ফেসবুকীয় নস্টালজিক নীল দুনিয়া (ফ্লাশব্যাক)

হাতে কোনো কাজ কাম না থাকায় ফেসবুকের পুরানা পুরানা পোস্ট ঘাঁটতেছিলাম। হঠাৎ করে নস্টালজিক হয়ে গেলাম। সেই পোস্ট গুলোর কয়েকটা তুলে দিলাম। সবগুলাই ফানি পোস্ট। অ্যান্টি রাজাকার পোস্ট প্রায় সবগুলোই রিপোর্ট করে খেয়ে দিছে ছাগু বাহিনী। ফেবুতে ওয়ার্ক অ্যাকটিভিটি “প্রধান আসামী at ছাগু নির্যাতন মামলা” দেয়াতে এই দশা!! যাই হোক। পোস্ট গুলো পড়ে দেখতে পারেন।

১.
ভূত এফ এম শোনার পর থেকে রাইতের বেলা টয়লেটে যাইবার আগে জোরে জোরে প্রশ্ন করি,’ভিতরে কেউ আছেন?’


হাতে কোনো কাজ কাম না থাকায় ফেসবুকের পুরানা পুরানা পোস্ট ঘাঁটতেছিলাম। হঠাৎ করে নস্টালজিক হয়ে গেলাম। সেই পোস্ট গুলোর কয়েকটা তুলে দিলাম। সবগুলাই ফানি পোস্ট। অ্যান্টি রাজাকার পোস্ট প্রায় সবগুলোই রিপোর্ট করে খেয়ে দিছে ছাগু বাহিনী। ফেবুতে ওয়ার্ক অ্যাকটিভিটি “প্রধান আসামী at ছাগু নির্যাতন মামলা” দেয়াতে এই দশা!! যাই হোক। পোস্ট গুলো পড়ে দেখতে পারেন।

১.
ভূত এফ এম শোনার পর থেকে রাইতের বেলা টয়লেটে যাইবার আগে জোরে জোরে প্রশ্ন করি,’ভিতরে কেউ আছেন?’

একদিন রাইতে দেখলাম মামা টয়লেটে ঢুকছে। ১ মিনিট পর আমি ও তলদেশে তরলের প্রবল গর্জন অনুভব করলাম। তাই টয়লেটের সামনে গিয়ে প্রশ্ন করলাম,’ভিতরে কেউ আছেন?’ ভিতর থেইকা আমার মামার গলায় কে যেন কইল,’আমি আছি!’ আমি ভয় পাইয়া গেলাম। আমার মামার গলায় কে কথা কয়! আবার জিগাইলাম,’আপনি কে?’ ভিতর থেইকা আবার কইল,’আমি!’ আমি আবার জিগাইলাম। আবার উত্তর আইলো,’আরে ব্যাটা, আমি!’
আমি আবার জিগাইলাম। এইবার বিরক্তি মাখা কণ্ঠে উত্তর আইলো,’আমি তোর বাপ!’

পিছন ফিরে দেখি আমার আব্বু নাক ডাইকা ঘুমাইতেছে! আমি শিউর টয়লেটে এইডা ভূত …
আমি চিক্কুর দেয়ার প্রস্তুতি নিতাসি…

# ফিআমানিল্লা

২.
ণিউ মার্কেটের সামনে দেখলাম কাঁঠালের কোয়া বিক্রি হইতেছে। প্রতি প্লেট ১০ টাকা। কাঁঠাল এমনিতে আমার পছন্দ না। কিন্তু, এই অদ্ভুত কাণ্ড দেইখা এগিয়ে গেলাম।

যথারীতি বিক্রেতার চিল্লানি,”আসেন ভাই, খাইয়া যান!” আমি বিক্রেতাকে জিগাইলাম,
– ভাই কেমন আছেন?
– ভালা। কাঁডল খাইবেন?
– ভাই, ভাবী ভালা আছে?
– হ, আছে। কাঁডল খাইবেন?
– আরে ভাই, এতো তাড়া কিয়ের? পোলা মাইয়া কেমন আছে?
– পোলা মাইয়া ভালা আছে। কাঁডল খাইবেন?
– মাইয়া টা ঠিক ঠাক আছে তো?
-আজব তো! আপনি এতো প্যাঁচাল করেন কেন? কাঁডল খাইলে খান নইলে যান।
– না রে ভাই, আপনার মাইয়াটারে বহুত দিন দেখি নাই। ফোন দিলে ফোন ও ধরে না। তা আপনি কি খালি কাঁডল বেচেন? কাঁডলের পাতা বেচেন না?
– আপনি যাইবেন কিনা কন। এতো প্যাঁচাল ভাল্লাগতেসে না।

আমি আর কথা না বাড়িয়ে হাঁটা দিলাম। পিছন ফিরে দেখলাম লোকটা পকেট থেকে মোবাইল বের করে ফোন করতেছে। হয়তোবা তার মেয়েকে জিজ্ঞেস করবে আমাকে নম্বর কেন দিছে!

আকাশের বাঁকা চাঁদটা যেন আমার সাথে চলছে। আমরা কেউ কাউকে চিনিনা। বন্ধুত্ব তখনই গভীর হয় যখন কেউ কাউকে চিনেনা…

৩.
আজকে আমি আর ইফরাদ মার্কেটে গেলাম। ঊদ্দেশ্য ১ নম্বর বাসে উঠা। রিকশা থেকে নেমে দেখলাম একটাই এক নম্বর বাস। কিন্তু বাস টা যাইতেছেগা। রিকশা ভাড়া দিয়ে বাস ধরার জন্য দৌড় দিলাম। সেই সাথে আমি যেহেতু একটু বেশি কাবিল তাই চিল্লাইতেছিলাম,”ওই ধর্, ধর্, ধর্!”

পিছন ফিরে দেখি কিছু পোলাপাইন আমার
পিছে পিছে দৌড়াইতেছে! তাদের মুখে একই চিৎকার,”ধর্, ধর্ ধর্!” কিছু লোক অবাক্ হয়ে তাকাইতেছে। রাস্তায় রিকশাওয়ালা গুলা ভয় পাই গেল। মার্কেটের মোড়ে কিছু গাড়ি সিক্সটি নাইন পজিশন হয়ে গেল। কিন্তু শালার ভাগ্য। বাস ধরতে পারলাম না। এইবার মানুষ আমারে জিগাইতে লাগিলো,’কি হইছে?’ আমি কইলাম,’ভাই তেমন কিছু না, বাস ধরতে চাইছিলাম!’
মানুষ গুলা আমার দিকে অবাক্ চোখে তাকাইল। কয়জন মুখ বাঁকাই আমারে মনে হয় গালি দিলো। কিন্তু এতে আমার কিছুই যায়
আসেনা….

উপরে আকাশের দিকে তাকালাম। চশমার ফাঁক দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একটি হেলিকপ্টার। কিছু বোকা পাখি ঐ যন্ত্রটার পিছনে ছুটছে। আচ্ছা, পাখি গুলা কি কখনো ফড়িং দেখেনাই?? ¿¿¿¿

৪.
বিয়ার গ্রিলস আমার প্রিয় একজন মানুষ। তিনি মহা উৎসবে যেভাবে পোকা মাকড় খান, সেটা দেখে আমি অনুপ্রাণিত। তাই নিজেও খাওয়ার ট্রাই করতে চাইলাম।

অবশেষে খাটের তক্তার ফাঁকে একটা তেলাপোকা পাইলাম। প্রথমে একটু গা ঘিন ঘিন করলেও বিয়ারে কথা মনে কইরা তেলাপোকা টাকে ধরলাম। তারপর,
তেলাপোকার একটা ঠ্যাং ভাইঙ্গা মুখে দিলাম। বিশ্রী স্বাদ। কিন্তু খাইতে তো হবেই! মাথা টারে আলাদা কইরা বাকিটা মুখে দিয়া খাইয়া ফেললাম। খাইতে যদিও চরম ফালতু, কিন্তু বহুদিনের শখ পূর্ণ হইছে, তাই আনন্দ পাইলাম…

এইবার শুনলাম আমারে কে জানি বাহবা দিতেছে ‘ইয়াহু,ইয়াহু’ বইলা! আমিও চরম খুশি! শব্দের তীব্রতায় আমার সম্বিত ফিরে আইলো। চোখ খুলে দেখি, আমার বোন একটা তেলাপোকা দেখে ‘ইয়াক থু, ইয়াক থু’ করতেছে!

আমি স্বপনের ধাক্কায় অবাক হয়ে গেলাম। মাথার উপর ফ্যান ঘুরতেছে। নির্বাক ঘূর্ণায়মান যন্ত্রটি আমার দিকে তাকিয়ে, আমিও সেটার দিকে তাকিয়ে….

৫.
টিভিতে আশিকি-২ দেখতেছিলাম। আব্বু অন্য রুমে ছিলো। তাও রিস্ক নিতে চাই নাই। রিমোট রাখছি হাতের কাছে। আব্বু আসলেই গলফ খেলা ছাইড়া দিমু। অন্তরঙ্গ মুহূর্ত শুরু হইলো। আমিও গভীর মনোযোগ দিয়ে হা কইরা গিলতেসি। কখন যে পিচ্ছি মামাতো বোন পাশে আইসা বসলো খেয়াল করি নাই। যখন খেয়াল হইল ভাবলাম, ও পিচ্ছি,কিছু বুঝবেনা। ওর সামনে দেখাই যায়!

কিন্তূ বিপদ তো আর কলিং বেল বাজাইয়া আসে না! হঠাৎ দেখি দরজায় আব্বু খাড়াইয়া আছে! ঝট পট রিমোট নিলাম হাতে। শুরু হইলো গলফ খেলা…
আব্বু এসে বসলো। আমিও মহা আনন্দে গলফ দেখতেছি, যেন এর চেয়ে ইন্টারেস্টিং খেলা আর নাই! কিন্তূ পিচ্ছিটা গণ্ডগোল বাঁধাইল! ও চিৎকার দিয়ে কইল,”এইটা দেখবো না। আন্টি টা যে আঙ্কেল টাকে আদর করতেছিল ঐটা দাও!” আব্বুর সামনে মান ইজ্জত দফা রফা! আব্বু কেমন কেমন ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন! আমি পিচ্ছির
দিকে তাকাইলাম। সে ও কেমন কেমন ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে! আমি রিমোট আব্বুর হাতে দিয়ে বারান্দায় আসলাম। চাঁদের
দিকে তাকাইলাম। খেয়াল করলাম চাঁদ টাও কেমন কেমন ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে!

৬.
: ঐ খালি, মার্কেট যাবেন?
: না, যামু না।
: স্পেন যাবেন?
: এইডা কোথায়?
: আন্দরকিল্লার ডাইনে ঘুইরা নেদার ল্যান্ডের লগে।
: নেদার ল্যান্ড আবার কোন জায়গা?
: হাজারি গল্লি পার হইয়া আর্জেন্টিনার উত্তরে!

এইবার রিকশা ওয়ালা ভাই গরম হইয়া গেলেন। কারণ তিনি আর্জেন্টিনা চিনেন এবং বোধয় তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক! বাঙ্গালী জাতি বড়ই রসিক! আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল কে ভালা করেই চিনে! ফিফা বিশ্বকাপে তো বাংলাদেশ মানে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল! বাকিরা রোহিঙ্গা! বিশ্বকাপে বিশ্ব কাঁপে!!!
বেঁচে থাকুক আর্জেন্টিনা ব্রাজিল, মেসি রোনালদো… সেই সাথে বেঁচে থাকুক আমাদের সাকিব, তামিম, আশরাফুল রা….. এর চাইতে বড় চাওয়া আর আছে?….. আছে?

৭.
বাংলাদেশ ষড় ঋতুর দেশ। এইদেশের ছয় ঋতু হইলো,
১) গ্রীষ্ম কাল,
২) হালকা গ্রীষ্ম কাল,
৩) মারাত্মক গ্রীষ্ম কাল,
৪) জটিল গ্রীষ্ম কাল,
৫) সেইরম গ্রীষ্ম কাল।
৬) মোটামুটি গ্রীষ্ম কাল
এত্তো গুলা গরম… উফ,..

৮.
আমি আমার হৃদয় কে জিজ্ঞেস করলাম “আমার রাতে ঘুম হয় না কেন? কেন? কেন?”
আমার হৃদয় আমারে একটা থাপ্পড় দিয়ে কইল,”এতো ভাব লস কেন? তুই বিকেলে ঘুমাস তাই তোর ঘুম হয় না… এখন মনোযোগ দিয়া করলা খা।”

আমার হৃদয় আমারে বুঝে না, তুমি কি বুঝবা?

U hear me? Ans me!! 😐

৯.
ফাহিম জালাল আর ইফরাদ একদিন বনে গেল। হঠাৎ দেখল সামনে একটা ভাল্লুক! ইফরাদ কইল,”জৈল্যা, চোখ বন্ধ কইরা খিচাইয়া দৌড় মার!”

জালাল কইল,”দোস্ত, চল লাশের মত পৈড়া থাকি!” ইফরাদ কইল,”ফাইত্তাম না। বাইসেন্সের লাইসেন্স নাই। মুই গাছত উডিয়ের!”

ইফরাদ কোন রকমে গাছে উঠল। ফাহিম উপায় না পাইয়া চোখ বন্ধ কইরা মাটিতে শুয়ে পড়ল। ভাল্লুক টা কাছে আইসা ফাহিমের গালে থাপ্পড় বসাই দিলো। আর কইল,”হালা, আমি ভাল্লুক না! আমি অনন্ত জলিল!!!”

১০.
বাসে কইরা যাচ্ছিলাম। আমার পাশে এক লোক বইসা আছে। আমি আমার এক ফ্রেন্ড কে মেসেজ পাঠাচ্ছিলাম। হঠাৎ খেয়াল করলাম, আমার পাশের লোকটা আমার মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকাই দেখতেছে আমি কি লিখতিছি। ব্যাপার টা সিউর হইতে আমি মোবাইল কে আস্তে আস্তে বাঁকাইতে লাগলাম। দেখলাম ঐ লোক টাও উঁকি দিয়ে দেখতেছে। আমি মুখে বিরক্তি ভাব কইরা তার দিকে তাকাইলাম। সে তারপর এমন ভাব করলো যে সে দোলনায় বইসা আছে আর ক্যাটরিনা তার পিঠ চুলকাই দিতেছে!

ঐ বেটা এখনো আমারে চিনে নাই, আমি কি জিনিস। আমি আবারো আগের মত মেসেজ লিখতে লাগলাম। এইবার খেয়াল করলাম আবার একই অবস্থা। আমি আস্তে করে মোবাইল বাঁকিয়ে দিলাম যাতে ও না দেখে। কিন্তু নাছোড়বান্দা পড়বেই যে আমি লিখছি। তারপর আমি মোবাইল টা হঠাৎ তার দিকে ঘুরাই দিলাম। সেইখানে স্পষ্ট লিখা আছে, “দোস্ত, আমারে বাঁচা! এক gay আমারে follow করতেছে!”

৩০ thoughts on “ফেসবুকীয় নস্টালজিক নীল দুনিয়া (ফ্লাশব্যাক)

  1. হা হা হা… চরম সব লেখা।
    হা হা হা… চরম সব লেখা। সত্যিই চমৎকার আপনার রসবোধ। তারিফ না করে পারা যায় না। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:
    আগস্ট মাসের পুরস্কারে মডারেশন প্যানেল ভুল মেধাকে নির্বাচিত করে নাই দেখতে পাচ্ছি। জয়তু ইস্টিশন। :ভালাপাইছি:

    1. আপনার মন্তব্যে প্রেরনা পেলাম
      আপনার মন্তব্যে প্রেরনা পেলাম নতুন কিছু করার। অনুজদের নিঃস্বার্থে উৎসাহ দেয়ার জন্য আপনাকে ইলেকট্রনীয় ধন্যবাদ আতিক ভাই।

    2. আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আতিক
      আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আতিক ভাই। অনুজদের আপনি যেভাবে নিঃস্বার্থে উৎসাহ দেন সেটা সত্যিই খুব ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ইলেকট্রনীয় স্যালুট আপনাকে!

    3. আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আতিক
      আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আতিক ভাই। অনুজদের আপনি যেভাবে নিঃস্বার্থে উৎসাহ দেন সেটা সত্যিই খুব ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ইলেকট্রনীয় স্যালুট আপনাকে!

  2. বাংলাদেশ ষড় ঋতুর দেশ। এইদেশের

    বাংলাদেশ ষড় ঋতুর দেশ। এইদেশের ছয় ঋতু হইলো,
    ১) গ্রীষ্ম কাল,
    ২) হালকা গ্রীষ্ম কাল,
    ৩) মারাত্মক গ্রীষ্ম কাল,
    ৪) জটিল গ্রীষ্ম কাল,
    ৫) সেইরম গ্রীষ্ম কাল।
    ৬) মোটামুটি গ্রীষ্ম কাল
    এত্তো গুলা গরম… উফ,..

    :ভেংচি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :মাথানষ্ট: 😀 :বুখেআয়বাবুল:

    1. রাআদ ভাই থুক্কু, ডন ভাই,
      রাআদ ভাই থুক্কু, ডন ভাই, ইলেকট্রনীয় ভালোবাসা নিবেন। এই সপ্তাহের মাঝে ইলেকট্রনের নিয়মিত প্রাণের যাত্রীদের চন্দ্রাভিযানের কাহিনী নিয়ে একটা গল্প লিখতেছি। অগ্রিম আমন্ত্রন রইলো।

      1. কমেন্টটার অর্থ বুঝতে ব্রেন
        কমেন্টটার অর্থ বুঝতে ব্রেন ক্রাশ খাইল… :খাইছে: :খাইছে: :ভাবতেছি: :কনফিউজড: :কনফিউজড: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

        1. স্যরি ভাই। টাইপিং মিস্টেক।
          স্যরি ভাই। টাইপিং মিস্টেক। ইস্টিশনের যায়গাতে ইলেকট্রন লিখে দিছি!! মানে, ইস্টিশনের নিয়মিত যাত্রীদের নিয়ে একটা গল্প লিখবো। গল্পের মূল কথা আমরা সবাই মিলে চাঁদে গেছি সায়েদীকে ধইরা আনতে। এইটা নিয়াই গল্প!

          1. ওরে শোন শোন। আমার বহুদিনের শখ
            ওরে শোন শোন। আমার বহুদিনের শখ ছিল চান্দে যাওয়া। এই বার বুঝি আশা পুরণ হইব। :পার্টি: :পার্টি: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

  3. সেইরম এক্কেরে আন্তর্জাতিক
    সেইরম এক্কেরে আন্তর্জাতিক মানের মজাদার লেখা ছিল সবগুলো,তাই প্রিয়তে নিলাম :হাহাপগে:

    ইলেক্ট্রন ভাইয়ের ছয় নাম্বার খন্ড চিত্রের ডায়ালগটা এখন থেকে রিকশাওয়ালাদের সাথে ব্যবহার করবো ভাবতেছি :হাহাপগে:

  4. ভাইজান চান্দে যাইতে
    ভাইজান চান্দে যাইতে মুঞ্চায়!!কবে লইয়া যাইবেন??!!অপেক্ষায় আছি।
    সাইদীরে চাঁদ থিকা পাকড়াও কইরা আনার সুময় কিন্তু ঐ হালার পাঞ্জাবীর উপর দিয়া লাল জাইঙ্গা পরাইয়া আনন লাগত!!তাইলে সবাই বুইজত যে হালায় কীয়ের লাইগা চান্দে গেছিলো?!!সুপারম্যান হবার চেষ্টা চরিত্রে যে কোনো ঘাটতি করে নাই তাও সবাই বুইজতো!!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *