স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ বা নিউক্লিয়াস, স্বাধীন বাংলাদেশের আঁতুড়ঘর – পর্ব ০২

মহান মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনী একটি বহুল আলোচিত সমালোচিত নাম। অনেকেই অভিযোগ করে থাকেন এই বাহিনী গঠন করা হয় মুজিব নগর সরকারের অজান্তে এবং মুজিব নগর সরকার এবং মুক্তিবাহিনীর কোন কর্তৃত্ব ছিল না এই বাহিনীর উপরে। এছাড়াও আরও একটি অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে, তা হলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বামপন্থি নির্মূল করার লক্ষ্যেই এই বাহিনী গঠন করা হয়। বিভিন্ন ধরেনের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বাহিনী একটা বিতর্কিত বাহিনী হিসেবেই পরিচিত হয়ে আসছে। কিন্তু আসলেই কি মুজিব বাহিনী মুজিবনগর সরকারের অজান্তে গঠন করা হয়েছিল? উত্তর হচ্ছে না। হ্যাঁ, এই বাহিনীর উপরে কোন কর্তৃত্ব ছিল না মুজিবনগর সরকারের কিন্তু তাঁদের যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে তা অবশ্যই অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের সাথে আলোচনা করেই গ্রহণ করা হতো। মুজিব বাহিনী হুট করে সৃষ্টি হয়নি। একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মুজিব বাহিনীর জন্ম হয়। এই বাহিনীর জন্ম ইতিহাস জানতে হলে আমাদেরকে একটু পিছনে ফিরে যেতে হবে। জানতে হবে মুক্তিযুদ্ধের নয় বছর আগে প্রতিষ্ঠিত গোপন সংগঠন ” স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ বা নিউক্লিয়াস, স্বাধীন বাংলাদেশের আঁতুড়ঘর “ সম্পর্কে।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা :

পাকিস্তানী রাষ্ট্র যন্ত্রের বিরুদ্ধে ২৪ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’। ১৯৬৮ সালের ১৮ জুন শেখ মুজিবকে সামরিক হেফাজতে ঢাকা সেনা ছাউনিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ‘বাংলাদেশ’ নামক একটি পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। এবং তাঁকে ১ নম্বর আসামী করে ‘পাকিস্তান রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান’ নামক এক ষড়যন্ত্রের মামলা দায়ের করা হয়। মামলা পরিচালিত হয় ঢাকা সেনা ছাউনিতে । তিনজন সি.এস.পি অফিসার সহ ৮ জন বেসামরিক ও ২৭ জন সামরিক ব্যক্তিকে জড়িয়ে (মোট ৩৫ জন) ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ শুরু হয়। ১৯ জুন মামলার সংবাদ দৈনিক পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হয়।

মামলা চলাকালীন সময়ে ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী বন্দি অবস্থায় বিমান বাহিনীতে কর্মরত সার্জেন্ট জহুরুল হককে ঢাকা সেনানিবাসে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী গুলি করে হত্যা করে। পরদিন ১৬ ফেব্রুয়ারী জহুরের লাশকে নিয়ে বাংলার ছাত্র সমাজ ও ঢাকা শহরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ঐ মিছিলে মানুষের ঢল নামে। বিক্ষুব্ধ জনতা একে একে পাকিস্তানের শিক্ষা ও তথ্যমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন, ঢাকার নবাব ও প্রাক্তন মন্ত্রী খাজা হাসান আসকরী ও কাউন্সিল মুসলিম লীগের প্রাদেশিক সভাপতি খাজা খয়রুদ্দিনের (পরিবাগস্থ) বাস ভবনে জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়। লক্ষাধিক মানুষের মিছিল বাংলা একাডেমীর পাশের লাল বাংলো (বর্তমান নিউট্রিশন ভবনের পাশে) আগরতলা মামলার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি এস.এ. রহমানের বাসভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। বিচারপতি এস.এ. রহমান কোনমতে চাকর-বাকড়দের সাথে মিশে গিয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছায় এবং চিরদিনের জন্য করাচী পাড়ি জমায়।


(ছবি – বঙ্গবন্ধুর সাথে চার খলিফা – আব্দুল কুদ্দুস মাখন, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী, আসম আব্দুর রব।)

আন্দোলনের তীব্রতায় আগরতলা মামলার ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি বাংলা ছেড়ে পালিয়ে গেলে বিচারকার্য পরিচালনা আর সম্ভব হয় না। তাই ২২ ফেব্রুয়ারী ’৬৯ সালে আগরতলা মামলা তুলে নেয়া হয় এবং শেখ মুজিব সহ ৩৪ জন অভিযুক্তকে মুক্তি দেয়া হয় বিনা শর্তে। ’৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী দুপুরে ঘোষণা দিয়ে ‘আগরতলা মামলা’ প্রত্যাহার ও শেখ মুজিবসহ সকল অভিযুক্ত এবং রাজবন্দীদের বিনাশর্তে মুক্তি দেয়া হয়। পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারী রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে অধুনা বাঙালি জাতীয়তাবাদী নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার নেপথ্য ইতিহাস :

১৯৬১ সালে শেখ মুজিব পূর্ববাংলাকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে একটি গোপন সংগঠন ‘পূর্ব বাংলা মুক্তি ফ্রন্ট’ গঠন করেছিলেন। শেখ মুজিব, চিত্ত রঞ্জন সূতার (পিরোজপুরের বাটনাতলার এই অধিবাসী পাকিস্তান কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন এবং কংগ্রেস নেতা প্রণব কুমার সেনের মেয়েকে বিয়ে করেন।) ও রুহুল কুদ্দুসকে নিয়ে সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন। ’৬১ সালেই এই সংগঠনটি জঙ্গী কর্মী বাহিনী সুসংগঠিত করে পূর্ব বাংলা স্বাধীন করার আহবান সম্বলিত একটি প্রচারপত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিলি করে। জঙ্গী কর্মী বাহিনী সুসংগঠিত করে সশস্ত্র যুদ্ধের মানসিকতায় অপরিকল্পিত ভাবনা কার্যকরী করার লক্ষ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬২ সালের ২৭ জানুয়ারী কুমিল্লা হয়ে আগরতলা রওনা হন। যে ব্যক্তিটি তাকে অভ্যর্থনা জানানোর কথা ছিল, তিনি সময়মত উপস্থিত না থাকায় শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে আগরতলা জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। জেলে তার পরিচয় পাওয়ার পর সেখানকার ডি এম (জেলা প্রশাসক) তার সাথে দেখা করে ক্ষমা চেয়ে তাকে দিল্লিতে পৌঁছিয়ে দিতে রাজী হন। কিন্তু শেখ মুজিব দেশে প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করতে জেলা ডি এমকে অনুরোধ করেন। আগরতলা থেকে শেখ মুজিব বুড়িচং থানা আওয়ামী লীগের নেতা এবং তৎকালীন ইউনিয়ন কাউন্সিল চেয়ারম্যান জনাব আমীর হোসেনের (ইনি ১৯৭০ সনে এমএনএ নির্বাচিত হন) বাড়ীতে ফিরে আসেন এবং তাঁর সহায়তায় লঞ্চে করে নারায়ণগঞ্জ আসেন। সেখান থেকে ২৯ জানুয়ারী ঢাকায় ফেরেন। বাড়ি ফেরার তিন ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয় ( উল্লেখ্য যে, এই তথ্য প্রকাশিত হয় ’৬৬ সালের ৮মে, যখন ছয় দফা প্রচার অভিযানের এক পর্যায়ে শেখ মুজিবকে দেশ রক্ষার আইনে গ্রেফতার করা হয়)

শেখ মুজিবের গ্রেফতারী নির্দেশনাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হলে রিট মামলায় সরকারী উকিল শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী কাজের সাথে লিপ্ত দেশরক্ষা সংক্রান্ত ব্যাপার জড়িত বলে মন্তব্য করে বলেন যে, হাইকোর্টে এ সম্পর্কে খোলামেলা ভাবে কিছু বলা যাবে না। বিচারপতি দ্বয় তখন জেল গেটে ক্যামেরা ট্রায়েলের নির্দেশ দেন। যথারীতি সেই ক্যামেরা ট্রায়েল জেল গেটে হয় এবং সেখানে বলা হয়, ‘শেখ মুজিব ভারতে গিয়ে ভারতের সাথে চক্রান্ত করে পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’।

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিব ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেওয়ানীতে ছিলেন। তখন একই কারাগারের নতুন ২০ সেলে আটক ছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ’৫৪ সালের গণপরিষদ সদস্য চিত্তরঞ্জন সূতার ছিলেন। এর আগে জেলগেটের সেই ক্যামেরা ট্রায়ালের সময়ই শেখ মুজিব বুঝতে পারেন যে, সরকার তাঁর পরিকল্পনা জেনে ফেলেছে। তাই তিনি সূতার বাবুকে বলেন, এভাবে নয়। বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সাহায্য ও সহযোগিতা ছাড়া কিছুই হবে না। বিদেশী বন্ধু চাই। বেরুতে পারলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।

কারাগারে শেখ মুজিব ও চিত্তরঞ্জন সূতারের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ ও স্বাধিকার আন্দোলনকে স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপান্তর করার কলাকৌশল নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। প্রয়োজনে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নিয়ে স্বাধীনতা সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার কথাও আলোচনা হয়। পাকিস্তানী শাসন-শোষণ থেকে মুক্তি পেতে হলে বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র; জাতি ও মুক্তিকামী মানুষের সমর্থন আদায় একান্ত কাম্য বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের সাহায্য সহযোগিতা এবং ভারতের সাধারণ মানুষের সহানুভূতি অত্যন্ত জরুরী হিসেবে বিবেচিত হয়। শেখ মুজিব শ্রী চিত্ত রঞ্জন সূতারকে ভারতে গিয়ে ইন্দিরা গান্ধী ও ভারতীয় সরকারের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার দায়িত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ দূত হিসেবে কোলকাতায় অবস্থান করার ব্যবস্থা করেন। ’৬৯ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদনের মাধ্যমে শ্রী সূতার জেল থেকে বেরিয়ে মুজিবের দূত হিসেবে কোলকাতায় অবস্থান নেন। অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও দক্ষতার সাথে তিনি ইন্দিরা গান্ধী এবং ভারত সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে সাহায্য, সহযোগিতা ও সহানুভূতি আদায় করতে সক্ষম হন।


(ছবি – মেজর জেনারেল সুজন সিং উবানের (মাঝে) সাথে বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর চার প্রধান – দাদা সিরাজুল আলম খান, শেখ ফজলুল হক মণি, তোফায়েল আহমেদ, প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক।)

এই সূত্র ধরেই ১৮ জুন ’৬৮ সালে শেখ মুজিবকে সামরিক হেফাজতে ঢাকা সেনা ছাউনিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ‘বাংলাদেশ’ নামক একটি পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার গুরুতর অভিযোগে ১ নম্বর আসামী রূপে অভিযুক্ত করে ‘পাকিস্তান রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান’ নামক এক ষড়যন্ত্রের মামলা দায়ের করা হয়। মামলা পরিচালিত হয় ঢাকা সেনা ছাউনিতে । এই মামলাই হচ্ছে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। এই মামলায় শেখ মুজিবসহ অভিযুক্তদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং মামলার বিরুদ্ধে জনগণের সহিংস প্রতিরোধ ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই স্বাধিকার আন্দোলনকে সশস্ত্র হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়।

যারা এ মামলার নেপথ্য ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন তাঁদের দৃষ্টিতে মামলাটি ছিল পাকিস্তানী সামরিক চক্রের বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে নিছক ষড়যন্ত্র। অনেকে আবার ক্ষমতাশীলদের বিরোধী দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা জনিত সাধারণ মামলা হিসেবে দেখে থাকেন। কিন্তু গভীরভাবে বিশেষণ করলে বোঝা কঠিন নয় যে, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বাঙালির জাতীয় জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। যা বাঙালি জাতি সত্ত্বার চেতনা ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে সফল পরিণতির দিকে নেয়ার ক্ষেত্রে চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করেছিল।

’৬১ এর ডিসেম্বর মাসে শেখ মুজিব পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে ‘পূর্ব বাংলা মুক্তি ফ্রন্ট’ গঠন করেন। তারই সূত্র ধরে ’৬২ সালের প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াসের তিন নেতা সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদ এর নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ ’৬২ সাল থেকে ’৭১ সালের ‘২৫শে মার্চ’ পর্যন্ত সফলতার সাথে বাংলার ছাত্র যুব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে ব্যাপক গণআন্দোলন সৃষ্টি করে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় যা পূর্বের লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। (চলবে)

পরের পোস্ট : প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং বিএলএফ বা মুজিব বাহিনী গঠন

কৃতজ্ঞতা : কাজী সালমা সুলতানা (কাজী আরেফ আহমেদের ডায়েরী থেকে তিনিই প্রথম ফেসবুক নোট লিখেন ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ শিরোনামে।)

তথ্যসূত্র :
১) শহীদ কাজী আরেফ আহমেদের অপ্রকাশিত ডায়েরী (প্রকাশিতব্য)
২) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও সমাজতন্ত্র : মনিরুল ইসলাম
৩) স্বাধীনতা যুদ্ধে ‘র’ এবং ‘সিআইএ’ : মাসুদুল হক।

(লেখাটা একটু বড় হয়ে গেলো আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রসঙ্গের অবতারণার জন্য। কিন্তু মুজিব বাহিনীর কথা বলতে গেলে প্রাসঙ্গিক ভাবেই এসে যায় এই মামলা।)

৯ thoughts on “স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ বা নিউক্লিয়াস, স্বাধীন বাংলাদেশের আঁতুড়ঘর – পর্ব ০২

  1. বরাবরের মতো ভালো পোস্ট।
    বরাবরের মতো ভালো পোস্ট। আগরতলা মামলা নিয়ে নতুন কিছু জানা হলো। ধন্যবাদ। মুজিব বাহিনী সম্পর্কে জানার অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থাকবেন ভাই।

    1. ধন্যবাদ শাহীন ভাই। মনে হয়
      ধন্যবাদ শাহীন ভাই। মনে হয় আগামী কাল লেখাটা দিতে পারবো। ভালো থাকবেন। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  2. আপনারে দিতে
    আপনারে :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: দিতে দিতে আমার ধইন্যা ক্ষেত এখন ধূ ধূ প্রান্তর……… তাও ধারদেনা কইর‍্যা দিলাম কতডি………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *