পড়ন্ত বেলা

জীবনের অন্তীম মুহুর্তে এসে আহসান সাহেব
আজ অনেক যোগ বিয়োগের হিসেব
মিলাতে ব্যাস্ত।
কোনো কিছু-ই অপুর্ন ছিল না,সব অপুর্নতা-ই
পুর্নতা পেয়েছে। নিজের যোগ্যতায়.
(নিজের উপার্জনের
টাকা দিয়ে বাড়ি করেছে,গাড়ি কিনেছে। সমাজে যথেষ্ট সম্মান কুড়িয়েছে)



জীবনের অন্তীম মুহুর্তে এসে আহসান সাহেব
আজ অনেক যোগ বিয়োগের হিসেব
মিলাতে ব্যাস্ত।
কোনো কিছু-ই অপুর্ন ছিল না,সব অপুর্নতা-ই
পুর্নতা পেয়েছে। নিজের যোগ্যতায়.
(নিজের উপার্জনের
টাকা দিয়ে বাড়ি করেছে,গাড়ি কিনেছে। সমাজে যথেষ্ট সম্মান কুড়িয়েছে)

জীবনে কোন বড় অপরাধ করেছে কিনা সেটা
মনে পড়ছে না তার।

তাহলে আজ কেনো বিধাতা তাকে এই
শাস্তি দিচ্চে আকাশের পানে চেয়ে আহসান
সাহেব ভাবছে আর অনেক প্রশ্নের উত্তর
খুজে বেড়াচ্ছে।
উত্তর খুজতে খুজতে-ই
পিছনে কারো উপস্থিতি টের পেলো আহসান
সাহেব।
–বাবা তুমি রেডি?
–হ্যা(কান্না আড়াল করে)
–তাহলে চল তোমাকে রেখে আসি
–চল…

ছেলে হাটছে, পিছনে পিছনে আহসান সাহেব ও
হেটে চলেছে…
হেটে চলেছে সম্পুর্ন নতুন এক
পরিবেশে উদ্দেশ্যে,যেখানে আজ থেকে ২৭ বছর
আগে তিনিও তার বাবা কে রেখে এসেছিলেন…

(কখনো কখনো অতীত ফিরে আসে…
ফিরে আসে খুব ভয়ংকর রুপে)

২ thoughts on “পড়ন্ত বেলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *