ফেসবুক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হউন!

আমার ছোটবেলায় পড়া একটা গল্প বার বার মনে পড়ে যায়- একটা কুয়ার মধ্যে অনেকগুলো ব্যাঙ বসবাস করতো। একদিন কুয়ার পাশ দিয়ে একদল দুষ্ট ছেলে হেঁটে যাচ্ছিলো। কুয়ার মধ্যে ব্যাঙ দেখতে পেয়ে ওরা কুয়ার ভিতর ঢিল ছুঁড়তে শুরু করলো। ঢিলের আঘাতে কয়েকটা ব্যাঙ আহত হল। এটা দেখে সহ্য না করতে পেরে বৃদ্ধ এক ব্যাঙ পানির উপর ভেসে উঠে প্রশ্ন করলো “তোমরা পানিতে ঢিল ছুঁড়ছো ক্যানো ??”
দুষ্ট ছেলেরা উত্তরে বলল ” আমরা তো মজা করছি। ”
অতঃপর বৃদ্ধ ব্যাঙটি বলল ” তোমাদের এই মজার কারনে, আমাদের জীবন দিতে হচ্ছে! ”
গল্পটা হঠাৎ মনে পড়ে যাওয়ার কারন হল ফেসবুকের মেয়েরা কুয়ার ওই ব্যাঙ গুলোর মতই অসহায়!


আমার ছোটবেলায় পড়া একটা গল্প বার বার মনে পড়ে যায়- একটা কুয়ার মধ্যে অনেকগুলো ব্যাঙ বসবাস করতো। একদিন কুয়ার পাশ দিয়ে একদল দুষ্ট ছেলে হেঁটে যাচ্ছিলো। কুয়ার মধ্যে ব্যাঙ দেখতে পেয়ে ওরা কুয়ার ভিতর ঢিল ছুঁড়তে শুরু করলো। ঢিলের আঘাতে কয়েকটা ব্যাঙ আহত হল। এটা দেখে সহ্য না করতে পেরে বৃদ্ধ এক ব্যাঙ পানির উপর ভেসে উঠে প্রশ্ন করলো “তোমরা পানিতে ঢিল ছুঁড়ছো ক্যানো ??”
দুষ্ট ছেলেরা উত্তরে বলল ” আমরা তো মজা করছি। ”
অতঃপর বৃদ্ধ ব্যাঙটি বলল ” তোমাদের এই মজার কারনে, আমাদের জীবন দিতে হচ্ছে! ”
গল্পটা হঠাৎ মনে পড়ে যাওয়ার কারন হল ফেসবুকের মেয়েরা কুয়ার ওই ব্যাঙ গুলোর মতই অসহায়!

একটা ছোট্ট শহরের ঘটনা। মেয়েটির নাম ছিল সুস্মিতা। মেয়েটি ফেসবুক ব্যবহার করতো এবং সেই সাথে নিজের ছবিও আপলোড করতো। একটা ছেলে মেয়েটির ছবি আইডি থেকে কালেক্ট করে, ছবিসহ একটা প্রোফাইল বানিয়ে গুগলে কল গার্ল লিস্টে দিয়ে দেয়।

মেয়েটি তার পরিবারের সবার থেকে নম্র ও ভদ্র মেয়ে ছিল। ছেলেটা সম্পূর্ণ শহরে ছড়িয়ে দেয় যে, এই মেয়েটি কল গার্ল! যখন ঘটনাটি নিয়ে মেয়েটার পরিবারে জানাজানি হয়, তখন মেয়েটির সাথে পুরা পরিবার সুইসাইড করে। এভাবেই কালের নৃশংস ছোবলে হারিয়ে যায় কয়েকটি তাজা প্রাণ!

এটাই ফেসবুকের দুনিয়া যেখানে ২৪ ঘণ্টাই কিছু বিকৃত চিন্তাধারার মানুষ ঘোরাফেরা করে। কিছু মানুষরূপী হায়না ঘুরে বেড়ায় যারা রাস্তায় ইভটিজিং আর অনলাইনে মেয়েদের উত্যক্ত করাতেই বেঁচে থাকার স্বার্থকতা খুঁজে পায়। আপনার আসে পাশে এমন কাউকে দেখলে অবশ্যই কঠোর হস্তে প্রতিহত করার চেষ্টা করবেন, যদি না পারেন তাহলে অবশ্যই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিবেন।

ফটো প্রাইভেসি এবং ফ্রেন্ড লিস্ট এর ব্যাপারে সতর্ক থাকার সাথে সামাজিকভাবেও শক্ত হওয়া প্রয়োজন নিজ নিজ অবস্থান থেকেই, তাতে একজন একটা কিছু বললো, বানালো বা মিথ্যাচার করলো- সেক্ষেত্রে প্রাণ না দিয়ে প্রতিবাদ জানানো এবং উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার মতন শিক্ষিত বা সচেতন হতে হবে সব স্তরের মেয়েদের,উন্নত দেশে যেমন সাইবার ক্রাইম করে পার পাওয়া যায়না তেমনি ভাবে গড়ে তুলতে হবে এই অপরাধ সমূহের আইন গুলো।

আসলে প্রফাইলে ছবি না দেয়াই একমাত্র সমাধান না। যারা এরকম মন্দ কাজ করবে এরা যে আপনার একেবারেই অচেনা হবে এমন কোনো মানে নেই,অনেক দিনের চেনা কাছের মানুষও এরকম শত্রুতা করে হেনেস্থা করার চেষ্টা করতেই পারে! এর জন্যই দুর্বলতা না দেখিয়ে এমন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বা অবস্থান বানাতে হবে যেন এসব ক্ষতিকারক কিছু করে ফেললে কেউ ভেঙ্গে না পড়ে বা নিজের ক্ষতি ডেকে না এনে সোচ্চার হয় এবং ভুক্তভুগী যেন আত্মহত্যা না করতে হয় বরং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে ,তাহলে পরবর্তিতে এসব অপরাধ করার আগেই ঐসব লোক একশ বার ভাববে পরিনতি সম্পর্কে!

ফেসবুকে এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, কাজেই মেয়েদের পারতপক্ষে ফেসবুকে ছবি আপলোড তথা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা দরকার।

১৯ thoughts on “ফেসবুক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হউন!

  1. আছে, কিছু ফেইস বুক সেলিব্রিটি
    আছে, কিছু ফেইস বুক সেলিব্রিটি কুলাঙ্গার ও আছে । যারা প্রতিনিয়ত তাদের বিকৃত কাম চরিতার্থ করছে এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে ।

  2. কিছু নিকৃষ্ট কীটের জন্য আজ
    কিছু নিকৃষ্ট কীটের জন্য আজ ভার্চুয়াল জগত কলুষিত :মানেকি: :মানেকি: … এগুলোকে উচিৎ শাস্তি দেয়া প্রয়োজন… :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :জলদিকর: কিন্তু কে দেবে?? :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  3. মেয়েটির নাম ছিল সুস্মিতা।

    মেয়েটির নাম ছিল সুস্মিতা। মেয়েটি ফেসবুক ব্যবহার করতো এবং সেই সাথে নিজের ছবিও আপলোড করতো। একটা ছেলে মেয়েটির ছবি আইডি থেকে কালেক্ট করে, ছবিসহ একটা প্রোফাইল বানিয়ে গুগলে কল গার্ল লিস্টে দিয়ে দেয়।মেয়েটি তার পরিবারের সবার থেকে নম্র ও ভদ্র মেয়ে ছিল। ছেলেটা সম্পূর্ণ শহরে ছড়িয়ে দেয় যে, এই মেয়েটি কল গার্ল! যখন ঘটনাটি নিয়ে মেয়েটার পরিবারে জানাজানি হয়, তখন মেয়েটির সাথে পুরা পরিবার সুইসাইড করে। এভাবেই কালের নৃশংস ছোবলে হারিয়ে যায় কয়েকটি তাজা প্রাণ!

    এটা উচিত হয়নি। কিছুদিন আগে আমার বোনের ফোন চুরি হয়েছে।এখন ওর ছবি যদি এরকম কোনো সাইটে পাওয়া যায় তবে র‍্যাব-পুলিশকে জানাতে হবে।
    কলগার্ল বললেই কলগার্ল হয়ে যায় না।আত্মহত্যা করায় ওই ক্রিমিনালেরই জয় হোল।

    1. কলগার্ল বললেই কলগার্ল হয়ে যায়

      কলগার্ল বললেই কলগার্ল হয়ে যায় না।আত্মহত্যা করায় ওই ক্রিমিনালেরই জয় হোল।

      :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

      1. পরিস্থিতি তো পরিস্থিতিই।
        পরিস্থিতি তো পরিস্থিতিই। তালেবানি এলাকায় এরকম ঘটনা হোতই না। ফেসবুকই ইউজ হবে না আবার কলগার্ল কীসের!
        দৃষ্টিভঙ্গিতে মোচড় পড়া দরকার।ভারতের মতো দেশের শহরে এরকম পশ্চাৎপদ চিন্তা করলে তো ভয়ের ব্যাপার।

  4. খুবই অবাক লাগলো ঘটনাটা শুনে।
    খুবই অবাক লাগলো ঘটনাটা শুনে। এইরকম ঘটনা নেটে খুঁজলে আরো অনেক পাওয়া যাবে। আমি কাছ থেকে কিছু কথা বলতে চাই।
    প্রথমেই দেখে নিন ফেসবুককে কিভাবে সিরিয়াসলি নিচ্ছে সবাই: ফেসবুকে প্রোফাইল ছবি অথবা পোস্ট করা ছবিতে বেশি লাইক ও কমেন্টস পেতে প্লাস্টিক সার্জারির পথ বেছে নিচ্ছেন ভারতের তরুণ তরুণীরা। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতের বড় বড় শহরগুলোতে ২০ থেকে ৩০ বছরের তরুণ তরুণীদের মধ্যে প্লাস্টিক সার্জারির প্রবণতা তুলনামূলক বেড়ে গেছে। সার্জারির মাধ্যমে মুখের খুঁত সারানোর কাজে সময় ব্যয় করছেন তারা। প্লাস্টিক সার্জারি করতে আসা তরুণ তরুণীরা বলছেন, “ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে সেভাবে লাইক না পড়ায় এ পদ্বতি অবলম্বন করতে হচ্ছে।”

    লেজার সার্জারি মাধ্যমে শুধু ত্বকের খুঁত
    সারানোই না! সাথে আছে থুতনি, ঠোঁট, নাকের খুঁতও সারানোর কাজ। এতে খরচ হচ্ছে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা। এ প্রক্রিয়াটার নাম দেয়া হয়েছে ‘ফেসবুক ফেসলিফট’। কিন্তু ফেসবুকে নিজের সুন্দর, নিখুঁত ছবি পোস্ট
    করে লাভ? প্লাস্টিক সার্জারি করাতে আসা এক তরুণী এ প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “ফেসবুকে নিজেকে সুন্দর না দেখালে, সামাজিক যোগাযোগ বাড়বে না। এছাড়া সুন্দর ছবি পোস্ট করা মানে অনেক অনেক সুন্দর পাত্রের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব পাওয়া।”
    (সূত্র: জি নিউজ, ২৪ ঘণ্টা.কম)
    কি? বিশ্বাস হচ্ছেনা আমার কথা? গুগলে ‘ফেসবুক লাইক প্লাস্টিক সার্জারি” লিখে সার্চ দিন। তারপর অবাক হয়ে যান।

    কিছু ফ্লাশব্যাক দেখে নিন আগে: ১৯৬৯ সালে কুখ্যাত সাম্রাজ্যবাদী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরা বিভাগ প্রতিরার জন্য নিজস্ব নেটওয়ার্ক (American Defence Network) ব্যবস্থা গড়ে তোলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক আক্রমণ ঠেকানোর জন্য বৈজ্ঞানিক তথ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য আদান প্রদান ও সংরণ করা। এর নাম দেয়া হয় ‘আরপানেট’। আর আরপানেট সত্তরের দশকের শেষদিকে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক গন্ডির মধ্যে হাঁটি হাঁটি পা পা করে যাত্রা শুরু করে তখন হয়তো কেউ চিন্ত করেনি এই আরপানেট ধিরে ধিরে একটি মহীরুপে পরিণত হবে। পরবর্তীতে আরপানেট নাম পরবর্তীত হয়ে ইন্টারনেট নাম ধারণ করে। আর এই ইন্টারনেট স্বল্প সময়ের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গন্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তরে পৌছে গেছে। মাত্র বিশ বছরের কম সময়েই সারা বিশ্বে এই ইন্টারনেট যেন একটি ডিজিটাল বিপবের সূচনা করেছে।

    এইবার দেখে নিন সাইবার ক্রাইম নামক ক্যান্সারের বিস্তৃতি: বর্তমান যুগ সাইবার সন্ত্রাসের যুগ। বর্তমানে ইন্টারনেট বা প্রযুক্তি জগৎ সাম্রাজ্যবাদীদের এজেন্ডা বাস্তাবায়নের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ২০০৭ সালের এক সমীক্ষায় দেখা যায়-শুধু সাইবার অপরাধের কারণে ২০০৭ সালে পৃথিবীতে ১০ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। এন্তেজানিয়ার দেশে সাইবার ক্রাইম পুরো সরকার ব্যবস্থার ওপর আঘাত হেনেছে। সেখানে দুটি বড় ব্যাংক, ছয়টি সংবাদপত্র সহ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। সেখানে হ্যাকাররা এসব সংস্থার সব তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। শুধু এন্তেজানিয়া নয় সাম্রাজ্যবাদীদের ইন্ধনে পৃথিবীর সকল দেশ সাইবার সন্ত্রাসে ভয়ংকরভাবে আক্রান্ত। অনেক দেশ বিপন্ন হওয়ার পথে। কিন্তু যে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো সাইবার সন্ত্রাসের মাধ্যমে পৃথিবীর একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তারাও সাইবার সন্ত্রাস থেকে মুক্ত নয়। বরং উন্নত বিশ্বে সাইবার ক্রাইমের ঘটনাগুলোই বেশি ঘটছে। উন্নত বিশ্বে সাইবার অপরাধকে অপরাধের তালিকায় শীর্ষে স্থান দেয়া হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে সাইবার অপরাধীদের জন্য নতুন নতুন আইন। কিন্তু ক্রমান্বয়ে যেন তা বেড়েই চলছে। বর্তমান ইউরোপে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তা দমনের জন্য “ইউরোপিয়ান সাইবার ক্রাইম” সেন্টার হচ্ছে। পুলিশের আর্ন্তজাতিক সংস্থা ইন্টারপোল জানিয়েছে, সাইবার অপরাধের কারণে শুধু ইউরোপেই বছরে ক্ষতি হয় ৯২৯ বিলিয়নডলার। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে-প্রতিদিন গড়ে অন্তত এক মিলিয়ন অর্থ্যা প্রায় ১০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয় সাইবার অপরাধীদের দিয়ে।

    ইজ প্রিভেনশান রিয়েলি ব্যাটার দ্যান কিউর: ইউরোপের সাইবার
    অপরাধকে নিয়ন্ত্রণে আনতে এবার গঠন করা হচ্ছে ‘ইউরোপীয়ান সাইবার ক্রাইম সেন্টার’ এটা হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ ইউরোপোলের একটি অংশ। আর এর দফতর বসবে দ্য হেগ শহরে। শোনা যাচ্ছে, এ কমিশনের বার্ষিক বাজেট ধরা হয়েছে ৩.৬ বিলিয়ন ইউরো। সাইবার অপরাধকে নিয়ন্ত্রনের লক্ষে এই কমিশনে যোগ দেবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫৫ জন তদন্তকারী। আশা করা যাচ্ছে ২০১৩ সালের শুরুর দিকে মাঠে সামবে এই ইউরোপীয়ান সাইবার ক্রাইম সেন্টার। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক রস অ্যান্ডারসন বলেন-গত ছয় বছরে সাইবার
    অপরাধ বেড়ে গেছে আশংকাজনক হারে। তার মতে বিশ্বের প্রায় ৫ শতাংশের বেশি পিসি ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত এবং ২০ টির ভেতরে একটি কম্পিউটার না জেনেই স্প্যাম ছাড়াচ্ছে অন্যদের মাঝে। এক গবেষনায় দেখা যায়-ইন্টারনেটে প্রতিদিন প্রায় ২৪৭ বিলিয়ন মেইল আদান প্রদান করা হয়। এর মাঝে ৮১% অর্থ্যা ২০০ বিলিয়নই হলো স্প্যাম। তারা যেন সাইবার অপরাধ নামক দানবের হাতে বন্দী হয়ে কেঁদেও মুক্তি পাচ্ছে না। সাইবার অপরাধের সাথে কেউ ইচ্ছা করলেই যুক্ত হতে পারেন না। তাকে হতে হবে অত্যন্ত মেধাবী। তাই আজ অপার সম্ভবনাময়ী এ মেধা গুলো সুন্দর পৃথিবী গড়ার পরিবর্তে আজ পৃথিবী ধ্বংসে ব্যস্ত। তাই সাইবার ক্রাইমের কারণে ধ্বংসের কবলে প্রযুক্তি জগৎ।

    এইবার আসল কথায় আসি: এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বর্তমান ইন্টারনেটের তথ্য ভান্ডারের প্রায় ২৫ ভাগই পর্ণোগ্রাফী। বর্তমানে ইন্টারনেটে মোট ২০,৫২,০৩,২০০ টি ওয়েবসাইটের মধ্যে ৫১,০০০০০০ টি পর্ণোগ্রাফী ওয়েবসাইট রয়েছে। শিশুদের নিয়ে তৈরি অশীল ছবির ওয়েবসাইট রয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি। ১০ লাখের বেশি শিশুর ছবি রয়েছে এসব সাইটে। ১০ লাখের মতো অপরাধী এ সব অবৈধ ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত।

    এইবার আমার কথা বলি: ইন্টারনেট একটি অভিশাপ হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। আমরা যে ইন্টারনেট দেখি তা পুরো ইন্টারনেটের মাত্র ১০%। বাকি ৯০% ঈ ডার্ক নেট। ফেসবুকের এই ঘটনা আগেও প্রায় একই রকম কয়েকটা ঘটেছিলো। তাছাড়া আইপি প্রটোকল দিয়ে অনেকেই ব্যবহারকারীর সব তথ্য পেয়ে যেতে পারে। তারউপর বিভিন্ন পিশিং সাইট আছে। পর্ণ ইন্ডাস্ট্রি এত সহজে বন্ধ করা যাবেনা। আমি মনে করি বন্ধ করার মোটেও দরকার নাই। কিন্তু একটু লাগাম টেনে ধরতে হবে। আর, আমরা যতই নারী অধিকার বলে চিল্লাই, নারীদের সম্পূর্ণ অধিকার ততদিন নিশ্চিত হবেনা, যতদিন আমরা আমাদের মনোভাব না পাল্টাই। আমরা বলতে পারি, পুরুষ হাফপ্যান্ট পড়লে নারী পারবেনা কেন? কিন্তু কতটুকু বাস্তব এই দাবী? আমাদের পুরুষের মাঝেই যত হায়েনা লুকিয়ে আছে। এইসব সাইবার আসামীদের জন্য দ্রুত আইনের বিচার প্রনয়ণ করতে হবে। আর, মেয়েদেরকে নিজেই সচেতন হতে হবে। সাইবার ক্রাইমের পথ আরো সোজা হয়ে গেছে ফেসবুক, টুইটারের মাধ্যমে। এত হ-য-ব-র-ল অবস্থা কিভাবে সামলানো যায়, আই ডোন্ট নো। বাট, উই হ্যাভ টু বি কেয়ারফুল ইনডিভিজ্যুয়ালি। উই হ্যাভ টু প্রটেস্ট সাইবার ক্রাইম। উই হ্যাভ টু ফাস্যেন আওয়ার সিটবেল্ট টাইটলি অ্যান্ড শ্যুড বি রেডি টু হ্যাভ এ ক্রেজি রাইড। নট অ্যা রাইড অব থ্রিলিং, বাট অ্যা রাইড ফর কিলিং দ্য ডেমনস।

    1. ইলেকট্রন ভাই আপনার এই লিখাটি
      ইলেকট্রন ভাই আপনার এই লিখাটি পোস্ট আকারে দিন… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow: :bow:
      সবাইকে জানানোর দরকার… আসলেই চলমান পোস্টটির গুরুত্ব কয়েকগুন বাড়িয়ে দিয়েছে আপনার মন্তব্য!! সাথে সাথে আমাদের কিছু করনীয় বের করে দিতে পারেন!!

  5. সমাজে কীট পতঙ্গ থাকবেই। তাই
    সমাজে কীট পতঙ্গ থাকবেই। তাই বলে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। নিজ নিজ প্রাইভেসির নিরাপত্তার দিকে নিজেকেই লক্ষ্য রাখতে হবে। হুট করে অচেনা কাউকে ফ্রেন্ড লিস্ট যোগ না করাই উত্তম। এট লিস্ট প্রোফাইলে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য যাদের নেই, কিংবা যারা ছদ্মনামে আছে তাদের ব্যাপারে আরও বেশী সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

  6. সবথেকে বড় সমস্যা আমাদের
    সবথেকে বড় সমস্যা আমাদের মানসিকতায়। আমাদের সমাজে ধর্ষক সগর্বে রাজপথে ঘুরে বেড়ায়। আর ধর্ষিতা গলিতে সবার বাঁকা দৃষ্টি আর মুচকি হাসির ফিসফাস সহ্য করতে না পেরে ফ্যানের সাথে ঝুলে পড়ে।

  7. খুব ভালো
    খুব ভালো বলেছেন,ভাইয়া…
    আত্মহত্যা কোন সমাধান নয়, এই নরপশুদের সঠিক বিচারের আওতায় আনতে আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন…
    সর্বপ্রথম আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে যেনো আমরা একটি সুস্থ এবং নারীবান্ধব পরিবেশ পাই…
    এর জন্য নারী-পুরুষ সবাইকেই উদ্যোগী হতে হবে…
    ফেসবুকে মেয়েদের আরো সচেতন হওয়ার পাশাপাশি এই সচেতনতা পারবে~ সমাজে মেয়েদের এইরকম ভয়ানক পরিনতি থেকে রক্ষা করতে…

  8. ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট বড় থাকা
    ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট বড় থাকা ও বিশাল একটা ফলোয়ার গ্রুপ এখন একটা ফ্যাশন। অনেক মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা একটা রোগে পরিনিত হয়েছে। সেলিব্রেটি দের কথা বাদ দিলাম সাধারণ স্টুডেন্ট, চাকরিজীবী কি যে প্রতিযোগিতা দেখলে অবাক হয়ে যাবেন। এসেলার দিয়ে গোটা দশেক ক্লোজ ছবি থাকলেই ১০ হাজার ফলোয়ার নিশ্চিত।

    আর পুরুষ মানুষের (সবাই না) কাঙ্গালত্তের কথা না বলি। এই ১০ হাজার ফলোয়ার এর সাড়ে ১০(!) হাজারই ছেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *