‘জয়’ কে বলছি।

জয় তুমি কার পুত্র?
– ওয়াজেদ সাহেবের

জয় শেখ মুজিব তোমার কি হয়?
– আমার নানা।

আমি তো জানতাম ছেলেরা তার বাপ দাদার বংশ পরিচয়ে পরিচিত হয়। আপনি কি ভুলে গেছেন, আপনার বাবা এই দেশের এক জন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ছিলেন!
আপানার মা উনার কতটুকু সেবা করেছেন, সে বিষয়ে আমি না হয় নাই বললাম।

আচ্ছা জয়, তুমি পড়াশুনা করেছো কোথায়?
– ইন্ডিয়াতে।

আর গ্রাজুয়েশন নিয়েছো কোথা থেকে?
– ইন্ডিয়া।

জয়, আমার দেশে কি ভালো কোন প্রতিষ্ঠান ছিল না? আপনাকে ইন্ডিয়া যাওয়া লাগলো ক্যানো?
আপনি তো ইন্ডিয়ার কালচারে বেড়ে উঠেছেন, আপনি এদেশের মাটির মানুষের কথা কি বুঝবেন বলেন!

জয়, আপনি বিয়ে করেছেন কাকে?

জয় তুমি কার পুত্র?
– ওয়াজেদ সাহেবের

জয় শেখ মুজিব তোমার কি হয়?
– আমার নানা।

আমি তো জানতাম ছেলেরা তার বাপ দাদার বংশ পরিচয়ে পরিচিত হয়। আপনি কি ভুলে গেছেন, আপনার বাবা এই দেশের এক জন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ছিলেন!
আপানার মা উনার কতটুকু সেবা করেছেন, সে বিষয়ে আমি না হয় নাই বললাম।

আচ্ছা জয়, তুমি পড়াশুনা করেছো কোথায়?
– ইন্ডিয়াতে।

আর গ্রাজুয়েশন নিয়েছো কোথা থেকে?
– ইন্ডিয়া।

জয়, আমার দেশে কি ভালো কোন প্রতিষ্ঠান ছিল না? আপনাকে ইন্ডিয়া যাওয়া লাগলো ক্যানো?
আপনি তো ইন্ডিয়ার কালচারে বেড়ে উঠেছেন, আপনি এদেশের মাটির মানুষের কথা কি বুঝবেন বলেন!

জয়, আপনি বিয়ে করেছেন কাকে?
– একজন খ্রিস্টান।

আমি ব্যাপারটা মেনে নিলেও দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ কি আপনার এই কাজ মন থেকে মেনে নিবে, আপনি যাদের নিয়ে দেশটাকে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন?

জয়, আপনার দেশের প্রতি ভালোবাসা দেখে আমি মুগ্ধ, যেভাবে আপনি আধা জল খেয়ে আওয়ামীলীগকে সামনের নির্বাচনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন। আপনার আওয়ামীলীগ বিগত ৪ টি বছর শেষ করে নির্বাচনের সামনে আসতেই আপনার টনক নড়ে গেল? কোথায় ছিলেন আপনি এই ৪টি বছর? তখন কি আপনার দেশের কথা মনে পরেনি?

জানেন, বিডিআর বিদ্রোহ, ইলিয়াস আলী গুম, সাগর-রুনি হত্যা মামলা, বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা ছাড়াও আরও অনেক ঝর বয়ে গেছে আপনার দলের উপর। কোথায় ছিলেন আপনি?

বিডিআর হত্যাকাণ্ডঃ নিজেদের খামখেয়ালি আড়াল করে আপনার দলের নেতারা বার বার বলেন, ”বিডিআর বিদ্রোহ নাকি খালেদার ষড়যন্ত্র! কারণ উনি সেদিন, কালো কালারের গ্লাস উঁচিয়ে গাড়িতে করে সকাল সকাল বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন।” এসব অবান্তর কথা বলার আগে আওয়ামী নেতাদের ভাবা উচিৎ, একজন বিরোধী দলীয় নেত্রীর পেছনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারি রয়েছে। তাহলে, আপনি আপনার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে দুষছেন না ক্যানো? যদি ভারতীও গয়েন্দা সংস্থা এর সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে প্রমান কোথায়?

ওইদিন তো শেখ হাসিনারও বিডিআর সদর দফতরে যাবার কথা ছিল। কিন্তু উনি গেলেন না ক্যানো? শুধুই কি অসুস্থতার বাহানা করে নাকি উনার কাছে আগেই কোন গোপন তথ্য ছিল বিদ্রহের ব্যাপারে? প্রশ্ন রেখে গেলাম।

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডঃ আওয়ামীলীগ সরকার ভারতের কাছে গ্যাস পাচার করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সাগর-রুনি তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অনেক তথ্য তথা ভিডিও সংগ্রহ করেছিল। যার কারনে, তাদের জীবন দিতে হল। সে বিচার কি আওয়ামীলীগ সরকার করেছে? আপনি বলবেন, ”হ্যাঁ, বিচার করেছে। সাগর-রুনির ফ্ল্যাটের দারোয়ানকে জেলে বন্দী করা হয়েছে।” সত্যিই হাস্যকর বিচার বাবস্থা আপনাদের।

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলাঃ জনসম্মুখে বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। আপনার মা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, ” আমরা বিচার করেছি, ওদের জেলে বন্দী করেছি।” আপনার মা মনে মনে আরেকটি কথাও বলছেন ” ওদের আবার মুক্তি দেওয়া হতে নির্বাচনের আগে। ” আমার বিশ্বাস ছিল হত্যাকারীদের শীঘ্রই ফাঁসী হয়ে যাবে। কিন্তু আপনারা তা করবেন নাহ!

আমি মনে হয় অনেক বেশি বদনাম করে ফেলছি। দুঃখিত! এবার একটু সুনাম করি…
আপনাদের গর্ব ”হাতির ঝিল প্রকল্প” আমার প্রশ্ন হল, সরকারের এসব কাজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ক্যান ব্যাবহার করা হল?
জয়, সব কাজ যদি সেনাবাহিনীকে দিয়েই করানো লাগে তাহলে আপনিই বলুন এদেশে গনতান্ত্রিক সরকার থেকে কি লাভ??

নিজেরা নিজেরা আইন তো অনেক বানাইলেন। এমন আইনও বানাইলেন যেখানে সব কিছুর মূলে আপনার মা’ই থাকবেন। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহালের দাবীতে মাঠে নামছিলেন, সেই বাবস্থা বিলুপ্ত করেছেন। ” আইন বানাও- দেশ চালাও ” আপনাদের নীতি।

জয়, আপনি যেভাবে আপনার নানার নাম বেচে খাচ্ছেন, আপনি হয়তো ভুলেই গেছেন আপনার দলে অনেক মাস্টার মাইন্ড নেতা রয়েছেন যারা রাজনীতির শুরু থেকে শেষ আপনার নানার সেবা করে গেছেন। তাদের গায়ে গামছা আর পরনে মুজিব কোট পরা আছে বলেই মনে কইরেন নাহ যে, এনারা আপনের লোক।

আপনাদের কাছে দেশের কথা বলতে গেলে আমার সত্যিই লজ্জা হয়। তবে একটা কথা না বললেই নয়- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র! গোটা ভারতের সাধারণ মানুষের চাপের মুখে ভারত সরকার তাদের পরিবেশের কথা চিন্তা করে, প্রকল্পটি বাতিল করেছিল। আর সেই অভিশাপরুপী প্রকল্পটি আপনারা গ্রহন করেছেন সুন্দরবনের জন্য। আপনারা সকলেই জানেন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করলে, পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হবে, তবুও আপনারা ভারত প্রীতি দেখিয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করেছেন। আসলে কি ” ভারত প্রীতি নাকি ভারত ভীতি ” ??

আপনার সীমান্তে এত নিরীহ লোক মারা যাচ্ছে প্রতি বছর। আর আপনি চেয়ে চেয়ে দেখছেন? আপনি কি বর্ডার গার্ডকেও হুঁশিয়ার করে দিতে পারেন নাহ? নাকি আপনি ভীত!

সবশেষে বলতে চাই, আওয়ামীলীগ যেমন ভুলে গেছে প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ভাষানীর কথা ঠিক তেমনি আপনিও ভুলে যাচ্ছেন দলের সিনিয়র নেতাদের কথা!

৩৩ thoughts on “‘জয়’ কে বলছি।

  1. রাত বেশি হয়ে যাওয়াতে তেমন
    রাত বেশি হয়ে যাওয়াতে তেমন কিছু টাইপ করতে ইচ্ছা করতেছেনা। এই পোস্টের প্রপ্তি কথার জবাব কাল দিমু। আজ আপাতত একটা স্যাটায়ার শুনে ঘুমাতে যান।

    সাংবাদিক এক বিএনপি কর্মীর সাক্ষাৎকার নিতেছেনঃ
    সাংবাদিক: আচ্ছা, জিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা, অথচ তাও আপনারা জামাতে সাথে হাত মিলিয়েছেন কেন?
    নেতা: আজকে আবহাওয়া টা খুব সুন্দর!
    সাংবাদিক: আপনারা জিয়া হত্যার বিচার করেননি কেন? খালেদা ম্যাডাম এখনো জিয়া হত্যার বিচার চাচ্ছেন না কেন?
    নেতা: চায়ে আমি চিনি কম খাই।
    সাংবাদিক: আপনাদের নেত্রী কিভাবে তেঁতুল বাবার সাথে এক টেবিলে বসে গল্প করতে পারেন?
    নেতা: চায়ে চিনি বেশি হয়ে গেছে।
    সাংবাদিক: আপনাদের ছাত্রসংগঠন তো শিবিরের সাথে হাত মিলায়নি, অথচ আপনারা জামাতের সাথে হাত-পা-ঐটা-সেইটা সব মিলিয়ে বসে আছেন কেন?
    নেতা: জরিনা, আরেককাপ চা নিয়া আয় তো।
    সাংবাদিক: তারেক জিয়া…..
    নেতা: ডাহা মিছা কথা। তারেক জিয়া মাসুম বাচ্ছা। সে কোনো দুর্নীতি করেনাই। এইগুলা সব লীগের ষড়যন্ত্র। মা মাটি ডাকছে, তারেক জিয়া আসছে। দেশের উন্নয়নে তারেক জিয়াকে আজ দরকার। তারেক জিয়া…….

    সাংবাদিক: না, আমি বলতে চাচ্ছিলা তারেক জিয়া দেশে আসবেন কখন!!

    এই হইলো বিম্পির বর্তমান অবস্থা। ঠিক ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা। বাকি সাতকাহন কালকের জন্য জমা রইলো। আজ ঘুমাইতে গেলাম।

    1. আপনাদের ছাত্রসংগঠন তো শিবিরের

      আপনাদের ছাত্রসংগঠন তো শিবিরের সাথে হাত মিলায়নি, অথচ আপনারা জামাতের সাথে হাত-পা-ঐটা-সেইটা সব মিলিয়ে বসে আছেন কেন?

      এইটা ভালো ছিল… :ভেংচি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: 😀 😀

  2. আপনার মত যারা আওয়ামীলীগের
    আপনার মত যারা আওয়ামীলীগের অন্ধ বিশ্বাসী আছেন, তাদের একটা কথা বলে রাখি অফ টপিকে না গিয়ে সরাসরি মন্তব্য করবেন। আপনি আপনার প্রোফাইল খুব গর্বের সাথে লিখেছেন আপনি নাকি রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন, আপনি জননিতিতে বিশ্বাসী। হাস্যকর 😛 আপনি যদি সত্যিই কোন নীতিতে বিশ্বাসী হতেন, তাহলে আমার পয়েন্ট গুলার ব্যাখ্যা ঠিকই দিতেন। আপানার কাছে আমি জিয়া-খালেদার কিচ্ছা শুনতে আসি নাই। আমাকে আজ বিএনপির সমর্থক বানিয়ে ঘুমিয়ে গেলেন। কাল বানাবেন জামাতপন্থি। তাহলে কি আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কথা বললেই বিএনপি জামাতের সার্টিফিকেট পাওয়া যায়?? 😀

    ভাই, জয় তো বড় হইছে ইন্ডিয়ায়। সে নেতৃত্ব চায় কিভাবে? তার কি বিন্দুমাত্র লজ্জা নাই?? পোলাডার যোগ্যতা নিয়ে কিছু বলুন… 🙂

    1. ভাই, জয় তো বড় হইছে

      ভাই, জয় তো বড় হইছে ইন্ডিয়ায়। সে নেতৃত্ব চায় কিভাবে? তার কি বিন্দুমাত্র লজ্জা নাই??

      এটা কি বললেন ভাই!! আপনি নিশ্চয়ই জানেন কি কারণে তাঁকে বিদেশে থাকতে হয়েছে। বলতে পারেন গত ২০ বছরের কথা। হ্যাঁ, তাও ঠিক এই সময়ে তিনি দেশে আসতে পারতেন। কিন্তু এটা কি ভাবছেন একবারও যে, শেখ হাসিনার অবস্থা ঘর পোড়া গরুর মতো। যেখানে তিনি বিরোধী দলীয় নেতা থাকাকালীণ তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয় সেখানে তিনি কোন দুঃখে নিজের প্রাণপ্রিয় সন্তানকে দেশে থাকতে দিবেন? ভারতের রাজিব গান্ধী কোথায় পড়াশুনা করেছেন? বা পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো? ……………… তাছাড়া আন্দালিভ পার্থ যদি বিদেশে পড়াশুনা করে একটা দলের শীর্ষ নেতা হতে পারেন, যে কিনা বেগম জিয়ার সাথে এক মঞ্চে বক্তৃতা করেন, তাহলে জয়ের অসুবিধা হবে কেন?

      তবে আপনার একটা কথার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত, এটা হতে পারে আমি উত্তরবাংলার লোক দেখে। জয়ের প্রধান পরিচিতি কিন্তু উনি ডঃ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর নাতি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করলে বা নামের আগে শেখ লাগালে এটা হবে খুব হাস্যকর। এবং অগ্রহনযোগ্য।

      1. শেখ রাসেলের সাথেই শেখ
        শেখ রাসেলের সাথেই শেখ পরিবারের অধ্যায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। জয়ের নামের সাথে শেখ লাগানোর প্রশ্নই হয় নাহ। আপনি নিরাপত্তার ব্যাপারে লিখেছেন, আপনার কাছে মনে হয়েছে এদেশের মাটিতে জয় নিরাপদ নয়। ফলশ্রুতিতে আপনি ২০ বছর টেনেছেন। আপনাকে একটা কথা পরিস্কার করে বলার আছে আমার সেটা হল, যে বাক্তি বিগত ২০ বছর যাবৎ নিরাপদ নন, তিনি হঠাৎ করেই নিরাপদ হয়ে গেলেন কিভাবে?? উনার মা ৪ বছর যাবৎ ক্ষমতায় ছিলেন, উনার কি তখনও নিজেকে নিরাপদ মনে হয় নি??? :p

        নির্বাচন ঘনায়ে আসলে কি জানমালের নিরাপত্তা বাইরে যায়। তাই না ভাই?
        মূলত সবই পুটু বাঁচানোর লড়াই! 😀

        1. আপনারা তো জঙ্গী লালন পালন
          আপনারা তো জঙ্গী লালন পালন করেন,আপনাদের লোক জন গান পাউডার নিয়ে ধরা খায় বোমা বানাতে গিয়ে ধরা খায়। জে এম বি ,বাংলা ভাই আপনারা তো এগুলো তৈরী করেছেন লালন পালন করেছেন।

          কিন্তু বর্তমানে সেই জঙ্গীদের তো লালন পালন করা হয় না!!!

      1. ঘটনা তো সত্য। সমালোচনা করলেই
        ঘটনা তো সত্য। সমালোচনা করলেই হয় বি.এন.পি নয় আওয়ামীলীগ ট্যাগ খাওয়া লাগে। এখন অবশ্য বাজারে আরো দুইটা হট আইটেম আসছে। ধর্ম নিয়ে কথা বললেই হয় আস্তিক নাতো নাস্তিক ট্যাগ মেরে দেয় :হাহাপগে: । তবে বিষয়টা খারাপ না, বি.এন.পি আওয়ামীলীগের বাইরে একটা কিছু নতুন তো পাওয়া গেল।

    1. আপনাদের দেখছি মূল টপিকে না
      আপনাদের দেখছি মূল টপিকে না এসেই, অনেকেই অনেক দুর দিয়ে হাঁটছেন। কেউ কেউ আবার দেখছি দুর থেকে ঢিল দিচ্ছেন। 😀

  3. আপনি সুকৌশলে বিএনপির চামচামি
    আপনি সুকৌশলে বিএনপির চামচামি করে গিয়েছেন।

    একটা ছোট্ট গল্প শুনাই,
    একজন বাবা রোজ তার ছেলে বলতে সেখাতেন তুমি কার ছেলে বলতো ? ছেলে বাবার সেখানো বুলি মত বাবার নাম বলত মার নাম বলত না কখনও। মার এতে কোন পতিবাদ করত না।
    একদা ছেলেটি নানা বাড়ি বেরাতে গেল সেখে ছেলেটি হারিয়ে গেল,ছেলেটির অনবরত কান্না দেখে লোক জন জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন তুমি কার ছেলে? বাবার সেখানো বুলি মত বাবার নাম বলল।
    তো ছেলেটার বাবাকে তো কেউ চিনত না। চিনতো মা কে তাই এই বিড়ম্বনা ছেলেটা মায়ের পরিচয় দিলে এত ঝামেলা হত না। তেমনই এই দেশে শেখ হাসিনাকে সকলেই চিনেন তাই তার পরিচয়েই সজীব ওয়াজেদ পরিচিত। ক্লিয়ার???

    এখন আসি ভারতে কেন পড়ালিখা করলো এই নিয়ে আপনার চুলকানিতে,
    যেই দেশে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করেন আপনারা,জাতির পিতাকে বেয়ীমানের মত হত্যা করেন তাদের উপর কি করে বিস্বাস রাখা যায়?? আপনার সন্তান হলে আপনি কি করবেন?
    আর নি:সন্দেহে এটা বলতে হবে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বেপরোয়া হালের কথা। যেখানে খাতায় লিখা দেখে প্র্যাক্টিকাল পরিক্ষার নাম্বার দেয়াহয় সেখানে কি বলব???

    আর শেষে ইন্ডিং দিলেন সাগর রুনি হত্যা কান্ড বিডিআর বিদ্রোহ দিয়ে সেখানেও দোষ আওয়ামীলিগের?? ভাল কথা নিয়ম এটাই। আমাদের বাঙ্গালির রক্তে এই গুন দোষ অপরকে দেয়া।

    যাই হোক বাংলাদেশে কি ডাক্তারের অভাব? হাসপাতালের অভাব আপনার তারেক জিয়া বিদেশে পড়ে আছে কেন??? আর চেহা সুরত দেখে তো অসুস্থ মনে হয় না। আবার ওখানে বসে রাজনীতি করে!! সে ওখানে বসে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কি বুঝবে?? এগুলোর উত্তর দেবেন ।

    1. যাই হোক বাংলাদেশে কি

      যাই হোক বাংলাদেশে কি ডাক্তারের অভাব? হাসপাতালের অভাব আপনার তারেক জিয়া বিদেশে পড়ে আছে কেন??? আর চেহা সুরত দেখে তো অসুস্থ মনে হয় না। আবার ওখানে বসে রাজনীতি করে!! সে ওখানে বসে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কি বুঝবে?? এগুলোর উত্তর দেবেন ।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. খাল্যাদা তার স্বামীর বংশ
    খাল্যাদা তার স্বামীর বংশ পরিচয়ে রাজনীতি করে এতে কোন আপত্তি থাকে না অথচ মায়ের বংশের পরিচয়ে জয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়!
    তারেক জিয়া বিদেশে থাকলে সমস্যা নাই অথচ জয় থাকলে সমস্যা!
    নিজেরা প্রতিনিয়ত ধর্মকে অপমান ও প্রশ্নবিদ্ধ করছে এতে কোন সমস্যা নাই অথচ জয়ের ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মেয়েকে বিবাহ করায় তাদের ইমান আর ধর্ম নিয়া টানাটানি শুরু হয়ে যায়!

    বাহ বালের সুশীল বাহ! জয়ে চুলকানি বেশি থাকলে, যাও **ইয়া মুড়ি খাওগে ।

    1. দেশের প্রতি আপনার ভালোবাসা
      দেশের প্রতি আপনার ভালোবাসা দেখে আমি মুগ্ধ। আপনি আওয়ামীলীগের সেই কীট যার চোখে সব সময়ই পট্টি বাধা ছিল। 😛

      আর আপনার গন্ধ শোঁকার প্রতিভা দেখে শূকরের কথা মনে পরে গেল। জানেনতো শুকর শুকতে এক্সপার্ট ঠিক আপনার ন্যায়! 😉

      1. ইস্টিশন’-এ যাত্রী হিসাবে একে

        ইস্টিশন’-এ যাত্রী হিসাবে একে অপরের প্রতি দলবদ্ধ আক্রমণ, অশিষ্টাচার মন্তব্য প্রভৃতি থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন যাত্রী আক্রান্তবোধ করলে তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইস্টিশন মাষ্টার বা ইস্টিশন মাষ্টারের মনোনীত মডারেটর সেই আক্রমণাত্মক পোস্ট, মন্তব্য বা উপাদান সরিয়ে দিতে পারেন। উপরন্ত প্রথম সর্তক সংকেত হিসাবে সাতদিন, দ্বিতীয়বার একমাস তৃতীয়বার অনির্দ্দিষ্ট কালের জন্য সংশ্লিষ্ট যাত্রীর টিকেটটি মডারেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

        আপনি আওয়ামীলীগের সেই কীট যার চোখে সব সময়ই পট্টি বাধা ছিল।
        আর আপনার গন্ধ শোঁকার প্রতিভা দেখে শূকরের কথা মনে পরে গেল। জানেনতো শুকর শুকতে এক্সপার্ট ঠিক আপনার ন্যায়!

        যার প্রতি করা হয়েছে সে অভিযোগ না জানালেও আমি জানালাম।
        কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

        1. সহমত অনিঃশেষের সাথে …
          সহমত অনিঃশেষের সাথে :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: … এই আক্রমণাত্মক এবং চরম আপত্তিকর আচরনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার জন্য ইষ্টিশন মাস্টারের কাছে সবিনয়ে অনুরোধ জানাইলাম… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  5. যতদূর আমি জানি জয় এর পুরো নাম
    যতদূর আমি জানি জয় এর পুরো নাম সজীব ওয়াজেদ জয়। উনি ওনার নামের সাথে কোথাও শেখ লাগান নি। আর জয় তার বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন প্রথম রংপুর থেকেই। বঙ্গবন্ধু পরিবারের মাঝে হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউ বেঁচে নেই সেক্ষেত্রে তাদের ছেলে মেয়েরা রাজনীতিতে আসতেই পারে। এতে আমি দোষের কিছু দেখি না। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদদৌলা নবাব আলীবর্দি খাঁ এর দৌহিত্র ছিলেন। ওনার ছেলে ছিল না বলে মেয়ের ছেলে কে বেছে নিয়েছিলেন।

    তবে রাজনীতিতে যার অবস্থান তাকে তৈরি করতে হবে। নিশ্চয় দেশের মানুষের সমর্থন আছে জন্য তিনি রাজনীতিতে আসতে পারছেন। উপমহাদেশে পরিবার অনেক বড় একটা ফ্যাক্ট রাজনীতিতে।
    এমনকি আমেরিকাতে কি বুশ এর ছেলে ডব্লিউ বুশ প্রেসিডেন্ট হননি। হ্যাঁ, আপনি বলতে পারেন তাকে যোগ্যতা প্রমাণ করে আসতে হয়েছে। সমস্যা কি জনগণ তো আছে জয় এর রাজনৈতিক মেধা বা প্রজ্ঞা মাপার জন্য।

  6. আসেন। এইবার পোস্ট মর্টেম
    আসেন। এইবার পোস্ট মর্টেম করি:

    আমি তো জানতাম ছেলেরা তার বাপ দাদার বংশ পরিচয়ে পরিচিত হয়। আপনি কি ভুলে গেছেন, আপনার বাবা এই দেশের এক জন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী ছিলেন! আপানার মা উনার কতটুকু সেবা করেছেন, সে বিষয়ে আমি না হয় নাই বললাম।

    আপনি কিভাবে জানলেন শেখ হাসিনা তার কতটুকু সেবা করেছে বা করেনি। ছেলে অবশ্যই তার বাপ দাদার বংশপরিচয়ে পরিচিত হয়। জয়ও তার বাবার পরিচয়ে পরিচিত। কিন্তু সে শেখ মুজিবের দৌহিতে এতে আপনার এত আপত্তি কেন? মুহম্মদ (সাঃ) এর দুই দৌহিত্র হাসান ও হোসেন কারপরিচয়ে পরিচিত ছিলেন সর্বাধিক? তাদের সবচেয়ে মহান পরিচয় ছিলো তারা মুহম্মদ (সাঃ) এর নাতি। জয় কিন্তু কখনোই বলেনাই, হে ভাইবোনরা, আমি বঙ্গবন্ধুর নাতি! কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নাতি হিসেবে কিছু আদর্শিক মিল তার অবশ্যই আছে। মাথায় ঢুকছে??

    আচ্ছা জয়, তুমি পড়াশুনা করেছো কোথায়?
    – ইন্ডিয়াতে।
    আর গ্রাজুয়েশন নিয়েছো কোথা থেকে?
    – ইন্ডিয়া।
    জয়, আমার দেশে কি ভালো কোন প্রতিষ্ঠান
    ছিল না? আপনাকে ইন্ডিয়া যাওয়া লাগলো ক্যানো? আপনি তো ইন্ডিয়ার কালচারে বেড়ে উঠেছেন, আপনি এদেশের মাটির মানুষের কথা কি বুঝবেন বলেন!

    আগে আপনি বলেন, আপনি তো এইদেশের বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছেন। আপনি এইদেশের মাটি মানুষের ডাক কতটুকু বুঝেন? ইন্ডিয়াতে পড়ালিখা নিয়ে এত চুলকানি কেন? হাদিসে আছে, জ্ঞানার্জনের জন্য সুদূর চীনে যাও। জয় চীন যায়নাই। ভারত গেছে। তাছাড়া মা মাটির ডাক এই কথাটা খুবই হাস্যকর মূলা। শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। তাই মেরুদন্ড হীন এইট পাস খালেদা জিয়া যখন ছেলেদের দুর্নীতি শিখাইছে, সেখানে শেখ হাসিনা জয়কে উচ্চশিক্ষিত বানিয়েছে! স্যালুট! জয় এদেশে থাকলে তারেক জিয়ার মতই বিশ্বচোর হত হয়তোবা! আর দেশে এত ভালো হাসপাতাল থাকতে তারেক জিয়া বিদেশে চিকিৎসা নেয় কেন? এই প্রশ্নের জবাব দেন আগে।

    জয়, আপনি বিয়ে করেছেন কাকে?
    – একজন খ্রিস্টান।
    আমি ব্যাপারটা মেনে নিলেও দেশের ধর্মপ্রাণ
    মানুষ কি আপনার এই কাজ মন থেকে মেনে নিবে, আপনি যাদের নিয়ে দেশটাকে নেতৃত্ব
    দিতে চাচ্ছেন?

    এইবার আসল থেরাপীর জন্য রেডী হন। খালেদা জিয়ার প্রয়াত মাতা যাকে আমরা তৈয়বা মজুমদার নামে চিনি, তার প্রকৃত নাম ছিল লক্ষ্মীরাণী মারমা। তিনি ছিলেন পরমা সুন্দরী ও যৌবনবতী। দার্জিলিংয়ের খোয়া অঞ্চলের উপজাতি সম্প্রদায়ের সমাজপতি হরিকৃষাণ বাহাদুরের
    বাড়িতে থাকা অবস্থায় তিনি দুটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। যাহাদের একজন খালেদা জিয়ার বড় বোন প্রয়াত খুরশীদা জাহান হক ও মেজ বোন সেলিমা ইসলাম বিউটি নামে সকলের কাছে পরিচিত। দুই কন্যা সন্তানের জননী হবার পর হরিকৃষাণ বাহাদুরের আনন্দভবন থেকে বিতাড়িত হয়ে তিনি দার্জিলিংয়ের ক্রিফটন চা বাগানের মালিক ব্রিটিশ বংশোদ্ভুত ইহুদী ধর্মাবলম্বী মিঃ রবার্ট উইলসনের রেস্ট হাউসে চাকরাণীর কাজ নেন। মিঃ উইলসনের দারোয়ানই হচ্ছেন খালেদা জিয়ার কথিত বাবা ইস্কান্দার মজুমদার, যাহার প্রকৃত নাম মুরলী মোহন মারমা। মিঃ রবার্ট উইলসনের মদ ও
    নারীর প্রতি প্রচণ্ড আসক্তি ছিল। তাঁর
    চাকরানী থাকাকালীন সময়েই খালেদা জিয়ার মাতা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। এই বিষয়টি চা বাগানের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে মিঃ রবার্ট উইলসন নিজের ইজ্জত বাঁচানোর জন্য তাঁর দারোয়ান ছদ্মনামধারনকারী ইস্কান্দার মজুমদারকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে খালেদা জিয়ার মায়ের সাথে বিয়েতে রাজী করান। চাকুরী হারানোর ভয়ে কথিত বাবা ইস্কান্দার মজুমদার এই বিষয়ে টু শব্দটিও করতেন না। এমনি অবস্থার প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া চা বাগানের দাই মরিসন সাংমার তত্ত্বাবধানে ১৯৪৫ সালের ১৩ই আগস্ট ও তাঁর ভাই সাঈদ ইস্কান্দার ১৯৪৭ সালের ১৫ই নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাদের জন্মের পর পরই
    চা বাগানের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের মধ্যে তাদের গায়ের রং ও চেহারা নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন ওঠে। বাকী কথা গুলো সেন্সর করে দিলাম। স্বীয় বুদ্ধিতে বুঝে নিবেন।

    সব কিছুই বাদ দেন। আগে বলেন, খালেদা জিয়ার মা তো হিন্দু ছিলো! এই টপিক নিয়ে আরো আলোচনা করতে ইচ্ছা করতেছে। যাই হোক, আগে এই ডোজ সহ্য করে নেন।

    জয়, আপনার দেশের প্রতি ভালোবাসা দেখে আমি মুগ্ধ, যেভাবে আপনি আধা জল খেয়ে আওয়ামীলীগকে সামনের নির্বাচনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন। আপনার আওয়ামীলীগ বিগত ৪ টি বছর শেষ করে নির্বাচনের সামনে আসতেই আপনার টনক নড়ে গেল? কোথায় ছিলেন আপনি এই ৪টি বছর? তখন কি আপনার দেশের কথা মনে পরেনি?

    আগে এই তথ্যগুলো পড়ে নিন:

    In 2007, Wazed was selected by the World Economic Forum in Davos as one of the “250 Young Global Leaders of the World”. The forum cited his role as Advisor to the President of the Bangladesh Awami League.


    On 25 February 2009, Wazed officially joined the Awami League as a primary member of the Rangpur district unit of the party Awami League Joint General Secretary Mahbubul Alam Hanif handed over Wazed’s membership form to district party leaders. Rangpur is the ancestral home district of his father Wazed Miah.


    Within days of joining the Awami League as a primary member, Wazed, in his capacity as an IT policy analyst, unveiled the concept paper and action plan for the government’s ambitious ” Digital Bangladesh” scheme; to develop a strong ICT industry in Bangladesh and initiate e- governance and IT education on a mass scale. Wazed emphasized the use of information technology to achieve Bangladesh’s development goals.

    এইবার আপনিই বলেন, আপনি কিভাবে বুঝে গেলেন সজীব ওয়াজেদ হঠাৎ করে উঠে এসে চিল্লাচ্ছে? কিছুই দেখি জানেন না!

    জানেন, বিডিআর বিদ্রোহ, ইলিয়াস আলী গুম, সাগর-রুনি হত্যা মামলা, বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা ছাড়াও আরও অনেক ঝর বয়ে গেছে আপনার দলের উপর। কোথায় ছিলেন আপনি?

    মানুষ যখন অন্ধ হয়ে যায় তখন সে আর কিছুই দেখতে পায়না। একটা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে দরকার নাই বলেই মনে হয়। এদেশের জ্ঞানী মানুষের জন্য ধর্ম এতই আবশ্যক যে বিম্পির সাম্প্রদায়িক হামলাকে তারা কিছুই মনে করতেছেনা। আমি একটা প্রশ্ন করি, বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের সাথে হাত মিলিয়েছে, এইখানে তারেক জিয়া কোনো কিছু বলতেছেনা কেন? বিএনপিতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে। জিয়া নিজেই বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। অথচ জিয়া হত্যার বিচার খালেদা, তারেক কেউই চাচ্ছেনা! ভেরী টেরিফিক! বিএনপি এর আমলে শিবিরের হত্যাযজ্ঞ কম হয়নাই। ইস্টিশনে সাম্প্রতিক পোস্ট দেখলেই বুঝে যাবেন। বিশেষ করে উত্তর বাংলা ভাইয়ের পোস্ট গুলো পড়েনেন। অথচ বিএনপি এই হায়েনার সাথে হাত মিলাইছে! এই দেশ বিএনপিকে কখনো ক্ষমা করবেনা।

    বিডিআর হত্যাকাণ্ডঃ নিজেদের খামখেয়ালি আড়াল করে আপনার দলের নেতারা বার বার বলেন, ”বিডিআর বিদ্রোহ নাকি খালেদার ষড়যন্ত্র! কারণ উনি সেদিন, কালো কালারের গ্লাস উঁচিয়ে গাড়িতে করে সকাল সকাল বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন।” এসব অবান্তর কথা বলার আগে আওয়ামী নেতাদের ভাবা উচিৎ, একজন বিরোধী দলীয় নেত্রীর পেছনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারি রয়েছে। তাহলে, আপনি আপনার
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে দুষছেন না ক্যানো? যদি ভারতীও গয়েন্দা সংস্থা এর সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে প্রমান কোথায়?

    ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের আগের দিন হঠাৎ করেই বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ ভারী অস্ত্রশস্ত্রসহ নিরাপত্তা জোরদার করে তোলে। আমদানি-রফতানিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ ঘটনা থেকে প্রশ্ন উদ্বেগ হওয়াটা স্বাভাবিক তাহলে কি ভারত জানতো পরদিন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা ঘটছে? স্বাধীনতার পর থেকেই ভারতের অব্যাহত আগ্রাসনের কারণে বাংলাদেশ কখনও মাথা সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। গুটি কয়েক ভারতীয় দালাল বাদে ভারতের অব্যাহত সীমান্ত-সাংস্কৃতিক- পানি-বাণিজ্যিক আগ্রাসনের কারণে দেশবাসী মনেই করে ভারত কখনই বাংলাদেশের সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় দিতে পারেনি। তবে আমার মনে হয়না দেশের কোনো রাজনৈতিক দল এইটা প্রত্যক্ষভাবে ঘটিয়েছে। তবে মদদ ছিলো স্পষ্ট। বিশেষ করে বিডিআর দের মনে অনেক আগে থেকেই পুঞ্জীভূত ক্ষভের বিস্ফোরণ হয়েছে। কিন্তু তাই বলে ক্ষভ এইভাবে দেখাতে হয়?? সামথিং রং। এর পিছনে অবশ্যই কোনো বৃহত্তর শক্তির কিছুটা হলেও হাত ছিলো। হোক সেটা ভারত কিংবা খালেদা জিয়া।

    সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডঃ আওয়ামীলীগ সরকার ভারতের কাছে গ্যাস পাচার করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সাগর-রুনি তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অনেক তথ্য তথা ভিডিও সংগ্রহ করেছিল। যার কারনে, তাদের জীবন দিতে হল। সে বিচার কি আওয়ামীলীগ সরকার করেছে? আপনি বলবেন, ”হ্যাঁ, বিচার করেছে। সাগর-রুনির ফ্ল্যাটের দারোয়ানকে জেলে বন্দী করা হয়েছে।” সত্যিই হাস্যকর বিচার বাবস্থা আপনাদের।

    এইখানে আপনি পুরো মিস্টার বিনের মত কাম করলেন! আমি হাসতেই আছি! কোথায় খাটের তলা, কোথায় আগরতলা! কই থেকে এইসব আজগুবি তথ্য পাইছেন, লিঙ্ক দেন। আগে আমারে সাইড দেন। আমি হাইসা নিই। এমন লাফটার বহুদিন পাইনাই!

    বিশ্বজিৎ হত্যা মামলাঃ জনসম্মুখে বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। আপনার মা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, ” আমরা বিচার করেছি, ওদের জেলে বন্দী করেছি।” আপনার মা মনে মনে আরেকটি কথাও বলছেন ” ওদের আবার মুক্তি দেওয়া হতে নির্বাচনের আগে। ” আমার বিশ্বাস ছিল হত্যাকারীদের শীঘ্রই ফাঁসী হয়ে যাবে। কিন্তু আপনারা তা করবেন নাহ!

    বিশ্বজিত হত্যার বিচার আমি অবশ্যই চাই। ফাঁসি চাই নরপিশাচদের। এইখানে আমার কোনো দ্বিমত নাই। কিন্তু লীগকে আপনি যেভাবে দুষছেন সেইটা অনৈতিক। বিএনপির সময়ে যেসব হত্যাকান্ড হয়, বিশেষ করে যেসব ত্যানা প্যাঁচানি হইছে সেইসব ভুলে গেলে চলবে ব্রাদার?? গুগলে সার্চ মারলেই সব পেয়ে যাবেন। গুগলে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর।

    আপনার সীমান্তে এত নিরীহ লোক মারা যাচ্ছে প্রতি বছর। আর আপনি চেয়ে চেয়ে দেখছেন? আপনি কি বর্ডার গার্ডকেও হুঁশিয়ার করে দিতে পারেন নাহ? নাকি আপনি ভীত!

    জয় চেয়ে চেয়ে দেখছে এই কথা আপনাকে কে বললো? চেয়ে চেয়ে দেখছেন তো আপনারা। ভারতীয় পণ্য বয়কট করছিলেন? ফেলানীর বিচার নিয়ে করছেন টা কি একটু বলেন। রাজপথে নেমে আসতে পারছিলেন? ভারতীয় দূতাবাসের সামনে গিয়ে মিছিল করছিলেন? কিচ্ছুই করেন নাই। আমরা সবাই সরকারের উপর দায় চাপিয়ে ক্ষান্ত! ভাবি, নিজেদের কোনো কর্তব্য নাই! শেইম!!

    এইবার আমার কিছু কথা: জয় বাংলাদেশের একটা আইকন হতে পারে। বাংলাদেশে একটা রোল মডেল হওয়ার সম্ভাবনা জয়ে মাঝে দেখতে পাচ্ছি। তবে আরো ঘষামাজা করার দরকার আছে। দুর্নীতিবাজ তারেক রহমানের চাইতে সজীব ওয়াজেদ অবশ্যই বড় মাপের মানুষ। একজন আল্টিমেট নেতা। তাকে নিয়ে এত ভয় পাচ্ছেন কেন? রাজনীতিকে একটু সিরিয়াসলি ভেবে দেখবেন। ভালো খারাপ তাহলেই চোখে পড়ে যাবে। আমার কথা আমি রাখছি। আপনার পোস্টের পোস্টমর্টেম করে দিলাম। পোস্টমর্টেম করে যা বুঝলাম, পুরো পোস্টই একতরফা পক্ষপাতিত্ব এবং দূষিত। যেখানে কোটি মানুষের স্বার্থ জড়িত, সেখানে ব্যক্তিগত স্বার্থে চিন্তা পরিত্যাজ্য।

    সজীব ওয়াজেদ ইজ নট দ্য হিরো উই ডেজার্ভ। হি ইজ দ্য হিরো উই নিড। আই এনশিউর ইউ দ্যাট, হি উইল বি অ্যা সাইলেন্ট গার্ডিয়ান অ্যান্ড অ্যা ওয়াচফুল প্রটেক্টর।

    1. এইডা কিছু হইল ইলেকট্রন সাব,
      এইডা কিছু হইল ইলেকট্রন সাব, আপনে তো কাছা পুরাই খুইলা দিলেন মিয়া :ভেংচি: :তালিয়া: :তালিয়া: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: … এখন মাস্টারসাবে নাঙ্গা হয়া দৌড়াদৌড়ি লাগাইব তো… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      সজীব ওয়াজেদ ইজ নট দ্য হিরো উই ডেজার্ভ। হি ইজ দ্য হিরো উই নিড। আই এনশিউর ইউ দ্যাট, হি উইল বি অ্যা সাইলেন্ট গার্ডিয়ান অ্যান্ড অ্যা ওয়াচফুল প্রটেক্টর।

      কথাগুলো যদিও খুব ভারী ও গভীর, কিন্তু আপাতত সজিব ওয়াজেদ জয় ছাড়া আর কাওকেই এই কথাগুলোর ভার বহনের যোগ্য হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে না। :ভাবতেছি: :-B :চশমুদ্দিন: মাস্টারসাবের পোস্টের কিছু বানান দেখে কান্দন আসতেছে :কানতেছি: :কানতেছি: :দেখুমনা: … মাস্টারেরা যদি এমনে বানান করেন, তাইলে আমাদের কি গতি হবে… :মানেকি:

  7. এইবার আসল থেরাপীর জন্য রেডী

    এইবার আসল থেরাপীর জন্য রেডী হন। খালেদা জিয়ার প্রয়াত মাতা যাকে আমরা তৈয়বা মজুমদার নামে চিনি, তার প্রকৃত নাম ছিল লক্ষ্মীরাণী মারমা। তিনি ছিলেন পরমা সুন্দরী ও যৌবনবতী। দার্জিলিংয়ের খোয়া অঞ্চলের উপজাতি সম্প্রদায়ের সমাজপতি হরিকৃষাণ বাহাদুরের
    বাড়িতে থাকা অবস্থায় তিনি দুটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। যাহাদের একজন খালেদা জিয়ার বড় বোন প্রয়াত খুরশীদা জাহান হক ও মেজ বোন সেলিমা ইসলাম বিউটি নামে সকলের কাছে পরিচিত। দুই কন্যা সন্তানের জননী হবার পর হরিকৃষাণ বাহাদুরের আনন্দভবন থেকে বিতাড়িত হয়ে তিনি দার্জিলিংয়ের ক্রিফটন চা বাগানের মালিক ব্রিটিশ বংশোদ্ভুত ইহুদী ধর্মাবলম্বী মিঃ রবার্ট উইলসনের রেস্ট হাউসে চাকরাণীর কাজ নেন। মিঃ উইলসনের দারোয়ানই হচ্ছেন খালেদা জিয়ার কথিত বাবা ইস্কান্দার মজুমদার, যাহার প্রকৃত নাম মুরলী মোহন মারমা। মিঃ রবার্ট উইলসনের মদ ও
    নারীর প্রতি প্রচণ্ড আসক্তি ছিল। তাঁর
    চাকরানী থাকাকালীন সময়েই খালেদা জিয়ার মাতা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। এই বিষয়টি চা বাগানের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে মিঃ রবার্ট উইলসন নিজের ইজ্জত বাঁচানোর জন্য তাঁর দারোয়ান ছদ্মনামধারনকারী ইস্কান্দার মজুমদারকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে খালেদা জিয়ার মায়ের সাথে বিয়েতে রাজী করান। চাকুরী হারানোর ভয়ে কথিত বাবা ইস্কান্দার মজুমদার এই বিষয়ে টু শব্দটিও করতেন না। এমনি অবস্থার প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া চা বাগানের দাই মরিসন সাংমার তত্ত্বাবধানে ১৯৪৫ সালের ১৩ই আগস্ট ও তাঁর ভাই সাঈদ ইস্কান্দার ১৯৪৭ সালের ১৫ই নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাদের জন্মের পর পরই
    চা বাগানের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের মধ্যে তাদের গায়ের রং ও চেহারা নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন ওঠে। বাকী কথা গুলো সেন্সর করে দিলাম। স্বীয় বুদ্ধিতে বুঝে নিবেন।

    যাক, বেশী কষ্ট করতে হইল না। ইলেকট্রনের ঘূর্ণিতে আসল জিনিস পেয়ে গেলাম। মাস্টরসাব, ডোজটা কেমুন লাগলো?? 😀 😀 আশা করি আপনার অফুরান জ্ঞানের ভাণ্ডার থেকে এই তথ্যখানের ব্যাপারে আপ্নের মতামত আর জয়রে আজাইরা কালার করার হেতুটা ব্যাখ্যা করে যাবেন… যদি এই তথ্যের লিংক চান, সেটাও দেয়া যাবে। :খুশি: :বুখেআয়বাবুল: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  8. বেশকিছু মন্তব্যের মধ্যে
    বেশকিছু মন্তব্যের মধ্যে রাজতন্ত্রের দূর্গন্ধ পাচ্ছি। বি.এন.পির তারেক রহমান আর আওয়ামীলীগের জয়ের মাঝেই সবাই নেতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন। দুই দলের অন্য ত্যাগী নেতাদের মধ্যে কি একজনেরও এম.পি. বা মন্ত্রী হওয়ার চেয়ে বেশী কোন প্রতিভা নেই? এটা কি গনতন্ত্র? যদি তাই হয়, তবে আমি এই গনতন্ত্র ঘৃনা করি।

    1. এই গনতন্ত্রকে ঘৃণা করেন বললে
      এই গনতন্ত্রকে ঘৃণা করেন বললে ইকরাম ভাই ব্যাপারটা বাতিকগ্রস্ত হয়ে যাবে!!
      আচ্ছা ইকরাম ভাই বলেনতো আফ্রিকার গনতন্ত্র কেমন হবে? আমরা বাঙালীরা একটা ভুল সবাই করি তা হল সব সময় এক লাফে গাছের মাথায় চড়তে চাই…
      আজ থেকে ২০০ বছর আগে এমেরিকায় বা কয়েকশ বছর আগে এমন পরিস্থিতি পার করে আসছে ইউরোপ আর এই অঞ্চলের অতিকুসংস্কারাচ্ছন্নরা শিল্প-সংস্কৃতি-সাহিত্যের মাধ্যমে বিকশিত হওয়া শুরু করেছে মাত্র কিছুদিন হল…
      আর এখনই আমরা এর সুফল চাইব তা তো ঠিক না… এমন রাজনৈতিক সহিংসতা গৃহযুদ্ধের সময় হয়েছে এমিরিকায়।। সেই যুক্তরাষ্ট্র আজ দুই-আড়াইশো বছর পর এমন অবস্থায় পৌচাইছে!! সেইখানে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে মাত্র ৪২ বছর আগে আমিতো মনে করি আমাদের পারিপার্শ্বিক ভূমণ্ডলীয় রাজনৈতিক বিকাশের সাথে তুলনা করলে আমাদের অর্জন ভালর দিকেই থাকবে…
      এতটা হতাশ হওয়ার কিছুই নাই!! এই প্রক্রিয়ায় একদিন আমরা গনতন্ত্র বুঝতে শিখব।।
      আমরাইতো বাঙলাদেশ কথাটা খুব একচেটিয়া আমরা বলতে যারা আমরা ফেসবুকে আছি শুধু তারা না এই কৃষক-এই রিকশাচালক-এই বস্ত্র বালক/বালিকারা-এই খেটে খাওয়া মানুষ সবাই মিলেই আমাদের বাঙলাদেশ।। অর্থাৎ আমি দেশের একটা বিশাল (৫০%+) অশিক্ষিত/অর্ধশিক্ষিত/সল্পশিক্ষিত জনগোষ্ঠী নিয়ে গণতন্ত্রের চর্চা করব আর কল্পনা করব ৯০% শিক্ষিত দেশের কথা তাহলে কীভাবে হবে? আমরা সঠিক পথেই আছে ইকরাম ভাই…
      শুধু আপনাদের মত সচেতন মানুষদের অংশগ্রহণ চাই এখন জাতি, আর তা সমালোচনায় নয় কাজে আর উদ্যোগে… ভাল থাকবেন!!!

  9. সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডঃ

    সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডঃ আওয়ামীলীগ সরকার ভারতের কাছে গ্যাস পাচার করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সাগর-রুনি তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অনেক তথ্য তথা ভিডিও সংগ্রহ করেছিল। যার কারনে, তাদের জীবন দিতে হল। সে বিচার কি আওয়ামীলীগ সরকার করেছে? আপনি বলবেন, ”হ্যাঁ, বিচার করেছে। সাগর-রুনির ফ্ল্যাটের দারোয়ানকে জেলে বন্দী করা হয়েছে।” সত্যিই হাস্যকর বিচার বাবস্থা আপনাদের।

    এই বিষয়টা নিয়ে ফেবুর বালেরকেল্লা আর বক্তিয়ারের পাঁঠা পেইজে বহুত লেদানি দেখছি। কিন্তু এই রুপকথার বিষয়খান বুইঝা উঠতে পারলাম না। লিংক-টিংক দিয়া একটু সাহায্য করেন তো মাস্টর সাব… আমরা বাঙালীরা গোল্ডফিশের চেয়েও দুর্ভাগা… দুঃখজনক হইলেও আমাদের স্মৃতিশক্তি বড়ই দুর্বল। আমরা খুব সহজে সাংবাদিক বালুকে ভুলে যাই, বোমা মেরে যাকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়েছিল, জেএমবিসহ জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার জন্য ৫টা বছর এই বাংলাদেশ ছিল সাংবাদিকদের জন্য বধ্যভূমি। এই সরকারতো তবুও সাগর-রুনির বিচার শুরু করেছে, জানতে খুব ইচ্ছা হয়, জোট সরকারের আমলে খুন হওয়া কয়েকশো সাংবাদিককের কয়টা মামলার বিচার হয়েছে… আমরা ভুলে গেছি নাইকো ষড়যন্ত্র আর একজন আলতাফ সাহেবের বিএমডবলু গাড়ির কথা, আমরা ভুলে গেছি একজন ১০% বাবর সাহেবের কমিশনক্ষুধা আর হাওয়া ভবনের বাতাসের কথা, আমরা ভুলে গেছি তারেক জিয়ার সাথে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের কথা… , আমরা ভুলে গেছি একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়েও কিছু পাকি জারজের বাহুলগ্না হয়ে আমাদের মাননীয় দেশ নেত্রী গুলাপি , আমরা ভুলে গেছি বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম উপায়ের বাস্তবায়নের কথা… , এবং তার পেছনের কুশীলবদের… , আর সেই বিখ্যাত হাসি… …আমরা সব ভুলে গেছি 😀 😀 … কেননা আমরা গোল্ডফিসের পরের প্রজন্ম… :মনখারাপ: :মনখারাপ:

  10. জনাব! গতকালের রাত তো পোহাই
    জনাব! গতকালের রাত তো পোহাই গেল! ভোর হইলো। খুকুমনি দরজা খুইলা দাঁত ব্রাশ কইরা ব্যাগ কান্ধে নিয়ে ইস্কুলে গেল। পাখি গান গাইলো। আমি চা খাইলাম। আপনার পোস্টের পোস্টমর্টেম করলাম। জানালায় আবার নতুন রাত নামতেছে। কিন্তু, আমার মন্তব্যে আপনার অনুভূতি এখনো জানা হইলো না। পালাইলেন কেন এইভাবে???!!!

    1. এই ছদ্ধ ছাগু না ছাগ বান্ধব
      এই ছদ্ধ ছাগু না ছাগ বান্ধব বুদ্ধিজীবীর কথায় বা পোস্টে আমি সমালোচনার যোগ্য কিছুই খুঁজে পেলাম না! একমাত্র রুচিহীন, রাজনৈতিক শিষ্টাচারহীন, আদর্শবঞ্চিত একটা লম্পট বুদ্ধিজীবীর সুশীলবাজি মনে হল!! তারপরও অনেকেই উলুবন নয় ঘাস-লতা-পাতাবিহীন এই মরুভূমিতে অনেক জ্ঞান দান করল…
      এর মস্তিষ্ক এতই অপ্রস্তুত যে জ্ঞানের বা রাজনৈতিক শিক্ষার সকল ঝরনাধারা মুহূর্তেই ব্যর্থতায় নিমজ্জিত হবে!! এই নিক আর কেউ নয় হেরিটিক, সত্যের তলোয়ার অথবা ব্ল্যাক বোল্টের অন্য আরেকটি নিক… গতকাল আইডি খুলেই ক্যাচাল লাগায় দিল!!
      আর সে সবই জানে কে কে রিএক্ট করবে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *