বাঙালি বনাম রাজাকার সাকা !

পাকি বংশে জন্ম নেয়া ফকা
তার নষ্ট রক্ত নিয়ে বেড়ে উঠা,
ব্রাদার ফাকার সাকা।
একাত্তরে যে গোল দিয়েছিলো
বাংলার মাঠ পেয়ে ফাঁকা !

অত:পর সে কেড়ে নিতে থাকে,
নিরীহ বাঙালির জায়গা জমি টাকা।



পাকি বংশে জন্ম নেয়া ফকা
তার নষ্ট রক্ত নিয়ে বেড়ে উঠা,
ব্রাদার ফাকার সাকা।
একাত্তরে যে গোল দিয়েছিলো
বাংলার মাঠ পেয়ে ফাঁকা !

অত:পর সে কেড়ে নিতে থাকে,
নিরীহ বাঙালির জায়গা জমি টাকা।

কিন্তু প্রকৃতিকি এতোটাই বোকা
ইতিহাসের পাতায় পাতায়-
সাকা’র কুকর্ম যে সব রক্ত দিয়ে লেখা !

নদী যদি হারিয়ে যায় কভু
থেকে যায় তার রেখা।

সেই সূত্র ধরে, সেই একি মাটির ওপরে
দীর্ঘ বিয়াল্লিশ বছর পরে,
রাজাকার সাকা আর স্বাধীন-
বাঙালিদের মুখোমুখি হলো দেখা।

আজ বাংলার তরুন জেগেছে,
বুকে যাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আঁকা।

কুলাঙ্গারটার ফাঁসি চেয়ে-
কিশোর যুবক বৃদ্ধ মেয়ে,
মুক্ত আকাশের নিচে দাড়িয়ে-
চিত্‍কার করে তাকিয়ে আছে।

আর, সম্মুখে মাথা উচু করে,
তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে একটি-
স্বাধীন দেশের স্বাধীন পতাকা !
——————————————-

কবিতা: বাঙালি বনাম রাজাকার সাকা !
তারিখ: ০১।১০।১৩
দুপুর ২১৬ মিনিট ।

৬ thoughts on “বাঙালি বনাম রাজাকার সাকা !

  1. কুলাঙ্গারটার ফাঁসি

    কুলাঙ্গারটার ফাঁসি চেয়ে-
    কিশোর যুবক বৃদ্ধ মেয়ে,
    মুক্ত আকাশের নিচে দাড়িয়ে-
    চিত্‍কার করে তাকিয়ে আছে। আর,
    সম্মুখে মাথা উচু করে,
    তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে একটি-
    স্বাধীন দেশের স্বাধীন পতাকা

    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  2. বাঙ্গালি যুগে যুগে শোষিত
    বাঙ্গালি যুগে যুগে শোষিত হয়েছে,শোষিত হয়ে লড়তে শিখেছে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে এনেছে। বায়ান্ন ,একাত্তর এবং দু হাজার তের এরই প্রমাণ ।

  3. একটা নাটক নাজিল করতে মুঞ্চায়।
    একটা নাটক নাজিল করতে মুঞ্চায়। কইরাই দিলাম।

    মঞ্চে আলো আঁধারি খেলা করতেছে। জল্লাদ এগিয়ে এল।
    সাকাকে জিজ্ঞেস করল কমিশনার:
    কমিশনার: হে চাকা, তুমার শেষ ইচ্ছা কি?
    সাকা চোখ মেলে তাকালো কমিশনারের সেন্টার বরাবর। কমিশনারের নাক বেয়ে ঘাম পড়তেছে।
    এমন সময় মঞ্চে সাইদীর প্রবেশ। সাকার সামনে সাইদী দাঁড়ালো। সাকার চোখ তখন সাইদীর পায়জামার দিকে।
    সাইদী: আর বুঝি শেষ রক্ষা হইলো না রে?
    সাকা: আমি লাউড স্পিকার হইয়া গেলাম গো।
    সাইদী: এখন কি হবে?
    সাকা: ময়নাপাখি, উড়ে আয়!
    সাঈদী: কপিরাইট ভাঙবিনা কইলাম! এইটা আমার ডায়ালগ।
    সাকা: ঐযে একটা টেবিল দেখতেছেন। সেখানে শুয়ে পড়েন।
    সাইদী: তারপর?
    সাকা: না! আপনে বুড়া হয়ে গেছেন। আন্ডালিভ কে ডাকেন।

    আন্ডালিভ গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে আসছে। সাকার শেষ ইচ্ছাটুকু রক্ষা করতে। কমিশনার হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন, কারণ সাকা তাকে বেছে নেয়নি।
    আন্ডালিভ: দাদা, আজকেই ডাকলেন?
    সাকা: কেন? প্রিপারেশন নাই?
    আন্ডা: না ইয়ে মানে….
    সাকা: কি হইছে বল। হাতে টাইম নাই।
    আন্ডা: মানে, আমি প্রেগনেন্ট!
    সাকা: কোন হারামজাদা এই কাম করলো? (রাগত স্বরে)
    দূর হতে ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক হাসতে লাগলো।
    সাকা: কামডা ভালা করলি না আন্ডা। শেষ পর্যন্ত রাজ্জাইককা??

    কমিশনার: চাকা, টাইম ওভার। ঝুইলা পড়।
    সাকা: আরে মিয়া, ইচ্ছা তো পূরন হইলো না।
    কমিশনারের গা আবার ঘামতে শুরু করলো। সাকা আবার কমিশনারের প্যান্টের দিকে তাকিয়ে সন্তুষ্টির শব্দ করলো। আর ফিসফিস করে বললো,”কাজ হয়ে যাইবো মনে হইতাছে।” কমিশনার অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন।

    (মঞ্চের আলো নিভে যাবে। একটি লাল সবুজের পতাকা ধীরে ধীরে উড়বে। অবিনাশী গর্জনের স্বর শোনা যাবে,”রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো, তবু বাংলার মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।”)

    [পর্দা নামবে]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *