মাদ্রাসা শিক্ষা সমন্ধে বিভ্রান্তিকর সমালোচনা ও সমালোচনা কারীদের বিরোধী ফর্মুলা (পড়বেন মাষ্ট)

মাদ্রাসা শিক্ষাকি ধর্ম শিক্ষা!!
এমনি একটা লেখার শিরোনাম দেখে সামু (সামহয়ারিন ব্লগে)
ঢু মারলাম। শিরোনামের সাথে বুঝা পরা করার জন্যই
এগিয়ে পড়তে লাগলাম তার লেখাটি। লেখক টেলেন্ট
সম্পদায়ের লোক। তাই কিছুটা সাবধান হয়েই এগুলাম।

লেখক মাদ্রাসা শিক্ষাকে ছোট করে দেখানোর জন্য প্রথমেই
একটা তথ্য প্রকাশ করলেন। যা দেখে আমার মত খুশি কেউ
হইছে কিনা আমি সন্দিহান। তার লেখায় সে ইবতেদায়ী,
দাখিল, আলিম এবং কামিল স্নাতকউত্তর মাদ্রাসার সংখ্যা ২
লক্ষের মত বললেন!! (কমি, হাফেজিয়া, কিংবা অন্যান্য
মাদ্রাসা গুলোকে বাদ দিয়ে!) তার এই তথ্য অনুযায়ী যদি ২ লক্ষ মাদ্রাসা বাংলাদেশে হয়।

মাদ্রাসা শিক্ষাকি ধর্ম শিক্ষা!!
এমনি একটা লেখার শিরোনাম দেখে সামু (সামহয়ারিন ব্লগে)
ঢু মারলাম। শিরোনামের সাথে বুঝা পরা করার জন্যই
এগিয়ে পড়তে লাগলাম তার লেখাটি। লেখক টেলেন্ট
সম্পদায়ের লোক। তাই কিছুটা সাবধান হয়েই এগুলাম।

লেখক মাদ্রাসা শিক্ষাকে ছোট করে দেখানোর জন্য প্রথমেই
একটা তথ্য প্রকাশ করলেন। যা দেখে আমার মত খুশি কেউ
হইছে কিনা আমি সন্দিহান। তার লেখায় সে ইবতেদায়ী,
দাখিল, আলিম এবং কামিল স্নাতকউত্তর মাদ্রাসার সংখ্যা ২
লক্ষের মত বললেন!! (কমি, হাফেজিয়া, কিংবা অন্যান্য
মাদ্রাসা গুলোকে বাদ দিয়ে!) তার এই তথ্য অনুযায়ী যদি ২ লক্ষ মাদ্রাসা বাংলাদেশে হয়।
তাহলে প্রতি মাদ্রাসাতে যদি ২০০ ছাত্র করেও
লেখা পড়া করে তাহলে দেশের মোট ৪
কোটি জনসংখ্যা মাদ্রাসার পড়ুয়া!! (আমার মাদ্রাসার
একটা শাখায় ২০০০ হাজারের উপরে শুধু ছাত্র আছে) অর্থাৎ
২৫% জনসংখ্যা মাদ্রাসা শিক্ষায় দিক্ষিত কিংবা শিক্ষিত। তাহলে আপনি ভাবুন একজন মাদ্রাসার ছাত্র হয়ে আমি কতটুকু
খুশি হতে পারি।

অতঃপর তিনি বললেন ”ভারতবর্ষকে চীরদিন গোলামির
শৃঙ্গক্ষলে আবদ্দ রাখার গৃণ মতলব নিয়ে সাম্পদায়ীক
ভিবাজনের সুদুরপশারী ষড়যন্ত্রের অংশ
হিসাবে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রবর্তন করেছিলেন”

হাস্যকার ভাবেও সত্যি তার মত টেলেন্ট সম্পদায়ের মুখে এমন
হাস্যকর তথ্য হীন একটা কথা শুনেছি।

এখন আসুন মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিহাস লক্ষ করিঃ-

মাদ্রাসা শিক্ষায় প্রথম প্রতিষ্ঠান ছিল সাফা পর্বতের
পাদদেশে যায়েদ-বিন-আরকামের বাড়িতে,
যেখানে স্বয়ং রসুল (স:) ছিলেন শিক্ষক
এবং শিক্ষার্থী ছিলেন তাঁর কয়েকজন অনুসারী। হিজরতের
পর মদিনায় মসজিদে নববি-র পূর্বপাশে স্থাপিত হয়
মাদ্রাসা আহলে সুফ্ফা। শিক্ষক ছিলেন উবাদা-ইবন সামিত আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন আবু হুরাইরা (রা) মুয়াজ-
ইবন জবল গিফারি (রা) প্রমুখ। সেকালের মাদ্রাসার
পাঠ্যসূচিতে ছিল, কোরআন, হাদিস, ফারায়েজ, প্রাথমিক
চিকিৎসা, বংশ শাস্ত্র, তাজবিদ ইত্যাদি। এছাড়া অশ্ব
চালনা, যুদ্ধবিদ্যা, হস্তলিপি বিদ্যা, শরীর
চর্চা ইত্যাদিও পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল। নবুয়তের প্রথম দিন থেকে উমাইয়া বংশের শাসনামলের প্রথম ভাগ পর্যন্ত
প্রায় একশ বছর সময়কালকে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রথম পর্যায়
ধরা হয়। (Wikipidia)

ব্রিটিশদের উদাহরন দেয়ার আগে তিনি মুগল
বাদশা বখতিয়ার খিজলির কথাও উল্লেখ্য করেন। যার
মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রবর্তন হয়েছিল। কিন্তু উপরুক্ত
তথ্য থেকে সম্পুর্ণ রুপে প্রমানিত হয় যে ” মাদ্রাসা শিক্ষার
প্রবর্তন শুধু ২০০ কি ৩০০ বছর আগের নয় সেটা ১৪০০ বছর
আগে থেকে সাড়া পৃথিবীতে পদচারনা করেছে” ।

এর পরেও তিনি কলকাতা আলিয়া এবং ব্রিটিশদের
দ্বারা বানানোর কথা বলেন। যা তৈরি হয়েছিল গভর্নর লর্ড
ওয়ারেন হেস্টিং এর দ্বারা। মাদ্রাসা শিক্ষার
নামে জমি দখলের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে গ্রহন করেছিল
ব্রিটিশরা। কলকাতা আলিয়ার মাধ্যমে তা শুরু হলেও
ব্রিটিশরা পরবর্তিতে ধরা খেয়ে যায়। কাজি এর মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষাকে ব্রিটিশদের সম্পদ বলে অভিহিত
করলে সম্পুর্ণ রুপে মুর্খতাই প্রমান হবে।

আর হাস্যকর ভাবে অনেকেই মনে করেন কলকাতা আলীয়ার প্রথম
ও প্রধান শিক্ষক একজন অমুসলিম ব্রিটিশ ছিল। কিন্তু
সত্যিকার অর্থে প্রথম এবং প্রধান ছিল ” মৈলভী বাহারুদ্দিন
উলুম মজদুদ্দীন দরসে নীজামি।

অবশেষে প্রধান বিভ্রান্তি কর সমালোচনার বিরোধীতা শেশ
করলাম। এখন বলবো দয়া করে কেউ
মাদ্রাসা শিক্ষাকে নিন্মমানের চোখে দেখবেন না।
কেননা মাদ্রাসা শিক্ষাই সর�

৫ thoughts on “মাদ্রাসা শিক্ষা সমন্ধে বিভ্রান্তিকর সমালোচনা ও সমালোচনা কারীদের বিরোধী ফর্মুলা (পড়বেন মাষ্ট)

    1. মোবাইলে বাংলা লেখি। হোষ্টেলে
      মোবাইলে বাংলা লেখি। হোষ্টেলে ল্যাপটপ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। তাই অভরো দিয়ে লেখা বড়ই কষ্টকর। তবুও ট্রাই করবো। আশা করি বানান ভুল যেহেতু বুঝতে পারছেন লেখা বুঝাটা বেশি কঠিন হবে না।

  1. মাদ্রাসা শিক্ষা আসলেই অনেক
    মাদ্রাসা শিক্ষা আসলেই অনেক গুরত্বৰ্পূন ! X_X X_X X_X
    আপনার কাছে গুরত্বৰ্পূন প্রশ্ন : পৃথিবী কি গোলাকার নাকি সমতল(বিছানার মত)?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *