স্বাধীনতার খোঁজ

স্বাধীনতাতেই জীবনের স্পন্দন অনুভব করা যায়।স্বাধীনতাতেই উন্নতি।নির্মল শুদ্ধ বাতাসকে কোন জায়গায় আবদ্ধ করে রাখলে তা দূষিত হতে বাধ্য।স্বচ্ছ বয়ে চলা পানিকে আটকে ফেলুন পানি দূর্গন্ধযুক্ত হয়ে যাবে।যারা যতো স্বাধীন তারা তত উন্নত।কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত না।তাকে নিজের মতো বেড়ে উঠতে উৎসাহিত করুন।

স্বাধীনতাতেই জীবনের স্পন্দন অনুভব করা যায়।স্বাধীনতাতেই উন্নতি।নির্মল শুদ্ধ বাতাসকে কোন জায়গায় আবদ্ধ করে রাখলে তা দূষিত হতে বাধ্য।স্বচ্ছ বয়ে চলা পানিকে আটকে ফেলুন পানি দূর্গন্ধযুক্ত হয়ে যাবে।যারা যতো স্বাধীন তারা তত উন্নত।কারো স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত না।তাকে নিজের মতো বেড়ে উঠতে উৎসাহিত করুন।

যারা শৈশব বা বাল্যকালে ভালবাসা কম পায় তারা বড় হয়ে ভীতু ও পরাজিত মানসিকতার হয়।বাল্যকালে স্নেহ ভালবাসা পেলে মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে শেখে।যে সব পরিবারের পিতা মাতারা নিজেদের সন্তানকে নিজের পথ চিনে নিতে বলে ,নিজের খেয়ালখুশি মতো গড়ে ওঠতে প্রেরণা দেন,প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করতে সাহায্য করেন সে সব ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে অনেক কিছু জয় করতে শেখে।এডিসনকে তার অভিভাবকরা জোর করে স্কুলে পাঠাতে চাইলেন কিন্তু এডিসন অন্য কাজে ব্যস্ত রইলেন।নিজের স্বাধীন ইচ্ছায় কাজ করতে থাকলেন।অভিভাবকের পীড়াপীড়িতে তিনি যদি স্কুলে যেতেন তাহলে হয়তোবা বড় একজন ডক্টরেট হতেন কিন্তু বড় বৈজ্ঞানিক হতে পারতেন না।

তাই বলে স্কুল বাদ দিয়ে পার্কে পার্কে ঘুরাঘুরি করবেন আবার আড্ডাবাজিতে মেতে থাকবেন তা হবে না।বর্তমান সময়ে স্কুলের জ্ঞান অবশ্যই দরকার।পুথিগত বিদ্যা লাভে কোন ফায়দা নেই কথা ঠিক।কিন্তু পুঁথিগত বিদ্যা ছাড়াও আপনি কিছু করতে পারবেন না।আপনার পড়াশোনার ভিত্তিটা আসবে এই পুথিগত বিদ্যা থেকেই।আপনি যদি পুঁথিগত বিদ্যা লাভ করে তা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ না করেন তবে তা অপরাধ।

গতানুগতিক চিন্তাভাবনা থেকে বের হয়ে এসে নতুন কিছু করার প্রেরণাটাই মূখ্য।বাঙালি জাতি পরের অধীনে,শোষিত হতে হতে এখন নিজেরা যে কিছু করতে পারে এই বোধটাই হারিয়ে ফেলেছে।নতুন ভাবে নতুন কিছু করার এখনই তো সময়।

২ thoughts on “স্বাধীনতার খোঁজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *