়, তখন নাকি আক্কেল দাঁত গজায়। এজন্যেই নামটা এতো কুৎসিত। কিন্তু এই দাঁত গজানোর পর আমি উল্টা বেআক্কেল হয়ে গেলাম। গজানোর সময়ে ব্যথা, গজানোর শেষে ব্যথা। ডাক্তারের কথামতো, তাও নাকি ঠিকমত গজায় নাই! অর্ধেকের বেশী ভিতরে আর বাকীটা বাইরে।
এই অবস্থায়ই মানুষ বলে, “মাইরালা, আম্রে মাইরালা।”

এই দাঁত নিয়ে “কি করি আজ ভেবে না পাই”। কই যাইতাম, কি খাইতামের চিন্তায় মেজাজ টং হয়ে থাকে। শক্ত খাবার কামড়ানোর জন্য ভিতরের দাঁত ব্যবহার করতে পারি না। শেষমেশ সিদ্ধান্ত নিলাম, আপদ বিদেয় করবো। সাথে যদি আক্কেলও চলে যায়, তা-ই সই।

বেশ কয়েকটা বেসরকারী হাসপাতালে খোঁজ নিলাম দাঁত উঠানোর ব্যাপারে। আঃ মলো! দাঁত ফেলতে নাকি তিন হাজারের উপরে লাগে! থাক… নাই বা ফেললাম। দাঁত এতোটা যন্ত্রণা দিচ্ছে না এখনো।
কিন্তু কিছুদিন পর ব্যথায় টিকতে না পেরে খোঁজ নিলাম ডেন্টিস্টের প্রাইভেট চেম্বারে। এখানেও বিলে-বাজেটে মিলে না।
খোঁজ নিলাম গরীবের শেষ আশ্রয়স্থল সরকারী হাসপাতালে। এখানে মিলে গেলো সাধ্যের মধ্যে সবটুকু। শিড্যুল ঠিক হলো পরদিন সকাল আটটায়।
গেলাম।
গিয়ে চেয়ারে বসতেই ডেন্টিস্ট আয়না দিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দাঁত দেখে বললেন, “আপনার আক্কেল দাঁতের চাপে পাশের দাঁতটিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাত্রি ফেলে দিন।”
আর যাই কোথায়? পরদিনই দাঁত ফালানোর সময় ঠিক করে আসলাম। আমার অত্যাগ্রহে ডাক্তার সাব একটু ভড়কে গেলেন বোধহয়। কারণ বেশীরভাগ রোগীই প্রশ্ন করছে “না ফেলে কিছু করা যায় না?”

যা হোক, পরদিন সবার আগে উপস্থিত হলাম। আজ দাঁতের দশদিন কি আমার একদিন।
দাঁতের বাচ্চা দাঁত,
খাইতে পারি না ভাত,
ব্যথায় কাটে রাত
আজ চেনাবো আমার জাত।

ডাক্তার বিছানায় (নাকি চেয়ারে?) শুইয়ে দেয়ার পর আমার টনক নড়লো।
ওঃ মা গো! দাঁত ফেলবে? হঠাৎ মনে হলো ন্যাজ গুটিয়ে দৌড় দেবার কোনো অপশন আছে কিনা।
একটু পর একটা সিরিঞ্জে চেতনানাশক ভরে ডাক্তার আমাকে হা করতে বললেন। ভাগ্যিস উনি মহিলা! ভয় পেলে জড়িয়ে ধরাটা কিছু বেইজ্জতি হবে না। আমি স্নায়ু যথাসম্ভব ঠাণ্ডা রেখে হা করলাম। করার আগে জিজ্ঞেস করলাম, “আপু, অনেক ব্যথা লাগবে?”
উনি মিষ্টি হেসে বললেন, “পিঁপড়া কামড়ালে যেমন লাগে, তেমন লাগবে।”
লে হালুয়া! আর কোনো উপমা নাই বাংলায়?
মাঢ়িতে ছয়-সাতটা খোঁচা খেলাম সুঁইয়ের। কয়েক সেকেন্ড পর আপুর কথায় হুঁশ হলো যে, মাঢ়ির ঐ অংশে কোনো অনুভূতি নেই। ভি চিহ্ন দেখাতেই আপু অপারেশন শুরু করলেন। তেমন কিছু না। শুধু একটা যন্ত্র দিয়ে দাঁতে বাড়ি মেরে দাঁত আলগা করতে হবে। খুলে চলে আসলেই “অপারেশন সাকসেসফুল!” বলে বাইরের বেঞ্চিতে বসা মাকে জড়িয়ে ধরতে পারবো।

কিন্তু একী?
আপুটা দাঁতের নাগালই পাচ্ছেন না। এতো গোবাইজ্যা জায়গায় গজিয়েছে যে যন্ত্রসহ উনার হাত যাচ্ছেই না আক্কেল দাঁত সীমান্তে। পাঁচ মিনিট কেটে গেলো… দশ মিনিট কেটে গেলো… যন্ত্র পারছে না দাঁতকে ধরতে। এদিকে আমার ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। কারণ অ্যানেস্থেশিয়া মেরেছে মাড়িতে, ঠোঁটে-গালে তো আর না। কিন্তু আপুর দুই হাতের ধস্তাধস্তি ভোগ করছে আমার ঠোঁট আর গালই।
একটু পর আর না পেরে, লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে আপুটা ডেকে আনলেন এক বড় ভাইকে।
“ভাইয়া, আমি পারছি না। আপনি একটু ফেলে দেন না!”

ভাইয়া এসে কিছুক্ষণ আমার মাথা ডাইনে বায়ে সরিয়ে দাঁতের অবস্থান বুঝলেন। তারপর যন্ত্রটা দাঁত বরাবর রেখে জন্মের মতো একটা বাড়ি দিলেন। তখনই বুঝলাম, অ্যানেস্থেশিয়ার প্রভাব কেটে যেতে শুরু করেছে। আপু হয়তো ভেবেছিলেন, পাঁচ মিনিটের কাম। সে অনুযায়ীই দিয়েছিলেন। কিন্তু সেকেন্ডে সেকেন্ডে যে পনেরো মিনিট কেটে গেছে, এখন কি হপে?

ব্যথার চোটে হাত পা ঝাড়া দিয়ে উঠলো। আপু ভয় পেয়ে গেলেন, “কি হয়েছে?”
কিন্তু ভাইয়া শক্ত মুখে, বিভিন্ন দিকে বাড়ি দিয়ে চললেন। যদি উনিও না পারেন, লজ্জার সীমা থাকবে না জুনিয়রের কাছে।
এদিকে দাঁত আর ডাক্তারের যুদ্ধে আমার ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।
অবশ ভাব মনে হয় পুরোপুরি কেটে গেছে। প্রচণ্ড যন্ত্রণা টের পাচ্ছি।

শেষমেশ আমাকে কাঁদিয়ে বের হয়ে এলো দাঁতের বাচ্চা।
ভাইয়া বোধহয় বাড়িগুলো দেওয়ার সময় দম নিতে ভুলে গিয়েছিলেন। দাঁত বের করে আনার পর ভীষণ একটা দম নিলেন। চিকিৎসক জীবনে মনে হয় এতো আনন্দ কখনো পান নি।

ভাইয়া চলে গেলে আমি বললাম, “আপু, আমার দাঁতটা একটু দেখতে চাই।”
উনি চমকে গেলেন। “অ্যাঁ! আপনি দাঁতটা নিয়ে যাবেন?”
“না না, শুধু একটু দেখবো। অনেকদিন ধরে জ্বালিয়েছে তো!”
চোরা চোখে আমাকে দেখতে দেখতে আপু ট্রের মধ্যে রাখা দাঁতটা দেখালেন। অবাক হলেও সত্যি… খারাপ লাগলো। এটা তো আমারই অংশ ছিলো!

আমার চোখ দিয়ে তখনো পানি পড়ছে। আপু টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে বললেন।
কিন্তু এ তো আনন্দাশ্রু! মোছার বদলে বরং ফেলতে ফেলতেই যাই। জীবনে এই অশ্রু ফেলার সুযোগ খুব একটা আসে না।

৪৬ thoughts on “আক্কেল দাঁতঃ একটি আক্কেল গুড়ুম কাহিনী

  1. একজন ভুক্তভোগী হিসেবে সমবেদনা
    একজন ভুক্তভোগী হিসেবে সমবেদনা জানাই, আক্কেল দাঁত যে কীরকম যন্ত্রণাদায়ক তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ জানে না :মাথানষ্ট:

    এর নাম আক্কেল দাঁত না রেখে যন্ত্রণাদায়ক দাঁত রাখা উচিৎ ছিল……

      1. নাম তো ঠিকই আছে! বদলাবেন
        নাম তো ঠিকই আছে! বদলাবেন কেন?

        “যে দাঁত ওঠার সময় ‘ব্যথা কত যন্ত্রনাদায়ক হতে পারে’ এই জ্ঞান (বা আক্কেল) হয় তাকে আক্কেল দাঁত বলে”!
        😛

  2. মজার অভিজ্ঞতা।আমার আক্কেলতো
    মজার অভিজ্ঞতা।আমার আক্কেলতো দুইবার গজিয়েছিল।আমার সময় কিন্তু এক্সরে করে নিয়েছিলো।আপনার বেলায় করেনেই কেন বুঝতে পারলাম না।না বেশি খুশিতে এক্সরের কথাটা লিখতে ভুলে গেছেন।আপনার লিখাটা কিন্তু জম্পেশ হয়েছে। :গোলাপ: :গোলাপ: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    1. আমার সময়ও এক্সরে করেছে।
      দাঁত

      আমার সময়ও এক্সরে করেছে।
      দাঁত তোলার জন্য যে এক্সরে করতে হয়, এই ব্যাপারটাই আমার হজম করতে অনেকক্ষণ লেগেছে। 😛
      আমি ভেবেছিলাম, যাবো আর ফেলে দিবে। কিন্তু এই এক্সরের জন্য আমার পুরো পাঁচ ঘণ্টা সময় নষ্ট হয়েছে। :টাইমশ্যাষ:

      ধন্যবাদ ভাইয়া 😀

  3. দাঁতের বাচ্চা দাঁত,
    খাইতে

    দাঁতের বাচ্চা দাঁত,
    খাইতে পারি না ভাত,
    ব্যথায় কাটে রাত
    আজ চেনাবো আমার জাত

    বেচারা আক্কেল দাঁত যে তুমারে ভালোই চিনছে সেইটা বলাই বাহুল্য। :হাহাপগে: :হাহাপগে: :কানতেছি: তবে দাঁতের উপ্রে যন্ত্র দিয়া এমনে বাড়া-বাড়ির কথা শুনে আমার অকালে নিহত হওয়া একটা মাড়ির দাঁতের কথা মনে পড়ে গেলো :কানতেছি: :কানতেছি: :দেখুমনা: … যাইহোক তোমার অকালে নিহত হওয়া দুষ্ট দাঁতের বাচ্চার জন্য একরাশ দুঃখ থাকলো… :ভেংচি: :ভাবতেছি: :আমারকুনোদোষনাই: আর এতো মজা কইরা লিখলে তো হাসতে গিয়া নিজের দাঁত নিয়া শঙ্কায় পইড়া যাই। হিউমার কিঞ্চিত কমায়া দেয়ার আহভান রইল.. :ভেংচি: 😀 😀 😀 😀 :বুখেআয়বাবুল:

    পরিশেষে আক্কেল হারায়া ফেলার লাইগা অশেষ ধইন্নাসহ গোলাপ… :হাসি: 😀 :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :নৃত্য:

    1. ডন বইলা তুমার দাঁত “মাড়ির
      ডন বইলা তুমার দাঁত “মাড়ির দাঁত” আর আমজনতা বইলা আমগো দাঁত মাড়ি ছাড়া – ভাবার কুনো কারণ নাই। :ক্ষেপছি:
      আর অখনো আমার আরেক পাশের আক্কেল দাঁত বিদ্যমান। ভালোয় ভালোয় ধইন্যাসহ গোলাপডি ফেরত লও। :মাথানষ্ট:

      1. গডফাদার তার দেয়া গোলাপ কখনও
        গডফাদার তার দেয়া গোলাপ কখনও ফিরিয়ে নেয় না… :ভাবতেছি: :মাথানষ্ট: :আমারকুনোদোষনাই: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল:

  4. আক্কেল দাঁত যেটা ফেলছেন সেখান
    আক্কেল দাঁত যেটা ফেলছেন সেখান থেকে নতুন আরেকটা জন্ম নিতে পারে তাই সাবধান। বেশী খুঁশি হবার কারণ নাই

      1. জ্বী হা আপনি সত্য বলেছেন। আমি
        জ্বী হা আপনি সত্য বলেছেন। আমি মানুষটা খুবই খারাপ।
        তাই জনতার পক্ষ হতে আপনাকে সত্যবাদী খেতাব দেওয়া হল :তালিয়া:

  5. মজা পেলাম!! তবে আপু আপনার
    :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    মজা পেলাম!! তবে আপু আপনার কষ্ট হল তাই খারাপ ও লাগছে :'(

    ঐ ডাক্তারের নামে কেইস করতে হবে তো আপনারে এত্তগুলো বারি মারলো

    1. আমার দাঁত তোলার সময় আমার
      আমার দাঁত তোলার সময় আমার চিল্লাচিল্লির চোটে ডাক্তার ভয় পায়া গেছিল। :দেখুমনা: :মাথাঠুকি: :হাসি: আর পাশের রুম থেকে সবাই ছুটে আসছিল ,কি হইল জানতে… :ভেংচি: 😀 😀 :আমারকুনোদোষনাই:

        1. আমি কই বললাম যে আমি ভয়
          আমি কই বললাম যে আমি ভয় পাইছি… :কনফিউজড: :কনফিউজড: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :দেখুমনা:

          আমি কইছি ডনের দাঁত তুলতে গিয়া ডাকতারে ভয় খাইছে… :নৃত্য: :নৃত্য: আরেকতু হইলে হার্টফেল খাইত… :ভেংচি: 😀 😀

          1. কিছু কমু না…
            কিছু কমু না… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :চিন্তায়আছি: :দেখুমনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :দীর্ঘশ্বাস:

  6. দাঁত ব্যাথা আর কান ব্যাথা মনে
    দাঁত ব্যাথা আর কান ব্যাথা মনে হয় দুনিয়ার সবচেয়ে কষ্টদায়ক ব্যাথা। একটা অ্যাকসিডেন্টে আমার সামনের দাঁত ভেঙ্গে যাওয়ার পর দাঁত ব্যাথা কাকে বলে বুঝেছিলাম! ওফ ! ভয়াবহ! শুনেছি আক্কেল দাঁতের ব্যাথা নাকি আরও খারাপ! আপনার লেখা পড়ে কিছুটা আইডিয়া পেলাম! টেক কেয়ার!

    1. আসলেই।
      আক্কেল দাঁত হওয়ার পর

      আসলেই।
      আক্কেল দাঁত হওয়ার পর আমার যে আক্কেলটা হয়েছে, সেটা হলো – অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো এই দাঁতও একটা অপ্রয়োজনীয় অংশ। :ক্ষেপছি:

      1. “অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো এই

        “অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো এই দাঁতও একটা অপ্রয়োজনীয় অংশ”

        বড়ই খ্রাপ জিনিস এই আক্কেল দাঁত… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :ভেংচি: 😀 😀

        আক্কেল হওয়ার কত জ্বালা… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ভেংচি: :মাথানষ্ট: :হাসি: :হাসি:

          1. ইয়ে… “অ্যাপেন্ডিক্সের মতো”
            ইয়ে… “অ্যাপেন্ডিক্সের মতো” বলতে চাইছিলাম।
            ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে মাফ করে দেন পাঠকেরা :মনখারাপ:

  7. সকলের মন্তব্য পড়িয়া নিজেকে
    সকলের মন্তব্য পড়িয়া নিজেকে এইজন্য ভাগ্যবান মনে হইতেছে যে- আমার সব কয়টা আক্কেল দাঁত উঠিয়া গিয়াছে এবং এর একটাও বিশেষ কোন দুর্ভোগের কারণ হয় নাই!
    😀

    1. ত্রাত্রি পার্টি দেন মিয়া…
      ত্রাত্রি পার্টি দেন মিয়া… :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :নৃত্য: 😀 😀

    2. সবাই কই সফিক ভাই এর বিয়ের
      সবাই কই সফিক ভাই এর বিয়ের পার্টি । থুক্কু দাত উঠবার পার্টি। আসেন। (ধুর রাহাত ভাই যে কই তারে বিয়ে নিয়ে খেপাতে খেপাতে অভ্যাস হয়ে গেছে)

        1. লাইনে দাড়ান,রাহাত ভাই আতিক
          লাইনে দাড়ান,রাহাত ভাই আতিক ভাই ,তারিক ভাই আমাকে পিটানোর লাইনে আছে। আপনিও দাড়ায় যান। । ।

          সে যাই হোক আপনার বিয়েতে দাওয়াত যেন পাই। গিফট কি দিব ভেবে রেখেছি। “””একটা বিড়াল”””

  8. আক্কেল দাঁত উঠার এতো ব্যাথা
    :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: আক্কেল দাঁত উঠার এতো ব্যাথা কেন জানেন? প্রকৃতি আমাদের জানাতে চায় যে আক্কেল বিষয়টা এতো সস্তা না। কিন্তু তাতেও যদি বাঙ্গালীর আক্কেল হতো!!!

    লেখা দারুন হয়েছে, বলা বাহুল্য। :থাম্বসআপ: :নৃত্য: :থাম্বসআপ: :ফুল:

  9. বৃদ্ধ বয়সে আক্কেল দাত উঠে।এর
    বৃদ্ধ বয়সে আক্কেল দাত উঠে।এর আগে দাঁত থাকে তিরিশটা।শেষে দুইটা উঠে পূর্ন হয়।কিন্তু এর আগেই অধিকাংশ দাত মৃত্যুবরন করেন।

    1. কাহিনি আছে… অনেকের ২৮টাও
      কাহিনি আছে… অনেকের ২৮টাও হয়!
      বুড়ো বয়সে একসাথে ৪টাও উঠে। আবার অনেকের সারা জীবনই ২৮টাই থাকে…
      সো নাথিং কুড সে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *