আত্মসমর্পণ

দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কোন মেয়ে,
যাকে দূর থেকে দেখেই প্রেমে পড়া যায়,
চোখ দেখে যার স্বপ্ন চেনা যায়,
হৃদয় দিয়ে কিছু একটা কিছু অনুভব করা যায়,
অধরা একটা কিছু খুঁজে পাওয়া যায়।



দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কোন মেয়ে,
যাকে দূর থেকে দেখেই প্রেমে পড়া যায়,
চোখ দেখে যার স্বপ্ন চেনা যায়,
হৃদয় দিয়ে কিছু একটা কিছু অনুভব করা যায়,
অধরা একটা কিছু খুঁজে পাওয়া যায়।

হয়তো জীবনটা আকাশেরই মতো,
এই মেঘ, এই বৃষ্টি।
কিংবা আমার ভাগ্যটাই এরকম।

সে বলছিলো ভালবাসতে,
আমি তাকে তারচেয়ে ভালবেসেছি।
সে বলছিল কাছে আসতে,
আমি আরো বেশি কাছে এসেছি।
সে বলছিল চোখে চোখ রাখতে,
আমি তার গভীরতা খুঁজতে গিয়েছি।

দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়ে,
তোমায় বলছি,
তুমি দূরেই থাকো।
কাছে এসোনা আমার।
আর ডেকোনা আমায়।

কারণ আমি ভালবাসতে জানি,
কিন্তু হারিয়ে যাওয়া ভালবাসাকে
খুঁজে পেতে জানিনা।

তারচেয়ে বরং আমি একা একা পলাশের বনে হাঁটি,
সবুজের মাঝে হারাই,
একা একা ঢেউয়ে ভাসি।
কাছে এসোনা তুমি খবরদার।
আর চিঠি লিখোনা আমায়।

তুমি আর রাতে স্বপ্ন হয়ে এসো না,
একা ছাদে বৃষ্টি হয়ে এসো না।
মাঝ রাতে ছুঁতে আমায় চেয়ো না।

ক্যানভাসে আঁকা ছবি হয়ে থেকো তুমি,
সকালের নিষ্পাপ রোদ হয়ে থেকো তুমি।
নিরপরাধ শিশুর হাসি হয়ে থেকো তুমি।

তুমি আমার গভীর অরণ্যে হারিয়ে যাওয়া নুপুর,
তোমাকে খুঁজতে গিয়ে নিজেকে হারালাম আমি।

অবাক করা রাতে জোনাকি
কিংবা জনমানবহীন স্টেশনের
একা যাত্রীকে তুমি একটু সঙ্গ দিও।
সে যে ভীষণ একা, বড় একা।

১ thought on “আত্মসমর্পণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *