( জানি আপনারা জানেন তারপর ও জানানোর একটু ব্যর্থ প্রচেষ্টা )

* শনির বিষুব অঞ্চলে প্রবাহিত বাতাস অত্যন্ত শক্তিশালী । কখন কখন ঘণ্টায় ১ হাজার ৮০০ কিঃমিঃ গতিতে বাতাস বয়ে যায় । জা পৃথিবীর একটি গড়পড়তা হ্যারিকেনের চেয়েও ১০ গুন অধিক শক্তিশালী ।

* সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহগুলোর চেয়ে এখন পর্যন্ত শনি গ্রহের আবিষ্কৃত উপগ্রহ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি । শনির উপগ্রহ এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয় ৬০ টি ।

* শনির ” টাইটাস ” নামক উপগ্রহ শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ । এটি আকারে শুক্র গ্রহর চাইতে বড় ।

* শনির রয়েছে পৃথিবীর মত মধ্যাকরষন বল বা চৌম্বকক্ষেত্র । মূলত গ্যাসীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি বলে শনি পানির উপর ভেসে থাকবে ।


* শনির বিষুব অঞ্চলে প্রবাহিত বাতাস অত্যন্ত শক্তিশালী । কখন কখন ঘণ্টায় ১ হাজার ৮০০ কিঃমিঃ গতিতে বাতাস বয়ে যায় । জা পৃথিবীর একটি গড়পড়তা হ্যারিকেনের চেয়েও ১০ গুন অধিক শক্তিশালী ।

* সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহগুলোর চেয়ে এখন পর্যন্ত শনি গ্রহের আবিষ্কৃত উপগ্রহ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি । শনির উপগ্রহ এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয় ৬০ টি ।

* শনির ” টাইটাস ” নামক উপগ্রহ শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ । এটি আকারে শুক্র গ্রহর চাইতে বড় ।

* শনির রয়েছে পৃথিবীর মত মধ্যাকরষন বল বা চৌম্বকক্ষেত্র । মূলত গ্যাসীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি বলে শনি পানির উপর ভেসে থাকবে ।

* সৌরজগতের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ বৃহস্পতির ” গানিমেড ” । এবং সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট উপগ্রহ ব্রহস্পতির ” অ্যাডরষ্টিয়া ” । এর পরিধি মাত্র ২০ কিঃ মিঃ ।

* বৃহস্পতি সূর্যের চেয়ে অনেক ছোট । সূর্য যদি বাস্কেট বল এর সমান হয় তবে ব্রিহস্পতি হবে ১ ইঞ্চি ব্যাসের টেবিল টেনিস এর সমান ।

* সউরজগতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্রহের মিলিত আকারের তুলনায় বৃহস্পতির আকার প্রায় আড়াই গুন বেশি ।

* কিছু কিছু নিউট্রন তারা আপন অক্ষে সেকেন্ড এ প্রায় ৬০০ বার আবর্তন করে । এ ধরনের তাঁরার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১.৮ মিলিওন ডিগ্রি ফারহানেইট ।

* সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব প্রায় ৯২.৮ মিলিওন মাইল এবং সূর্য পৃষ্ঠে র আয়তন পৃথিবী পৃষ্ঠের আয়তনের তুলনায় ১২ হাজার গুন বড় ।

* নাসা সর্ব প্রথম মহাশুন্য যান উৎক্ষেপণ করে ১৯৮১ সালের ১২ এপ্রিল । কলম্বিয়া নামের মহাশূন্য যানটি নভোচারী জন ইয়ং অ রবার্ট ক্রাইপেন কে নিয়ে মহাশুন্য এ গমন করে এবং ১৪ এপ্রিল নিরাপদে অবতরন করে ।

* মহাশূন্যে ভ্রমনকারী ১ম প্রানী লাইকা নামের স্যামমোয়েড জাতের একটি কুকুর । ১৯৫৭ সালের ৩রা নভেম্বর স্পুটনিক – ২ এ চড়ে লাইকা মহাশূন্যে ভ্রমন করে । অবশ্য পৃথিবীর আবহাওয়া মণ্ডলে নভোযানটির প্রত্যাবর্তনের সময় অক্সিজেনের অভাবে মারা যায় ।

* সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে সর্বাধিক চরমাভাবাপন্ন আবহাওয়া বুধ গ্রহের । সাধারনত গ্রহটির তাপমাত্রা ৯০ থেকে ৭০০ কেলভিনে ওঠানামা করে ।

* পৃথিবীর বয়স প্রায় সাড়ে ৪ বিলিওন বছর । এটি আপন কক্ষ পথে প্রতি ঘণ্টায় ৬ লাখ ৬০ হাজার মেইল গতিতে পরিভ্রমন করছে ।

* ২০০৬ সালের মার্চে কানাডার ইউনিভারসিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া এর অধ্যাপক হাভে রিচারের নেতৃত্বে একদল আন্তর্জাতিক জ্যোতি বিজ্ঞানী এ জাবৎ কালের সবচেয়ে ম্রিয়ামান নক্ষত্র আবিষ্কার করেন । নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে ” এন. সি. জি. – ৬৩৯৭ ” নামের গ্রহটি প্রতক্স্য করেন তারা ।

* সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়ামান থাকার কারনে সূর্যগ্রহনের সময়সীমা কখনই ৭ মিনিত ৫৭ সেকেন্ডের বেশি হওয়া সম্ভব নয় ।

* পৃথিবী বাদে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের মধ্যে শুধু বৃহস্পতি , শনি , ইউরেনাস ও নেপচুন এর চৌম্বকক্ষেত্র আছে ।

* ইউরেনাস , নেপচুন ,ও প্লুটোর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা -৩৬৪ ডিগ্রি ফারহানেইট জা সাধারন একটি রেফ্রিজারেটরের ভেতরের তাপমাত্রার তুলনায় ১১ গুন বেশি ঠাণ্ডা ।

* সৌরজগতের শীতল তম স্থান নেপচুনের উপগ্রহ ” টাইটানের ” উপরি ভাগের তাপমাত্রা -৩৯১ ডিগ্রি ফারহানেইট ।

* বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ । কিন্তু এর দিন সবচেয়ে ছোট । যদি ও বৃহস্পতির পরিধি প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার মাইল । যেখানে পৃথিবীর পরিধি ২৫ হাজার মাইল । তারপর ও গ্রহটি মাত্র ৯ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটে একবার নিজ অক্ষে আবর্তন করে ।

* ম্যগনিটিউট হচ্ছে তাঁরাদের উজ্জ্বলতা মাপার একক । যার ম্যগনিটিউট জত বেশি তার উজ্জ্বলতা তত কম ।

* সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে পৃথিবীর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি । পৃথিবীর ঘনত্ব পানির ঘনত্ব থেকে ৫ গুন বেশি । যেখানে শনির ঘনত্ব পানির চেয়ে ৩০ শতাংশ কম ।

* শুক্রের পৃষ্ঠ দেশ বুধের পৃষ্ঠ দেশের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত । যদি ও সূর্যের কাছ থেকে শুক্রের দূরত্ব বুধের চেয়েও দ্বিগুণ দূরত্বে ।

* চন্দ্র পৃষ্ঠে রেখে আসা ” অ্যাপোলো ” নভশ্চরদের পায়ের ছাপ খুব সহজে মুছে যাবে না । কারন চাঁদে পানি বা বাতাস নেই । ধারনা করা হয় যে ছাপ গুলো ১০ মিলিয়ন বছর টিকে থাকবে ।

* সূর্য কে কেন্দ্র করে পৃথিবী এর ৫৮৫ মিলিয়ন মাইল কক্ষ পথে বুলেটের চেয়ে ৮ গুন বেশি গতিতে প্রতিনিয়ত ছুটে চলছে ।

* কেমব্রিজ ইউনিভারসিটি র অধ্যাপক জন মাইকেল এর সংজ্ঞানুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর সাধারনত একটি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব বিশিষ্ট তাঁরা । যার কারনে এটি প্রবল মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র সৃষ্টি করে । আর এই ক্ষেত্র এতটা শক্তিশালী যে এর কারনে ঐ তাঁরা গুলো থেকে আলো পর্যন্ত নির্গত হতে পারে না ।

* আলো দুইয়ের সমষ্টিতে গঠিত তরঙ্গ ও কনিকা । এবং তাই আলোর উপর মহাকর্ষ বলের প্রভাব রয়েছে ।

৭ thoughts on “( জানি আপনারা জানেন তারপর ও জানানোর একটু ব্যর্থ প্রচেষ্টা )

  1. প্রিয়তে নিলাম … অসংখ্য
    প্রিয়তে নিলাম :গোলাপ: :গোলাপ: … অসংখ্য ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটার জন্য… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  2. এই বিভাগে লেখা খুব একটা
    এই বিভাগে লেখা খুব একটা পাওয়াই যায় না!

    যদিও সাধারণ জ্ঞান মুকস্ত করার মত বিরক্তিকর কাজ আর নেই! তার ওপর মহাকাশ/সৌরজগতের এতো সব খুঁটিনাটি যা যাপিত জীবনে (প্রায়) কোন কাজেই আসে না…
    তবে মুকস্ত করার চিন্তা বাদ দিলে এক নজর পড়ে যাবার জন্য দারুন মজার!

    এই তথ্যগুলো না জানলে যে জীবন বৃথা- তা নয়। কিন্তু এই পোস্টটা না পড়লে অনেক ইন্টারেস্টিং তথ্য জানা হবে না- এটা একদম শিউর!!!
    😀

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *