নিঃসঙ্গ রাত্রিযাপন

শরতের আকাশ জুড়ে মেঘের মাতামাতি। কখনোবা একটু আধটু বৃষ্টির ফোঁটা, মনে হয় যেন আনমনে খসে পড়া কোন তরুণীর ওড়না।
আস্তে আস্তে রাত নামে। আসে অন্ধকার। মাঝে মাঝে যখন ফোনটা বেজে উঠে, আমার উৎসাহী চোখজোড়া মোবাইলের স্ক্রিনে ছুটে যায়। অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে আসা পরিচিত সেই কন্ঠস্বর খুঁজি আমি।
-স্যরি, রং নাম্বার।

এক গ্লাস পানি। কয়েকটা ঘুমের ওষুধ।খেয়ে ফেলি এক নিঃশ্বাসে।তবু ঘুম আসেনা।

বুকের বাঁ পাশটা ইদানিং বড্ড ব্যথা করে।মা বলেছে ভাল ডাক্তার দেখাতে। আমি হেসে উড়িয়ে দিয়েছি কারণ আমি জানি আমার একমাত্র ওষুধ তুই।

শরতের আকাশ জুড়ে মেঘের মাতামাতি। কখনোবা একটু আধটু বৃষ্টির ফোঁটা, মনে হয় যেন আনমনে খসে পড়া কোন তরুণীর ওড়না।
আস্তে আস্তে রাত নামে। আসে অন্ধকার। মাঝে মাঝে যখন ফোনটা বেজে উঠে, আমার উৎসাহী চোখজোড়া মোবাইলের স্ক্রিনে ছুটে যায়। অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে আসা পরিচিত সেই কন্ঠস্বর খুঁজি আমি।
-স্যরি, রং নাম্বার।

এক গ্লাস পানি। কয়েকটা ঘুমের ওষুধ।খেয়ে ফেলি এক নিঃশ্বাসে।তবু ঘুম আসেনা।

বুকের বাঁ পাশটা ইদানিং বড্ড ব্যথা করে।মা বলেছে ভাল ডাক্তার দেখাতে। আমি হেসে উড়িয়ে দিয়েছি কারণ আমি জানি আমার একমাত্র ওষুধ তুই।
তুই আমার ডাক্তার। আমি তোর রোগী। সারাজীবন তোর ক্লিনিকের ছোট্ট বিছানায় চুপচাপ শুয়ে থাকতে চাই।

এখন ভোর চারটা। পৃথিবীতে জেগে আছে খুবই অল্পসংখ্যক প্রাণী।বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে ভীষণ। আমি জানি তুইও হয়তো জেগে আছিস। কিংবা এতদিনে হয়তো পেয়ে গেছিস কাউকে, যাকে একটু জড়িয়ে ধরলে ঘুমে চোখ বুজে আসে।যাকে একটু আদর করলে মনে হয় অনেক কিছু পাওয়া হয়ে গেছে।
এখন আধোছায়াতে বসি আছি।বিছানাকে মনে হয় মৃত কোন মানুষের শেষ ইচ্ছা, যা অপূর্ণ থেকে যাবে আজীবন।
স্বপ্নে তবু একটু আধটু তুই আসিস।তোকে ভীষণ দেখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু দেখলে আবার ছুঁতে ইচ্ছা করে।তুই দূরে থাক, সেই ভাল।

সেদিন তোর সাথে আবারো সেই ছেলেটাকে দেখলাম।ছেলেটা কে? আপন কেউ নয় জানি।তবু ভয় হয়। ঈর্ষা হয়।

বুঝতে পারছি, হারিয়ে যাচ্ছে আমার পৃথিবী।হাতে সময় নেই বেশি। পাশে পড়ে আছে কতগুলো ঘুমের ওষুধের খোসা। নিঃচুপ, অসহায়।
আমি মরে যাচ্ছি। অমর করে রাখছি আমার ভালবাসাকে।

বিদায়

১০ thoughts on “নিঃসঙ্গ রাত্রিযাপন

  1. খুবই দুঃখের বিষয়।ভালো
    খুবই দুঃখের বিষয়।ভালো লাগেনি।লেখাটা কেমন যেন।গল্প হয়ে উঠেনি।গল্পে একটু ঘটনা প্রবাহ না থাকলে হয় না।

  2. আসলে এইটা অনেকটা ডায়েরীর
    আসলে এইটা অনেকটা ডায়েরীর পাতার মত।কোনো ঘটনাপ্রবাহ নেই।কারণ লেখকের তো সব ঘটনাই জানা।শুধু একটু ইঙ্গিতে লিখে রাখা।পরে যখন তিনি নিজে পড়বেন।তখন সব নতুন করে আবার মনে পরে যাবে।
    অনেকটা এইরকম লেগেছে।

  3. আমি মরে যাচ্ছি। অমর করে রাখছি
    আমি মরে যাচ্ছি। অমর করে রাখছি আমার ভালবাসাকে।
    আআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআ……ঢিসুয়া!!!

    আরে! কি হইল !! কি হইলো!!
    শিট ম্যান! ম্যানহোল খোলা ছিল।

    :হাসি: :হাসি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *