ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিকূল স্রোতের যাত্রী

আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটের সামনে কৃঞ্চচূড়া গাছের বেদীকে ‘প্রজন্ম চত্বর’ নাম দিয়ে শাহবাগের আন্দোলনের সাথে আনুষ্ঠানিক একাত্নাতা ঘোষণা করল ইবির সাধারণ ছাত্রছাত্রী।প্রায় চার ঘন্টা স্লোগান আর গণসংগীতে সোচ্চার ছাত্রছাত্রীরা রাজাকারদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতসহ,জামাত-শিবিরের রাজনীতি আইন করে বন্ধের দাবী জানায়।কোন দলীয় ব্যানার নেই,কোন সাংগঠনিক ব্যানার নেই। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার খানেকের মত
শিবিরকর্মী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধে ট্রাইব্যুনাল বাতিল করা দাবি জানিয়ে প্রতিদিন শোডাউন করে,সেখানে ২০জনের মত সাহসী ছাত্র হাত পায়ের রগ বাজী রেখে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবী তোলে।স্যালূট তাদের প্রতি।এই

আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটের সামনে কৃঞ্চচূড়া গাছের বেদীকে ‘প্রজন্ম চত্বর’ নাম দিয়ে শাহবাগের আন্দোলনের সাথে আনুষ্ঠানিক একাত্নাতা ঘোষণা করল ইবির সাধারণ ছাত্রছাত্রী।প্রায় চার ঘন্টা স্লোগান আর গণসংগীতে সোচ্চার ছাত্রছাত্রীরা রাজাকারদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতসহ,জামাত-শিবিরের রাজনীতি আইন করে বন্ধের দাবী জানায়।কোন দলীয় ব্যানার নেই,কোন সাংগঠনিক ব্যানার নেই। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার খানেকের মত
শিবিরকর্মী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধে ট্রাইব্যুনাল বাতিল করা দাবি জানিয়ে প্রতিদিন শোডাউন করে,সেখানে ২০জনের মত সাহসী ছাত্র হাত পায়ের রগ বাজী রেখে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবী তোলে।স্যালূট তাদের প্রতি।এই
প্রতিক্রিয়াশীলতার রাজ্যে প্রগতির ঝান্ডা হাতে তারাই দাড়িয়েছে।সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক বর্তমান আঁতাতকারী প্রশাসন
যারা জামাতপন্থী শিক্ষকদের সাথে আন্দোলন করে প্রশাসনের প্রক্টর ও ছাত্র-উপদেষ্টা পদ দখল করেছে তারা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ও বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সকল রকম সভা সমাবেশ আগামী একমাসের জন্য বন্ধ
ঘোষণা করে।আমরা বিক্ষুদ্ধ ছাত্ররা সমাবেশের অনুমতি চাইলে আমাদের হঠকারি ও ফালতু বলে সম্বোধন করেন।
আমরা ওনাকে বলি সারা বাংলাদেশে যেখান গণজোয়ার উঠেছে আমরা সেখান চুপ করে বসে থাকতে পারিনা,ইবি তো পাকিস্তান নয় এটা বাংলাদেশের জনগণের বিশ্ববিদ্যালয়।তখন প্রক্টর বলেন,সারা দেশ কিভাবে চলে চলুক
ইবি চলবে ভিসির নির্দেশে,এখানে ভিসির নির্দেশের বাইরে কিছু হবেনা। আমরা শেষে গেট সংলগ্ন বেদীতে সমাবেশের সিদ্ধান্ত নিলাম।এই হল বাংলাদেশের ভিতর ‘মিনি পাকিস্তান’।তবুও আমরা সকল রকম অসহযোগিতা মোকাবেলা করে সফল সমাবেশ করছি।প্রায় জনা পঞ্চাশেক ছাত্রছাত্রী আমার সাথে একাত্ন হয়ে স্লোগান তুলেছে।যারা হলে থাকেন তাদেরকে প্রচুর হুমকি ধামকি দিচ্ছে শিবিররা।জামাত-শ­িবিরকে নিষিদ্ধ না করতে পারলে আমাদের প্রগতিশীল কেউই তাদের হাত থেকে নিরাপদ নয়। আমাদের লড়াই চলছে চলবে।

জয় বাংলা।

৭ thoughts on “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিকূল স্রোতের যাত্রী

  1. আপনাদের আন্দোলনের সাথে সংহতি
    আপনাদের আন্দোলনের সাথে সংহতি জানালাম। এই যুদ্ধে জয়ী হতে হবে। মনে রাখতে হবে, এটা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ। আমাদের বিজয় ছিনিয়ে না আনা পর্যন্ত আমাদের ঘরে ঢোকা যাবেনা। এই যুদ্ধ মরনজয়ী করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *