শোণিতাসিত

বেসিনের সামনে দাড়িয়ে আছি গত ষোল মিনিট ধরে। কেন দাড়িয়ে আছি জানি। আমি দাড়িয়ে আছি কারণ, আমি বেসিনে কী করতে এসেছিলাম ভুলে গেছি। মনে করার সহজ একটা পদ্ধতি আছে। এখন যদি আমি কাজের কথা ভুলে আবার বেডরুমের দিকে রওনা দিই, তাহলেই আমার কাজের কথা মনে পড়বে। রওনা দিচ্ছি না। মস্তিষ্কটাকে একটু শায়েস্তা করছি। শাস্তিটা হচ্ছে, তার অসাধ্য একটা কাজ তার ওপর চাপিয়ে দিয়েছি। কাজটা মনে করার কাজ। আমি খুব ভাল করেই জানি, কাজ ফেলে চলে না গেলে আমার মস্তিষ্ক কখনই সেই কাজের কথা মনে করতে পারবে না। তবুও মনে করতে চাচ্ছি। তাকে শাস্তি দিতে। অবশ্য শাস্তি কেন দিতে চাচ্ছি, তার কারণটা আমার কাছেও অজ্ঞাত।


বেসিনের সামনে দাড়িয়ে আছি গত ষোল মিনিট ধরে। কেন দাড়িয়ে আছি জানি। আমি দাড়িয়ে আছি কারণ, আমি বেসিনে কী করতে এসেছিলাম ভুলে গেছি। মনে করার সহজ একটা পদ্ধতি আছে। এখন যদি আমি কাজের কথা ভুলে আবার বেডরুমের দিকে রওনা দিই, তাহলেই আমার কাজের কথা মনে পড়বে। রওনা দিচ্ছি না। মস্তিষ্কটাকে একটু শায়েস্তা করছি। শাস্তিটা হচ্ছে, তার অসাধ্য একটা কাজ তার ওপর চাপিয়ে দিয়েছি। কাজটা মনে করার কাজ। আমি খুব ভাল করেই জানি, কাজ ফেলে চলে না গেলে আমার মস্তিষ্ক কখনই সেই কাজের কথা মনে করতে পারবে না। তবুও মনে করতে চাচ্ছি। তাকে শাস্তি দিতে। অবশ্য শাস্তি কেন দিতে চাচ্ছি, তার কারণটা আমার কাছেও অজ্ঞাত।

আরও ষোল মিনিট তাকে শাস্তি দেয়ার পর বেডরুমের দিকে পা বাড়ালাম। দু’পা এগোতেই মনে পড়ল। আমি বেসিনের কাছে এসেছিলাম দাঁত ব্রাশ করতে। ঘড়িতে পাঁচের কাছে থাকা ঘণ্টার কাঁটা এবং ছয়ের থেকে সামান্য এগিয়ে থাকা মিনিটের কাঁটাও তথ্যটাকে সমর্থন করল। সুতরাং, এই তথ্যটার ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে, আমি আবার বেসিনের দিকে পা বাড়ালাম।

বেসিনের সামনে এসে নতুন বিপত্তি বাধল। টুথব্রাশের পাশে টুথপেস্টটা রাখা নেই। কোথায় থাকতে পারে? ঘরে কি কেউ এসেছিল? না এলে আমার কোন জিনিস আমার হাতে উল্টোপাল্টা কোথাও রাখা প্রায় অসম্ভবের সম পর্যায়ে। একটু পরে পেছন থেকে এরিস ডেকে উঠল। পেছন ফিরে দেখতে পেলাম টুথপেস্টটা এরিসের মুখে। টুথপেস্ট মুখে নিয়ে সে কীভাবে ডাকল সেটাও একটা বিস্ময়।

‘দিয়ে যা’ নিঃস্পৃহ গলায় বললাম। তার এই কাজে আমার মাঝে কোন ন্যূনতম প্রতিক্রিয়া দেখতে পেলেই সে এ কাজ প্রতিদিন করবে। সেটা হতে দেয়া যাবে না। এরিস পায়ের কাছে এসে টুথপেস্টটা রেখেই ডাকল, ‘মিউউউউ।’ প্রায় সাথে সাথেই আবার সেটা মুখে নিয়ে নিলো। ক্ষিপ্রতায় মুগ্ধ হলাম। টুথপেস্টটা নিয়ে দীর্ঘ ষোল মিনিট যাবত আমি আর এরিস ভাল করে ব্রাশ করলাম। দাঁতের ফাঁকে লেগে থাক মাংসগুলো ভালোমতো পরিষ্কার করে নিলাম। নইলে পরে পচে গিয়ে যন্ত্রণা করবে। সুস্থ ও সুন্দর দাঁতের জন্য প্রতিদিন সকালে টুথপেস্ট দিয়ে ওপর নিচে ব্রাশ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

ব্রাশ করা শেষ করে ফেসবুকে বসলাম। একটা স্ট্যাটাস দেয়ার চেষ্টা করলাম। মাথায় কিছু এলো না। সাত পাঁচ ভেবে দিয়ে দিলাম was listening to Artcell.‘শহীদ সরণী’টা বাজালাম ফুল ভলিউমে।

রান্নাঘরে খানিকক্ষণ সবকিছু উল্টেপাল্টে দেখলাম। কিছুই নেই। ফ্রিজের কাছে গেলাম। এক সপ্তাহ টানা একই স্বাদের মাংস খেয়ে কাটিয়েছি। এবারেরটা বিতিকিচ্ছিরি ছিল খেতে। তবুও তো খাওয়ার মত কিছু ছিল। এখন তাও নেই। স্রেফ ফ্রিজের দেয়ালে এখানে সেখানে খানিকটা লালচে খয়েরী দাগ। এক সপ্তাহে শুকিয়ে যাবার কথা ছিল। ফ্রিজের আর্দ্র আবহাওয়ায় শুকোয় নি।

এরিস পেছন থেকে বলল, ‘মিউ।’
বললাম, ‘খাওয়ার তো কিছুই নেই রে। কী হবে এখন?’
এরিস কোন উত্তর দিল না। পায়ের সাথে খানিকটা ঘষাঘষি করল।

গলা উঁচিয়ে বললাম, ‘ছায়া, ঘরে খাবার কিছু নেই?’
পুরো ঘর সুনসান নিস্তব্ধতায় উত্তর দিল, ‘ঘরে কেউ নেই’।

খানিকটা অস্বস্তিকর লাগল। টানা তিনমাস উঁচু গলায় কিছু বললেই, একটা আর্ত চিৎকার শুনেছি। তাতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। মানুষ অভ্যাসের দাস। আমিও চিৎকারে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। সুতরাং, এক সপ্তাহ হয়ে যাবার পরেও, ছায়ার আর্ত চিৎকার শুনতে না পারাটা এখনও খানিকটা অস্বস্তির জোগান দেয়।

অস্বস্তিটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুভূতি হচ্ছে ক্ষুধার অনুভূতি। সেটা চাঙ্গা হয়ে উঠলে, বাকি সব তার কাছে মিয়ম্রান হয়ে পড়ে। এরিসকে বললাম, ‘এরিস, খুব ক্ষুধা লেগেছে তো রে।’
এরিস কিছু বলল না। খানিকটা ভয়ার্ত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকল।
আবার বললাম, ‘একটু কষ্ট করতে পারবি?’
এরিস ভয়ার্তভাবে মাথা নাড়ল। অনুগত ভৃত্যের মত। সে কখনও আমার অবাধ্য হয় না।

=================================================

খাওয়া তৈরি করতে করতে দুপুর হয়ে গেল। এই কাটাকুটির ঝামেলা আর ভাল লাগে না। একটা শেফ রাখতে পারলে ভাল হত। সমস্যা হচ্ছে, অন্য কারও হাতের খাবার আমি খেতে পারি না। নিজের তৈরিটা খেতে খেতে অভ্যাস হয়ে গেছে। ছায়ার হাতের রান্নাও অসাধারণ ছিল। অন্তত আমার আগের ছয় স্ত্রীর থেকে তো ভাল ছিল বটেই। কিন্তু, তার হাতের খাবারও আমি খেতে পারতাম না।

হাতটা ধুয়ে খেতে বসলে ভাল হত। কিন্তু, ক্ষুধা এত সব নিয়ম মানে না। সেই সকাল থেকে না খেয়ে আছি। রাতেই খেয়াল করা উচিত ছিল, খাবার শেষ। বোকার মত কাজ করেছি। খাবার শেষ হয়ে যাওয়াটা বোকার মত কাজ না। বোকার মত কাজ হচ্ছে valium না খেয়ে ঘুমানো। যেহেতু কাল রাতে ছায়ার শেষ অস্তিত্বটুকুও শেষ হয়ে গেছে, তাই আমার আগের ছয় স্ত্রীর মত কাল রাতে ছায়ারও আমার সাথে দেখা করার কথা ছিল। দেখা করে নি কেন, কে জানে?

হঠাৎ মাথায় একটা চিন্তা এলো। আচ্ছা এমন কি হতে পারে, আগে প্রতিবার আমি খেয়াল করেছি আমার স্ত্রীদের শেষ স্মৃতিটুকুও আমি নিঃশেষ করে ফেলেছি, সেদিন রাতেই আমি তাদের দেখেছি। কাল রাতে খেয়াল করিনি, ছায়া নিঃশেষিত। তাই সে আসেও নি। অন্যভাবে বলা যায়, তাকে দেখিও নি। জানি না, সত্যি কী? পৃথিবীতে সত্যির চেয়ে ধোঁয়াশা আর কিছু নেই।

মাংস মুখে দিলাম। ওয়াক থু! এরিস খেতে এত বিস্বাদ হবে কে জানত? পাশে গ্লাসে রক্তটুকু রাখা আছে। ওটা টেস্ট করে দেখা যেতে পারে। টাটকা রক্তে একটা চুমুক দিলাম। এটা খারাপ না। কিন্তু, মাংসটা এত বিচ্ছিরি কেন, কে জানে?

অবশ্য ছায়াও খুব বেশি সুস্বাদু ছিল না। এক সপ্তাহ দাঁতে দাঁত চেপে ওর মাংস খেয়েছি। এত সুন্দরী একটা মেয়ে খেতে এতটা বিতিকিচ্ছিরি হবে, কেউ কল্পনাও করতে পারে না। অবশ্য ও অনেক ভীতু ছিল। মারা যাবার আগে তিন মাস প্রায় কিছুই খায়নি। শ্বেতার বুকের খানিকটা মাংস সেধেছিলাম একবার। হড়বড়িয়ে বমি করে দিল। কোন মানে হয়?

অবশ্য তিন মাস আগেই যে নিজের মৃত্যুর তারিখ জেনে যায়, তার পক্ষে খুব বেশি ভাল থাকাটাও সম্ভব না। ছায়ার দুর্ভাগ্য ছায়া, সেটা জেনে গিয়েছিল। তারপর থেকে ও প্রতিটি সেকেন্ড গুনত। নিজের মৃত্যুর প্রহর গোনায় আমি বোধ হয় খানিকটা রোমাঞ্চিতই হতাম। ছায়া কেন যেন সেটা হতে পারত না। আমিও ওকে ভয় পাইয়ে দিয়ে আনন্দ পেতাম। প্রতিদিন খাবার আগে একবার করে বলতাম, ‘ছায়া, ঘরে খাবার কিছু নেই?’ আর সাথে সাথে ছায়া এমনভাবে চিৎকার করে উঠত, যেন ওর পিঠে কেউ গরম লোহার শিক দিয়ে ছ্যাঁকা দিয়েছে। মারাত্মক আনন্দ পেতাম আমি সেই চিৎকারে।

অথচ মজার ব্যাপার হচ্ছে, ওর মৃত্যু দিনটাতে ও চিৎকার তো দুরের কথা, টু শব্দটাও করে নি। রুমটা তখন বরাবরের মতই অন্ধকার ছিল। শুধু উত্তর-পশ্চিম কোণের ঘুলঘুলিটা দিয়ে খানিকটা আলো এসে রাজত্ব করার ব্যর্থ চেষ্টা করছিল। পারছিল তো না ই, বরং অন্ধকারটাকেই আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিচ্ছিল। আমি চকচকে, ধারাল ছুরিটা দিয়ে ধীরে ছায়ার গলাটা এফোঁড় ওফোঁড় করে দিলাম। রক্তটা একটা ব্যাগে ভরে রাখলাম। বেশ শুকিয়ে গেছে দেহটা। খাবার সময় বারবার তৃষ্ণা হবে। তবে মাংসটা এতটা বিতিকিচ্ছিরি হবে, কল্পনাও করি নি।

অবশ্য এরিসের মাংস এর চেয়েও বেশি বিচ্ছিরি। মুখেই দেয়া যায় না এমন। ক্ষুধায় নাড়িভুঁড়ি হজম হওয়া শুরু না করলে, এই মাংস আমি মুখে তুলতাম না মরে গেলেও।

কোনরকমে খাওয়াটা শেষ করে, বিছানায় এলিয়ে পড়লাম একটা দিবানিদ্রার জন্য। সেই দিবানিদ্রাই দীর্ঘ হতে দীর্ঘতর হয়ে ভাঙ্গল ঠিক রাত বারো’টায়। চোখ খুলেই আমি প্রথমে যে দৃশ্যটা দেখলাম তা হচ্ছে, ছায়া আমার সামনে দাড়িয়ে আছে। তার পরনের কামিজটা ময়লা, শতচ্ছিন্ন। এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে যাওয়া গলা থেকে এখনও চুইয়ে চুইয়ে রক্ত ঝরছে।

চোখ বন্ধ করে ফেললাম। আমি নিজেকে বোঝাতে শুরু করলাম, এসবই আমার মনে কল্পনা। এর আগে রাইসা, নূপুর, তানিয়া, অনামিকা, আনিতা, শ্বেতাও এসেছিল। কিচ্ছু হয় নি। আমি এখন চোখ খুলব। এবং দেখব কেউ নেই।

চোখ খুললাম। ছায়া যায় নি। সেভাবেই দাড়িয়ে আছে। না, সেভাবে দাড়িয়ে নেই। এগিয়ে আসছে। ঘুলঘুলি দিয়ে আসা আলোতে ওর মুখ ক্রমশ স্পষ্টতর হচ্ছে। দেয়ালে ছায়ার দীর্ঘ একটা ছায়া পড়েছে। ছায়া এসে আমার পাশে দাঁড়াল। বলল, ‘ঘরে খাবার কিছু নেই?’ গলায় বিদ্রুপটা স্পষ্ট।
কোন উত্তর দিলাম না। কিন্তু, ওর মত অমানুষিক চিৎকারও করলাম না। নিজেকেই নিজে বারবার বললাম, “সব মিথ্যে। সব মিথ্যে”।

হঠাৎ খেয়াল করলাম, ছায়ার ডান হাতটা পেছনে রাখা। খেয়াল করার কারণ, সে হাতটা সামনে এগিয়ে আনছে। আমার দৃষ্টি রেখা তার হাতে পৌছতেই চকচকে, ধারাল ছুরিটা দেখতে পেলাম। ছায়া বা’হাত দিয়ে একবার আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। তার পরক্ষণেই বুঝতে পারলাম, আমার গলা দিয়ে গলগল করে রক্ত পড়তে শুরু করেছে। একটা আর্ত চিৎকার দেয়ার চেষ্টা করলাম। পারলাম না। ঘুলঘুলি দিয়ে আসা আলোগুলো চোখের সামনে থেকে হঠাৎই কোথায় মিলিয়ে গেল।

আমাকে খেতে ছায়ার কেমন লাগবে কে জানে?

২৬ thoughts on “শোণিতাসিত

  1. ভাই আমি ডরাইসি… রাতে এখন
    ভাই আমি ডরাইসি… রাতে এখন ঘুমাব কীভাবে????? :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে:

    এই গল্প দিয়ে একটি উপন্যাস বা মুভি বানাতে পারলে দারুণ হতো।
    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. উপন্যাস বোধ না করা যাবে।
      উপন্যাস বোধ না করা যাবে। কারণ, খেয়াল করে দেখেন, আজাইরা প্যাচাল বেশি পাড়ছি। মূল কাহিনী কিন্তু, খুব বেশি নেই। তবে আগের ছয় স্ত্রীর কাহিনী আনলে করা যায় 🙂

      1. হুম, একেকটার একেক কাহিনী অথবা
        হুম, একেকটার একেক কাহিনী অথবা কেন সে এমন করে।।
        একটা মুভি দেখেছিলাম। কিছুটা এমন কাহিনী নিয়ে।

  2. শুরুর দিকে স্টাইলটা হুমায়ূন
    শুরুর দিকে স্টাইলটা হুমায়ূন আহমেদের মতো হয়ে গেছে, অবশ্য অতি দ্রুতই নিজের স্টাইলে ফেরত গিয়েছেন। গল্পের প্লট মজবুত না হলেও আপনার লেখনীর জোরে সেই দুর্বলতা কেটে গেছে। তবে ছায়ার প্রত্যাবর্তনটা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। কোন লজিক কাজ করল না। :চিন্তায়আছি:

    1. আতিক ভাই, গল্পটাতে লজিক পাবেন
      আতিক ভাই, গল্পটাতে লজিক পাবেন কেমনে? সাইকো মানুষ কি লজিক নিয়ে কাজ করে? সাইকো থ্রিলার তো অবাস্তবই হবে।

    2. কাহিনী হচ্ছে, তিন দিন আগে
      কাহিনী হচ্ছে, তিন দিন আগে ব্রাশ করতে গিয়েছি। তো টুথপেস্ট খুঁজে পাচ্ছি না। নিজের রুমে ফিরতে ফিরতে গল্পের প্লট মাথায় চলে এল 😀

      প্রত্যাবর্তনটা অতিপ্রাকৃত কিছু হিসেবে ধরে নিতে পারেন।

      1. আপনার গার্লফ্রেন্ডরে এই গল্প
        আপনার গার্লফ্রেন্ডরে এই গল্প পড়ায়েন না। :হাহাপগে:
        নিয়মিত পোস্ট না দিলে আমিও আমার টুথপেস্ট হারাইলামু কইলাম। :শয়তান:

  3. ক্লান্ত কালবৈশাখি স্বরূপে
    ক্লান্ত কালবৈশাখি স্বরূপে ফিরেছে…
    আমার ভাই জটিল লেগেছে!! টোটাল ব্রেক… মাথাটা খামছি দিয়া একটা ঝাঁকুনি দিলেন যেন!! :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:
    এইবার গল্প পড়তে নিয়মিত আশা হবে!!
    গল্পরাজ ক্লান্ত কালবৈশাখি ফিরেছে… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    1. ব্লগে বোধ হয় অতি সম্প্রতি আর
      ব্লগে বোধ হয় অতি সম্প্রতি আর নিয়মিত হওয়া হয়ে উঠবে না। তবে, পোস্ট মোটামুটি নিয়মিতই হবে ইনশাল্লাহ… 🙂

  4. ছোট্ট প্লাটফর্মকে টেনে টুনে
    ছোট্ট প্লাটফর্মকে টেনে টুনে নিজের অপচেষ্টায় চমৎকার রুপ দিয়েছেন । ভাল্লাগছে ভাই ।
    বাই দা ওয়ে ওয়েল্কাম ব্যাক টু ইষ্টিশন । 😀

      1. আপনার লেখার স্টাইল আমার দারুণ
        আপনার লেখার স্টাইল আমার দারুণ লাগে। কেন জানি এই গল্পটা সেইরাম লাগে নাই :চিন্তায়আছি:

        1. আসলে এইটা পুরাই আজাইরা একটা
          আসলে এইটা পুরাই আজাইরা একটা লেখা। করার কিছু পাচ্ছিলাম না। তাই বসে বসে লিখে ফেলেছি।

  5. ভালো লাগলো।কিন্তু ছায়ার
    ভালো লাগলো।কিন্তু ছায়ার প্রত্যার্বতন এবং খুন করা এই অতিপ্রাকৃত অংশটুকু একটু গোলমেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *