মিশন ইম্পসিবল-ছাগু প্রটোকল: বাংলা ভাষায় ছাগু শব্দের সূচনার ইতিহাস

আজ বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ‘ছাগু’ এর উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করবো। এর আগে ছাগুর প্রকরন নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। আজ ছাগুবাদের জন্মলগ্ন নিয়ে আলোচনা করবো। ইতিহাসের অন্যতম এই শব্দ নিয়ে আজ আমার “মিশন ইম্পসিবল-ছাগু প্রটোকল”।।।

সালটা ছিল ২০০৬। তখন বাংলাব্লগের নতুন সূর্যের সূচনা। আগের বছর ডিসেম্বরে শুরু হলেও জানুয়ারী মাসে পোস্ট পড়ার হার বেড়ে যায়। প্রথম থেকেই থেকেই ওয়ালী (আল বদর কামারুজ্জামানের পুত্র), ভূত

আজ বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ‘ছাগু’ এর উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করবো। এর আগে ছাগুর প্রকরন নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। আজ ছাগুবাদের জন্মলগ্ন নিয়ে আলোচনা করবো। ইতিহাসের অন্যতম এই শব্দ নিয়ে আজ আমার “মিশন ইম্পসিবল-ছাগু প্রটোকল”।।।

সালটা ছিল ২০০৬। তখন বাংলাব্লগের নতুন সূর্যের সূচনা। আগের বছর ডিসেম্বরে শুরু হলেও জানুয়ারী মাসে পোস্ট পড়ার হার বেড়ে যায়। প্রথম থেকেই থেকেই ওয়ালী (আল বদর কামারুজ্জামানের পুত্র), ভূত
(সম্ভবত কামারুজ্জামানের বড় ছেলে ওয়ামি), ধানসিঁড়ি, দাদা, আস্তমেয়ে, শর্মী,ইছামতির পাড়ে, শাওন, ফারিয়াল, সাঈদ, শরীফ, সিমরান শিকদার, ত্রিভুজ, দাঁড়াল হাসান ইত্যাদি জামায়াত সমর্থক কিছু ব্লগার ব্লগ দখলের জন্য ঊঠে পড়ে লাগে। উল্টা দিকে জামাতি পোস্টগুলির নিয়মিত প্রতিবাদ করতো আড্ডাবাজ, অপ ব্যাক, হীরক লস্কর, অমি রহমান পিয়াল(সাইফুর রহমান) ,মাসুদা ভাট্টি, তীরন্দাজ, মুখফোড়, শোহেইল মতাহির চৌধুরী,রাসেল, হিমু, মঈন, হাসান, ধুসর গোধুলি, অরূপ, স্বর:হীন, দীক্ষক দ্রাবীড়, কৌশিক, লাল মিয়া, সাধক শঙ্কু, হযবরল, মাশীদ, উৎস’র মতো আরো কয়েকজন।
শুরুতেই জামাতি ব্লগাররা মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে যেত না। বিভিন্ন উল্টাপাল্টা কথাবার্তার ফাঁকে ডেনমার্কে মহানবীর কার্টুন আঁকার মত বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা করতো। । বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী, ধর্ম-অধর্ম এইসব নিয়েই চলছিল প্রথম সপ্তাহগুলি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কদাচিৎ পোস্ট আসতো। রাজাকারী পোস্টও আসতো। প্রতিবাদও হতো। এইসব কিছুর পাশাপাশি আবার সাহিত্যচর্চাও চলছিল। ফেব্রুয়ারী মাসের ২য় সপ্তাহে শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধাদের উপর আক্রমণ। কামারুজ্জামানপুত্র ওয়ালীর পরিচয় বেরিয়ে পড়ায় সে প্রতিরোধের মুখে পড়ে। মলি নামের জামাত পন্থী ব্লগারটি তার প্রতিবাদে “মেরুদন্ডহীন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি….” নামের পোস্টটা দেন। তুমুল প্রতিবাদ হয় । তারপর থেকে ব্লগের যাবতীয় তর্কবিতর্কের কেন্দ্রে এসে পড়ে মুক্তিযুদ্ধ। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের তর্কে যারা যারা ধর্মীয় মৌলবাদের পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন তাঁদের সবাই চলে যান মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের পক্ষে। মার্চের শুরুতে জঙ্গীবাদ নিয়ে লেখা মাসুদা ভাট্টির ধারাবাহিক উপন্যাস “তরবারির ছায়াতলে”র প্রথম কিস্তি জামাতিব্লগারদের চাপের মুখে বা স্বেচ্ছায়
সামহোয়ারইন কর্তৃপক্ষ মুছে দেন। এজন্য অনেকে সামু ব্লগকে এখনো’ছাগু বান্ধব’ বলে। প্রতিক্রিয়ায় ব্লগে মুক্তচিন্তার সমর্থক ব্লগাররা ৫ ও ৬ মার্চ ধর্মঘট করে। এর পর থেকে ব্লগ পরিস্কার দুইভাগে ভাগ হয়ে যায়। ব্রাত্য রাইসু, মাহবুব মোর্শেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম ধরণের কিছু ব্লগার “নিরপেক্ষ” ভাব দেখানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বটম লাইনে এসে রাজাকারপক্ষ গ্রহণ করে ফেলেন। এরপর ১৩ মার্চ আস্তমেয়ের এক পোস্টের ১১ নম্বর কমেন্টে আলবদরপুত্র ওয়ালি প্রগতিশীল ব্লগারদের বেইসবল ব্যাট দিয়ে পেটানোর হুমকি দিলে মুক্তিযুদ্ধ সমর্থক ব্লগাররা তার
প্রতিবাদে শিম্পাঞ্জি দিবস পালন করেন। দুষ্টু ছেলে অরূপ কোত্থেকে যেন একটা ছবি জোগাড় করেন যেখানে একটি শিম্পাঞ্জী বেসবল ব্যাট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঐ ছবিকে সামনে রেখে শুরু হয় একের পর এক স্যাটায়ার। জামাতিরা চেষ্টা করলো প্রতিরোধের। কিন্তু হলো না। স্যাটায়ার লেখার ক্ষমতা থাকলে ওরা আর মৌলবাদী হবে কেন? ব্রাত্য রাইস, মাহবুব মোর্শেদরা “নিরপেক্ষ”ভাবে ওয়ালিকে বাঁচাতে এসে গনরোষের মুখে পড়লো। যাই হোক বেইসবলব্যাট হাতে শিম্পাঞ্জিই ছিল ঐ মুহুর্তে একই সাথে ধর্মীয় জঙ্গী আর জামাতশিবিরের প্রতীক।

ইতিমধ্যেই হাবিজাবি অনেক কথা বলে ফেলছি। কিন্তু ছাগু আগমনের ইতিহাস বোঝাতে কিছুটা অন্তত ইতিহাস জানতেই হবে। এর মধ্যে জামাতিব্লগারদের মধ্যে আবির্ভাব হয় ত্রিভুজ নামক ব্লগারের। শুরুতে ওয়ালি, ভূত,আস্তমেয়ে, এদের দিকেঈ মনোযোগ বেশি থাকায় সে তেমন নজরে পড়েনি। কিন্তু মার্চের শেষ থেকে সেই ক্রমশ সকলের নজর কেড়ে নিলো এই ব্লগারের
ইলেখালেখি। মার্চের সেই পোস্টগুলি সে মুছে ফেললেও তার পুরনো ব্লগগুলিতে নজর দিলেই মন ভালো হয়ে যেত। কখনো ডারউইন, কখনো ধর্মতত্ত্ব, কখনো টেকমোল্লাবাদ নিয়ে তার প্রচুর জ্ঞানগর্ভ লেখা আর তাতে জামাতচক্রের মুর্হুমুহু সমর্থনে এপ্রিল নাগাদ সরাসরি জামাতশিবির পরিবারের সদস্যদের ছাড়িয়ে ত্রিভুজই হয়ে ওঠে নতুন প্রজন্মে টেকমোল্লাবাদের আইকন। মে মাসের শুরুতে অমি রহমান পিয়াল প্রাপ্তি নামে ক্যান্সার আক্রান্ত একটি শিশুর চিকিৎসার জন্য ব্লগারদের সহায়তা কামনা করে একটি পোস্ট দেন। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যার যার সামর্থ্যমতো চেষ্টা করতে থাকে। এই
সময় দীক্ষক দ্রাবিড়ের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ত্রিভুজ ক্ষেপে ওঠে। একে গুতা দেয় তাকে গুতা দেয় পরিস্থিতি। তখন অরূপ একটা ছবিটা তৈরি করে সমমনা ব্লগারদের শেয়ার করে। ছবিতে একটি ত্রিভুজ থেকে রামছাগলের মাথা বেরিয়ে আসে। দুষ্টু ব্লগাররা এবার পালন করে রামছাগল দিবস।

সেটা ছিল ২০০৬ সালের ২১ মে। ত্রিভুজ সেইসময়কার বেশিরভাগ পোস্টই মুছে ফেলেছে। শুধু একটা অবশিষ্ট। ২১ মে ত্রিভুজগলে রামছাগলের মাথা বেরিয়ে আসার সেই ছবিটাই ছিল ত্রিভুজকে পঁচিয়ে করা রামছাগল দিবসের সবগুলি পোস্টের আইকন। সেখানে সমমনা ব্লগারদের প্রায় সবাই পোস্টালেও মুখফোড় লিখলেন না।
পাঠকরা রীতিমতো অপেক্ষা করেছিল কিন্তু তার দেখা পাওয়া গেল না। তিনদিন পরে একটা পোস্ট ( http://www.somewhereinblog.net/blog/mukhforrblog/9903 ) লেখাটায় তেমন মন্তব্য না থাকলেও “ছাগুরাম” শব্দটা ব্লগারদের মনে গেঁথে গেল। ৩১ মে মুখফোড় লেখেন প্রথম ছাগুরাম কাব্য ( http://www.somewhereinblog.net/blog/mukhforrblog/10350 )।।

তারপর দিন যায়। মাস যায়। ব্লগে লোক বাড়তে থাকে। মুক্তিযুদ্ধ সমর্থকদের সাথে যোগ দেন কনফুসিয়াস,হাসিব(শুরু থেকেই ব্লগে থাকলেও লিখতে আর কমেন্ট করতে শুরু করে জুলাই-আগস্টের পরে), চোর, এস.এম. মাহবুব মুর্শেদ, গোপাল ভাড়, ঝরাপাতা, প্রজাপতি, অন্যমনস্ক শরৎ, হাসান মোরশেদ, আরিফ জেবতিক, নজমুল আলবাব আনোয়ার সাদাত শিমুল, আরণ্যক সৌরভ, জামাল ভাস্কর, বাকী বিল্লাহ, রাকিব হাসনাত সুমন এবং আরো অনেকে। যোগ দেন মানে যোগ হতে থাকেন। সেটা ছিল ঝড়ের বেগে বাংলাব্লগের বেড়ে ওঠার সময়। রাজাকার পক্ষেও ফজলে এলাহী মুজাহিদ, আশরাফ রহমান, সাইমুম প্রমূখরা যোগ দেন। আরো নানান কথায় মুক্তিযুদ্ধ সমর্থক আর বিরোধীদের লড়াই চলতেই থাকে। স্বভাবতই তর্কযুদ্ধে বিরোধীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। সরাসরি জামাতি পোস্টের বদলে বিনোদোনমূলক নির্বুদ্ধিতাসম্পন্ন ডানপন্থী পোস্ট পড়তে থাকে রাজাকার পক্ষ থেকে। সেইসব বিনোদোনের স্রোতে ছাগুরাম থেকে কখন যে রামটা খসে গেল সেটা হলফ করে বলা মুশকিল। যে কোন ধর্মীয় মৌলবাদী, রাজাকারপন্থীই ছাগু বলে চিহ্নিত হতে থাকলেন। মৌলবাদ এবং রাজাকার প্রশ্নে “মধ্যপন্থা” অবলম্বনকারীরাও ব্লগারদের কাছে ছাগু বলে অভিহিত হতে থাকলেন।

তারপর চলে গেল অনেক বছর। ছাগুর সংজ্ঞা আর তেমন বদলায় নাই। ২০০৮ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্লগাররা ছাগু বলতে সাধারণভাবে মৌলবাদী এবং বেইসবল ব্যাট হাতে শিম্পাঞ্জি বলতে ইসলামী ছাত্র শিবিরের
কর্মী/সমর্থকদের বুঝতো। তারপর সময়ের সাথে ছাগু ছাড়া বাকি পরিভাষাগুলি হারিয়ে গেল। ফখরুদ্দীনের আমলে “নিরপেক্ষ” ভাব দেখানো ব্লগারদের সুশীল বলা শুরু হয়। কিছুদিনের মধ্যেই তারা দ্বৈত চরিত্রগুণে হয়ে যান সুশীল ছাগু। একইভাবে এসেছে বামছাগু, উত্তরাধুনিক ছাগু, আওয়ামীছাগু,
কর্পোরেটছাগু এইসব টার্ম। অর্থাৎ যেখানেই যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের ধরণে ‘ত্রিভুজ’ এর মেথাড পাওয়া গেছে সেখানেই ছাগু শব্দটা জুড়ে গেছে। “”সব ছাগুদেরই পলিটিক্যাল কেবলা কোন না কোনভাবে চাঁদতারাতে গিয়ে মিশেছে।””

এই হল মোটের উপর বাংলাব্লগে “ছাগু” শব্দের ইতিহাস। এর সাথে আরো অনেক তথ্য যোগ হতেই পারে। কিন্তু মূল ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত যা লিখলাম ঠিক তাই। এর মধ্যে বাইরে থেকে কোন অবান্তর উপাদান সংযোজন ইতিহাস বিকৃতি বলে ধরা হবে। ২০০৬ এর পরে ব্লগ লিখতে শুরু করা কেউ ছাগুনাম ইতিহাস লিখতে গেলে কোন অবস্থাতেই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে লিখতে পারবেন না।

এই লিখাটি বিভিন্ন ব্লগ হতে ব্লগারদের দেয়া পোস্ট ও কমেন্টের আলোকে রচিত। প্রায় সব গুলো তথ্যই আমার শ্রদ্ধেয় ভাই ব্লগার সুমন চৌধুরীর কাছ থেকে পাওয়া। সর্বোপরি এইটা আমার ছাগু গবেষণার দ্বিতীয় পর্ব। আপনাদের কাছে ছাগুবাদের ইতিহাস জানা থাকলে এবং ছাগুদের নিয়ে কোনো কথা বা বাণী জানা থাকলে জানিয়ে দিন। ছাগু নিয়ে বাংলা উইকিপিডিয়াতে এনসাইক্লোপিডিয়া লিখা হবে।
প্রথম পর্ব : http://istishon.blog/node/3783

মূল লিখা: সুমন চৌধুরী

৩৯ thoughts on “মিশন ইম্পসিবল-ছাগু প্রটোকল: বাংলা ভাষায় ছাগু শব্দের সূচনার ইতিহাস

  1. ভালো লিখেছেন, ++++
    ভালো লিখেছেন, ++++ দিলাম

    জামাতী দের ছাগু বলার আরো একটা কারন আছে তা হলো, যেহেতু এই জামাতীরা পাকিস্তানের দালালী করে থাকে তাই তাদেরকে পাকিস্তানি জাতীয় পশু ছাগলের সাথে তুলনা করেইও ছাগু বলা হয়, কারন পাকিস্তানের জাতীয় পশু হচ্ছে ছাগল… ছাগল বললে ভুল হবে, পাহাড়ী বুনো ছাগল বলাটাই স্রেয়..… 😀 😉 🙂

  2. কৌতুহল বশত বেশ কিছুদিন আগে
    কৌতুহল বশত বেশ কিছুদিন আগে ছাগু লিখে গুগলে সার্চ দিয়েছিলাম ।সার্চ দিয়ে যা দেখলাম আমিতো টাশকিত!
    আমি মনে করি ছাগু শব্দটি বাংলা অভিধানে আলাদা মর্মার্থের উপর সংযুক্তি করা এখন সময়ের দাবী ।

    দারুন লিখছেন ভাই ।ছাগুর প্রকৃত ইতিহাস জানলাম ।ধন্যবাদ আপনাকে ।

    1. পড়ার জন্য শুভকামনা। আসলে
      পড়ার জন্য শুভকামনা। আসলে পাক্কা দুই বছর ধর নিরলস ভাবে ছাগু নিয়ে গবেষণা করতেছি। ছাগুতত্ব নিয়ে উইকিপিডিয়াতে লিখে পরিশ্রমের ষোলকলা পূর্ণ করতে চাই।

      1. ওরে স্লোগান … পুরাই
        ওরে স্লোগান :মুগ্ধৈছি: :হাহাপগে: … পুরাই সেরাম :salute: … এমনে পচাইলে ছাগুসম্প্রদায় যাইব কই, কন তো ইলেকট্রন আপু :ভেংচি: :ভেংচি: :হাসি: ?? তাদেরও স্বাধীনভাবে লেদানির অধিকার আছে, :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: নাকি?? 😀 😀

        1. আপনার কাছ থেকে আপু শুনতে
          আপনার কাছ থেকে আপু শুনতে ভালোই লাগতেছে। যদিও আমি আপনার ভাই হওয়ার কথা!! আপনি আমাকে প্লিজ আপু বলেই ডাকবেন। প্লিজ!! :হাহাপগে:

          1. দুঃখিত জনাব
            দুঃখিত জনাব :দেখুমনা: :দেখুমনা: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: , কিছুদিন আগে একটা পোস্টে আপনারে কেউ একজন আপু বলে সম্বোধন করছিলেন, সেইটা দেখেই এই ভুল সম্বোধন :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :কানতেছি: :কানতেছি: … আপ্নেরে আপু বানায়া দেয়ার লাইগা আবারও আন্তরিকভাবে দুঃখিত… :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মাথাঠুকি:

          2. কুনু সমস্যা নাই ভাই। আই
            কুনু সমস্যা নাই ভাই। আই রিয়েলী এনজয়েড দ্যাট!!!! চাইলে এখনো বলতে পারেন। সুইট লাগে!

  3. ধন্যবাদ ! ছাগুর ইতিহাস টা
    ধন্যবাদ ! ছাগুর ইতিহাস টা খুঁজবো খুঁজবো করে বার বার ভুলে গিয়েছি । আজ আর খুঁজতে হলনা । স্বয়ং ছাগু বিত্তান্ত নিয়ে হাজির হলেন আপনি । এই সম্পর্কিত, বিশেষ করে বাংলা ব্লগের শৈশব, কৈশোর, ও যৌবন ( এখন তো বোধ হয় যৌবন কাল চলছে, আপনি কি বলেন ? ) কাল সম্পর্কে জানতে চাই ।

    1. ছাগুর ল্যাদানি গুলাও কিন্তু
      ছাগুর ল্যাদানি গুলাও কিন্তু ভাই জোশ!! অসইংখ্য ধইন্যবাদ পড়বার জইন্যে।

    1. বাঁচতে হলে তো জানতে হবে সফিক
      বাঁচতে হলে তো জানতে হবে সফিক ভাই। ছাগুকে 1000 হাত দূরে রাখে নিজে নিজের জায়গায় থাকুন!

  4. এই পোস্টের সাথে কোন পার্থক্য
    এই পোস্টের সাথে কোন পার্থক্য পান কিনা দেখেন তো।!!! কারো কাছে থেকে তথ্য নেয়া আর সম্পূর্ণ সেই পোস্ট তুলে ধরা কিন্তু ভিন্ন জিনিস।
    http://www.sachalayatan.com/suman/47877

  5. আমি পোস্টেই বলে দিয়েছিলাম
    আমি পোস্টেই বলে দিয়েছিলাম এইটা সুমন চৌধুরীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা। ছাগুর ইতিহাস নিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি আমায় অনেক বড় একটা ইতিহাস দিয়েছিলেন। সে ইতিহাসের কিছু অংশ পরিবর্তন করে আর কিছু অংশ হুবুহু তুলে দিলাম। সত্য বলার যথেষ্ট সৎ সাহস আমার আছে।সচলায়তনে তার পোস্টের কথা জানতাম না। এখন জানলাম। তাই সম্পাদন করে কার্টেসী দেয়া আমার কর্তব্য। কার্টেসী কিন্তু আমি পোস্টে আগেই দিয়েছিলাম।
    আমি নিজেই এই ব্লগে অনেক কপি পেস্ট নিয়ে বিরোধীতা করেছিলাম। নিজে কপি করলে তাই নিজেই ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিলাম। তবে আমার ব্যাখ্যা আমি দিয়েছি। সচলায়তনের কথা মোটেই জানতাম না। এখন পোস্ট এডিট করে দিচ্ছি। কিরণ শেখর ভাইকে ধন্যবাদ বের করে দেয়ার জন্য।

  6. কিছু বলার নাই। আপনিই ভাল
    কিছু বলার নাই। আপনিই ভাল বুঝবেন কি করেছেন।

    আসলে পাক্কা দুই বছর ধর নিরলস ভাবে ছাগু নিয়ে গবেষণা করতেছি। ছাগুতত্ব নিয়ে উইকিপিডিয়াতে লিখে পরিশ্রমের ষোলকলা পূর্ণ করতে চাই।

    আপনি এত বড় ছাগু গবেষক আর এই লেখার কথা জানেন না! কি গবেষণা করলেন দুই বছর ধইরা। সাবধান নিজেই আবার ছাগ প্রেমে পইড়া যাইয়েন না।

      1. রাহাত ভাই আসলে আমি ওনাকে
        রাহাত ভাই আসলে আমি ওনাকে ধরার জন্য লিখিনি। অঘূর্নায়মান ইলেকট্রন ভাই ভাল কমেন্ট করেন পাশাপাশি, প্রগতিশীল আন্দোলনের সাথে আছেন। আমি দুইদিন ঢাকার বাইরে ছিলাম, পিছনে ফিরে পুরাতন পোস্ট ঘেঁটে ওনার লেখাটা পড়লাম। পড়েই মনে হল কোথায় যেন পড়েছি। আসলে আমি বিষয়টা তে কষ্ট পেয়েছি। ওনার কাছে থেকে আমি এটা আশা করিনি। আমার আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *