মাদকের আগ্রাসন : ভারত প্রসংগ

মাদকের আগ্রাসনের মতোই ভারতীয় চ্যানেলমাদকের আগ্রাসনের মতোই দিনকে দিন বেড়ে চলেছে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের দৌরাত্ন। সব দিক দিয়ে পাল্লা দিয়ে পেরে উঠছে না আমাদের দেশিয় চ্যানেল গুলো। যেভাবে চলছে ভবিষ্যতে এই আগ্রাসনের ভেতর থেকে বের হয়ে আসাটা আমাদের বাঙগালিদের পক্ষে কষ্ট হবে বিশেষ করে বাঙগালী নারীদের তো বটেই। আমার মতে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে ঐতিহ্যকে ভুলে যেতে বসেছি। যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথে আমরা অতীতের তুলনায় বর্তমানে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরছি আমাদের নিজস্বতা বলতে কিছু থাকছে না।


মাদকের আগ্রাসনের মতোই ভারতীয় চ্যানেলমাদকের আগ্রাসনের মতোই দিনকে দিন বেড়ে চলেছে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের দৌরাত্ন। সব দিক দিয়ে পাল্লা দিয়ে পেরে উঠছে না আমাদের দেশিয় চ্যানেল গুলো। যেভাবে চলছে ভবিষ্যতে এই আগ্রাসনের ভেতর থেকে বের হয়ে আসাটা আমাদের বাঙগালিদের পক্ষে কষ্ট হবে বিশেষ করে বাঙগালী নারীদের তো বটেই। আমার মতে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে ঐতিহ্যকে ভুলে যেতে বসেছি। যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথে আমরা অতীতের তুলনায় বর্তমানে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরছি আমাদের নিজস্বতা বলতে কিছু থাকছে না।

এই পর সংস্কৃতিচর্চা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে। আমাদের মধ্যেও যে প্রতিভা আছে তা দেখানো প্রয়োজন। আর সর্বপোরি সরকারের তরফ থেকে নিজ সংস্কৃতিকে বাচানোর জন্য অচিরেই উদ্যোগ নেয়াটা যথাযথ মনে করছি।

“ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি” এই ব্যাপারে ইস্টিশনের তরফ থেকে কোন পদক্ষেপ নেয়া যায়?

৮ thoughts on “মাদকের আগ্রাসন : ভারত প্রসংগ

  1. ফেসবুক স্টাটাস মনে হচ্ছে।
    আর

    ফেসবুক স্টাটাস মনে হচ্ছে।

    আর হ্যা এই সিরিয়াল আসক্তি টা ভয়াবহ। কিছুদিন আগে এক বালিকা আত্মহত্যা করেছে সিরিয়াল দেখতে বাধা দেয়ায়!!!

  2. ইস্টিশন’র মত ব্লগে ফেসবুক
    ইস্টিশন’র মত ব্লগে ফেসবুক স্টাইলের পোস্ট আসলেই বেখাপ্পা লাগে। যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন, এত অল্পতে শেষ করার মত বিষয় না। এই বিষয়টা নিয়ে অন্য কেউ বিস্তারিত লিখতে পারেন।

  3. আমার মনে হয় অবস্থা এমন একটা
    আমার মনে হয় অবস্থা এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে যে, এর থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের দেশীয় চ্যানেলগুলোর প্রোগ্রামের মান উন্নয়ন ছাড়া কোন পথই খোলা নেই। কারণ চাইলেই ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া সম্ভব নয় এখন।

  4. সত্যি কথা বলতে এরকম করে এত
    সত্যি কথা বলতে এরকম করে এত সংক্ষিপ্তাকারে আমিও লিখতে চাইনি। কর্মব্যস্ততার চাপে অনেকদিন ধরেই ব্লগে ঠিকমত লেখালেখি করতে পারছি না। হঠাৎ করেই গতকাল টিভি চ্যানেলের বিষয়ে পত্রিকার প্রতিবেদনটি চোখে পরে গেল, পড়ে মনে হলো যদিও হাতে সময় নাই বেশি লেখার জন্য তবুও মাত্র ২/৩ লাইন লিখি। শুধু মাত্র ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য যে আমাদের দেশের টিভি চ্যানেলগুলোকে বাঁচাতে এবং সংস্কৃতিকে ঠিক রাখতে ইস্টিশন কি কোন ভূমিকা নিতে পারে কি না। তবে আশা করছি একটা সময় এসব ব্যাপারগুলা নিয়া আবার ঠিকঠাক মতো লেখালেখি করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *