অসাম্প্রদায়ীকতা নীতি কি বাস্তবায়িত হবে?????

কেউ যদি বলে মিশরের হোসনী মোবারক কিংবা লিবিয়ার গাদ্দাফীর পতন তাদের মানুষের হাত ধরে।আমি বলি নাহ।আরব বসন্ত কোন শোষিত জনগণের নিজেদের উদ্যোগ ছিল নাহ।এটা পশ্চিমা বিশ্বের ডলারের ঝনঝনানি ছিল।কিন্তু আপনি এমন গন-জাগরণের গর্বিত অংশ হতে পারেন নিজেই।আপনি নিজেই ঊদ্যোগক্তা।দেখুন যারা এই আন্দোলনের বিরোধী তারা শিক্ষিত হলে তাদের বলতে হবে পড়ালেখা করে মূর্খতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন ক্রমাগত।তাদের মস্তিষ্ক কি ধরনের উর্বরতা লাভ করেছে তা আমার বোধগম্য নহে।আপনি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সাম্প্রদায়িক চিন্তা করতে পারেন নাহ।রামুর মন্দিরে হামলার পর আমরা দেখিনি অপরাধীর কি অবস্থা।বিগত চার বছরে দিনাজপুর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,চট্টগ্রাম সহ বাংলাদেশের অনেকগুলো মন্দির ভাঙ্গা হয় কোন কারণ ছাড়াই।সরকার এর মধ্যে আইন করে সকল মঠ-মন্দিরের জায়গা রক্ষণাবেক্ষণের নামে ভূমি-আইন পাশ করে,সেখানেও সরকার পরে প্রচণ্ড তোপের মুখে।আজকের এই আন্দোলনের আগে সরকারের কিংবা বিরোধীদলীয় জামাত প্রীতি আজকের নয়।কিন্তু জনগণ তো নিষ্পাপ।তাদের কি ঈদ কি পূজা।সব কিছুতে সমান আনন্দ।আমাদের এই আন্দোলন একটি অসাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনার জন্ম দিয়েছে।কারণ আমরা শ্লোগানে বলছি,”তুমি কে আমি কে????বাঙ্গালী,বাঙ্গালী”।
আমরা এই স্বাধীন দেশে ধর্মের লেবাস লাগিয়ে ঘুরব নাকি????আমাদের মুক্ত চিন্তার প্রতিফলন হবে তো আমাদের কাজে।তা আমরা কিভাবে নিজেদের আর প্রমাণ করব??????আমাদের সংবিধানও সেই সুযোগটুকু রাখে নি।আমাদের দেশের গণতন্ত্র আপনাকে আমাকে ভোট দেওয়ার অধিকার ছাড়া কি চিৎকার করার অধিকারটুকু দিতে পারে নাহ?????আমি যখন একজন কে বন্ধু বানাই আমার মধ্যে তার ব্যক্তিত্ব হবে আসল কারণ,আশা করি ধর্ম নয়।স্বাধীন দেশে আমরা সংখ্যালঘু শুনতে চাই নাহ।আমরা মিলেমিশে থাকতে চাই।তা নাহলে গন-জাগরন হবে কি করে???????

৭ thoughts on “অসাম্প্রদায়ীকতা নীতি কি বাস্তবায়িত হবে?????

  1. আমি যখন একজন কে বন্ধু বানাই

    আমি যখন একজন কে বন্ধু বানাই আমার মধ্যে তার ব্যক্তিত্ব হবে আসল কারণ,আশা করি ধর্ম নয়।স্বাধীন দেশে আমরা সংখ্যালঘু শুনতে চাই নাহ।আমরা মিলেমিশে থাকতে চাই।তা নাহলে গন-জাগরন হবে কি করে???????

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    চমৎকার বলেছেন। লিখতে থাকুন। আপনার মধ্যে আগুন আছে। ছড়িয়ে দিন সবখানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *