Content Removed

Writer is considering to rewrite this section. Content will be updated soon. Thanks for your patience.
১)
রোজা উপলক্ষে কিনা জানি না। তবে আমার কাছে মনে হল রমজানে দেশেটায় একটা শান্তি শান্তি ভাব নেমে এসেছিল। এখনো বাতাসটা কেমন যেন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা। আকাশের ওই ধবধবে সাদা মেঘগুলো আগের চাইতে অনেক উঁচুতে ভেসে বেড়াচ্ছে। আকাশটাকেও দেখাচ্ছে আগের চাইতে আরো স্বচ্ছ আরো নীল। এমন স্বচ্ছ নীল আকাশ কি অন্য কোথাও দেখা যায়? মনে হয় না।

৫১ thoughts on “Content Removed

  1. নিরপেক্ষতা মানে এই না যে
    নিরপেক্ষতা মানে এই না যে ন্যায়-অন্যায় আর সত্য-মিথ্যা কে একই পাল্লায় মাপা…
    তুই সুকৌশলে দু’দলকে সমান প্রমাণ করতে চেয়েছিস আসলে ব্যাপার সেরকম না!
    :দেখুমনা: :দেখুমনা: :দেখুমনা: :দেখুমনা: :দেখুমনা: :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন:
    মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মানে কি? :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:
    আওয়ামী লীগ আর বিএনপিকে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ মনে করি না কয়েকশো যুক্তি দিতে পারব… হুজুগ হয়তো বাস্তব কিন্তু ন্যায়সঙ্গত না!!

  2. আওয়ামী লীগ আর বিএনপিকে

    আওয়ামী লীগ আর বিএনপিকে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ মনে করি না কয়েকশো যুক্তি দিতে পারব…

    যুক্তি হয়তো ন্যায়সঙ্গত কিন্তু বাস্তবসঙ্গত না।

    1. তাহলে কি করবি বাস্তবসম্মত
      তাহলে কি করবি বাস্তবসম্মত আবর্জনায় হাবুডুবু খাবি?
      ঠিক এই মুহূর্তে বলতো জনসম্পৃক্ত কোন ইস্যুটায় বিএনপি এগিয়ে আছে?
      এইসব জঞ্জালময় রাজনীতি ছেড়ে বিএনপি-কে মঙ্গলময় কিছু করতে বল…

      1. তুই আমাকে বল ক্ষমতায় থাকার
        তুই আমাকে বল ক্ষমতায় থাকার পরও “জনসম্পৃক্ত কোন ইস্যুটায় আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে?”
        সুন্দরবন ধ্বংস করে?
        বিচার ব্যাবস্থা ধ্বংস করে?
        বিরোধীদলকে দমন করে?

        1. এই পোস্টখানা পড়ে
          এই পোস্টখানা পড়ে দেখঃ
          আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সরকারের কিছু মৌলিক পার্থক্য— আমার লিখা!
          কতটা যোজন যোজন ফারাক দুদলে একটু মাথা খাটাইলেই বুঝতে পারবি…

          মানুষের মৌলিক চাহিদা কি কি? ছোট বেলা থেকেই আমরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সবাই পড়ে এসেছি। সেসব হচ্ছেঃ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। এইবার একটু লক্ষ্য করি গত ৪ টি সরকারের (১৯৯১ থেকে ২০১৩) আমলে কি কি মৌলিক পার্থক্য ছিল এইসব ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অর্জনে?
          খাদ্যঃ
          ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মত খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। এর ফলশ্রুতিতে জাতিসংঘের কৃষি সংস্থা কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ সেরেস পুরস্কার অর্জন করে। এইখানে উল্লেখ্য, জাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জনের ও টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষিনীতি ও খাদ্যনীতি প্রণয়ন হয় ১৯৯৯ সালে (দেশে প্রথম…) এবং ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ, আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। বর্তমান জাতীয় কৃষিনীতি’র খসড়া চূড়ান্ত; এমডিজি বা শতাব্দী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেই নতুন খসড়া হয়েছে। আমরা দেখেছি ১৯৯৮ সালের স্মরণ কালের ভয়ংকরতম বন্যার পর কীভাবে তৎকালীন সরকার পুরা পরিস্থিতিই অতি দক্ষতার সাথে সামলে নেয়। এদিকে খাদ্য উৎপাদনে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী তথা আওয়ামীলীগ সরকারের অবদান নিয়ে আরও অনেক কিছুই বলা যায়, কোন শব্দই তার জন্যে অতিকথন হবে না।
          বস্ত্রঃ
          দেশে মানুষের পোশাক নিয়ে কোন সমস্যা নেই সেই অর্থে যে আমাদের দেশ এখনও বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান যদিও সাম্প্রতিক কিছু বড় দুর্ঘটনা দেশের পোশাক শিল্প চাপের মুখে আছে। তৈরি পোশাকের ৬০% ইউরোপে এবং ২৩ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরও বাংলাদেশ তৈরি পোশাকের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে। (তথ্যসূত্রঃ রয়টার্স এর বরাত দিয়ে বলছে মিডিয়া মেইল ২৪)
          বাসস্থানঃ
          ঢাকা মহানগরীকে সুষ্ঠুভাবে সম্প্রসারণ এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ১৯৯৫-২০১৫ করা হয়েছিল। এর অধীন বেজ প্ল্যান নিয়ে ১৯৯৭ সালে ঢাকার জন্য তৈরি করা হয় ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান। ডিএমডিপি বাস্তবায়ন করার কথা তিন ধাপে। এর প্রথম দুটি ধাপ স্ট্রাকচার প্ল্যান এবং আরবান এরিয়া প্ল্যান ১৯৯৭ সালের মধ্যে গেজেট আকারে অনুমোদন হয়। এর পরবর্তী ধাপ ছিল ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান বা ড্যাপ। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালে অনুমোদিত হয় ড্যাপ। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ড্যাপের মেয়াদ রয়েছে ২০১৫ সাল পর্যন্ত। এরপর ড্যাপ হবে ২০১৬ থেকে ২০৩৫ সাল মেয়াদি। আমরা কিছুদিন আগে এক ভুমি দস্যুর সাথে তার বাকবিতণ্ডার একটা অডিও শুনেছিলাম। গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাড. আবদুল মান্নান খান এমপি জাতিসংঘে হ্যাভিটেট গভর্নিং কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন তার এমন কঠোর এবং দৃঢ় অবস্থানের ফলে।
          শিক্ষাঃ
          যে শিক্ষার জীবনীশক্তি নেই তা মূল্যবোধ সৃষ্টিতেও নয় মানবিকও নয়। আশার কথা এই যে, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ -এ মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সকল বক্তব্য, মন্তব্য ও সুপারিশ বহুলমাত্রায় পরিলক্ষিত। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ -এর পূর্বে স্বাধীন বাংলাদেশে আরো ছয়টি কমিশন/কমিটি রিপোর্ট ঘোষিত হয়েছিল। এগুলো হলোঃ
          ১) বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন (ড. কুদরত-ই-খুদা) রিপোর্ট ১৯৭৪
          ২) অন্তবর্তীকালীন শিক্ষানীতি (কাজী জাফর-আবদুল বাতেন প্রণীত) ১৯৭৯
          ৩) মজিদখান কমিশন রিপোর্ট ১৯৮৩
          ৪) মফিজউদ্দিন শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট ১৯৮৭
          ৫) জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০০ ও
          ৬) জাতীয় শিক্ষা কমিশন (মনিরুজ্জামান মিয়া) প্রতিবেদন ২০০৩;
          সদ্দিচ্ছা, আন্তরিকতা, দেশপ্রেম, দেশ ও জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা এবং গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলে সীমিত সম্পদের মধ্যেও যে মহৎ কিছু করা যায় তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০; আর তাই স্পষ্টতই বাংলাদেশে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি’ হয়েছে দু’টো ২০০০ ও ২০১০ সালে। এইদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা আনয়ন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য “The Private University Act 2010″ কার্যকর হয়েছে, ২০১২ সালে।
          চিকিৎসাঃ
          বর্তমান সরকারের আমলে চিকিৎসা উন্নয়ন হয়েছে অতীতের যে কোনো সরকারের আমলে থেকে বেশী। মহাজোট সরকারের সময়ে প্রায় ৬ হাজার তরুণকে চিকিৎসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ১৯৯১ থেকে ৯৬ সময়কালীন সরকারের সময় চিকিৎসা পেশায় মোট সাড়ে তিনশ পদ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু ৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তাছাড়া ১৫ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্টাসহ আরও বেশ কিছু চোখে পরার মত কাজ আছে। এরশাদের আমলে ১৯৯০ সালের স্বাস্থ্য নীতি প্রণীত হয়েছিল কিন্তু গ্রহণযোগ্য হয় নি, তারপর সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য নীতি হয় ২০০০ সালে এবং পরবর্তীতে ২০০৬, ২০০৮ ও ২০০৯ সালের স্বাস্থ্য নীতি। বর্তমান স্বাস্থ্যনীতিটি অনেকটা সফলতার মুখ দেখলেও আগের সবকটিই ছিল নামসর্বস্ব।

          1. তারিক ভাই… কাজটা চরম
            তারিক ভাই… কাজটা চরম করতেছেন… :বুখেআয়বাবুল: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল:

          2. ধইন্যা…
            ধইন্যা… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  3. আপাতঃ দৃষ্টে দুই দলকে মূদ্রার
    আপাতঃ দৃষ্টে দুই দলকে মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। তবে দুই দলের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য আছে।অতি সাধারণ পাবলিক বলতে পারে, এ দুই দল মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ব্যাপক। এর অন্ততঃ হাজারটা যুক্তি উপস্থাপন করা সম্ভব। এখানে শুধুমাত্র একটি যুক্তি উপস্থাপন করতে চাই, আওয়ামী লীগ এর জন্ম রাজনৈতিকভাবে আর বিএনপি’র জন্ম সেনানিবাস হয়ে আমলাতন্ত্রের হাত ধরে। যেহেতু জন্মসূত্রেই পার্থক্য সুতরাং একে অন্যের সাথে আর তূলনা হয়না বরং পার্থক্য হতে পারে….

    1. মুকুল ভাই, আমি বেশীর ভাগ
      মুকুল ভাই, আমি বেশীর ভাগ লোকের মতো দুই দলকে আপাতঃ দৃষ্টে মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ হিসেবেই বিবেচনা করছি।

      1. তুইতো তাই করবি!! তাহলেই দাবী
        তুইতো তাই করবি!! তাহলেই দাবী করতে পারবি একবার এপিঠ আসলে পরের বার ঐপিঠ আশা উচিৎ… কিন্তু ব্যাপার তা না!! আমাদেরকে জনস্বার্থেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে!! তথাকথিত নিরপেক্ষতার বুলি আওড়ে বিএনপি-আওয়ামীলীগকে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলার অবকাশ নেই!!

        1. তাহলেই দাবী করতে পারবি একবার

          তাহলেই দাবী করতে পারবি একবার এপিঠ আসলে পরের বার ঐপিঠ আশা উচিৎ….তথাকথিত নিরপেক্ষতার বুলি আওড়ে বিএনপি-আওয়ামীলীগকে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলার অবকাশ নেই!!

          কেন? দাবি না করার কি আছে?

  4. পোস্ট টা ভালই করেছেন
    আমি শুধু

    পোস্ট টা ভালই করেছেন
    আমি শুধু রাজাকারের বিচারের জন্যই এই আওয়ামিলীগের কাছে দায় বদ্ধ তা না হলে সবাইকে একই কাতারে ফেলা যায়।বুঝলেন জনাব! একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এটাও যেমন এক দৃষ্টিকোন থেকে সত্য তেমনই এই দুইয়ের মধ্যে ব্যপক ফারাক এইটাও সত্য

    একজন ধর্মানুভুতি নিয়ে খেলে আরেক জন দেশাত্ববোধ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খেলে!

    1. একজন ধর্মানুভুতি নিয়ে খেলে

      একজন ধর্মানুভুতি নিয়ে খেলে আরেক জন দেশাত্ববোধ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খেলে!

  5. স্বাক্ষরতার হার:
    বি,এন,পি২০০৬

    স্বাক্ষরতার হার:
    বি,এন,পি২০০৬ = ৫১.৯০%
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৬৫.০৪%
    মাথাপিছু গড় আয়:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৪২৭ র্মাকিন ডলার
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৯১৪ র্মাকিন ডলার
    প্রবৃদ্ধি অর্জন:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৫.৭%
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৬.৭%
    রেমিটেন্স প্রবাহ:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১৩ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৪৮ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার
    দারিদ্র হার:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৪১.৫১%
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২৯.০৩%
    কর্মসংস্থান:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ২৪ লক্ষ
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৭৫ লক্ষ
    বৈদেশিক বিনিয়োগ:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১৮৭ কোটি র্মাকিন ডলার
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩৮২ কোটি র্মাকিন ডলার।
    মাতৃত্বকালীন ছুটি:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৪মাস।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৬ মাস।
    ইন্টার নেট গ্রাহক সংখ্যা:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৫৭ লক্ষ
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৪ কোটি
    জনশক্তি রপ্তানি:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৯ লক্ষ ৮ হাজার
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২০ লক্ষ ৪০ হাজার
    শিশু মৃত্যুর হার:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৬.১০%
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩.৯৯%
    পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বের অবস্থান:

    বি,এন,পি ২০০৬ = চর্তুথ।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = দ্বিতীয়।
    খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য (ঘাটতি)
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২৩ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ( উদ্বৃত)
    স্বাস্থ সেবা:
    বি,এন,পি ২০০৬ = অসম্মতি
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ১৫ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্টা
    সর্বোচ্চ বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৩১০০ মেগাওয়াট।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৮৫২৫ মেগাওয়াট।
    জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধি গড়:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১৩৬%
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩৮%
    সমুদ্র সীমা জয়:
    বি,এন,পি ২০০৬ = নিস্ক্রিয়
    আওয়ামীলীগ২০১৩ = ১১১৬৩১ বর্গ কি, মি,
    শ্রমিকদের নুন্যতম মজুরি:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১৬৬২ টাকা।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩০০০ টাকা।
    রপ্তানি আয়:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১.০৩ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২.৪৩ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার।
    হাসপাতালের সংখ্যা:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১৬৮৩ টি।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২৫০১ টি।
    পবিত্র হজ্ব পালন:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৪০ হাজার যাত্রী ( সার্বোচ্চ)
    আওয়ামীলীগ২০১৩ = ১ লক্ষ ১০ হাজার যাত্রী ( সর্বোচ্চ)
    জেলেদেরকে খাদ্য সহায়তা:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৬৫০০ মেট্রিক টন।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৫৬২০০ মেট্রিক টন।
    দৈনিক গ্যাস উত্তোলন:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ১৫৩১ মিলিয়ন ঘনফুট ।
    আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট।
    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ:
    বি,এন,পি ২০০৬ = ৩.৮৮ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার
    আওয়ামীলীগ২০১৩ = ১৩.১১ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার
    আওয়ামী লীগের আরো কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজ নিন্মরূপ :
    ১.হাতিরঝিল প্রকল্প
    ২.মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার
    ৩.বনানীর ফ্লাইওভার
    ৪.কুড়িল ফ্লাইওভার
    ৫.যাত্রাবাড়ি-গুলিস্তান ফ্লাইওভার (৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চালুর সম্ভাবনা)
    ৬.যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডেমু ট্রেন + ঢাকা থেকে সব রুটে বি.আর.টি.সি. বাস সার্ভিস)
    আওয়ামী লীগের সমালোচনা করার আগে উপরোক্ত বিষয়গুলো মাথায় রাখা আবশ্যিক।

    তাই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলার আগে ১০০ বার চিন্তা করা উচিৎ…

      1. জাতীয় বাজেটঃ
        বিএনপি-১৯৯১

        জাতীয় বাজেটঃ

        বিএনপি-১৯৯১ থেকে ১৯৯৬-
        ১৯৯১-’৯২ -১৫৫৮৪ কোটি টাকা
        ১৯৯২-’৯৩ – ১৭৬০৭ কোটি টাকা
        ১৯৯৩-’৯৪ – ১৯০৫০ কোটি টাকা
        ১৯৯৪-’৯৫-২০৯৪৮ কোটি টাকা
        ১৯৯৫-’৯৬ -২৩১৭০ কোটি টাকা
        ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৪৮.৭%

        আওয়ামীলীগ- ১৯৯৬ থেকে ২০০২-

        ১৯৯৬-’৯৭- ২৪৬০৩ কোটি টাকা
        ১৯৯৭-’৯৮-২৭৭৮৬ কোটি টাকা
        ১৯৯৮-’৯৯- ২৯৫৩৭ কোটি টাকা
        ১৯৯৯-’০০- ৩৪২৫২ কোটি টাকা
        ২০০০-’০১ – ৩৮৫২৪ কোটি টাকা
        ২০০১-’০২- ৪২৩০৬ কোটি টাকা
        ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৭২%

        বিএনপি-২০০২ থেকে ২০০৭-
        ২০০২-’০৩-৪৪৮৫৪ কোটি টাকা
        ২০০৩-’০৪-৫১৯৮০ কোটি টাকা
        ২০০৪-’০৫-৫৭২৪৮ কোটি টাকা
        ২০০৫-’০৬-৬১০৫৮ কোটি টাকা
        ২০০৬-’০৭-৬৯৭৪০ কোটি টাকা
        ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৫৫.৫%

        (জরুরী অবস্থায় ২০০৭-’০৮-৯৯৯৬২ কোটি টাকা ২০০৮-’০৯-৯৯৯৬২ কোটি টাকা)

        আওয়ামীলীগ- ২০০৯ থেকে ২০১৪-
        ২০০৯-১০ -১১৩,৮১৫ কোটি টাকা
        ২০১০-১১-১৩২,১৭০ কোটি টাকা
        ২০১১-১২-১৬৫,০০০ কোটি টাকা
        ২০১২-১৩ -১৯১,৭৩৮ কোটি টাকা
        ২০১৩-১৪ -২,২২,৪৯১ কোটি টাকা
        ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৯৫.৮%

        1. দেখ, এটা তর্কের খাতিরে তর্ক
          দেখ, এটা তর্কের খাতিরে তর্ক হয়ে গেল। একটা দেশের উন্নয়ন একটা ধারাবাহিক ব্যাপার। তুই যে উন্নয়নের কথা বলছিস, সেটা এমনিতেই হতো। আওয়ামী লীগ দুর্নিতিতে না জড়ালে আমরা হয়তো পদ্মা সেতুটা দেখতে পেতাম। কোই, সেই কথা তো বলতে শুনলাম না।

          1. এইটাকে ধারাবাহিক উন্নয়ন
            এইটাকে ধারাবাহিক উন্নয়ন বলে?
            বিএনপি-১৯৯১ থেকে ১৯৯৬-
            ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৪৮.৭%

            আওয়ামীলীগ- ১৯৯৬ থেকে ২০০২-
            ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৭২%

            বিএনপি-২০০২ থেকে ২০০৭-
            ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৫৫.৫%

            আওয়ামীলীগ- ২০০৯ থেকে ২০১৪
            ৫ বছরে বাজেটের পরিমাণ বৃদ্ধি- ৯৫.৮%

            আমারে মাইরালা… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

          2. আমি আওয়ামী লিগের বিপক্ষে বলছি
            আমি আওয়ামী লিগের বিপক্ষে বলছি তার মানে এই না যে রাজাকার অথবা অবধারিত ভাবে বিএনপি করি। অন্য ভাবে দেখলে কি এটা বলা যায় না যে, আমি কি দেশের জন্য বলছি? তুই চিন্তা ভাবনায় হয়তো কিছুটা সংকীর্ণ হয়ে পরেছিস বলে আওয়ামী লিগের খারাপটা তোর চোখে পড়ছে না।

          3. হ্যা ধারাবাহিক আমি সহমত
            হ্যা ধারাবাহিক আমি সহমত কিন্তু ভাই এতে আওয়ামিলীগ এর অবদান ও আছে।
            আচ্ছা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা কি অন্য সরকার বাড়াতো শুধু এটাই বলেন

          4. আমি ও বলি, অবশ্যই আওয়ামী
            আমি ও বলি, অবশ্যই আওয়ামী লীগের অবদান আছে। কিন্তু আওয়ামী লিগ যদি কিছু ভুল করে সেটার দায় ও কিন্তু আওয়ামী লীগেরই।

  6. দু’একটা বিষয় মিল থাকলেই
    দু’একটা বিষয় মিল থাকলেই দু’দলকে মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা যায় না। উভয় দলের দু’একটি বিষয়ে যে মিল লক্ষ্য করা যায় সেটা সময়ের প্রেক্ষাপটে তৈরী হয়েছে। দু’দলের মৌলিক পার্থক্য ব্যাপক….

    1. মৌলিক পার্থক্য তো ব্যাপক
      মৌলিক পার্থক্য তো ব্যাপক হবেই। নাহলে তো বিএনপি কে বলতে হতো আওয়ামী লীগ পার্ট টু।

      1. পার্থক্য তৈরি করতেই তাহলে
        পার্থক্য তৈরি করতেই তাহলে বিএনপি এত নিচে নামচে?
        তাইতো!! না হয় একজন শিক্ষিত কীভাবে এমন একজন নেত্রীর পেছনে তালি বাজাতে পারে… যে কিনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবসে ফুর্তি করতে নিজের মিথ্যা জন্মদিন সাজায়!! যে কিনা এসএসসি-তে সফলভাবে অকৃতকার্য হয়!!
        আমারতো মনে হয় অকৃতকার্যদের মধ্যে এইটা একটা রেকর্ড…
        তাও মেনে নিতাম যদি তিনি হতেন কোন মহীয়সী নারী বাংলার ত্রানকর্তা!!
        সেই নারীতো আপাদমস্তক হঠকারী আর স্বেচ্ছাচারী … নিজের ভোগ-বিলাসই তার সব দেশের জন্য কোন চিন্তাও নাই এমন কি নিজের সন্তানগুলোকেও মানুষ করতে পারেন নি।।
        মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ আসলে অনেক অনেক বেশী না খালি একটা প্রগালাপ…

    1. অনেক অনেক কম বলে ফেলছেন শহীদ
      অনেক অনেক কম বলে ফেলছেন শহীদ ভাই!!
      এইটা হবে লিভারপুল আর ফকিরাপুল… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      😀 😀 😀 😀 😀 :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

    2. শহীদ ভাই
      শহীদ ভাই
      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  7. আর কিছুই না, মন্ত্রীদের মুখে
    আর কিছুই না, মন্ত্রীদের মুখে টেপ মেরে রাখলেই আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তায় যে ধ্বস নেমেছে তা ৫০% কম হতে পারত। :দীর্ঘশ্বাস:

  8. লিখা আর মন্তব্য দিয়ে পোস্টটা
    লিখা আর মন্তব্য দিয়ে পোস্টটা দারুণ হয়েছে।জয় ভাইয়ের কথার সাথে একমত।একদল ধর্মানুভূতি নিয়ে খেলে অন্য দল দেশাত্মবোধ।

  9. দুদলই একই মুদ্রার এপিঠ আর

    দুদলই একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।

    হয়ত একটু বেশি আবেগ দিয়ে লিখেছেন নয়তো আপনি লীগের অন্ধ সমালোচক । যে দলের সাথে জামাত শিবির যুক্ত সে দলের সাথে আর অন্য কোনো দলের তুলনা হয় না।

    নির্বাচন করবে ছাত্রলীগ।

    এর মানে কি ভাই? অবশ্য আপনার দোষ কি? বিএনপি আমলে ছাত্রদল কি কি তান্ডব করেছিল, এত দিনে সেটা মনে থাকার কথা না!
    আবার এটা মনে করবেন না যে ছাত্রদল অন্যায় করছে বলে লীগের অন্যায় ক্ষমাযোগ্য। না, ছাত্রলীগের অন্যায় ক্ষমাযোগ্য না। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমি মার হত্যা কারীর হাতে আমার পরিবারের দায়িত্ব তুলে দিব।
    ভাই, আপনি বুঝার পাত্র বলে মনে হয় না! হুদাই লিখছি।
    লীগের আমলে কি কি উন্নয়ন হয়েছে তার বর্ননার পরও যদি লীগ খারাপ লীগ খারাপ বলে জিদ করে বসে থাকেন, তাহলে ক্ষতি আর কার হবে।? আপনার হবে না। এই পোড়া দেশের হবে।
    যে দেশের মানুশের চোখে উন্নয়ন দৃষ্টিগোচর হয় সে দেশের ক্ষতি হবে না তো কি পাশের দেশের হবে!!!!!

    1. আওয়ামী লীগের খারাপটা যদি
      আওয়ামী লীগের খারাপটা যদি দেখতে না পান তাহলে ভাই, আপনি বুঝার পাত্র বলে মনে হয় না! হুদাই লিখছি। কি বলতে চেয়েছি সেটা হয়তো বোঝাতে পারি নি।
      আমি আওয়ামী লিগের বিপক্ষে বলছি তার মানে এই না যে রাজাকার অথবা অবধারিত ভাবে বিএনপি করি। অন্য ভাবে দেখলে কি এটা বলা যায় না যে, আমি কি দেশের জন্য বলছি?

      1. আচ্ছা ভাই, মানিয়া লইলাম, আপনি
        আচ্ছা ভাই, মানিয়া লইলাম, আপনি লীগের খারাপটা দেখতে পেয়েছেন, আর আমরা আজকেই চোখের অপারেশন করিয়ে আসলাম কিনা!!!! এত দিন কালো চশমা পরিধান করিতাম তো !!!
        তো ভাই, আপনার দেখি চারখানা চোখ, এটা দিয়ে কি একখান শুধু একখান ভাল দিক নজরে পরে নাই!?!? শুধু একটি ,একদম ছোট একেবারে ক্ষুদ্র একটি লাইন লিখতেন আপনার পোস্টে!
        যাক, বৃথা তর্ক করে লাভ নাই! যেখানে আপ্নি এটা মনে করেন যে উন্নয়ন লীগের জন্য হয় নাই, এমনি এমনি হয়েছে সেখানে আপনি কতোটা নিরপেক্ষ বিচার করছেন বা সমালোচনা করছেন তাহা অত্যন্ত ফকফকা।

        1. এটা দিয়ে কি একখান শুধু একখান

          এটা দিয়ে কি একখান শুধু একখান ভাল দিক নজরে পরে নাই!?

          আমার যে ভাল দিক নজরে পড়েছে তাতো আপনার নজরে পড়ে নাই দেখছি!

          আর নিরপেক্ষ??

          আমি নিরপেক্ষ নই!

          1. অবশ্যই। আপনি লীগের বিপক্ষে।

            অবশ্যই। আপনি লীগের বিপক্ষে।
            লীগ বাদে বাংলাদেশে আর কোন দল আছে ভোট দেওয়ার মত!
            সমালোচনা অবশ্যই কাম্য। লীগ ধোয়া তুলসি পাতা না। কিন্তু অবশ্যই জামাত শিবির বিএনপির চেয়ে হাজার গুনে ভাল।
            এমনক্লান্তিলগ্নে এসে, সমালোচনা জামাত শিবিরের পাল্লাই ভারি করবে। তাই আপনার বা আপ্নাদের মত সমালোচকদের অসময়ে সমালচনায় দেশের কী উপকারে আসবে এটা বুঝার মত বুদ্ধি আমার নাই।
            সমালোচনা করেন, জামাত শিবিরের পাল্লা ভারি করেন। যদি দেশ আবার জামাতের অধিনে যায় তখন বাংলাদেশ পাকিস্তান হয়ে গেলে জামাতের রক্তের হোলি খেলার একটু বর্ননা দিয়েন।
            স্টিকি করা পোস্ট পারলে পড়িয়েন।
            শুভ রাত্রি।

          2. স্টিকি করা পোস্ট পারলে তো মনে
            স্টিকি করা পোস্ট পারলে তো মনে হয় দু’দলই একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। :বিষয়ডাকী:

            :টাইমশ্যাষ:

          3. লীগ ধোয়া তুলসি পাতা না।

            লীগ ধোয়া তুলসি পাতা না। কিন্তু অবশ্যই জামাত শিবির বিএনপির চেয়ে হাজার গুনে ভাল।

            সহমত

  10. এত বিষয় নিয়া আসছেন যে গাঞ্জাম
    এত বিষয় নিয়া আসছেন যে গাঞ্জাম লাইগা যাইতেছে আমার। তবে গণ জাগরণ মঞ্চের কারণে হেফাজত হইছে এই কথা বইলেন না। হেফাজত আগে থেকেই জামাতের ‘বি টিম’ হিসাবে রেডি ছিল। হেফাজতের অর্থের উৎস, এদের লিডিং, প্রচারণা সব কিছু নিয়াই বহুত আলোচনা হইছে ব্লগ, ফেসবুক ও প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে।
    বাকি বিষয়ে তারিক ভাই, আতিক ভাই, শহিদ ভাইয়েরা ভাল বলেছেন।

  11. আওয়ামী লীগের খারাপ নাই কে
    আওয়ামী লীগের খারাপ নাই কে বললো? খারাপ অবশ্যই আছে। কিন্তু কিছুতেই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ নয়। আওয়ামী যদি চোর হয় তাহলে বিএনপি ডাকাত। তারিক ভাই তো সব ব্যাখ্যা করে দিছেন। আমার আর তেমন বেশি কিছু বলার নাই। লীগের জনপ্রিয়তা যদি কমে তবে এর জন্য দায়ী হল মন্ত্রীরা। হুজুগে বাঙালি কঠিন বস্তু। একটি কৌতুক শুনে তারা হাসতে হাসতে মুত্র বিসর্জন করে দিতে পারে আর মূত্রের জোয়ারে শত শত উন্নয়ন ভেসে যায়। তখন সেখানে সমুদ্র সীমা জয়,জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি সহ শত শত উন্নয়ন ছাপিয়ে মখা সাহেবের ধাক্কা থিয়োরী বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। এই বিষয়ে চার আয়াতের একটি সূরা নাজিল করলাম।

    সূরার নাম: আল বাঙালি
    আয়াত: চার

    ১. বলুন হে বাঙালি, আপনি মানুষ নাকি বিএনপি?
    ২. হাজার রকম গদাম খাওয়ার পরও আপনারা কীভাবে গোলাপী রঙে ব্যালট রাঙিয়ে দেয়ার অসীম সাহস দেখান?
    ৩. তবেকি আপনারা প্যান্টের উপর আন্ডারওয়্যার পরেন নাকি খালি গায়ে গোলাপী জর্জেট পড়ে নিজেদের লজ্জা স্থান হেফাজত করেন?
    ৪. আপনারা নিশ্চয় গোলাপী শাড়ির আঁচলে লুকিয়ে ইসলাম হেফাজত করেন না।

    1. (No subject)
      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
      😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    2. আওয়ামী যদি চোর হয় তাহলে

      আওয়ামী যদি চোর হয় তাহলে বিএনপি ডাকাত।

      আমার বক্তব্যও কিন্তু একই। হয়তো আমি বোঝাতে পারিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *