বিশ্বাস করুন আমি অনন্ত জলিলের শুভাকাঙ্ক্ষী।

আজকে প্রথম আলোতে খোলা কলম পাতায় সময়চিত্র নামক অংশে অধ্যাপক আসিফ নজরুল একটি কি যেন লিখেছেন।শিরোনাম ছিলঃ

অনন্ত জলিল: কিছু আত্ম-জিজ্ঞাসা

সেখানে তিনি অনেক কথা লিখেছেন।কারন তিনি একজন উন্নতমানের খাটি দেশপ্রেমিক।দেশের ছেলেমেয়েরা যেভাবে ভুল পথে হাঁটছে, আর বিকৃত মানসিকতা নিয়ে বড় হচ্ছে, তাতে তিনি যারপরনাই বিস্মিত এবং দুঃখিত।
তিনি তার বক্তব্যে বলতে চেয়েছেন অনন্ত আমাদের ছেলে, তাকে নিয়ে মশকরা করা ঠিক না।অনন্ত যা খুশি করবে তাতে তোমাদের কি?
তিনি এক জায়গায় বলেছেন


আজকে প্রথম আলোতে খোলা কলম পাতায় সময়চিত্র নামক অংশে অধ্যাপক আসিফ নজরুল একটি কি যেন লিখেছেন।শিরোনাম ছিলঃ

অনন্ত জলিল: কিছু আত্ম-জিজ্ঞাসা

সেখানে তিনি অনেক কথা লিখেছেন।কারন তিনি একজন উন্নতমানের খাটি দেশপ্রেমিক।দেশের ছেলেমেয়েরা যেভাবে ভুল পথে হাঁটছে, আর বিকৃত মানসিকতা নিয়ে বড় হচ্ছে, তাতে তিনি যারপরনাই বিস্মিত এবং দুঃখিত।
তিনি তার বক্তব্যে বলতে চেয়েছেন অনন্ত আমাদের ছেলে, তাকে নিয়ে মশকরা করা ঠিক না।অনন্ত যা খুশি করবে তাতে তোমাদের কি?
তিনি এক জায়গায় বলেছেন

“আমাদের একজন মন্ত্রী শাহরুখের মতো মেলোড্রামা করা অভিনেতার অনুষ্ঠান দেখার জন্য গদগদ হয়ে মাটিতে বসে পড়েছিলেন। হাসি-ঠাট্টা করলে এ ধরনের লোকদের নিয়ে করাটাই ভালো, অনন্তকে নিয়ে নয়। অনন্ত আমাদের সন্তান। তাঁকে অসহ্য মনে হলে বর্জন করুন। কিন্তু তাঁকে একজন অদ্ভুত আগন্তুকের মতো ধরে নিয়ে এমন ঠাট্টা-মশকরার কারণ নেই।

আচ্ছা মানলাম তার কথা ঠিক আছে তাকে নিয়ে আমরা কেউ আর মশকরা করব ন।আর যাও করেছি তার জন্য শাহবাগের মোড়ে ১২৭ বার কান ধরে উঠবস করব।কিন্তু আসল ব্যাপার হল এই আজিব নজরুল সাহেব জ্বলন্ত অনিল সাহেবের পক্ষে কথা বলার আড়ালে আসলে কি বলতে চেয়েছেন আমরা একটু লক্ষ করি।উনি তার ৩ নম্বর কলামে লিখেছেন

“আমরা বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল লরিয়েটকে বিনা দ্বিধায় আখ্যায়িত করি সুদখোর হিসেবে। যে বিচারপতির প্রজ্ঞা, জ্ঞান আর সততা নতুন প্রজন্মের কাছে হতে পারত আলোকবর্তিকার মতো, শুধু গোলাম আযমের নাগরিকত্ব মামলার রায় দেওয়ার জন্য তাঁকে দালাল আর রাজাকার হিসেবে অভিহিত করা হয় অনলাইন আড্ডায়। যে নেত্রী তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, তাঁর জন্মের বৈধতা আর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। যে প্রবীণতম সাংবাদিক সবার শ্রদ্ধার দাবিদার, তাঁকে গালাগালি করা হয় অশ্রাব্য ভাষায়।

আসলে জ্বলন্ত অনিল সাহেব কিছুই না।উনার উপরের বক্তব্য থেকে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি উনি স্রেফ ইউনুছ সাহেব,বেগম খালেদা জিয়া আর আমার দেশের সম্পাদক সাহেব মাহমুদুর রহমান এদের মত মানুষের হাল্কা দালালি করতে লিখাটি লিখেছেন।আর মতি ভাই সুন্দর করে খোলা কলম পাতায় ব্যাপারটি ছেপেছেন।ভাল, সবই ভাল।কিন্তু কথা হল যে,আমরা পিয়াজ করিম,আজিব নজরুল বা ফরহাদ মাঝার এঁর মত বুদ্ধি-নটি না।আমরা গোলাম আজম এর মত মানবতা বিরোধীদের প্রশ্নে নোবেল বিজয়ীর ও বিরোধিতা করতে পারি,আমরা ৩ বার কেন ১৩৩ বার নির্বাচিত প্রধান মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও বলতে পারি যদি সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের মৃত্যু দিবসে ভুয়া জন্মদিন পালন করে নিজেকে হাস্যকর ও অসহ্য করে তোলে,আমরা প্রবীণতম বা প্রবীণশ্রেষ্ঠ সাংবাদিক বা কূটনীতিক হুয়াটইভার সে আবুল কি মফিজ তাতে কিছু যায় আসে না।সে যদি দেশ-বিরোধী বা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পক্ষের হয়ে কাজ করে তাকে আমরা কখনই আলু বেগুন কোন কিছু দিয়েই দাম দিব না।

আমরা আমাদের মাথা কারো কাছে বিক্রি করি নি।আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক।আপনাদের মত বুদ্ধি নটি না।
হুমায়ুন আজাদ একটি কথা বলেছিল,কথাটার ভাবার্থ কিছুটা এই রকম যে, রাজাকার একবার রাজাকারি করলেই সে রাজাকার,কিন্তু একবার কোন সময় দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করে পরে আবার সে ছোটলোকের মত টাকা বা ক্ষমতার লোভে দেশের বিরুদ্ধে কাজ করলে সে আর মুক্তিযোদ্ধা নয়।

আমাদের দেশে কিছু অধ্যাপক আছেন,অধ্যাপক হিসেবে হয়ত তারা সম্মানিত।কিন্তু তাদের মতামত আমাদের কাছে কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়।আর এভাবে তারা অবশ্যই এবং অবশ্যই আমাদের মতাদর্শকে কে পাল্টাতে পারবে না।

২৪ thoughts on “বিশ্বাস করুন আমি অনন্ত জলিলের শুভাকাঙ্ক্ষী।

  1. আজিব নজরুল তো আর আগেই নষ্ট
    আজিব নজরুল তো আর আগেই নষ্ট হয়ছে। অনেকদিন কষ্ট কইরা চুশিল ভাব ধইরা ছিল। রাজাকার দের যখন বিচার শুরু হইল আর পারে নাই তখন নিজের বাইধা রাখতে এখন তো সরাসরি নামছে রাজাকার বাঁচানোর জন্য। একদিন যাইয়া ওর দরজার সামনে মুত্র ত্যাগ করে আসতে হবে।

    ওহ, খুব সুন্দর লিখেছেন ভাই। সকালে কলাম টা দেইখাই মেজাজ টা চইটা ভাবছি জলিলের ম্যালা ট্যাকা আছে হয়ত চাটুকারি করার জন্য লিখছে। এহন দেহি এই কাহিনী।

  2. আসিফ নজরুলকে নিয়ে আমার কোন
    আসিফ নজরুলকে নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। কিন্তু অনন্ত জলিলকে নিয়ে এত হাসি তামাশা কেন? আমিও শুরুতে শুরুতে করতাম। কিন্তু এক সময় মনে হলো, আমিতো অনন্ত জলিলের তুলনায় কিছুই না। তিনি তাঁর গার্মেন্টস ব্যাবসার মাধ্যমে শত শত মানুষের অন্ন সংস্থান করেছেন, দেশের জন্য আয় করেছেন লক্ষ লক্ষ ডলার। আমি যতদূর জানি ওনার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি “পড়ে পাওয়া ১৪ আনা” নয়, নিজের ঘাম ঝরিয়ে দাড় করানো। তিনি কারো কাছে ছবি তৈরীর জন্য হাত পাতেন নি। নিজের পয়সা দিয়ে তিনি যা ইচ্ছা তা করতে পারেন। আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পে যেখানে পর্দার পেছনের বিভিন্ন পেশাদার ব্যাক্তিগন যেমন লাইটসম্যান, মেকআপম্যান ইত্যাদিদের টাকা-পয়সা দেয়ার ক্ষেত্রে গড়িমসি কিংবা বঞ্চিত করা হয়, সেখানে তিনি একজন স্বচ্ছ ব্যাক্তি হিসাবে সুপরিচিত। আর কিছু না হোক তিনি অন্তত উন্নত প্রযুক্তি এনে দর্শকদের প্রযুক্তিগত চাহিদার স্তর অনেক উপরে তুলেছেন। এখন অন্য কোন ভালো পরিচালক ছবি তৈরি করতে গেলে এসব প্রযুক্তি ব্যাবহার করার কথা ভাববেন। এতে আখেরে শিল্পেরই লাভ হবে। আরেকটা কথা, আমার মনে হয় জলিল সাহেব বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃঢ়চেতা ব্যাক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে আমাদের মধ্যে কে কথা বলে নি, কে কটু কথা বলেন নি? তিনি আমাদের কথার দু’পয়সা দাম দেন নি। আমাদের কথা রয়ে গেছে আমাদের মাঝেই। তিনি চলেছেন তাঁর মতো। যেভাবেই হোক, তাঁর ছবি ব্যাবসা সফল হয়েছে। তাঁর উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। আমি তাঁর সাফল্য কামনা করি।

    1. আমি তো সবার প্রিয় জলিল
      আমি তো সবার প্রিয় জলিল সাহেবকে নিয়ে তার দেয়া মত মেনে নিয়েছি।কারন উনি কিছু হলেও নতুন নিয়ে আসার চেস্টা করেছেন।কিন্তু তার মানে এও নয় যে তাকে সব সময় খামখা সমর্থন করতে হবে।সমলচনা থেকেই সে তাকে শুধরে নিতে পারে।অবশ্যই তার সব কিছুই ভাল নয়।যাই হোক আসলে লেখাটি কিন্তু জলিলকে নিয়ে ছিল না।লেখার সাব্জেক্টটি ছিল এই লেখার আড়ালে নরজুল ষাঁড়ের আতলামি নিয়ে।আপনি মনে হয় লেখার বিষয়বস্তু বুঝতে পারেননি।

      ====================================

      1. আপনার লেখার বিষয়বস্তু না
        আপনার লেখার বিষয়বস্তু না বোঝার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না| এক জীবনে জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে অনেক ভালো ভালো লেখার মর্মার্থ বুঝতে ব্যার্থ হয়েছি| সে আক্ষেপ নিয়েই হয়ত মরতে হবে| তবে এতটুকু বুঝি যে যখন নাম বিকৃত করে “জ্বলন্ত অনিল” লেখা হচ্ছে তখন লেখক অনন্ত জলিলকে হেয় করার মানসিকতা থেকেই বিকৃতিটা ঘটাচ্ছেন| আমার এই অনুমান ভুল হলে ক্ষমা করবেন| আর অনন্ত জলিলের হাস্যকর ছবি দেখতে গিয়ে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরাচ্ছেন আর বাংলা ছবির ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, তাদের ১০ ভাগের ১ ভাগও যদি তারেক মাসুদের ছবি হলে গিয়ে দেখতেন তাহলে তাকে আক্ষেপ নিয়ে মরতে হত না|

        1. তারেক স্যার আক্ষেপ নিয়ে মরছে
          তারেক স্যার আক্ষেপ নিয়ে মরছে কে বলল ?
          তিনি তার কাজ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন ছিলেন।এবং তিনি জানতেন তিনি কোন দেশে বাস করে কি সিনেমা মানুষকে দেখাতে যাচ্ছেন।যারা আন্তসচেতন তারা কখনই আক্ষেপ করে না।আক্ষেপ শুধু মূর্খেরি শোভা পায়।তারেক স্যার তার নিজের কাজ সম্পর্কে অনেক ভাল জানতেন।তিনি এও জানতেন তিনি কি করতে যাচ্ছেন,আর তার পথে কি কি বাধা থাকবে।
          দেখুন ভাই আমার লেখার জন্য যদি কেউ আমাকে নিয়ে বিদ্রুপ করে তার দায় আমাকেই নিয়ে হবে।আর আমি যদি জানি আমার কাজ আমি ঠিক মত করছি তাহলে সেই সমলচনা নেবার কোন মানে নেই।
          আপনার প্রিয় জলিল সাহেব এর কাজ নিয়ে এই পোস্টের বক্তব্য ছিল না।তবু ও তাকে আমি কটাক্ষ করেছি,ঠিক যেমন নরজুল ষাঁড় তাকে পুরপুরি সমর্থন করে গেছে।সামান্য গঠনমুলক সমালচনাও করেন নাই।যাই হোক ভাই তারেক মাসুদ স্যার কে নিয়ে উলটা পালটা কইয়েন না।উনি আমাদের কাছে অনেক সম্মানের।উনি কি কি দুঃখ নিয়া মারা গেছেন সে নিয়া আপনার গবেষণা না করলেও চলবে।
          আর আমরা যারা বাংলা সিনেমার ভাল ভবিষ্যৎ আশা করি তারা কাজ করব।কাজের সমলচনা করব।কাজ খুব খারাপ হলে কটাক্ষ করব।হাসব,ভাল হলে বাহবা দেব।
          সিনেমা একটা আর্ট।একে নিয়ে খেলা যায়।ব্যাঙ্গ করা যায়।মাতা যায়।সব কর যায়।
          যায় না ধর্মের মত আদর্শ নিয়ে।আপনি এটাকে অইরকম ভাববেন না।
          আর তারেক স্যার সম্পর্কে আর একটা বাজে কথাও না।উনি আমাদের যথেষ্ট দিয়েছেন।
          আমরাও তাকে অনেক ভালবেসেছি।তা নিয়ে আপনার সংশয় থাক্তেই পারে।
          এখানে আপনার মাথা ব্যাথা হল জ্বলন্তকে নিয়ে,কিন্তু নরজুলের মত একটা রাম পাঠাকে নিয়ে নয়।আপনি আপনার অনুভুতি নিয়ে দূরে থাকুন।
          ========================================

          1. তারেক মাসুদ সম্পর্কে বাজে কথা
            তারেক মাসুদ সম্পর্কে বাজে কথা কোথায় বললাম একটু দেখাবেন? আর উনার সম্পর্কে গবেষণা করার একক অধিকার আপনাকে কে দিল? কয়টা ছবি হলে গিয়ে দেখেছেন ওনার সেটা আপনিই ভালো জানেন| আর ব্লগে এসে মেজাজ দেখাবেন না| এটা মেজাজ দেখানোর জায়গা না| আর আপনি মেজাজ দেখালেও আমার বা কারো কিছুই যায় আসে না| আলোচনা, সমালোচনা, দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তার জবাব আক্রমনাত্নক হওয়া সমচীন নয়| যাই হোক, আপনার মসিকতা আমি বুঝে গেছি| ভুল জায়গায় এসে পরেছিলাম| আপনার সাথে আমার আর কোনো আলোচনায় হবে না| ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন|

          2. তারেক মাসুদ সম্পর্কে যা
            তারেক মাসুদ সম্পর্কে যা বলেছেন তাই যথেষ্ট।সেটা কেমন নাই বা বললাম।অন্তত উনার মত মানুষ সম্পর্কে বলতে গেলে আরও অনেক সাবধানী হতে হয়।
            আপনি তার সম্পর্কে একটি লাইনে যা বলেছেন তা আমার কাছে শুনতে একটুও ভাল লাগে নাই।তাই বলেছি এই রকম গবেষণা উনার মত মানুষ সম্পর্কে না হওয়াই ভাল।
            আর মেজাজ??
            আপনি না বুঝে তারেক স্যার এর মনের দুঃখ নিয়া কাব্য করে যাবেন কেউ কিছু বলবে না ?? ????????????
            আপনি প্রথম মন্তব্বেই প্রসঙ্গ হারিয়ে ফেলেছিলেন।তার পর আবার তারেক স্যারকে নিয়ে এসেছেন, না জেনে বুঝে।
            আর সমলচনা যে সবাই আদুরে ভাষায় করবে তা আপনি আশা করতে পারেন। কিন্তু সে আশা আশাই থেকে যাবে। আমি না করলেও এই রকম প্রসঙ্গে, উলটা পালটা, সামান্য কথায়ি আপনি এইরকম সমলচনা শুনবেন।
            কিন্তু সেটা নিতে পারবেন কিনা সেটা আপনার ব্যাপার।
            =============================================

          3. কুল ডাউন ব্রাদার। এখানে
            কুল ডাউন ব্রাদার। এখানে আপনাদের মাঝে একটা ভুল বোঝা বুঝি হয়েছে। ফরিদ ভাই তারেক মাসুদ কে ছোট করে বক্তব্য দিয়েছে এটা আমি মনে করি না। দুই জনের মতই কাছা কাছি তবে হয়ত ভিন্ন ভাবে। :গোলাপ:

          4. ফরিদ ভাই তারেক মাসুদ কে ছোট
            ফরিদ ভাই তারেক মাসুদ কে ছোট করে বক্তব্য দিয়েছে এটা আমিও বলি নাই।
            কিন্তু এই রকম মানুষদের সম্পর্কে বলতে গেলে অবশ্যই আরও সতর্ক হয়ে কথা বলা উচিত।
            আর উনার মত আর আমার মত কাছাকাছি না ভাই। কারন,উনার মাথা ব্যাথা হল জ্বলন্তকে নিয়ে,কিন্তু নরজুলের মত একটা রাম পাঠাকে নিয়ে নয়।
            কিন্তু আমার পোস্টটা আসলে ছিল নজরুল সাহেবের খচরামি নিয়া।
            আর উনি এখানে জলিলরে নিয়া দরদ দেখাইতে আসছে।
            এককালে সবাই হুজুগে জলিলকে নিয়া ঠাট্টা মারছে,আর ইদানীং তারে পুরা দেশি মাল ব্যাবহার করুন টাইপের কাহিনী শুরু করছে।এটাও অবশ্যই আমি সাপোর্ট করি না।কাজে পরিচয়।নরম কথায় নয়, তাই কথার ঝাল বা মিস্টি দিয়ে আসলে কিছুই যায় আসে না ভাই।সত্য সব সময় নির্মম।
            আমি এই নীতিতে বিশ্বাসী যে, “বরং দ্বিমত হও।”

            =============================================

  3. অনন্ত জলিলের হয়তো অনেক সমস্যা
    অনন্ত জলিলের হয়তো অনেক সমস্যা রয়েছে॥ কিন্তু তিনি আমাদের হলে যাওয়ার জন্য আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন॥

    “আর আসিফ নজরুলের কথা কি বলব?
    পৃথিবীতে যতি দালালীর কোন আর্ন্তজাতিক পুরুস্কার থাকত, তাহলে নির্ঘাত সে পেত”॥

  4. আসিফ নজরুল একজন বাক
    আসিফ নজরুল একজন বাক সন্ত্রাসী। মধ্যরাতের কুচক্রী টকশোতে যেদিন এই মানুষটা বলেছিল সাঈদী নির্দোষ সেদিনই আমি স্পষ্ট দেখেছি একটা ল্যাঞ্জা ধীরে ধীরে বের হচ্ছে নজরুলের পেছন দিকে থেকে। আমি নিজেও বুঝি না, যে মানুষটা একসময় শহীদ জননী জাহানারা ঈমামের সাথে একজোট হয়েছিলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে সে কিভাবে এত তাড়াতাড়ি বদলে যেতে পারে। প্রথম আলোর প্রতি আমার অ্যালার্জি আছে। তাই পত্রিকাটি পড়া হয়না। কিছুক্ষণ আগেই পাশের বাসার প্রতিবেশির কাছ থেকে পড়ার জন্য নিলাম। আর এই টপিকটা পড়েই আমি অবাক। এখানে অনন্ত জলিলকে জাস্ট ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আসিফ নজরুল অত্যন্ত সুকৌশলে বেশ্যাবৃত্তি করে গেছেন কয়েকটা যায়গাতে।

    তবে সত্যি বলতে কি, অনন্তকে নিয়ে আজ আমাদের দেশের কয়েকটা টিভি রেডিও চ্যানেল ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে যেটা কিছুতেই কাম্য নয়। এটিএন বাংলার মুন্নী সাহা অনন্ত জলিলের একটা সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন অনেক আগে। কারো মনে আছে কিনা জানিনা। এই সাক্ষাৎকারে অনন্ত জলিল বিচিত্র কিছু কথা বলেছিলেন যেটা সবার হাসির খোরাক। হ্যাঁ, অনন্ত কমেডিয়ান। কিন্তু সেদিন মুন্নী সাহার প্রশ্ন গুলো কেউ মনে করতে পারেন কিনা দেখুন। এত কুরুচি পূর্ণ প্রশ্ন শুধু অনন্ত বলেই করতে পেরেছে। অন্য কেউ হলে কতটুকু সাহস হত তা আমার জানা নেই।

    এইবার মনে করে দেখুন কেএফসি কেলেনঙ্কারি। কোনো একদল ওভার স্মার্ট তরুন তরুনি অনন্তের সামনেই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করতেছে। স্বাভাবিক ভাবেই অনন্তের মেজাজ গরম হয়ে যায়। সে ঐ নষ্ট তরুণদের কিছু কথা শুনিয়ে দেয়। কিন্তু তারপর এক তরুণী যেভাবে তাকে রিকশাওয়ালার বাচ্চা, ফকিরের বাচ্চা সহ আরো বিশ্রী ভাষায় গালি দিলো সেটা কতটুকু উচিত হল তা আমার জানা নেই। নিজের কাছেই খারাপ লেগেছে এই সংবাদ শোনার পর।

    আমি বলবো, হাসি তামাশা সবাইকে নিয়েই করুন। বেশি বেশি করে করুন। আমি নিজেও অনন্তের ‘ইউ পম গানা’ নিয়ে হেসেছি। কিন্তু সব কিছুর একটা লিমিটেশন আছে। অন্তত এভাবে বিশ্রী সমালোচনা কারো কাম্য নয়। সমস্যাটা হল অনেকে অনন্তকে মহান মানুষ ভাবে আর অনেকে তাকে মানুষই মনে করেনা। কিন্তু অনন্ত একজন মানুষ। সে একজন হাস্যকর ভালো মানুষ। আমরা তাকে উপদেশ দেবো। কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে তাকে আঙুল দিয়ে তার ভুল গুলো দেখিয়ে দিবো। কিন্তু তাকে গালি দেয়ার মানে এই নয় যে আমি স্মার্ট হয়ে গেলাম।

    আর, আসিফ নজরুল কে নিয়ে যা বলার সেটা তো বলেছি। বুদ্ধিবেশ্যাকে নিয়ে আমি কথা বলে সময় অপচয় না করে তারচেয়ে বরং আইনস্টাইনের সূত্রটি পড়ে আসি। সামনে টেস্ট পরীক্ষা, চিন্তায় আছি। :টাইমশ্যাষ: :আমারকুনোদোষনাই:

  5. আমিও আপনার কথার সাথে
    আমিও আপনার কথার সাথে একমত।কিন্তু আমার পোস্টের বিষয়টি অনন্ত জলিলকে নিয়ে ছিল না।ছিল, তাকে ব্যাবহার করে নরজুল মাস্টার এর খাচরামি নিয়া।কিন্তু এককালে সবাই হুজুগে জলিলকে নিয়া ঠাট্টা মারছে,আর ইদানীং তারে পুরা দেশি মাল ব্যাবহার করুন টাইপের কাহিনী শুরু করছে। এমনকি তাকে পুর সমর্থন করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক একটি বহুল প্রচারিত খচ্চর দৈনিকে লিখেছে।তাকে সমর্থন করার খুব বেশি কারন আছে বলে আমি মনে করিনা।কিন্তু এটা ঠিক আমাদের উচিত তার গঠনমূলক সমালোচনা করা।শুধু কটাক্ষ করে হাসি ছাড়া আর কিছুই লাভ হবে না।

    ==============================================

  6. আসিফ নজরুল যে একজন বিকিয়ে
    আসিফ নজরুল যে একজন বিকিয়ে যাওয়া বুদ্ধি নটি সেটা এখন সবাই জানে। কিন্তু আলু কেন এখনও এইসব নটিদের কলাম ছাপে? আলুর ল্যাঞ্জা তাইলে কতো বড়?

    1. আলু পত্রিকা পড়া হয় না॥
      কিন্তু

      আলু পত্রিকা পড়া হয় না॥
      কিন্তু আসিফ নজরুল সহ বিভিন্ন জারজরা যখন যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাফাই গায়, তখন মনে হয় “স্ট্রিং অপারেশন” করে সবগুলোরে জেলে পাঠাই॥

      1. হয়ত সময় আসছে ঘনিয়ে।
        সময়ের

        হয়ত সময় আসছে ঘনিয়ে।
        সময়ের দাবি অগ্রাহ্য করা যাবে না।দরকার হলে দেশের জন্য সব কিছুই করতে হয় দেশের নাগরিকদের।
        যারা অন্য জাতীর বীর্যে জন্ম নিয়েছে তাদের কথা আলাদা।
        যেমন ঐ বুদ্ধি নটিরা।

        ============================================

    2. আসলে আলুর ল্যাঞ্জা ছোট বা বড়
      আসলে আলুর ল্যাঞ্জা ছোট বা বড় এইসব বিশেষণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না।
      কারন আলু ইজ জাস্ট ডুইং এ বিজনেছ।
      এবং তার আছে এক বিশাল বাহিনী।যারা ছরিয়ে আছে বাংলার সব দলে।সব প্রতিষ্ঠানে।
      ডক্টর ইউনুছ,মতিউর রহমান,ফরহাদ মাজাহার,পিয়াস করিম,আসিফ নজরুল,ডাঃ জাফরউল্লা চৌধুরী,……………………………সাকা চৌধুরী এরা আসলে একই গান বিভিন্ন রাগিণীতে গায়।এদের দলে ইদানীং আরও জুটেছে কাদের সিদ্দিকি ও আরও অনেকে।
      যাই হোক এগুলা আর দেশের মানুষের অজানা নাই যে উনারা আসলে কারা বা কি চায়।

      =================================================

    1. ঈবলিশ এইগুলার থেকে ভাল। কারন
      ঈবলিশ এইগুলার থেকে ভাল। কারন শয়তান মানুষের ক্ষতি করে, নিজের প্রজাতির না।

      ===================================================

  7. ওই আর্টিকেল পইড়া তো ১৪টা
    ওই আর্টিকেল পইড়া তো ১৪টা বাইজা গেছিল মেজাজের। শালা এক টাকলা আরেক মুরাদ টাকলার তরফদারি করে আবার গোলাপির জুতা চাটে…..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *