ডিজিটাল ছিনতাই!!! আসুন সচেতন হই…

ইদানিং অনলাইনে কেনাকাটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয় হবার কারনও আছে যথেষ্ট। নতুন বা পুরোনো যে কোন কিছু মনের মত দামে কেনা বেচা করার জন্য বিভিন্ন সাইটে ফ্রি বিজ্ঞাপন দেয়া যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো আমি নিজেও কয়েকদিন আগে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বাই সাইকেল কিনলাম “বিক্রয় ডট কম” থেকে!
কিন্তু এসব অনলাইন মার্কেটের বিজ্ঞাপন দেখে কোন কিছু কিনতে যাবার আগে একটু সতর্ক হওয়া দরকার…! কারণ, যেহেতু এসব সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে কোন টাকা লাগে না সুতরাং অনেক সময় ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে নির্দিষ্ট ঠিকানায় নিয়ে গিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা অহরহই ঘটছে!

ইদানিং অনলাইনে কেনাকাটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয় হবার কারনও আছে যথেষ্ট। নতুন বা পুরোনো যে কোন কিছু মনের মত দামে কেনা বেচা করার জন্য বিভিন্ন সাইটে ফ্রি বিজ্ঞাপন দেয়া যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো আমি নিজেও কয়েকদিন আগে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বাই সাইকেল কিনলাম “বিক্রয় ডট কম” থেকে!
কিন্তু এসব অনলাইন মার্কেটের বিজ্ঞাপন দেখে কোন কিছু কিনতে যাবার আগে একটু সতর্ক হওয়া দরকার…! কারণ, যেহেতু এসব সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে কোন টাকা লাগে না সুতরাং অনেক সময় ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে নির্দিষ্ট ঠিকানায় নিয়ে গিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা অহরহই ঘটছে!
এমনই একটা ঘটনা ঘটেছে গত বৃহঃপতিবার সন্ধ্যায় আমার এক বন্ধুর বড় ভাইয়ের সাথে। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখে উনি গিয়েছিলেন একটা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কিনতে। ওখানে যাবার পর তাকে একটা গলিতে ঢুকিয়ে চার/পাঁচজন মিলে প্রচুর মারধর করে। মানিব্যাগে নগদ টাকা না পেয়ে মোবাইল ও অন্যান্য জিনিস রেখে দেয়। পকেটে এ.টি.এম কার্ড ছিল। মারধর করে কার্ডের পিন কোড জেনে নিয়ে একজনকে বুথে পাঠিয়ে প্রায় ২৫ হাজার টাকা তুলে নেয়। এরপর বাসায় ফোন করে আরো টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এক পর্যায়ে অনেক বলে কয়ে ছাড়া পেয়ে একরকম পালিয়ে এসেছেন…!
মারের চোটে সারা শরীর ফুলে গেছে। হাতের বেশ কয়েকটা আঙ্গুল ভেঙ্গে গেছে… আরো বিভিন্ন জায়গায় দারুন জখম হয়ে এখন বেড রেস্টে আছেন!

একদম চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এরকম একটা দুর্ঘটনা দেখে এখন মনে হচ্ছে- আমাদের মূল্যবোধের কত অবক্ষয়ই না হয়েছে! প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে সেই সাথে বেড়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ক্রাইমে প্রযুক্তির ব্যবহার! তাহলে কী আমরা প্রযুক্তির ব্যাবহার ছেড়ে দেব?
প্রায় একই রকমের কিছু দুর্ঘটনার কথা আমদের কানে আসে যখন আমরা স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে যাই। ফেসবুকে কিছু পেজ আছে যেখানে যে কোন সময় যে কোন জায়গায় যে কোন গ্রুপের রক্ত চাইলেই মোটামুটি ভাবে অল্প সময়ের মধ্যে ডোনার ম্যানেজ হয়ে যায়! এরা প্রত্যেকেই যে কোন মানুষের জন্য বিনা মূল্যে এক ব্যাগ রক্ত ডোনেট করতে প্রস্তুত! কিন্তু এমনও হয়েছে যে এরকম একজন মহানুভব ডোনারকেও রাত-বিরাতে রক্তের কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে সব কিছু ছিনতাই করে রেখে দিয়েছে!
আমরা বিভিন্ন স্বেচ্ছা রক্তদানের পেজ/গ্রুপের এডমিনরা তাই সবাইকে কিছু কথা বলে দিই। যেহুতু পোস্ট দেখে বোঝার উপায় থাকে না যে আবেদনটি আসল না ফেইক তাই আবেদন কারীকে বলা হয় সে যেন রোগীর ডিটেইল (যেমনঃ রোগের বর্ণনা, হাসপাতালের নাম, বেড নাম্বার ইত্যাদি) উল্লেখপূর্বক রক্তের আবেদন করে। অন্যাথায় আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
একই ভাবে ডোনারদের বলা থাকে- গ্রুপ/পেজের প্রতি আস্থা আছে বলেই যে কারো ডাকে না জেনে না শুনে চলে যাবেন না। অবশ্যই নির্দিষ্ট হাসপাতালে রক্ত দিবেন। হাসপাতাল ব্যতিত অন্য কোথাও রক্ত দিবেন না। সম্ভব হলে একা না গিয়ে পরিচিত কাউকে সাথে করে নিয়ে যান। রক্ত দেয়ার আগে অবশ্যই রোগী দেখে নিবেন এবং (রোগি আই.সি.ইউ বা ও.টি.তে থাকলে অন্তত) ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিবেন।

বিচ্ছিন্ন ঘটনার জন্য আমরা বসে থাকতে পারি না! সেটা রক্ত দানের মত একটা মহৎ কাজেই হোক আর কেনা কাটার মত নিত্য প্রয়োজনীয় কাজেই হোক। তাই অনলাইন বিজ্ঞাপন দেখে কেনা কাটা করার ক্ষেত্রেও একটু সতর্ক থাকলেই আমরা অনেক বড় দুর্ঘটনা সহজেই এড়িয়ে যেতে পারি। যেমনঃ
১. বিজ্ঞাপণ দেখে ফোন করলে বা ফোন আসলে আগে ভালো ভাবে সব বিস্তারিত খোঁজ খবর জেনে নিন যে সন্দেহজনক কিছু আছে কিনা?
২. অচেনা বা সন্দেহজনক কোন জায়গায় কোন কিছু কেনা-বেচা করতে যাওয়া ঠিক নয়।
৩. কোন গলি বা কারো বাসায় না গিয়ে বরং কোন পাবলিক প্লেস যেমনঃ বাস স্ট্যান্ড/যাত্রি ছাউনি/বাজার বা লোকারণ্য কোন রেস্টুরেন্টকে কেনা-বেচার জন্য বেছে নেয়া উচিৎ।
৪. সব সময় সাথে এক দুইজন বন্ধু বা পরিচিত বিশ্বস্ত লোক নিয়ে যাওয়া উচিৎ।
৫. যত ব্যস্ততাই থাকুক এসব ধরনের লেন-দেন দিনের বেলায় করাই ভাল। প্রয়োজনে ছুটির দিনে করা যেতে পারে!
৬. পরে যদি না পাই বা কাস্টমার হাত ছাড়া/অন্যত্র বিক্রি হয়ে যেতে পারে ভেবে কোন ধরনের রিস্ক নেয়া ঠিক হবে না। কারণ, একটা পছন্দের জিনিস সস্তায় অন্যত্র বিক্রি হয়ে গেলে বা কাস্টমার হাত ছাড়া হয়ে গেলেও এর চেয়ে ভালো আরেকটা পাওয়া যাবে। হয়তো ২/১দিন সময় লাগবে… কিন্তু রিস্ক নিতে গিয়ে টাকা/জিনিস তো হারাতে হয়ই সেই সাথে জীবনের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ এমনকি প্রাণ নাশের সংশয় পর্যন্ত থেকে যায়!

তাই আসুন, আমরা সকল ধরনের কাজে আরো বেশি সতর্কতা অবলম্বন করি। আমাদের যাপিত জীবনকে রাখি সকল প্রকার অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা মুক্ত…

৩৩ thoughts on “ডিজিটাল ছিনতাই!!! আসুন সচেতন হই…

    1. শুকরিয়া!
      তথ্য আর এমনকি দিলাম?

      শুকরিয়া!

      তথ্য আর এমনকি দিলাম? জাস্ট ঘটনাটা তুলে ধরলাম… এখন সবার মাঝে সচেতনতা তৈরী করতে হবে আমাদেরকেই।
      বলা তো যায় না- কাল হয়তো আমি বা আমার কাছের কেউ একজন হতে পারে ভিক্টিম!

  1. সচেতন হওয়া ছাড়া উপায় কি? অনেক
    সচেতন হওয়া ছাড়া উপায় কি? অনেক ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টি সামনে আনার জন্য। আমি নিজে অবশ্য ব্লাড ডোনেট করতে গেলে আগে রোগী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই। ধুনফুন বলে তো আমার কাছে পার পাওয়া যাবে না। এট লিস্ট এমবিবিএস তো পাশ করছিলাম। যারা ডাক্তার নন, বা এই বিষয়ক জ্ঞ্যান কম তারা অবশ্যই পরিচিত কোন হাসপাতাল বা ব্লাড সেন্টার ছাড়া অন্য কোথাও হুট করে চলে যাবেন না। আর কেনাকাটার ব্যাপারেও একই কথা। সবসময় চেষ্টা করবেন আপনার পছন্দমতো যায়গায় দেখা করতে এবং সাথে একজন লোক রাখতে। তাহলে আর সমস্যা হবে না আশা করি।

  2. সতর্ক করার জন্য
    সতর্ক করার জন্য ধন্যবাদ।
    কিন্তু ছিনতাই শব্দটা শুনা বুক ভেঙে গেলো গো। :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি:
    কয়েকদিন আগে আমার বিশাল ছিনতাই হয়েছে।

      1. সে তিন বছর আগেই হয়ে গেছে।
        এখন

        সে তিন বছর আগেই হয়ে গেছে।
        এখন হয়েছে ২৫,০০০ টাকা , মোবাইল।
        এই দুঃখ আমি কিছুতেই ভুলতে পারছি না। :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি:

  3. চতুর্থ বারের মত চারটি
    চতুর্থ বারের মত চারটি অ্যান্ড্রয়েড ছিনতাই হওয়ার পর অপমানিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম স্যামসাং নিজেই একটা কুফা! তাই বিক্রয় ডট কম থেকে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড সনি এক্সপেরিয়া কিনবো। পছন্দও করছিলাম একটা। দামও মোটামুটি কম। কিন্তু ফোন করেই বুঝতে পারি এইটা ভুয়া বিজ্ঞাপন। যারে ফোন করছি সে চট্টগ্রামের টাইগারপাস এলাকার চালের ডিলার। আমি তারে ফোন করেই জিজ্ঞেস করছিলাম, ভাই ৯ হাজারের চেয়ে একটু কম হয়না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কয় বস্তা লাগবে। লাইন কেটে দিয়ে পরদিন দোকানে গিয়ে আরেকটা স্যামসাং কিনে আনি। এইবার দেখি এইটা কয়দিন টিকে। :ক্ষেপছি: :আমারকুনোদোষনাই:

    1. মাইরালা, শেষতক মুপাইলও বস্তা
      মাইরালা, শেষতক মুপাইলও বস্তা বস্তা বিক্রি হইতাছে… :মাথাঠুকি: :ভেংচি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: 😀 😀

  4. [ভাই ৯ হাজারের চেয়ে একটু কম
    [ভাই ৯ হাজারের চেয়ে একটু কম হয়না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কয় বস্তা লাগবে।]
    – ভারী মজা তো:-D

    মোবাইলও বুঝি বস্তা বস্তা বিক্রি হচ্ছে?:-D

    1. এই লোকগুলার প্রবলেম কী?
      এই লোকগুলার প্রবলেম কী? সিরিয়াস পোস্টরেও দেখি ফেসবুকের গ্রুপ চ্যাট বানাইয়া ফালায়!!!
      :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

      তয় কতা হইলো গিয়া- চাউলের ব্যাপারটা ভালো লাগছে! ফেইক নাও হতে পারতো! উনি হয়তো ভুলেই গেছেন যে একটা বিজ্ঞাপন দিছিলেন… 😛
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      1. সেটাও হইতে পারে। হেহেহেহে।
        সেটাও হইতে পারে। হেহেহেহে। কিন্তু তার হাবভাব ভালা ছিলো না। :আমারকুনোদোষনাই:

  5. সফিক ভাই, এখন থেকে রক্ত দিতে
    সফিক ভাই, এখন থেকে রক্ত দিতে যাওয়ার আগে রক্ত নেওয়ার যন্ত্র নিয়া যাওয়া লাগবো!!!! 😀 :কেউরেকইসনা: 😀 :কেউরেকইসনা: 😀 😀

    1. এইসব কি কন! ছিঃ ছিঃ
      এক অন্ধ

      এইসব কি কন! ছিঃ ছিঃ 😛

      এক অন্ধ রাতের বেলায় গ্রামের অন্ধকার রাস্তা দিয়ে হারিকেন নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো। তাই দেখে আরেকজন বললঃ কিরে? তুই তো অন্ধ! দিনের বেলায়ও চোখে দেখিস না… তোর তো দুনিয়াটাই অন্ধকার! তুই হারিকেন নিয়ে বের হয়েছিস কী জন্য?
      উত্তরে অন্ধ বললঃ আমি তো অন্ধ হয়েও কারো ঘাড়ে উঠে পরি না। কিন্তু বাকিরা চোখ থাকতেও অন্ধকারে আমার ঘাড়ে উঠে যেতে পারে। তাই হারিকেন নিয়ে ঘুরছি; যাতে…! 😛

      আমরা কারো ঘাড়ে উঠতে চাই না। শুধু সতর্ক থাকতে চাই যেন অন্যেরা আমাদের ঘাড়ে উঠে না পরে… 😀
      বোঝা গেল ডাহাইত (দস্যু) সাব?

  6. ব্যক্তিগত ভাবে আমি ছিন্তায় এর
    ব্যক্তিগত ভাবে আমি ছিন্তায় এর কবলে পড়ি নাই কিন্তু গাড়িতে ভ্রমন করার সময় আমার নেট প্যাড চুরি গেছে।
    আর বিজ্ঞাপন দিয়ে ছিন্তায় এর ঘটনা নতুন না। অনলাইনে এখন ব্যাপক ভাঁওতাবাজি চলে। একটা উল্লেখ করি আমার কলিগ ক্যামেরা কিনবে তো উনি বিভিন্ন সাইটে ঘুরে দেখলেন কম দামে পাওয়া যায় কিনা। তো এরকম একটা সেকেন্ড হ্যান্ড ক্যামেরা পেলেন ১৬,০০০/= হবে। তা তিনি ভেবে দেখলেন এইটার নতুন দাম কেমন হতে পারে। দেখা গেল এই ব্র্যান্ড বাংলাদেশে সাপ্লাই নাই। বিভিন্ন সাইটে ঘুরে অস্ট্রেলিয়া তে পাওয়া যায়। দেখা গেল নতুন কপির দাম বাংলাদেশি টাকায় আসে ১৫,৫০০/=।
    আর আমি কিছুদিন আগে ল্যাপটপ কিনতে গিয়েছিলাম শুনলাম এখানে নাকি ভয়াবহ অবস্থা। বাইরের সাথে ভিতরের মিল নাই। রেপ্লিকা দিয়ে দেয়। আরও বিভিন্ন বিষয় আছে যারা টেকনিশিয়ান তারা আরও ভাল বলতে পারবেন।

    এমন বিষয় সামনে আনার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    1. এইটা ভালো বলছেন।
      আমি যে

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
      এইটা ভালো বলছেন।

      আমি যে সাইকেলটা কিনেছি ওটাও নতুন অবস্থার ছবি দিয়ে রেখেছিল! নিচে লেখা ছিল ৩/৪মাস ইউজ করেছে, কেনা ১০,৫০০টাকায়, ৭০০০টাকায় বেচে দেব…
      আমি নেট ঘেটে দেখলাম ঐ সাইকেল নতুন পাওয়া যায় ৯০০০৳!

      তারপর গিয়ে দেখি সাইকেল চালিয়েছে মিনিমাম ১বছর! ব্রেক ধরে না, গিয়ার সবগুলা পরে না, বেল নষ্ট, বেশ কয়েক জায়গায় রঙ উঠে গেছে… সর্বপরি নিদারুন অবহেলায় করুন অবস্থা!!! 😛

  7. ধন্যবাদ বিষয়টা নিয়ে লেখার
    ধন্যবাদ বিষয়টা নিয়ে লেখার জন্য। বেশ কাজে দিবে। আর ব্লাড ডোনেটের বিষয়টা একটা সেনসেটিভ বিষয়স তাই এখানেও সতর্কতা মেনে চলা উচিৎ। এই প্রসঙ্গে আতিক ভাই যা বলার বলেছেন। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *