বিজ্ঞাপন

(এক)

দৃশ্যপট ১.

মেয়েটির ফোন বেজে উঠবে।

ক্রিং ক্রিং……

মেয়ে : হ্যালো
– … (ওপাশটা নীরব)

মেয়ে : হ্যালো!
– … (এবারও নীরব)

মেয়ে : হ্যালোওও কে?



(এক)

দৃশ্যপট ১.

মেয়েটির ফোন বেজে উঠবে।

ক্রিং ক্রিং……

মেয়ে : হ্যালো
– … (ওপাশটা নীরব)

মেয়ে : হ্যালো!
– … (এবারও নীরব)

মেয়ে : হ্যালোওও কে?
– … (আবারও নীরব)

মেয়ে : আরে হ্যালো , কথা বলেন না কেন?
-এহেম এহেম…(পুরুষ কণ্ঠ)

মেয়ে : আমি ডঃ নই যে কাশির ওষুধ দিব।কাকে চান?
পুরুষ কণ্ঠ : জ্বী!মানে! ডালিম আছে?
মেয়ে : আছে।তবে এখানে নেই।ফলের বাজারে পাবেন।
পুরুষ কণ্ঠ : ও।আচ্ছা।
মেয়ে : হুম।রাখেন ফোন।জলদি যান।পরে না আবার শেষ হয়ে যায়।
পুরুষ কণ্ঠ : জ্বী আচ্ছা।

ফোন রাখা হবে।

দৃশ্যপট ২.

পরদিন সকালে ভার্সিটি ক্যাম্পাসে মেয়েটির সাথে একটি ছেলের দেখা হবে….

মেয়ে : আপনি ডালিম পেয়েছিলেন?
ছেলে : মানে কি?
মেয়ে : ঢং ছাড়ুন জনাব।আমি জানি ওটা আপনি ছিলেন।
ছেলে : কিভাবে জানলেন?
মেয়ে : আপনাকে নিয়ে ভাবি তো তাই।
ছেলে : জ্বী? ? ?
মেয়ে : আরে আশ্চর্য।কানে শোনেন না?আমি প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার করিনা।আর আপনি ছাড়া অপরিচিত কেউ আমাকে ফোন করবেনা।আমি জানতাম।
ছেলে : অ!আসলে প্রথমবার ফোন দিয়েছিলাম।তাই নার্ভাস ছিলাম।ঠিকভাবে কথা বলতে পারিনি।কি বলতে কি বলে ফেলেছি।আচ্ছা চলুন যাই।
মেয়ে : কোথায়?
ছেলে : ডালিমের কাছে।আপনাকে খাওয়াব।
মেয়ে : আমার পিপাসা পেয়েছে খুব।পানি পান করবো।খুব গরম পড়েছে।
ছেলে : আচ্ছা চলুন তো।

তারপর মৃদু হাসি নিয়ে দুজন হেঁটে চলবে ভার্সিটি ক্যাম্পাসের পথ ধরে…..

দৃশ্যপট ৩.

হেঁটে হেঁটে দুজন একটি দোকানের কাছে যেয়ে দাঁড়াবে।ছেলেটি দোকানদারের সাথে কথা বলবে।

ছেলে : ভাই ডালিম দিন তো।একদম পাকা আর টাটকা।
মেয়ে : এ কোথায় নিয়ে এলেন?এ তো কনফেকশনারি দোকান।
ছেলে : তাতে কি?আপনি ডালিম খেতে পেতেই হল।

“এই নিন সুস্বাদু টাটকা সেরা ডালিম।” (দোকানদার একগাল হেসে জুস এগিয়ে দিবে)

মেয়ে : আরে এ তো জুস দেখছি। (অবাক হবে)
ছেলে : এটা ডালিমের জুস।সর্বকালের সেরা জুস ন্যাচারাল ডালিম জুস।
মেয়ে : ও।দেখি দেখি।ওয়াও এক চুমুকেই তৃষ্ঞা গায়েব!!মজা! মজা! (জুসের বোতলে চুমুক দিবে)
ছেলে : হুম।তাই তো সবার প্রিয় ন্যাচারাল ডালিম জুস।
মেয়ে : হুম।হুম।আজ থেকে আমারও।হিহিহি।

দৃশ্যপট ৪.

ছেলে ও মেয়ে একই সংগে দোকানদারের দিকে তাকাবে।এরপর তারা তিনজন মিলে হাসবে এবং একসাথে বলবে – “পরাণ ঠান্ডা তো দুনিয়া ঠান্ডা।”

বিজ্ঞাপনীয় ভাষ্য : “পাকা সুস্বাদু ডালিম থেকে বাছাইকৃত ও প্রক্রিয়াজাত করে এইবার ন্যাচারাল ডালিম জুস সবার তৃষ্ঞা মেটাতে বাজারে এল।এটি একশত ভাগ স্বাস্থ্যকর।জলদি কর।মিস কর না কিন্তু।ন্যাচারাল ডালিম জুস।সেরাদের সেইরাম জুস।
“পরাণ ঠান্ডা তো দুনিয়া ঠান্ডা।”
-একটি ন্যাচারাল এন্ড ন্যাচারাল কোং লিঃ এর পণ্য।”

(দুই)

-এই আজাইরা স্ক্রিপ্ট কে লিখছে?(ডিরেক্টর চেঁচিয়ে উঠল)
-কে আবার।আমাদের সালেহ ভাই।(শুটিং বয় মাথা নিচু করে)
-বিশ্বাস হয়না।দুইটা থাপ্পড় দিব তোকে।এইটা কোন স্ক্রিপ্ট হইল?
-আমার কি দোষ?আমারে বকেন ক্যান?
-চুপ বেয়াদব।সালেহ কে বলবি দুইদিনের মধ্যে যদি নতুন স্ক্রিপ্ট লিখে না দেয় ওকে দেওয়া এডভান্স টাকাটা আমি সুদে আসলে উশুল করবো।
-জ্বে,আচ্ছা।

(তিন)

সিকদার মোল্লো একজন ক্ষুদে ডিরেক্টর।নতুন নতুন কাজে হাত দিয়েছে।ঠিকমত কাজ করার ধারাবাহিকতা বোঝেনা সে।তার স্ক্রিপ্ট রাইটার,ক্যামেরাম্যান,শুটিং বয়,মেকআপম্যান,লাইটম্যান সবাই নতুন।তেমন পরিচিতি না থাকায় ভাল কাজ পাচ্ছেনা বলে মন মেজাজ খারাপ তার।সব কর্মচারিদের টাকাটা যেহেতু তার ই দিতে হয় সেহেতু ভাল পরিমাণ টাকা রোজগার না হলে সমস্যার সম্মুখীন হতেই হয়।সে ন্যাচারাল এন্ড ন্যাচারাল কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে একটি কাজ পেয়েছে।বিজ্ঞাপন তৈরির কাজ।কিন্তু সন্তোষজনক কাজের উপরই পরবর্তী কাজ নির্ভর করে।এই নিয়ে বেশ টেন্সড সিকদার।

দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে।গরমে অস্থির।এখন পর্যন্ত মডেল কনফার্ম হয়নি।দশ,বারজন ছেলেমেয়ে তার সাথে কাজ করতে আগ্রহী।তাদের চেহারা খুব বেশি ভাল ও বলা যায়না।এসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে তার এক ফটোগ্রাফার বন্ধু হাজির।

-কি রে দোস্ত?কেমন আছিস?
-মাইন্কার চিপায় আছি।অবস্থা ভালনা।তোর কি খবর?
-আমার চলছে।নতুন কাজ পাইছিস শুনলাম।এ তো খুশির সংবাদ।
-আর খুশি!এখন পর্যন্ত স্ক্রিপ্ট,ডায়লগই রেডী হইলোনা।তারপর মডেল,শুটিং স্পট,শুটিং-এর কাজ।কবে কি করবো?
-বলিস কি।জলদি কর।
-ঐ সালেহ এর বাচ্চা আমার কাছ থেকে এডভান্স টাকা নিছে।বলছে টাকাটা খুব দরকার।মায়া লাগছিল।ভাল মনে কৈরা দিছিলাম।বান্দরে কি লেখছে দেখবি?
-হা হা হা।তুই মাথা ঠান্ডা কর।দেখা তো দেখি।
-এই দেখ।যত্তসব পিরীতের কাহিনী!আহা!
-আরে।খারাপ কি?ভালই তো লাগছে।সুন্দর।
-সত্যি?ঠিক কৈরা বল।আমার প্রথম কাজ।সুনাম কামাইতে হবে।দুর্নাম না।
-হ্যাঁ।সত্যি ভাল।এটার উপর কাজ করা যায়।ভালও হবে।এখন তো এরকম বিজ্ঞাপন অনেক মানুষের পছন্দ।তাছাড়া এতে কোন নাচ গানের ভেজাল নেই।ঝামেলাও নেই।কিছু টাকা সেইভ হবে।
-হুম।আজকাল তো অনেক বিজ্ঞাপনে ধুমধারাক্কা নাচ হয়।আইটেম দ্রব্যের সাথে আইটেমী নাচগান।আজাইরা।আচ্ছা।তুই যখন ভাল বলছিস দেখি কি করা যায়।
-আচ্ছা।আজ উঠলাম।
-আরে ঠান্ডা খাইয়া যা।
-না দোস্ত।আরেকদিন।

(চার)

সিকদার পুনরায় স্ক্রিপ্টে চোখ বুলাল।তিন চারবার পড়ে কল্পনা করতে লাগল এই স্ক্রিপ্টের উপর কেমন হবে বিজ্ঞাপন।খুশি খুশি মুখে সালেহকে ডেকে বলল নতুন করে আর কিছু লেখার প্রয়োজন নেই।এটাতেই কাজ হবে।তার কাছে যেসব মডেল আছে তাদের মধ্য থেকে প্রান্তকে বাছাই করা হল।মেয়েগুলো তেমন সুন্দরী না।তাই সে এই বিজ্ঞাপনের জন্য অত্যন্ত সুন্দরী একজন নারী মডেলকে খুঁজছে।সবাইকে এক সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরী মেয়ের খোঁজ করতে বলল।সবাই সেই কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

(পাঁচ)

টিয়া প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী।দেখতে বেশ সুন্দরী।তার প্রায়ই টিভির পর্দায় কাজ করতে ইচ্ছে করে।কিন্তু ওখানে তার পরিচিত কেউ নেই।তাই সুযোগ আর হাতে লাগেনা।কতদিন সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নায়িকা ভেবেছে তা সে নিজেও জানেনা।স্কুলজীবন থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সে ভাল নেচে এসেছে।নাটকেও অংশগ্রহণ করত।তার ভার্সিটির বন্ধুরা তাকে টিয়াপাখি সুন্দরী ডাকে।তার এই ডাক শুনতে অনেক ভাল লাগে।

প্রান্ত তার খালাত বোন নাতাশাকে ফোনে বলল তাদের ভার্সিটিতে যদি খুব সুন্দরী কোন মেয়ে থাকে এবং সে যদি একাজ করতে রাজি হয় তবে ভাল হবে।নাতাশা তার বান্ধবী টিয়াকে এই কথা জানাতেই টিয়া আনন্দে নেচে উঠল।তার দুচোখ ভরা থমকে থাকা স্বপ্নগুলো নড়েচড়ে উঠল।এক কথায় রাজি হয়ে গেল।

নাতাশা প্রান্তর সাথে টিয়ার পরিচয় করিয়ে দিল।টিয়াকে ছোটখাট ইন্টারভিউয়ের জন্য আগামীকাল ডাকা হবে বলে প্রান্ত জানাল।এদিকে আরও তিনজন সুন্দরী মেয়ের খোঁজ পাওয়া গেল।তাই এই মেয়েদের মধ্যে কে চান্স পাবে তা ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়াল।
তবে টিয়ার নিজের প্রতি তার অগাধ আত্মবিশ্বাস রয়েছে।সে জানে সে মডেল হতে যাচ্ছে।প্রান্ত ও তার সাথে কাজ করতে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে।

(ছয়)

ঘুম থেকে সকাল সকাল উঠে নিজেকে তৈরি করায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে টিয়া।ধোঁয়া ওঠা স্পেশাল বেড টির মগে চুমুক না দিলে যার সকাল শুরু হয়না সে আজ তার স্পেশাল চায়ের খবর না নিয়ে পোশাক চয়েজে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে।কাল রাত থেকে তার বন্ধুরা তাকে ফোন করে,মেসেজে একটু পর পর অল দ্য বেস্ট উইশ করছে।এই না হলে বন্ধুত্ব।আজ টিয়া ভার্সিটি যাবেনা। সোজা ডিরেক্টর সাহেবের কাছে ইন্টারভিউ দিতে যাবে।
দুই ঘন্টা সময় হাতে নিয়ে সাজগোজ শুরু করেছে।কারণ তাকে সবচেয়ে বেশি সুন্দরী লাগা চাই আজ।সকাল ১০টায় প্রান্তর ফোন এল।জলদি বের হতে বলল সে।টিয়া সম্পূর্ন রেডী হয়ে বের হল।বাসের জন্য অপেক্ষা করছে সে।প্রান্ত আবারও ফোন করে তাগিদ দিল জলদি মোহাম্মদপুর পৌঁছাতে।অলরেডী বাকি তিনজন সেখানে স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করতে পৌঁছে গেছে।

(সাত)

উৎসুক মন ছটফট করছে।টিয়া ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে অপেক্ষা করছে।অনেক্ষণ ধরে এভাবে বসে আছে।কিছুক্ষণ পর টিয়ার ইন্টারভিউ।দুইজনের ইন্টারভিউ শেষ।মনে হচ্ছে তারা কেউ মডেল হিসেবে সিলেক্ট হয়নি।টিয়ার সৌন্দর্য তাদের চেয়ে ভাল এবং তার হৃদয়ের আত্মবিশ্বাস দৃঢ়।সেই সাথে আছে বন্ধুদের সাপোর্ট।সফলতা পেতে একজন মানুষের এছাড়া আর কি-ই বা লাগে।টিয়া একটু পরপর পার্সব্যাগ থেকে আয়না বের করে তাকে দেখছে।চুল ঠিকঠাক করছে।টেনশানে নাকের ডগায় কিছুটা ঘাম জমেছে।শিশির কণার মত চিকচিক করছে।মনে মনে ভাবছে কিভাবে কি বলবে,ইমপ্রেস করবে ইত্যাদি।তৃতীয়জন ভেতরে আছে।কখন শেষ হবে কে জানে!সে বের হলেই তার পালা।

টিয়ার ফোন বেজে উঠল।সে ফোন বন্ধ করতে ভুলে গেছে।ফোন রিসিভ করে একটু কথা বলেই সে চমকে গিয়ে উঠে দাঁড়াল।তারপর আবার বসল।৫ মিনিট কিছু একটা ভেবে আবার উঠে দাঁড়াল।প্রান্তকে বলল সে এক আর মূহুর্ত এখানে থাকতে পারবেনা।এক্ষুণি তাকে বেরুতে হবে।এরই মধ্যে তৃতীয়জন ইন্টারভিউ শেষে বেরিয়ে এল।তবুও টিয়া সেখান থেকে বের হয়ে এল।মডেল হওয়ার সুযোগকে উপেক্ষা করে পালিয়ে এল ওখান থেকে।

(আট)

-তুমি না এলে আজ কি যে হত!
-যাক।টেনশান করবেন না আপু।সব ঠিক হয়ে যাবে।
-তোমার ইন্টারভিউ ছেড়ে আসার কি দরকার ছিল?এটা আমি জানতামনা।সরি টিয়া।
-ইন্টারভিউ দিয়ে এলে অনেক দেরী হয়ে যেত।
-তাই বলে এত বড় সুযোগ এভাবে হাতছাড়া করবে?ধুর।আমি তোমাকে ফোন না করলেই ভাল ছিল।এখন খুব খারাপ লাগছে।
-আহা।হয়েছে আপু।থামুন এবার।মডেল হতে না পারলেও আমার কিন্তু বেশ ভাল লাগছে।বেঁচে থাকলে এমন সুযোগ আরও কত আসবে দেইখেন।মন খারাপ করবেন না প্লীজ।

প্রান্ত আধ ঘন্টা ধরে টিয়াকে ফোন করে চলেছে।টিয়ার ফোন সাইলেন্ট ছিল।মোবাইলের দিকে তাকাতেই দেখতে পেল প্রান্তর ১৭টা মিসড কল।

-হ্যালো প্রান্ত,আমি খুব দুঃখিত।আমার কিছু করার ছিলনা।
-কিন্তু কি হয়েছিল?আমাকে বলে গেলেও তো পারতে।এত বড় কাজ রেখে হঠাৎ কোন কাজ তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল টিয়া?মডেল সিলেক্ট হয়ে গিয়েছে।
-একটি জীবনের কাছে সব তুচ্ছ।যত বড় কাজই থাকুক না কেন মানুষের জীবনের চেয়ে কখনও তা বড় হতে পারেনা।
-কি হয়েছে?কোনো সমস্যা?তুমি কোথায় এখন?আমি দেখা করবো তোমার সাথে।তখন ই সব শুনি?
-না কোন সমস্যা নেই।দেখা করতে হবেনা।আমি ভাল আছি।জানো প্রান্ত আমার টিভির পর্দায় কাজ করার অনেক ইচ্ছে ছিল।বলতে পারো এটা অনেকদিনের স্বপ্ন,যা তিলে তিলে ছোট থেকে বড় করে তুলেছি।সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিনত করার সুযোগও পেয়েছিলাম তোমার মাধ্যমে।কিন্তু তা আর হলনা।তবুও আমার মন খুব ভাল।আমি একজন মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি।আমি আজ থেকে একজন ব্লাড ডোনার।প্রথমবার কাউকে রক্ত দিয়েছি।জানো?আমার শরীরের রক্ত আজ এক মায়ের জীবন বাঁচিয়েছে।আমি অনেক আপনজনের চোখের পানি মুছতে সফল হয়েছি।সময়মত যদি আমি এখানে না আসতাম তাহলে কি হত বুঝো!বি নেগেটিভ রক্ত কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না।আমি আমার ইচ্ছের চেয়ে একজন মানুষের জীবনকে প্রিয় মনে করি।তাই আমি এক বড় আপুর ফোন পাওয়া মাত্র একটি জীবনের জন্য ছুটে এসেছি।আমি তাকে বলে রেখেছিলাম রক্ত দিতে চাই।যাই হোক তোমাদের জন্য শুভকামনা রইল।সেই বিজ্ঞাপন দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।ভালো থেকো।
-হ্যালো টিয়া,টিয়া,হ্যালো,হ্যালো..!!!শুনছো…?

কিছু কিছু মানুষেরা নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের জীবনকে,অন্যের খুশিকে বড় করে দেখে।আর তাই তারা সাধারনের ভীড়ের মাঝেও অসাধারন!

২৬ thoughts on “বিজ্ঞাপন

  1. কিছু কিছু মানুষেরা নিজের

    কিছু কিছু মানুষেরা নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের জীবনকে,অন্যের খুশিকে বড় করে দেখে।আর তাই তারা সাধারনের ভীড়ের মাঝেও অসাধারন!

    গল্পটাও অসাধারণ হয়েছে। :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  2. সুন্দর এবং শিক্ষামূলক
    সুন্দর এবং শিক্ষামূলক গল্প!
    তবে শিরোনামটা বেশ কনফিউজিং… গল্পের সাথে ঠিক যাচ্ছে না।
    কারণ শুরু এবং পরবর্তি ধারাবহিকতার সাথে শেষটায় কোন মিল নেই!
    যে গল্পটা এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ ক্যারি করে সেটার শিরোনাম শুরু এবং ঘটনা প্রবাহ আরেকটু অন্যরকম হতে পারতো…
    তবুও সব মিলিয়ে ভালোই লেগেছে। :ভালাপাইছি: :ফুল:

  3. গল্প ভাল হয়েছে আপু। আপনার
    গল্প ভাল হয়েছে আপু। আপনার লেখা বলেই পুরোটা পড়লাম। পড়ে হতাশ হতে হয়নি।

    **বিজ্ঞাপনের স্ক্রিপ্টটা মজার।

    আপু রক্ত দান নিয়ে লিখেছেন। হ্যা রক্ত দান একটি মহৎ কাজ তাদের তো সম্মান দেই ই সাথে তাদের ও দেই যারা এই সব রোগী দের জন্য ডোনার কালেক্ট করেন। এদের মধ্য অন্যতম শুভ ভাই,মানিক ভাই,সেলিম ভাই প্রমুখ। আমাদের সফিক এহসান ভাই ও কিন্তু যুক্ত আছে সেই কাজে। ।
    আসলে মানুষ জন্য কিছু করার মধ্যে আছে অকল্পনীয় আনন্দ,সুখানুভূতি।

  4. গল্পের শিরোনামটা হওয়া উচিত
    গল্পের শিরোনামটা হওয়া উচিত ছিল “একটা জীবন বাঁচানোর গল্প” অথবা “একজন ব্লাড ডোনারের গল্প”॥
    কিছু মনে করবেন না, সমালোচনা করলাম॥ শিরোনাম দেখে অনেকে গল্পটি এড়িয়ে যাবেন॥
    আর আপনার মেসেজটা ছিল অসাধারণ॥

      1. আবেগে আপ্লুত হইয়া গেলাম। এই
        আবেগে আপ্লুত হইয়া গেলাম। এই মাসের পর টানা তিনমাস আসবোনা ইস্টিশনে। চরম মিস করমু রে ভাই। :মাথাঠুকি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *