নিজের জন্যে লিখাঃ ১

আমাকে যদি ক্ষমতা দেয়া হতো তাহলে আমি মনে হয় প্রথমেই সকল উৎসবের দিন গুলো বাতিল করে দিতাম । পহেলা ফাল্গুন, পহেলা বৈশাখ, ভ্যালেন্টাইনস ডে, থার্টি ফার্স্ট নাইট – আরো কতো আছে । শুধু ঈদের দুই দিন ছাড়া । নয়তো আল্লাহ রাগ করবেন । আমার এসব দিন ভালো লাগে না । তবে মানুষ এসব দিন ভালোবাসে । এসব দিনে এদের মনে অনেক আনন্দ থাকে । এরা রঙ-বেরঙ্গের পোষাক পড়ে । বেড়াতে বের হয় । প্রথমে পাড়া-প্রতিবেশী তারপর আত্মীয়-স্বজন তারপর বন্ধু বান্ধব … খালাতো-মামাতো-ফুফাতো-চাচাতো ভাইবোন , গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডঃ আহা ! আরো কতো কী !


আমাকে যদি ক্ষমতা দেয়া হতো তাহলে আমি মনে হয় প্রথমেই সকল উৎসবের দিন গুলো বাতিল করে দিতাম । পহেলা ফাল্গুন, পহেলা বৈশাখ, ভ্যালেন্টাইনস ডে, থার্টি ফার্স্ট নাইট – আরো কতো আছে । শুধু ঈদের দুই দিন ছাড়া । নয়তো আল্লাহ রাগ করবেন । আমার এসব দিন ভালো লাগে না । তবে মানুষ এসব দিন ভালোবাসে । এসব দিনে এদের মনে অনেক আনন্দ থাকে । এরা রঙ-বেরঙ্গের পোষাক পড়ে । বেড়াতে বের হয় । প্রথমে পাড়া-প্রতিবেশী তারপর আত্মীয়-স্বজন তারপর বন্ধু বান্ধব … খালাতো-মামাতো-ফুফাতো-চাচাতো ভাইবোন , গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডঃ আহা ! আরো কতো কী !

আমার এগুলো ভালো লাগে না । বিরক্ত লাগে । মানুষের মনে এতো আনন্দ কোথা থেকে আসে – মনে এই প্রশ্ন ঘুরে । আমি এতো আনন্দের কিছুই খুজে পাই না । তাই বলে মানুষজনের আনন্দ দেখে ঈর্ষাও লাগে না । করুণা লাগে । কেনো লাগে – তা জানিনা । তবে মনে এতো আনন্দ থাকা ভালো । যার মনে যত কূটিলতা – তার মনের আনন্দ তত কম । যার মনে দুঃখ যত বেশী – তার মনের আনন্দও কম । যার মনে অনেক চিন্তা তার মনেরও আনন্দ কম । আমার মনে কূটিলতা, দুঃখ, চিন্তা বেশী – প্রমাণিত । কিন্তু আমি এতসব কিছুই খুজে পাই না । যারা আমার আশে পাশের মানুষ তারা হয়তো বুঝবে । এগুলো থাকলেও আমার কোনো আপত্তি নাই । থাকলে থাকুক ।

মানুষ বিরক্ত করতে আমার ভালো লাগে । যে মানুষকে যতো কাছের মনে হয় – তাকে ততো বিরক্ত করি । কেনো বিরক্ত করতে ভালো লাগে – তা জানি না । তবে এতে অনেকে রাগ করে । তাদের রাগ দেখতেও ভালো লাগে । আবার খারাপও লাগে । একই সাথে কেনো ভালো আর খারাপ লাগে – তা জানিনা । কিছু মানুষজন একসময় বিরক্ত হয়ে দূরে চলে যায় । তাদের দূরে চলে যাওয়া দেখতে কষ্ট লাগে । তবে তারপরও মানুষজন বিরক্ত করে আনন্দ পাই । আমি বোধহয় একজন মানসিক ভাবে অসুস্থ ব্যাক্তি । কারণ একদিন খাতায় এক পৃষ্ঠা জুড়ে দেখি হাতের লেখা লিখা আছে । এক লাইন বার বার লিখা । লাইনটা হলো “আমি মানসিকভাবে বিকৃত” তার নীচে ইংলিশে লিখা “I am mentally disordered” তার নীচে ছবি আকা । ছবিতে আনেকগুলো হাসিমুখ । হাসিমুখ থেকে লোল পড়ছে আর চোখ থেকে পানি ঝরছে ।

দেখে নিজেই চমৎকৃত হলাম

১৪ thoughts on “নিজের জন্যে লিখাঃ ১

  1. ভাই আনন্দে থাকার চেষ্টা
    ভাই আনন্দে থাকার চেষ্টা করেন।আপনার প্রত্যেকটা দিনকেই ঈদের দিনের মতন উপভোগ করতে শুরু করেন।জীবনটা একবারই পাওয়া তাই আনন্দই মুখ্য।

  2. তাহলে তো আপনি বেশ
    তাহলে তো আপনি বেশ আছেন।মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে।তবে এরকম সুইসাইডাল নোটের মত মন খারাপ করা জিনিস লিখছেন কেন???

  3. আমি বোধহয় একজন মানসিক ভাবে
    আমি বোধহয় একজন মানসিক ভাবে অসুস্থ ব্যাক্তি । === পারফেক্ট ফাঁকিবাজের কথা। আপনি আর যাই হন পাগল না। পড়ালেখা করেন। ঘুরে বেড়ান, কাজ করেন। এতো কিছু চিন্তা করার জন্য নিজেকে সময় দেন ক্যান?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *