পাপ

পাপ পুণ্য নিয়ে বিচার করা আমার কাজ নয় এটা যার ডিপার্টমেন্ট তার অবশ্য সেন্স অব হিউমার বলে কিছু নেই। তাই তার কাছে আবেগ জিনিষটা ভ্যালুলেস।ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন অন্য প্রাণীও সৃষ্টি করেছেন।এর মধ্যে আছে ইতর প্রাণী তাদের কষ্ট বোধহয় ইহকাল পর্যন্ত শেষ, কিন্তু মানুষই একমাত্র জীব যাদের পাপের অর্ধেক,বেঁচে থাকা মাটির পৃথিবীতে ঋণশোধ করতে হয়।মানুষ অনেক টাকা পয়সা খরচ করে ভবিষ্যৎ সাজায় যাতে তাদের বাপের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া জীবনটায় একটু আরাম পাওয়া যায়।অভ্যাস, রুপ, স্বাস্থ্য, ধন, যশমান ,ক্ষমতা সবকিছুর জন্য লোভে পরে চরম অন্যায় কাজ করতেও দ্বিধা করেনা।তার প্রতিটি অন্যায়ের পিছনে নিজের স্বার্থের সাথে মিল রেখে অদ্ভুত যুক্তি তুলে রাখে ঈশ্বরের কাছে জবাবদিহি করার জন্য।বড় হতে হতে কিংবা বয়স বাড়তে বাড়তে হয়তোবা তাকে শাসন করারও কেউ থাকেনা তাই সে হয় স্বৈরাচারী, অভিভাবকহীন।অপরাধ অথবা পাপ দুটোই তার কাছে শিমুল তুলার বালিশের মতো মনে হয়।ওটা ছাড়া যেন তার ঘুম আসেনা।কিন্তু আমরা হয়তো ভুলেই যাই অতীতের চেয়ে বড় শিক্ষক পৃথিবীতে কেউ নেই।অতীত তোমার পিছু নেবেই।আমি শাস্তির কথা বলছি।আসলে মানুষের তৈরি আদালত মানুষের বিচার করতে পারেনা।বিবেকের চেয়ে বড় আদালত নেই।এখানে আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ নেই শুধু আছে শাস্তি।পালাবে কোথায়?
আজকে এসব আধ্যাত্মিক কথা কেন লিখছি?এসব কি বিজ্ঞানসম্মত?সত্যিকথা বলতে এসব জায়গায় বিজ্ঞান আসলেও নাকানি চুবানি খাবে।আজকে এক বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছিল সন্ধায়।বিবেকের সেলে কয়েদী।ও অপেক্ষা করছে ওর কবে শাস্তি শেষ হবে।বিচিত্র পৃথিবীতে শাস্তিটাও বিচিত্রই হয়।
মা বলতেন জীবনে সবচেয়ে বড় অন্যায় মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করা এবং যে তোমাকে বিশ্বাস করে তার মনে কষ্ট দেয়া।আমি এই অপরাধকে ভয় পেতাম এতকাল এর শাস্তির কথা ভেবে।শাস্তি যদিও চোখে দেখিনি কিন্তু আজ নিজের চোখে দেখলাম।কে যেন বলেছিল মানুষের মন ভাঙা আর মসজিদ ভাঙা সমান।নামটা মনে নেই।কারন মনঘটিত ব্যাপার থেকে আমি তিনবছর দূরে দূরে থাকি।লুতুপুতু আবেগ আমার কাছে বিরক্তিকর।কিন্তু প্রেম করে বিয়ে এমন জায়গায় কেন জানি সাক্ষী হিসাবে আমার কলমটা চলে যায়।হ্যাপি ইনডি ং দেখাটা সমুদ্র সৈকতে দাড়িয়ে প্রথম সূর্যোদয় দেখার মতো।ভালোলাগার,ভালোবাসার।

১ thought on “পাপ

  1. আপনি আসলে কী নিয়ে লিখতে
    আপনি আসলে কী নিয়ে লিখতে চাইলেন তাই তো বুঝলাম না।শুরু করলেন পাপ নিয়ে মাঝে বিশ্বাসভঙ্গ,শেষে সস্তা দর্শন কথা লিখলেন।আসলে পাপ জিনিসটা কী?পাপ-পূণ্য ব্যাপারটা প্রচুর গোলমেলে।তবে আমরা সাধারণত খারাপ কাজকে পাপ বলি আর ভালো কাজকে বলি পূণ্য।কিন্তু এটাও একটা আপেক্ষিক বিষয়।কারণ অবস্থানভেদে এর পার্থক্য ঘটে।যেমন ধরুন,আমরা সবাই জানি যে মিথ্যা বলা খারাপ কাজ।এখন মনে করেন আপনি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাবার সময় দেখলেন একটা মেয়ে রাস্তার পাশের কোনো এক জায়গায় নিজেকে গা ঢাকা দিয়ে রেখেছে।কিছু গুন্ডাকে এসে আপনাকেই যদি জিজ্ঞেস করে কোনো মেয়েকে আপনি দেখেছেন কিনা আপনি কী বলবেন তখন?যদি সত্য বলেন তবে মেয়েটি বিপদে পড়বে হয়তো ধর্ষিত হবে।আর মিথ্যা বললে মেয়েটি বেঁচে যাবে।
    এরকমই সবকিছু আপেক্ষিক।অবস্থানভেদে পার্থক্য ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *