বাক স্বাধীনতা কি হারাতে যাচ্ছে ইস্টিশনের যাত্রীরা

কিছুদিন আগের আনিস ভাইয়ের পোস্টের একটা চুম্বক অংশ (প্রথম প্যারা) প্রথমে সবার জন্যঃ


কিছুদিন আগের আনিস ভাইয়ের পোস্টের একটা চুম্বক অংশ (প্রথম প্যারা) প্রথমে সবার জন্যঃ

গত ২১ আগস্ট গেজেট প্রকাশ করে সরকার চূড়ান্ত করল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন বা আইসিটি অ্যাক্ট। অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৬ এর বিদ্যমান আইনটিকে সংশোধন করে নতুন এই আইন করা হলো। নতুন আইনের নাম হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০১৩; নতুন এই আইনে এমন কিছু ধারা যোগ হয়েছে যা বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করবে। মতপ্রকাশকেই বেআইনি সাব্যস্ত করার সব সুযোগ রাখা হয়েছে এতে। এটা পরিষ্কার একটা কালো আইন। তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুর পাশাপাশি মূলত এই আইনের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ হবে ব্লগ, ফেসবুক তথা ইন্টারনেটের সব ধরনের লেখালেখি। এমনকি যেসব পত্রিকা ওয়েবসাইটে দেখা যায়, যেসব টিভি তাদের খবর ওয়েবসাইটে শেয়ার করে তারাও এই আইনের আওতায় চলে আসবে।

আর ঐ লিখাটির কাল আইন শিরোনামের প্যারাটি এইরকম-
কালো আইন!
নতুন এই আইনে এমন কিছু সংশোধনী যোগ হয়েছে যে কারণে বিশেষজ্ঞরা একে কালো আইন হিসেবে অভিহিত করছেন। তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ নামক মূল আইনটি এবারের মতোই বিগত চারদলীয় জোট সরকারের ঠিক শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে প্রণয়ন করা হয়। শুরুতেই যা ছিল সংবিধানে দেয়া মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। গতানুগতিক অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নাগরিক স্বার্থবিরোধী আইনটি কারো মতামত ছাড়াই চূড়ান্ত করেছিল বিএনপি সরকার। সেই হিসেবে বর্তমান সরকারের উচিত ছিল এই আইনটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির পথেই হেঁটেছে। আগের কালো বিধানগুলোর সঙ্গে যোগ করেছে নতুন কিছু!

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত ৮ অক্টোবর, ২০০৬-


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ ( ২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন ) [৮ অক্টোবর ২০০৬]
অষ্টম অধ্যায়ঃ অপরাধ, তদন্ত, বিচার, দন্ড ইত্যাদি

অনুচ্ছেদ ৫৭: ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড
(১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বত্সর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
তৃতীয় ভাগঃ মৌলিক অধিকার

অনুচ্ছেদ ৩৮: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধের সাপেক্ষে-
-(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
-(খ) সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতার
নিশ্চয়তা দান করা হইল।

এইবার ইস্টিশন বিধি-৬
‘ইস্টিশন’-এ যাত্রী হিসাবে একে অপরের প্রতি দলবদ্ধ আক্রমণ, অশিষ্টাচার মন্তব্য প্রভৃতি থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন যাত্রী আক্রান্তবোধ করলে তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইস্টিশন মাষ্টার বা ইস্টিশন মাষ্টারের মনোনীত মডারেটর সেই আক্রমণাত্মক পোস্ট, মন্তব্য বা উপাদান সরিয়ে দিতে পারেন। উপরন্ত প্রথম সতর্ক সংকেত হিসাবে সাতদিন, দ্বিতীয়বার একমাস তৃতীয়বার অনির্দ্দিষ্ট কালের জন্য সংশ্লিষ্ট যাত্রীর টিকেটটি মডারেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

উপরোক্ত রাষ্ট্রীয় সকল আইন এবং ইস্টিশনের বিধির মধ্যেই আমরা ইস্টিশনকে নিজের একটা মতপ্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বেচে নিয়েছি। বলতে দ্বিধা নেই সবচে বেশী স্বচ্ছন্দবোধ করি আমরা যাত্রীরা যারা নিয়মিত এইখানে লিখি। সহজ হিসেব দেশটা যদি আমরা আমাদের নিজের মনে করি তাহলেই কেবল দেশটির নির্বাচিত সরকারের রাষ্ট্রবিরোধী বা দেশের স্বার্থবিরোধী অথবা জনগণের কল্যাণের জন্য অমঙ্গলজনক কোন কাজ মনে করলে আমরা সবাই (নাগরিকেরা…) তার প্রতীবাদ করতে পারি। আর জনগণ রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কোন কাজে যুক্ত থাকলে তার বিরদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা নিতে পারে রাষ্ট্র। ঠিক একইভাবে আইন/বিধি অনুযায়ী ইস্টিশন কর্তৃপক্ষ কারও আচরনে ব্লগের ব্লগিয় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর মনেহয় এমন কিছু পেলে তাকে সাত দিনের সতর্ক সংকেত দেয়ার কথা কিন্তু কোন মন্তব্য সরিয়ে না দিয়ে সরাসরি তাকে ব্যান করা বাকস্বাধীনতা খর্ব করার মত ব্যাপার মনে হয়েছে। বিশেষ করে চন্দ্রবিন্ধুর মত অনিয়মিত (অপেক্ষাকৃত…) একজন ব্লগারের নিক থেকে যখন একজন নিয়মিত ব্লগারকে হরিদাস পাল বলা হয় বা কারও কবিতাকে অখাদ্য বলা হয় তখন আমার লিখিত অভিযোগ থাকবে নিকটির বিরদ্ধে। সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম কবিতাকে কটাক্ষ করায় তার বিরুদ্ধে ইস্টিশন মাস্টারের হস্তক্ষেপ আশা করছি, অমিতের মত ক্ষুদে লিখকের অপমান না হয় ভুলেই গেলাম। উনি ঐ তর্কের কোথাও উপস্থিত না থেকে আচানক একজনকে ব্যান করার জন্য বলেছেন এবং আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত মন্তব্যকে দলবাজি বলে অভিযুক্ত করেছেন, এমনকি আমাদের বিরুদ্ধে ইঙ্গিতপূর্ণ কটূক্তি করতেও দ্বিধাবোধ করেন নি। অমিতের কবিতাকে অখাদ্য বলাটা কতটা সমীচীন ঐ আলোচনার অমিতের বিপক্ষের প্রধান বক্তা আতিক ভাইয়ের মন্তব্য দেখে নিতে পারেন সবাই, উনি স্পষ্টত সকলের কবিতানুভুতিতে আঘাত করেছেন। কোন শিল্পমাধ্যমের প্রতি এমন নগ্ন আক্রমন আশাকরি ইস্টিশন মাস্টারও চুপ থাকবেন না।

এদিকে ব্ল্যাক বোল্ট এর মত বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী নিক থেকে একজন ক্রমাগত বিভেদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, শুধু তাই নয় শেষের দুটো পোস্ট থেকে সে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে। তার বিরুদ্ধেও আমি অভিযোগ করে গেলাম। এর আগে সত্যের তলয়ারকে ব্যান করা নিয়ে আমরা যারা একসাথে লিখেছি তারা সবাই আশাকরি এবিষয়ে একমত হবেন, মাঝে মাঝে একেই সত্যের তলোয়ারের নিক মনে হয়।

আজ ইস্টিশনের পরিবেশ অনেকটা আমাদের দেশের অবস্থার মত। এখন প্রশ্ন আমরা কি দেশের মত করেই এইখানে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সবাই ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বে ভিবক্ত থাকব নাকি ইস্টিশনের প্রানপ্রিয় স্লোগানটির মত করে প্রানে প্রান মিলাব? আমরা নিজের একান্ত মনের কথা লিখি ব্লগে কারও দলবাজি করি না তবে সময়মত ন্যায়সঙ্গত আচরণ করি, চেষ্টা করি নিজের বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে এই বাঙলাকে সাজাতে।

প্রিয় ইস্টিশন কর্তৃপক্ষ আশাকরি আমার পোস্টের বিষয়বস্তুগত মেজেস ধরতে পেরেছেন। আর অনেকের মত আমিও চাই অমিত ফিরে আসুক আর ব্ল্যাক বোল্টকে আইপি সহ ব্যান করা হোক। আমরা চাই শিক্ষিত এবং সচেতন মানুষের মিলনমেলার ইস্টিশন হোক কথা বলার বা মনের ভাব প্রকাশের একটি আদর্শ প্লাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠুক যেখানে সবাই গঠনমূলক আলোচনা করতে পারবে এবং এমনকি দেশের উন্নয়নেও নিজেদের সৃজনশীল ভাবনা তুলে ধরতে পারবে তবে রাষ্ট্র স্বার্থ এবং মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সাথে সাথে এও চাই না যেন সরকারের মত বাতিকগ্রস্ত মনোভাবে যেন কারও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়া না হয়। সবচে ভাল হয় বিতর্ক সৃষ্টিকারী পোস্টটির সকল মন্তব্য মুছে ফেলা হলে।

আমরা সব বিবেদ ভুলে আবার প্রানে প্রান মিলাতে চাই…
কেননা বিষবৃক্ষের অবস্থান নিশ্চিত করে ডালপালা কর্তন নির্বুদ্ধিতার পরিচায়ক।
মানবতার জয় হোক।

৫৭ thoughts on “বাক স্বাধীনতা কি হারাতে যাচ্ছে ইস্টিশনের যাত্রীরা

  1. প্রথম কথা আমার এই একটাই আইডি।
    প্রথম কথা আমার এই একটাই আইডি। ইস্টিশনের মডারেশন প্যানেল লগ চেক করে দেখতে পারেন। দ্বিতীয়ত, বাম আর লিগারদের মাঝে বিভেদ তৈরি করে আমার কোন লাভ নেই। বামেরা ভোট পায়ই ২০০! লীগের ২০০ ভোট বাড়লে আমার কি? পারলে কেউ আমার বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রমাণ দিক। আন্দাজে কথা বলা কি লীগের অন্ধভক্তদের জন্মগত অভ্যাস? অন্যের মত সহ্য করবার ক্ষমতা কি আপনাদের একেবারেই নেই? আরও কিছু বলতাম তবে আপনার সাথে আলোচনা মানে হচ্ছে অরন্যে রোদন। আর বামেদের সম্পর্কে কি বলব, তারা ইস্টিশনকেই বাংলাদেশ ভেবে বসেছে। আর কিছু বললাম না।

    ব্ল্যাক বোল্টের আইপিসহ সুলেমানী ব্যান চাই।

    1. ব্ল্যাক বোল্ট,
      আপনি এখনো আইপি

      ব্ল্যাক বোল্ট,
      আপনি এখনো আইপি সহ বেঁচে আছেন ? বিস্ময় আমার গেলনা আজও । বামদের কটাক্ষ করে বেশ মজা পান, তাই না ? আপনার উর্বর মগজে জীবনেও ঢুকবেনা ওই ২০০ ভোটের কি মূল্য !!! ওই ২০০ ভোট কি করতে পারে সে বিষয়ে ও আপনার কোন ধারণা নেই । বাম আদর্শকে হেয় করায় আমার তরফ থেকে আপনাকে ঘৃণা জানালাম ।

      1. রাহাত মুস্তাফিজ
        ভাইয়া, এই

        রাহাত মুস্তাফিজ

        ভাইয়া, এই বল্টুটা মহা পাজি…ওর জন্য কেবল ঘৃণা না,লাঠি দরকার… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    2. মিস্টার ব্ল্যাক বোল্ট অনেকতো
      মিস্টার ব্ল্যাক বোল্ট অনেকতো তথ্যের বরাত দেন একটু দেখুনরত ১৯৭৩ সালের পর থেকে নির্বাচিত বাম এমপি কয়জন আর জামাতি কয়জন,
      তারপর দেখেন নির্বাচিতদের মধ্যে কে কি কি কাজ করেছে দেশের জন্য?
      বুঝছেন ভাই আমরা % দেখি না আমরা মান দেখি, হুম এইটা ঠিক অনেক সময় % এরও দরকার আছে তবে কূপমণ্ডূক আর সাম্প্রদায়িক জঙ্গিদের %-এর থেকে গাবতলির গরুর হাটের গরুর % দেশের জন্য মানবতার জন্য বেশী উপকারী…
      আপনি উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদে আক্রান্ত নিরাময় যোগ্য মানসিক ব্যাধিতে অসুস্থ। আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করি, আর যতদিন না সুস্থ হচ্ছেন ততদিন আশাকরি আপনাকে ইস্টিশন মাস্টার আইসিইউ (ব্যান করে…) তে রাখবেন…
      সুস্থ হউন… শুভ কামনা রইল…
      ‘আপনি এখনো আইপি সহ বেঁচে আছেন ? বিস্ময় আমার গেলনা আজও’
      — সহমত রাহাত ভাই…

      1. কূপমণ্ডূক আর সাম্প্রদায়িক
        :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

        কূপমণ্ডূক আর সাম্প্রদায়িক জঙ্গিদের %-এর থেকে গাবতলির গরুর হাটের গরুর % দেশের জন্য মানবতার জন্য বেশী উপকারী…

        :bow: :bow: :bow:

      2. আপনি উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদে

        আপনি উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদে আক্রান্ত নিরাময় যোগ্য মানসিক ব্যাধিতে অসুস্থ। আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করি, আর যতদিন না সুস্থ হচ্ছেন ততদিন আশাকরি আপনাকে ইস্টিশন মাস্টার আইসিইউ (ব্যান করে…) তে রাখবেন…

        কইত্তে যে এডি লেদাইতে আসে, বুঝি না। এইটা আগাগোড়াই লেদা দিয়া মোড়ানো ছাগু :মানেকি: :মানেকি: … উপ্রে কাঁঠাল পাতা জড়ায়ে ভাবছে কেউ দেখে না তাকে :এখানেআয়: :এখানেআয়: … আজাইরা যত্তসব… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

  2. বিষবৃক্ষের অবস্থান নিশ্চিত

    বিষবৃক্ষের অবস্থান নিশ্চিত করে ডালপালা কর্তন নির্বুদ্ধিতার পরিচায়ক।
    মানবতার জয় হোক।

    লিংকন ভাইয়ের সাথে সর্বাত্বক সহমত পোষণ করছি।

  3. অমিতের ব্যানের ব্যাপারটি
    অমিতের ব্যানের ব্যাপারটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে , তবে অমিতকেও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ করতে হবে । ইস্টিশনের পরিবেশ ভালো রাখার দায়টা আমাদের । কেন পোস্ট স্টিকি হলো , অমুকের ভালো ভালো পোস্ট স্টিকি হয়নি কেন ইত্যাদি বিষয়ে আমরা প্রশ্ন তুলতে পারি কিন্তু তা নিয়ে মহাসমারোহে হৈ চৈ করে একের পর এক কমেন্ট করে পরিবেশ ভারি করে তুলতে পারিনা ।

    আর কারা কারা ইস্টিশনের মডারেশন প্যানেলে আছে তথা ব্লগের নিয়ন্ত্রক এইসব তথ্য’র অনুসন্ধান করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না । সিনিয়র ব্লগারদের দায়িত্ব মাথা ঠাণ্ডা রেখে দায়িত্বশীল আচরণ করা । আমার মতের সমর্থক কেউ হলেই তাকে আরও উসকে দেওয়া আমার উচিৎ না । সে যেন বাড়াবাড়ি না করে সেই দিকে নজর দেওয়া আমার কর্তব্য । এই বিষয়গুলো আমাদের সবার মাথায় রাখা উচিৎ । আমি চাই আমার দেখতে পাওয়া সমর্থক, অন্ধ সমর্থক নয় ।

    আমি নিজেও কবিতা লিখি । তাই কবিতা কিছুটা বুঝি বলে আমি দাবী করতেই পারি । অমিতের সব কবিতা অসাধারণ তা বলছি না । কিন্তু কিছু কবিতা আমার অনেক প্রিয় এই সত্য কি করে অস্বীকার করি । তাই চন্দ্রবিন্দু’র ওই কথার কোন মূল্য আমার কাছে নেই । বরং সে কবিতা আদৌ বোঝে কিনা এ নিয়ে আমার সংশয় আছে !

    পরিশেষে বলতে চাই, অমিতের ব্যানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক । এবং তাকে ফিরিয়ে আনা হোক । এ ব্যাপারে অমিতকে কি কি করতে হবে সে বিষয়ে ইস্টিশন কর্তৃপক্ষ বলুক । যারা যারা মনে করেন অমিতের ফিরে আসা তারা চান তাহলে উচিৎ হবে ইস্টিশন মাস্টারকে মেইল করা ও শিকল টানুনে দাবী জানানো । আশা করি ইস্টিশন মাস্টার সুবিবেচনার পরিচয় দেবেন ।

    1. রাহাত মুস্তাফিজ
      আপনি যথার্থই

      রাহাত মুস্তাফিজ

      আপনি যথার্থই বলেছেন…
      তবে মুখের ওপর এইভাবে দরজা বন্ধ করে দিয়ে আবার ফিরিয়ে আনতে যাওয়াটা(তাও আবার শর্তসাপেক্ষে এবং অপরাধীবেশে ফিরে আসার প্রস্তাব) আসলে কতোটুকু যুক্তিযুক্ত হবে,আমি বুঝতে পারছি না…পুরো বিষয়টাই অসম্ভব দুঃখজনক… :ভাঙামন: :ভাঙামন: :ভাঙামন:

      1. সোমেশ্বরী,
        অমিত লাবণ্য

        সোমেশ্বরী,
        অমিত লাবণ্য নিশ্চয়ই এই ব্লগে অনেক ভালো অবদান রেখেছে । তা না হলে তার ফিরে আসার প্রতীক্ষায় এতো মানুষ থাকতো না । তবে এটাও আমাদের স্বীকার করতে হবে , আনিস ভাইর ওই পোস্টে অমিত যথেষ্ট অ্যাটাকিং মুডে ছিলো । এবং এটাও সত্য মডারেশন প্যানেলের কার্যক্রম নিয়ে সে একের পর এক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে । স্টিকি কেন হলো, কেন হলোনা এইসব ব্যাপারে প্রশ্ন উত্থাপন করা যেতেই পারে কিন্তু তার মানে এই না ব্লগ কর্তৃপক্ষ’র সিদ্ধান্ত কে হেয় প্রতিপন্ন করা হবে । আর খারাপ লেগেছে এই সংকীর্ণতা দেখে যে, আনিস ভাইর সব পোস্ট কেন স্টিকি হলো , এই নিয়ে বিশাল বিশাল সব গবেষণা দেখে । এগুলো ইতিবাচক মানসিকতার পরিচয় বহন করেনা । অন্যের দোষ ত্রুটি খুঁজে বের করার আগে আমাদের উচিৎ আত্ম সমালোচনা করা । আর আমি আবারো বলছি অমিত কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিশেষ একজনের সময়োপযোগী ভূমিকা নেওয়া উচিৎ ছিলো ।

        যাহোক, ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে অমিত এবং বিশেষ একজন আশ্বস্ত করতে পারলে আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষ নমনীয় হবেন । এখন দেখার বিষয় বিশেষ ব্যক্তিত্ব কি পদেক্ষেপ নেন । এরকম বিপ্লবী পোস্ট লিখে আসলে জল ঘোলা করা ছাড়া আর কিছুই হবেনা । দরকার কার্যকর পদেক্ষেপ ।

  4. তারিক ভাই সাম্প্রতিক সময়ের
    তারিক ভাই সাম্প্রতিক সময়ের ইস্টিশন যাত্রীদের মধ্যকার সংঘটিত দাঙ্গা তুলে ধরেছেন| আপনার সাথে দাবি জানাচ্ছি দাঙ্গায় উস্কানিদাতা যাত্রীদের ঝেঁটিয়ে বিদায় দেয়া হোক| ইস্টিশনে ব্লগের পরিবেশ আবারো সহনশীল হোক|
    ফিরে আসার প্রয়াস থাকবে শীঘ্রই :ফেরেশতা:

  5. আলোচনা, পর্যালোচনা, সমালোচনার
    আলোচনা, পর্যালোচনা, সমালোচনার মাধ্যমেই বেড়িয়ে আসবে মুক্তির পথ। এই পথ যদি রুদ্ধ হয় তাহলে মুক্তি আসবে কিভাবে! বিচারক হবেন রেশনাল। তিনি বিচার করবেন রাগ, ক্রোধ, ঘৃণা, ভালবাসা, সজনপ্রিতি সব কিছুর ঊর্ধ্বে।
    আমার কষ্ট তো এই জায়াগায় তেও কেন এই জাতীয় পোস্টে লিখতে হবে বা আমরা সেটা নিয়ে কথা বলতে যাব।
    আমিত লাবণ্য এর ব্যান স্থগিত করার জন্য সন্মানিত ইস্টিশন মাস্টার কে বিনীত অনুরোধ করছি।

    জয় হোক মুক্ত চিন্তার।

  6. তারিক ভাইয়ের সাথে সহমত পোষণ
    তারিক ভাইয়ের সাথে সহমত পোষণ করছি। তবে আমার মনে হয়না যে অমিত ফিরে আসবে। তাও, আমি ইস্টিশন মাস্টারকে অনুরোধ করছি বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য।

    চন্দ্রবিন্দুর সম্পর্কে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়ে গেলাম। এই অনিয়মিত ব্লগার যখনই ব্লগে কোনো সমস্যা দেখা যায় তখনই উদয় হয়। আনিস রায়হানের পোস্টে সে কোনো আলোচনা সমালোচনার ধারে কাছেও যায়নি, কোথা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে। তারিক ভাইয়ের অনেক আগের একটি পোস্টে তার মন্তব্যগুলো যথেষ্ট সন্দেহজাগানিয়া। সেখানেও সে অমিতকে অহেতুক ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছে। আর এখানেও অযৌক্তিক ভাবে আমাদের সবাইকে দলবদ্ধ প্রতিক্রিয়াশীল বলতেছে। ও নিজে কবিতার কি বুঝে সেটা জানিনা, তবে এভাবে একজনকে আক্রমণ করার জন্য তাকেও ক্ষমা চাওয়া উচিত অমিতের কাছে।

    অমিত অবশ্যই অন্যায় করেছে ঐ পোস্টে মডারেশন প্যানেলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মাধ্যমে। কিন্তু তার শাস্তি সিনিয়র ব্লগাররা তাকে সেখানেই দিয়ে দিয়েছে। আক্রমণ পাল্টা আক্রমন করেছে দুই পক্ষ। অনেক ঋণাত্মক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে ঐ পোস্টে। এখানে দুই এক জন মাথা গরম করে হুট করে অমিতের ব্যান দাবী করে বসেন। চন্দ্রবিন্দুও কোনো কথা বার্তা ছাড়া উদ্ভট কথা বলছে। এইসবের কারণ অনুসন্ধান করতে গেলে মাথা নষ্ট হয়ে যাবে! :মাথানষ্ট:

    মডারেশন প্যানেলকে প্রশ্নের মুখে ফেলার ইচ্ছা নাই। কিন্তু, অনুরোধ করতেছি, অমিতের ব্যাপারটা পুনঃবিবেচনা করার জন্যে।

  7. সকল যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষন
    সকল যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে,
    ব্লগার অমিত লাবন্যকে ব্যান করার কারন স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করার পরও এটা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা অনভিপ্রেত। অমিত লাবণ্য আওয়ামী লীগের সমর্থক বা উনি বামদের বিরুদ্ধে বাজে মন্তব্য করেছেন এজন্য উনাকে ব্যান করা হয়নি। ইতিপূর্বে ব্লগের পোস্ট স্টিকি করা নিয়ে বিতর্কের সুস্পষ্ট জবাব ইস্টিশন মাস্টার ব্লগের মডারেশন প্যানেলের পক্ষ থেকে দিয়েছিলেন। কারো চোখ এড়িয়ে গেলে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন। এরপরও ক্রমাগত এই একই ইস্যু নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করা এবং শুধু বিতর্কই নয় ইস্টিশন ব্লগের মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্ত এবং তাঁদের বিবেচনাবোধ নিয়ে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য দিয়ে যাওয়াটা কোন পর্যায়েই বাক-স্বাধীনতার মধ্যে পড়েনা। যারা এরকম মনে করছেন যে মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রমাগত অহেতুক বিতর্ক তৈরি করাও বাক-স্বাধীনতা তাঁদের সাথে মডারেশন প্যানেল একমত নয়। প্যানেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, কিন্তু সেই ব্যাপারে প্যানেল থেকে যৌক্তিক ব্যাখ্যাদানের পরও কেউ যদি সেই একই বিষয় নিয়ে বারবার সুযোগ পেলেই অহেতুক কটাক্ষ করে বক্তব্য দেয় সেটা কোনমতেই শুভবুদ্ধির পরিচায়ক নয়। বরং সেই ব্লগারের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। মডারেশন প্যানেল থেকে আমরা বারবার উল্লেখ করেছি এই বিষয়ে বিতর্ক তৈরি না করার জন্য। ইস্টিশন কোন পোস্ট স্টিকি করার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পোস্টের মান এবং গুরুত্ব বিবেচনায় রাখে। একেবারেই নতুন ব্লগারের পোস্ট যেমন স্টিকি করা হয়েছে, তেমনিভাবে একই ব্লগার একাধিক মানসম্পন্ন পোস্ট দেওয়ায় পোস্ট স্টিকি হয়েছে। স্টিকি করার সিদ্ধান্ত মডারেশন প্যানেলের সবার মতামতের ভিত্তিতে করা হয়। এবং সেই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ইস্টিশন কোন দল বা মতের অন্ধ সমর্থক নয়। এখানে শুধুমাত্র দেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি এবং সাম্প্রদায়িক কোন শক্তির মত বা বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নিষেধ আছে। এছাড়া যে কোন দল মতের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা সমালোচনায় ইস্টিশনের কোন আপত্তি নেই।

    মডারেশন প্যানেল এই ব্যাপারে যথেষ্ট ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু সেই ধৈর্য্য ধারনকে কেউ কেউ মডারেশন প্যানলের দুর্বলতা ভেবে ইস্টিশন ব্লগের পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এই পোস্টের এই মন্তব্যের মাধ্যমে আবারও সকল যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে ব্লগে যে কোন অনুমোদিত বা বিধিমালায় বাঁধে না এমন বিষয়ে আপনারা আপনাদের সুচিন্তিত মতামত, আলোচনা, সমালোচনা চালিয়ে যাবেন। এতে মডারেশন প্যানেলের কোন আপত্তি নেই এবং আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন একেবারেই নিরুপায় না হলে মডারেশন প্যানেল এইসব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না। কিন্তু মডারেশন প্যানেলের কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে একবার দুইবার প্রশ্ন তোলা এক জিনিস, আর ক্রমাগত অহেতুক মডারেশন প্যানেল এবং তার সিদ্ধান্ত নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য দিয়ে যাওয়া আরেক জিনিস। এই দুই জিনিসের পার্থক্য বুঝতে পারার মতো অবুঝ কেউই নন বলেই আমরা মনে করি। তাই এই বিষয়ক সকল বিতর্কের অবসান হবে বলেই আমরা সকল ব্লগারকে অবহিত করছি। এরপরেও এই বিষয়ক বিতর্ক চালাতে ইচ্ছুক যে কারো বিরুদ্ধে মডারেশন প্যানেল কঠোর হতে বাধ্য হবে, তা সে যতো পুরনো যাত্রী বা মানসম্পন্ন ব্লগারই হন না কেন। এর সাথে সাথে যে সকল ব্লগার এরই মধ্যে অশালীন ভাষার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন তাদেরও সতর্ক করা হচ্ছে। ব্লগের পরিবেশ ঠিক রাখার নিমিত্তে ব্লগের মডারেশন প্যানেলকে কঠোর যাতে না হতে হয় সেই ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কাম্য।

    1. ইস্টিশন মাস্টার কে ব্ল্যাক
      ইস্টিশন মাস্টার কে ব্ল্যাক বোল্ট-কে ব্যান করার জন্য অফুরন্ত ধন্যবাদ…
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

      ‘কিন্তু মডারেশন প্যানেলের কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে একবার দুইবার প্রশ্ন তোলা এক জিনিস, আর ক্রমাগত অহেতুক মডারেশন প্যানেল এবং তার সিদ্ধান্ত নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য দিয়ে যাওয়া আরেক জিনিস। এই দুই জিনিসের পার্থক্য বুঝতে পারার মতো অবুঝ কেউই নন বলেই আমরা মনে করি।’— সহমত।।
      আশাকরি মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য আর কেউ করবে না। আমরা সবাই একজন স্বতঃস্ফূর্ত নিবেদিত প্রান ব্লগার অমিতকে তার উদ্যত আচরনের জন্য সতর্কীকরণের প্রথম ধাপ ৭ দিনের সাময়িক ব্যানের সাজা দিতে অনুরোধ করছি। যাতে করে সে নিজেকে শোধরানোর সুযোগ পাই… আশাকরি এতে আমি একা না তার ব্যানে মর্মাহত সকলেই খুশী হবে, আর তারপর কখনই কেউ এমন অহেতুক তর্কের শুরু করলে তার বিরুদ্ধে ইস্টিশন মাস্টারের কঠোরতম সাজা তার প্রাপ্য।

      প্রিয় ইস্টিশন মাস্টার,
      অনেকেই হয়তো মনে করছেন আমরা দলবাজি করছি। কিন্তু আসলে তা না আমরা সবাই একজন প্রাণচঞ্চল সহব্লগারকে এইভাবে বলির পাঁঠা হতে দেখে আমাদের নিজ নিজ বিবেকবোধ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং একান্ত নিজ দায়িত্বেই তার ফিরে আশা কামনা করছি।। আপনার সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেই আমি এই বিষয় সম্পর্কিত আমার শেষ অনুরোধ রেখে গেলাম, আবারও ধন্যবাদ…

  8. লিংকন ভাই আপনার সাথে একমত॥
    লিংকন ভাই আপনার সাথে একমত॥ একই সাথে কিছু বিষয় যোগ করলে খুশি হতাম॥ যেমন= শব্দ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে।
    অনেকে কবিতা লিখে তা সূরা নাযিল হয়েছে বলে উল্লেখ করেন॥

  9. কিসের মধ্যে কি, শিরোনামের
    কিসের মধ্যে কি, শিরোনামের সাথে লেখার মিল নাই। হুদাই। আর যেভাবে ব্যান করা শুরু হয়েছে তাতে তো প্রান খুলে কথাই বলা যাবে না। কিছু বললেই ব্যান। ফালতু একটা অবস্থা।
    একটা ব্লগ প্লাটফর্মের সহজ কিছু নিয়ম আছে, সেই নিয়মও কেউ মেনে চলতে চায় না।গালিগালাজের ব্যাপারে ইস্টিশন মাষ্টার আগেও একবার সতর্ক করে দিয়েছে। তারপরও গালিগালাজ থেমে নেই। বিশেষ করে আতিক ভাইয়ের মন্তব্য আমি হতভম্ব হয়ে গেছি। আতিক ভাই একবার সরিও বললেন না। ব্যাপারটা হতাশাজনক। আতিক ভাই বুঝিয়ে বললে হয়তো ঘটনা এতদূর গড়াতো না।
    স্টিকি পোষ্ট নিয়ে বলা হল বিতর্ক না করতে , তাও সেটা বন্ধ হল না। মাঝখান থেকে কিছু না বুঝে চেঁচামেচি করে এক অবুঝ কবি ব্যান খেয়ে গেল। অশান্তি করে কার কি লাভ সেটা বুঝলাম না।
    আর ইস্টিশন মাস্টারকে একটা কথাঃ
    গালি গালাজের ব্যাপারে মনে হয় আপনাদের সুনির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। এটা বন্ধ করতে না পারলে যতই ইস্টিশন পরিবার পরিবার বলেন না কেন, কোন লাভ নাই। এখানকার পরিবেশ বস্তির চাইতেও খারাপ হয়ে যাবে। আমার পরিবারে কেউ গালি গালাজ করে না, তাহলে ইস্টিশন পরিবারে কেউ গালি গালাজ করবে কেন? বিতর্ক আর গালিগালাজ এক না। এমনকি আমি চাইনা এখানে কেউ কেউকে বিদ্বেষপূর্ণভাবে তুই-তোকারিও করুক। আশা করি উত্তর পাবো।
    শিকল টানুন সেকশনে মন্তব্য করা উচিৎ ছিল কিনা বুঝতে পারছি না।

  10. প্রতিটা সমালচনা নিজেকে শুদ্ধ
    প্রতিটা সমালচনা নিজেকে শুদ্ধ করে নেবার সুজোগ সৃস্টি করে।তবে এও ঠিক সমালচনা ও কটাক্ষ এক নয়।তাই সমালচনাকে অগ্রাধিকারে রেখে কাউকে কটাক্ষ করা থেকে সবারই বিরত থাকা উচিৎ।

  11. ব্লগে যেই জিনিসটা আমি সবচেয়ে
    ব্লগে যেই জিনিসটা আমি সবচেয়ে অপছন্দ করি সেটা হচ্ছে কাউকে ব্যান করা। কিন্তু পরিস্থিতি যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখন অপছন্দের কাজকেও সমর্থন না করাটা অন্যায়। বারবার বলার পরও অমিত লাবণ্য বিভিন্ন মন্তব্যে খোঁচাখুঁচি করে যাচ্ছিলেন। সহব্লগারদের সম্মান দেওয়ার ব্যাপারে কখনও কার্পন্য করেছি এমনটা আমার শ্ত্রুরাও বলতে পারবেন না। এমনকি অনেক পরিচিত হলেও বয়সে ছোটদেরও আমি ব্লগে কখনও “তুমি” করেও সম্বোধন করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিনা। এনিয়ে দুরন্ত জয় গতকালও ফোনে অভিযোগ করলেন- কেন উনাকে আমি “আপনি” করে সম্বোধন করি। কিন্তু গতকাল মেজাজ এতোটাই গরম হয়ে গেছিলো যে কিছু গালিগালাজ করে ফেলেছি। এজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।
    আমার কথা স্পষ্ট, যেই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আমি কথা বলার স্বাধীনতা ভোগ করছি, সেই প্ল্যাটফর্মকে আমি কেন অযথাই বিতর্কিত করব? যেটা অমিত লাবণ্য সহ বেশ কয়েকজন বিগত কিছুদিন যাবত করে আসছিলেন। সেটা বন্ধ করার জন্য অনেকবার বলা স্বত্বেও একই ক্যাচাল চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সারাদিন অফিসে কাজ শেষে রাতে ব্লগে এসেও যদি শান্তি না পাওয়া যায় তাহলে দরকার কি এসবের? আমরা দেশ পরিবর্তনের কথা বলি, স্বপ্ন দেখি, অথচ সামান্য ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে চিন্তা করতে শিখিনি। কার পোস্ট স্টিকি হবে, কার হবেনা সেটা ব্লগের মডারেশন প্যানেলের ব্যাপার। সেটা নিয়ে নিজের মতামত দুই একবার জানান দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেটা নিয়ে ঘোঁট পাকানো কতটুকু যৌক্তিক? মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে হাসি তামাশা করার মানে কি? ব্লগের মডারেশন প্যানেলের প্রতি যার বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাবোধ নেই কি দরকার তার ব্লগিং করার? তারিক লিংকন ভাই কি ব্লগের মডারেশন প্যানেলের শত্রু? উনি নিজেই যদি বিধি না মেনে একই পোস্ট একাধিক ব্লগে পোস্ট করেন সেক্ষেত্রে মডারেশন প্যানেলের কি করার আছে? তারপরও উনি যেই পোস্টটি শুধুমাত্র এখানেই পোস্ট করেছিলেন সেটা স্টিকি হয়েছিলো। এ দিয়েই কি বুঝা যায় না উনার পোস্ট স্টিকি হওয়া না হওয়ার ক্ষেত্রে কার ভূমিকা কাজ করেছে? এই সহজ কথাটা বুঝতে এতো সমস্যা কেন হয়? এই কথাটাই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বারবার উঠানোর মানে কি? অমিত লাবণ্য যখন এই কাজটি করে যাচ্ছিলেন তখন আপনারা কেউ তো তাকে সতর্ক করেননি? এমনকি যেই তারিক লিংকন ভাইয়ের পোস্ট নিয়েই অমিত লাবণ্যের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছিলো সেই তারিক লিংকন ভাইও তো ইচ্ছে করলেই অমিত লাবণ্যকে থামাতে পারতেন। খুব জোরালো কোন ভূমিকা নিতে তো তারিক লিংকন ভাইকে দেখলাম না। পরোক্ষে উনি অমিত লাবণ্যের ওইসব কাজকেই সমর্থন দেওয়ার লক্ষ্যেই ব্লগের মডারেশন প্যানেলের ভেতরে কে আছেন না আছেন সেই নিয়ে গবেষণায় লিপ্ত হয়েছেন। এখন দোষ দিচ্ছেন আমাকে এবং ব্লগের মডারেশন প্যানেলকে। এতো প্যাঁচ আমার মধ্যে নাই। এইসব ছোট খাটো বিষয়ে মাথা ঘামানর মতো ধৈর্য্য আমার নাই। আপনারা চাইলে ব্লগে মন্তব্য করাই ছেঁড়ে দেবো। গ্রাম্য পলিটিক্স খাটানোর মতো রুচি আমার নাই। আশা করি এই বিতর্কের এখানেই অবসান হবে। অমিত লাবণ্যের শাস্তি মওকুফ হবে কি হবেনা সেটা মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্তের উপরেই ছেঁড়ে দেওয়া উত্তম। আমরা বাঙালিরা এমনই যে কঠোর না হোলে আমাদের শিক্ষা হয় না। নমনীয়তাকে আমরা ভাবি দুর্বলতা। এমন ব্লগও আছে যেখানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কিছু বললেই ব্যান করে দেওয়া হয় এবং অমিত লাবণ্য লিজেও সেখানে ব্যান খেয়ে এসেছেন। এখানে ব্লগারদের অনেক স্বাধীনতা আছে বলেই আমি মনে করি। সেই স্বাধীনতা ভোগ করা এবং সেটাকে অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব একা ব্লগ কর্তৃপক্ষের না। যে কোন সুযোগের অপব্যবহার করলে সুযোগ হাতছাড়া হবেই। তখন আর কান্নাকাটি করে লাভ কি? আমার নিজেরসহ সবার শুভ বোধের উদয় হোক। প্রাণে প্রাণ মিলুক…

    1. আতিক ভাই, আপনাকে পছন্দ করি
      আতিক ভাই, আপনাকে পছন্দ করি বলেই আপনার প্রতি দাবিটা বেশী। আশা করি আপনি আমাকে ভুল বোঝেন নি। ভুল বুঝলে সেটা একটা মনকষ্টের কারণ হইয়ে দাঁড়াবে।
      আপনি যে বললেন === অমিত লাবণ্য যখন এই কাজটি করে যাচ্ছিলেন তখন আপনারা কেউ তো তাকে সতর্ক করেননি?এখন দোষ দিচ্ছেন আমাকে এবং ব্লগের মডারেশন প্যানেলকে। === আসলে কি, আমি ওই পোস্ট প্রথমে পড়েই দেখিনি। যখন পড়তে গেলাম তখন অবশ্য পোষ্টটা খুব সাধারণ মানের মনে হয়েছে। এই লেখা কেন স্টিকি হয়েছে সেই প্রশ্ন আমার মনেও এসেছে। যাই হোক, লেখা পড়ে গেছি মন্তব্য করতে… ও মোর খোদা! সেখানে দেখি এলাহি অবস্থা।
      আমার কাছে, একটা পোষ্ট স্টিকি হলেই আর না হলেই কি—দুই ই সমান। এটা নিয়ে লোকজন যে কেন বিতর্ক করছে সেটা আমার বোধগম্য হয় না।
      লিংকন ব্যাটা কি সুন্দর অমিতকে গাছে তুলে মই সরিয়ে নিয়ে গেছে। কাজটা কি ঠিক হল?

      1. আতিক ভাই লা জওয়াব বলেছেন।
        আতিক ভাই লা জওয়াব বলেছেন। আপনার মত অভিভাবক দরকার এই ব্লগের। কমেন্ট চালিয়ে যান। কত কিছু হয়ে যাচ্ছে ব্লগে খবরও পাচ্ছি না।

      2. আপনাকে ভুল বুঝিনি রায়ান ভাই।
        আপনাকে ভুল বুঝিনি রায়ান ভাই। বরং ব্লগের প্রতি অল্পদিনেই আপনার মধ্যে যে মমতা আর আন্তরিকতা গড়ে উঠেছে তা সত্যিই মুগ্ধ করেছে। অনেক পুরনো ব্লগারও অনেক বছর ব্লগিং করেও এই জিনিস অর্জন করতে শেখে না। সেটা আপনি অল্পদিনেই আয়ত্ত্বে নিয়ে আসতে পেরেছেন। তাই আপনাকে ভুল বোঝার বা অন্যকিছু ভাববার সুযোগই আপনি দেননি। দুঃসময়ে বরং পাশে পেয়ে ভালো লেগেছে। আশা করি সবার মাঝেই এই শুভ বোধের উদয় হোক। দল বা মতের উর্ধ্বে উঠে আমরা মানুষ হয়ে উঠি, অন্যকেও মানুষ ভাবতে শিখি, শত্রু নয়। ছাগুদের হিসাব আলাদা। কিন্তু সেই আন্তরিকতা বা উদারতা কেন তৈরি হচ্ছে না আমাদের মাঝে? কেন এই দীনতা আমাদের মাঝে? কে সেই দীনতা কাটিয়ে উঠতে পারছি না আমরা? কেন প্রাণে প্রাণ মেলাতে ব্যর্থ হচ্ছি আমরা? আপনি সহ সবার কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানার অপেক্ষায় রইলাম, কাউকে শত্রু মিত্র না হিসেবে এনেই। সবাইকে আপন ভেবেই। দেবেন উত্তর?

    2. অর্থাৎ এই কমেন্টটি আমি করি

      অর্থাৎ এই কমেন্টটি আমি করি গতপরশু, ঘটনার আগের দিন!! এরপর প্রায় 15 ঘণ্টা আমি পোস্টটিতে দেখতে যায় নাই তার পরের মন্তব্য হচ্ছেঃ

      তারপরও আমি তর্কের সময় পুরাটা থাকি নি, এবং গতকাল সন্ধ্যা ৭:৩০টার পর আমি আবার ক্যাচালের সাক্ষী হয় এবং দুজনকেই বলি-

      কিন্তু এরপরও উনাদের কেউই খান্ত হন নি, আমার এমন অনুরোধের পর প্রতিমন্তব্যটি আতিক ভাই এবং অমিত দুজনেই করেছে… তাহলে রায়ান তোর ‘লিংকন ব্যাটা কি সুন্দর অমিতকে গাছে তুলে মই সরিয়ে নিয়ে গেছে। কাজটা কি ঠিক হল?’ স্টেটমেন্টটি কি আমার প্রতি অবিচার হল না?
      আতিক ভাই আর দুলাল ভাই যেভাবে ব্যক্তিগত আক্রমন করেছে সে হিসেবে তাদের ৭/৮ বছরের অনুজ বাতিকগ্রস্ত একটি অভিমানী উদীয়মান কবিকে আপনারা অবিরত হেনস্থা করতে ছারেন নি। অনেক আপত্তিকর শব্দ আপনারা মুখে এনেছেন সাথে সাথে কয়েকজন (চন্দ্রবিন্ধু, এম আর খান না জানি কে…) আগুনে ঘি ঢালল ক্রমাগত। তাহলে তাকে একা শাস্তি দেয়াটি ঠিক হল? ধরে নিলাম ছোট বলে তার বেয়াদবির জন্য শাস্তি দেয়া হল তাহলে ইস্টিশন পরিবারটির বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের কি হবে?

      অমিতকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে ভাল কথা এখন কি আমাকেও কতল করার ইচ্ছা নাকি রায়ান? আমিই ‘প্রানে প্রান মিলাবই’ ইস্টিশনের স্লোগানটি নিয়ে কিছুদিন আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এবং সবাইকে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করতে বলেছিলাম আর রায়ান তুইই মন্তব্যের শুরুতে বললি ‘আসলে কি, আমি ওই পোস্ট প্রথমে পড়েই দেখিনি। যখন পড়তে গেলাম তখন অবশ্য পোষ্টটা খুব সাধারণ মানের মনে হয়েছে। এই লেখা কেন স্টিকি হয়েছে সেই প্রশ্ন আমার মনেও এসেছে।’ যেখানে তুই আদর্শিক জিয়া ভক্ত স্বঘোষিতভাবেই।। বাকি কথা আর বললাম না…
      আর শিরোনাম নিয়ে কথা বললি তো? বাকস্বাধীনতা হারিয়েছি কিছুটা, নাকি বলিস?
      একটি গালি, অশোভন শব্দ অথবা ইঙ্গিতপূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ না করেও আমি মন্তব্য করেছি… আতিক ভাই আমার বিরুদ্ধে আপনার অভিযোগ অনেক, কিছু বলার দরকার…
      অমিতকে ব্যান করার ঠিক ঘণ্টা খানেক আগে যখন সে আমায় ফেসবুকে জানাল আপনাকে আর দুলাল ভাইকে ফেসবুকে নক করে ব্লক খেয়েছে তখনই তাকে আমি অফ যেতে টানা ৩ বার রিকুয়েস্ট করি।। কিন্তু সে ছেলে মানুষ… আশা করছিলাম আপনারা হয়তো কেউ অফ যাবেন পরে দেখি অমিতকেই অফ করে দেয়া হল!! আমার ভুল ছিল কি তাকে তর্কে আনতে? আমি অস্বীকার করলাম!! অমিত আর ইলেকট্রন একেবারে নিজ থেকেই এমনটা করেছে এমনকি ইস্টিশন মাস্টার ইলেক্ট্রনের যে পোস্টটির বরাত দিয়েছে তা আমার চোখে আসে একদিন পর এবং অফিসের প্রচণ্ড ব্যস্ততার কারণে মাঝখানে কয়েকদিন ইস্টিশনে আমি নিয়মিত ছিলাম না ঐ পোস্টটিতে আমার মন্তব্যদ্বয় এমন-
      ক) “সমষ্টি যখন ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংঘাত সেখান অনিবার্য…”
      খ) “বহতা নদী কি আর শেওলায় ডাকা পড়ে?
      [থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ প্রণাম প্রণাম] (ব্রহ্মপুত্রের মন্তব্যের প্রতিমন্তব্যে এইসব স্মাইলি…)
      ব্রহ্মপুত্রে তো দেখি জোয়ার বইছে…”

      আসলে আর বেশী কিছু বলার আমার নেই… সবাই ভাল থাকুন!!
      আতিক ভাই শুধু বলবেন অমিতের কবিতা মাঝে মাঝে আপনি মিস করবেন কিনা?
      ঐ বেচারাতো পলিটিকেল কোন পোস্টও তেমন দিত না যতটা আমি দিয়েছি… বা অন্যরা দিয়েছে।। শুধুমাত্র মন্তব্যের জন্য এইভাবে তার চলে যাওয়া আমার (অনেকের…) পছন্দ হয় নি… একটা ব্যাপার খেয়াল করবেন যেখানে কারও ব্যানে রাজাকারের ফাঁসির রায়ের মত আমরা সবাই উল্লসিত হয় সেখানে তার বিদায়ে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং তার শাস্তি মওকূপের অনুরোধ করেছি…

      আমার নিজেরসহ সবার শুভ বোধের উদয় হোক। প্রাণে প্রাণ মিলুক…
      শুভবুদ্ধির জয় হোক… তবেই প্রানে প্রান মিলবেই…

      1. অমিতকে কি জন্য ব্যান করা
        অমিতকে কি জন্য ব্যান করা হয়েছে ইস্টিশন মাস্টার সেটা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তারপরও আপনারা যদি ভিন্নখাতে এটা নিয়ে যেতে চান, নিতে পারেন। এসব বলে বরং অমিতের ফিরে আসার সম্ভবনাকে আপনারা নষ্ট করে দিচ্ছেন। আপনি তারিক লিংকন স্ক্রীণ শট দিয়ে ব্লগের মালিক আর মডারেটর বাহির করার চেস্টা করে বিষয়টাকে আরো ঘোলাটে করে ফেলেছেন। আপনি আর লাবণ্য অনেক ধরেই ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্লগারদের ক্ষেপিয়ে তুলছেন, যে ব্লগে ব্লগিং করেন সেই ব্লগে এই কাজটি করা কি ঠিক হয়েছে? আমি বলব, কর্তৃপক্ষ বরং আপনাদের যথেষ্ঠ সময় দিয়েছে। এখন অমিতকে ফিরিয়ে আনতে চাইলে এসব কাঁদা ছোড়াছুড়ি বাদ দিয়ে কিভাবে তাকে ফেরত আনা যায় সেই চেষ্টাটাই করেন।

        1. এম আর খান,
          আপনারা যদি

          এম আর খান,
          আপনারা যদি ভিন্নখাতে এটা নিয়ে যেতে চান, নিতে পারেন।
          আমি আত্মপক্ষ সমর্থন করেছি মাত্র আর অমিতের শাস্তি কমানোর অনুরোধ করেছি মাত্র। এইখানে আপনি ৫ মাস দীর্ঘ বিরতির পর এমন উস্কানি দিচ্ছেন কেন গতকাল থেকে? এইদিকে আবার অভিযোগ করছেন আমি ইস্টিশনের শত্রুপক্ষ…
          খুবই অসৌজন্যমূলক আর অশোভন আপনার কথাবার্তা!! আপনিই তো আমাদের প্রলুব্ধ করছেন আবার ঝগড়া করতে…আমি কোন স্ক্রিনশট দেয় নাই…কিসের কথা বলছেন বুঝতে পারছি না! আপনি আশাকরি এই উত্তর দিয়ে যাবেন…

        2. ওহে এম আর খান, ৫ মাসেরও বেশী
          ওহে এম আর খান, ৫ মাসেরও বেশী সময় পরে ইষ্টিশনে এসে একজনের ব্যান দাবি করে আপনি যেভাবে ফালাফালি শুরু করছেন, এতে তো আপনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দেহের সৃষ্টি হল। তারিক ভাই আর অমিত ভাই যে ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্লগারদের ক্ষেপিয়ে তুলছেন, এটা আপনি বুঝলেন কিভাবে?? আপনি তো পুরোপুরি ইনএকটিভ :মানেকি: :মানেকি: … আজ হঠাৎ কথা নাই বার্তা নাই ইষ্টিশনে লগইন করেই একজনের ব্যান নিয়া আপনার এতো উৎসাহ বড়ই আজিব লাগতেছে… এই ব্লগে যে কয়জন ব্লগার রাজনৈতিক কোন পোস্ট দেয় না, তার মধ্যে অমিত লাবণ্য একজন। তার অপরাধ হল সে একটা পোস্টে মাথা গরম করে কিছু মন্তব্য করছে। তাকে ব্যান করবার আগে সতর্ক করা যেত। তারপরও মাস্টার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটার ব্যাপারে মাস্টার ভালো বুঝবেন। কিন্তু আপনি হঠাৎ আকাশ থেকে টপকায়ে পড়ে হুদাই একজনের ব্যান নিয়ে মাতামাতি করবেন… উহু, বিষয়টা মানতে পারলাম না। ডাল মে পুরাই কালা হ্যা… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:
          :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

      2. অমিতকে বলির পাঁঠা বানানো

        অমিতকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে ভাল কথা এখন কি আমাকেও কতল করার ইচ্ছা নাকি রায়ান?

        এই তো একটা ফাউল কথা বলে ফেললি। তোর পিছে পিছে আমি ইস্টিশনে আসলাম আর সেই তোকেই আমি ল্যাং মারবো?
        এত সিরিয়াস হইস না। আয় চেষ্টা করে দেখি অমিতকে ফিরিয়ে আনতে পারি কিনা। আতিক ভাইও অমিতের উপর রেগেছে বোঝাই যায়। আয়, আতিক ভাইয়ের রাগ ভাঙ্গাই। ঝগড়া করে কি হবে? ভুল অমিতও করেছে। তোর সাথে যেহেতু অমিতের যোগাযোগ আছে, সেক্ষেত্রে তুই অমিতকেও ওর ভুল বুঝিয়ে ইস্টিশনে ফিরিয়ে আন তারপর সবাই বলতে পারবো “প্রানে প্রান মিলিয়েছি!”
        আশা করি আতিক ভাইএর রাগ এতক্ষণে পড়ে গেছে।

        প্রানে প্রান মেলাতে হলে মাঝে মাঝে এমন দুই একটা প্রানের পরীক্ষা তো দিতেই হবে!

    3. আতিক ভাই মন্তব্য করা ঠিক হবে
      আতিক ভাই মন্তব্য করা ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছি না। কারণ সত্যি এখন কথা বলতে ভয় পাচ্ছি। আপনি সহ সিনিয়র আরেক জন ব্লগার বার বার বলছেন অমিত লাবণ্য ও তারিক লিংকন কিছুদিন যাবত ব্লগের মডারেশন প্যানেল কে প্রশ্ন বিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। এমনকি সন্মানিত ইস্টিশন মাস্টার না করার পরেও আলোচনা থেমে থাকেনি। যেটা আগে হয়েছে কিনা আমি জানিনা। ইস্টিশন মাস্টারের কথা বাদ দিলাম আপনি বলেছেন আর এই ব্লগের কেউ সেটা দ্বিমত করেছে সেটা পূর্বে ঘটেছে বলে আমি মনে করিনা। সেই জায়গাতে ইস্টিশনের নিয়মিত ব্লগার দের বেশির ভাগ অমিত লাবণ্য এর পক্ষে বলেছে। ভাই আপনার কি মনে হয় না এখানে একটা কমিউনিকেশন গ্যাপ হয়েছে, যেখানে বেশির ভাগ ব্লগার আপনার কথাও বুঝতে পারছে না! আপনি বার বারই বলছেন অমিত কে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু বাকিরা কেন জানি মেনে নিতে পারছে না। এটা কিন্তু তাদের দোষ না। তাদের যুক্তিতে এটা মনে হয়েছে।

      আপনি চিন্তাশীল মানুষ, সবার সাথে আপনার ওয়ান টু ওয়ান একটা কমিউনিকেশন আছে আমার মনে হয় এই গ্যাপের কারণটা আপনি হয়ত বের করতে পারবেন। অন্তত আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা বলে ইস্টিশনে এই গ্যাপ হওয়ার কথা না।

      অফটপিক একটা কথা বলি, ফেসবুকে আপনার আইডি পেয়েও আপনার গুরুগম্ভীর চেহারা দেখে আজ পর্যন্ত রিকুয়েস্ট পাঠানোর সাহস পায়নি। আবার অবাক হয় সেই মানুষটিই যখন আমার পোস্টে থামস আপ এর অনেক গুলো ইমো ব্যবহার করে।

      ব্লগাররা আপনাকে তাদের প্রতিনিধি বা অঘোষিত নেতা ভাবে। আমার মনে হয় আপনি পারবেন গ্যাপ টা ধরতে। :bow: :bow: :bow:

      1. চমৎকার বলেছেন কিরন ভাই
        চমৎকার বলেছেন কিরন ভাই :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: , আমারো তাই মনে হয়। :ভাবতেছি: :ধইন্যাপাতা: আতিক ভাইয়ের জন্য প্রতীক্ষা… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

      2. কিরন শেখর
        এতোটাই যথার্থ

        কিরন শেখর

        এতোটাই যথার্থ বলেছেন, কি বলবো???
        জবাব নেই…
        :খুশি: :খুশি: :খুশি:
        আসলে উনারা সবাই আমাদের প্রিয় মানুষ,আদর্শিক জায়গা থেকে কারো সাথে কখন চিন্তায় মিলে যায়,আবার মেলে না…তাতে কখনোই কিছু এসে যায় না…শেষ পর্যন্ত আমাদের সবার লক্ষ্যটাতো একই,তাই না ???
        তাই যার যার পক্ষে এই অযাচিত দুরত্ব মেটানো সম্ভব হবে,তারা সবাই দয়া করে এই রকম অস্বস্তিকর পরিবেশটাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিন…
        সবাই মিলেইতো আমরা একটি পরিবার,কেনোইবা আমরা আমাদের প্রিয় মানুষদের দূরে সরিয়ে দিবো,কেনো একে অপরের দিকে অভিযোগের তীর ছুঁড়বো ???
        আসলে আমাদের সবার মাথাই ওই পোস্টের কমেন্টে গিয়ে একসাথে গরম হয়ে উঠেছিলো,মাথাটা এইবার আমাদের সবারই ঠান্ডা করা ভালো…কেউই আর রাগ করে না থাকি…
        অগ্রজেরা দয়া করে উদ্যোগী হোন…
        আমরা অনুজেরা কিন্তু দ্বিধান্বিত, পরে কোন কথায় কি করে বসি,কি হয় বলা মুশকিল…
        তার চেয়ে আপনারা সবাইকে আবারও এক সুঁতায় বাঁধার কাজটি করেন… :ফুল:

    4. আতিক ভাই, আপনাকে ফেসবুকে
      আতিক ভাই, আপনাকে ফেসবুকে এ্যাড রিকোয়েস্ট দিছিলাম। দেখিয়েন। আপনার এই ছবির মতো আমার প্রোফাইল ফটোতেও আমি গালে হাত দিয়ে আছি। তবে আপনি ডান হাত আর আমি বাম হাত। আপনি রঙ্গিন আমি সাদাকালো!! বুঝছেন?

    1. “মাঝখান থেকে কিছু না বুঝে

      “মাঝখান থেকে কিছু না বুঝে চেঁচামেচি করে এক অবুঝ কবি ব্যান
      খেয়ে গেল। “

      :মানেকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ: :ভাঙামন:

  12. ইস্টিশন মাস্টারের কাছে শেষ
    ইস্টিশন মাস্টারের কাছে শেষ বারের মত অনুরোধ করছি, অমিতকে আরেকটা চান্স দিন। আমি অঘূর্নায়মান ইলেকট্রন গ্যারান্টি দিচ্ছি, অমিত স্টিকি নিয়ে আর কথা বলবেনা। ও কবি মানুষ। কবিতা নিয়েই থাকে। ইস্টিশনে ও কোনো রাজনৈতিক পোস্টও দেয়না। স্বভাবসুলভ সরলতা নিয়ে ও হয়তো মাথা গরম করে স্টিকি বিতর্কে জড়িয়ে গেছে। অধিকানংশ ব্লগারই অমিতকে আরেকবার সুযোগ দেয়ার পক্ষে। যেহেতু ইস্টিশনকে আমরা নিজেদের পরিবার বলে দাবী করছি, তাই সেই পরিবারের সদস্য হয়ে নিজেদের এক ভাইকে ফিরিয়ে আনার দাবী চাইতেই পারি। দাবীটা খুবই ক্ষুদ্র। ইস্টিশন মাস্টার চাইলেই পূরণ করে দিতে পারেন। অমিতকে সত্যের তলোয়ার, ব্ল্যাক বোল্টের কাতারে ফেলবেন না।

    সবাই মিলে আবার নতুন করে প্রাণে প্রাণ মিলানোর সুর গাইতে চাই। ইস্টিশন মাস্টার, পূনর্বিবেচনা করে দেখুন। এর আগে কোনো ব্লগারের ব্যান নিয়ে আমরা কিছুই বলিনি বরং ধন্যবাদ দিয়েছি আপনাকে। এই প্রথম একটা ব্যানের বিপক্ষে সবাই বলছে। প্লিজ, ব্যাপারটা শেষ বারের মত ভেবে দেখুন।

  13. মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্ত

    মডারেশন প্যানেলের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিভিন্ন সময় বিতর্ক তৈরী করে ব্লগে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করার দায়ে ব্লগার ‘অমিত লাবণ্য’কে ব্যান করা হল এবং এই বিষয়ে ব্লগারদের বিতর্ক করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।

    খারান মাস্টার সাব, কথাগুলো নিয়া আগে একটু ভাইবা লই… :কনফিউজড: :কনফিউজড: :কনফিউজড:

    এখানে ইষ্টিশন মাস্টার বলতে চাচ্ছেন, অমিত লাবণ্য মডারেশন প্যানেল এর সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিভিন্ন সময় বিতর্ক তৈরী করে ব্লগে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করেছেন। সেই অপরাধে তাকে একটা কমিউনিটি ব্লগ প্লাটফর্ম থেকে ব্যান করা হল। পড়ে আমার মাথায় প্রথম যে কথাটি এল তা হল এই একটামাত্র অপরাধে যদি অমিতকে তাড়িয়ে দেয়া হয়, তাহলে তো ইষ্টিশনের প্রায় সবাইকেই ব্যান করতে হবে। কেননা, এই ব্লগে আমরা যারা মোটামুটি নিয়মিত ব্লগিং করি, তারা প্রায় সবাই কোন না কোন সময় কোন না কোন ভাবে ইষ্টিশন মাস্টারের সিধান্ত নিয়ে সমালোচনা করেছি। কারন, অনলাইনে ইষ্টিশন এখন শুধুমাত্র একটা ওয়েবসাইট নয় আমাদের কাছে, এটা একটা পরিবারের মত। আর পরিবারের কর্তার কোন সিধান্ত পছন্দ না হলে অন্যান্য সদস্যরা তা নিয়ে কথা বলতেই পারে, প্রতিবাদ করতেই পারে। তাই বলে পরিবারের কর্তা নিশ্চয়ই সেই সদস্য বা সদস্যদের পরিবার থেকে বের করে দেন না… একটা গনতান্ত্রিক দেশে বসবাসের উদাহরন বাদই দিলাম(গনতন্ত্র সবাইকে তার মত প্রকাশের অধিকার দেয়)অমিতদাকে অন্তত একটাবার সতর্ক করা যেত। সামান্যতম সতর্কবানী না দিয়ে এবং রাজু ও বল্টু’র মত ছুপা ছাগুদের বহাল রেখে অমিত লাবণ্যকে ব্যান করা শুধু মতপ্রকাশের অধিকারকেই গলা টিপে হত্যা করার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জন্য এক অশেষ হতাশারও ব্যাপার বটে। আর বামঘরানার ব্যাপারে আসলে আর কিছু বলতে ইচ্ছা করছে না। তারা কি করছেন তারাই ভালো জানেন। যদি তারা মনে করে থাকেন যে এভাবে নিজেদের মধ্যে ফাটল ধরানোই সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র, তাহলে তাদের জন্য দুঃসংবাদ। কেননা ৭১রের পর থেকে আজকে পর্যন্ত তাদের এই দুরবস্থার পিছনে আর কেউ বা আর কিছু দায়ী নয়। দায়ী শুধুমাত্র তাদের এই অদ্ভুতুড়ে চিন্তাভাবনা…

    তাই ইষ্টিশন মাস্টারের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তার সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ করছি… :জলদিকর: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    যদি আমার এই মন্তব্যটা অমিত লাবণ্যের মত ইষ্টিশনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, তবে আমাকেও ব্যান দিতে পারেন। কেননা ইষ্টিশন মাস্টার নিরপেক্ষ হলে এই অপরাধেই আগামি কিছুদিনের মধ্যে আরও অনেককেই ব্যান করতে হবে। :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: আমি নাহয় আগে হলাম, সমস্যা কি… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    1. ইস্টিশন মাস্টার কে ব্ল্যাক
      ইস্টিশন মাস্টার কে ব্ল্যাক বোল্ট-কে ব্যান করার জন্য অফুরন্ত ধন্যবাদ… :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

    2. রহমান রাআদ

      সম্পুর্ণ

      রহমান রাআদ

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
      সম্পুর্ণ একমত…

      অনলাইনে ইষ্টিশন এখন শুধুমাত্র একটা ওয়েবসাইট নয় আমাদের কাছে, এটা একটা পরিবারের মত। আর পরিবারের কর্তার কোন সিধান্ত পছন্দ না হলে অন্যান্য সদস্যরা তা নিয়ে কথা বলতেই পারে, প্রতিবাদ করতেই পারে। তাই বলে পরিবারের কর্তা নিশ্চয়ই সেই সদস্য বা সদস্যদের পরিবার থেকে বের করে দেন না… একটা গনতান্ত্রিক দেশে বসবাসের উদাহরন বাদই দিলাম(গনতন্ত্র সবাইকে তার মত প্রকাশের অধিকার দেয়)

    3. রায়াদ, যাই হোক, এই ইস্যু নিয়ে
      রায়াদ, যাই হোক, এই ইস্যু নিয়ে কথা বলতে সত্যি বলতে এখন আমার রুচিতে বাঁধছে। কারন কেউই নিজনিজ স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে চিন্তা করতে পারছেন না। বাংলাদেশটাকে ধ্বংস করে দেয় এমন কোন কার্যকলাপ জারি রেখে আপনি যেমন দেশের জন্য লড়াই চালাতে পারেন না, ঠিক একইভাবে যেই ব্লগে প্রাণ খুলে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন, সেই ব্লগের অভিভাবককে নিয়ে ক্রমাগত টানাহ্যাঁচড়া আমার কাছে কোনমতেই গণতান্ত্রিক চর্চার ব্যাপার স্যাপার বলে মনে হয় না। কারন ব্লগের অস্তিত্ব নিয়েই যদি টান মারেন, সেক্ষেত্রে প্রাণহীন ব্লগে লেখালেখি করে কি করবেন? সবাইই যদি আমরা চাই যে ব্লগের মডারেশন আমার মতানুযায়ি বা আমার ভাবাদর্শের সাথে তাল মিলিয়ে হোক, তাহলে সেক্ষেত্রে ব্লগের স্বাতন্ত্র আর বজায় থাকেনা। সেটা হয়ে যায় চাটুকার ব্লগ। ইস্টিশনকে আমি কখনই চাটুকার চরিত্র রুপায়ন করছে এমনাবস্থায় দেখতে ইচ্ছুক নই। তাই মডারেশন প্যানেলকে তাঁদের মতো করে কাজ করতে দিন, আমার বিশ্বাস আমাদের সামগ্রিক স্বার্থের কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই। আমি যতটুকু এই ব্লগের মুলকে চিনতে পেরেছি তাতে আমার এই আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। তাই এই বিষয়ে আর অহেতুক কথা না বাড়িয়ে মডারেশন প্যানেলকে নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ দেই চলেন। আশা করি আমাদের সবার প্রাণের কথাটা প্যানেল পড়তে পারবেন এবং সেমতানুযায়ী কাজ করে যাবেন। প্রাণে প্রাণ মিলবেই…

  14. অঘুর্নায়মান ইলেকট্রন ভাইয়ের
    অঘুর্নায়মান ইলেকট্রন ভাইয়ের সাথে সহমত পোষণ করছি।অমিত লাবণ্যকে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।
    চলুন আমরা প্রাণে প্রাণ মেলাই

  15. আমি মাঝে বেশ কয়েকদিন ব্লগে
    আমি মাঝে বেশ কয়েকদিন ব্লগে আসিনি। এসেই তো দেখি মহা ফ্যাসাদ। কি কমেন্ট দিবো বুঝতে পারছি না। তবে এটুকু চাই সবাই আরও সহনশীল হই, আমরাই তো, তাই না? আমাদের মধ্যে যে কোন বিষয়ে বিন্দুমাত্র বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয় এটাই প্রত্যাশা করি। যাদের ব্যান করা হয়েছে তাদের ব্যান করার কারণ মানে যে মন্তব্য বা পোষ্টের কারণে করা হয়েছে তা এখনও পড়িনি তাই সেব্যাপারেও কিছু বলছি না। আতিক ভাই বলছেন ব্লগে সবচেয়ে খারাপ লাগে ব্যান করাটা, আসলেই তাই।

  16. অনেক দিন পর ইষ্টশনে আসলাম ।
    অনেক দিন পর ইষ্টশনে আসলাম । আর এসেই হতাশ হয়ে গেলাম । নাম উল্লেখ না করে বলতে চাই ব্লগের ব্লগারদের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিৎ । নয়তো কামড়াকামড়ির রোগটি আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে । আরেকটি বিষয় , মডারেশন প্যানেল তার দায় ও দায়িত্ব দুটোই বোঝে । তাদের ন্যায্য সীদ্ধান্তে আমাদের বিশ্বাস রাখা যেমন উচিৎ ঠিক তেমনই কর্তৃপক্ষের উচিৎ ব্লগারদের ন্যায্য দাবীর প্রতি সচেতন দৃষ্টি রাখা । পরিশেষে এতটুকুই বলবো , কোনভাবেই আমাদের নিজেদের অবস্থানের অপব্যাবহার করা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে না ।

  17. ইস্টিশনে আমি প্রায় একমাস কোন
    ইস্টিশনে আমি প্রায় একমাস কোন পোস্ট দেইনা। কেন দেইনা জানেন? দুঃখে। ইস্টিশনে এখন শুধু ঝগ​ড়া হ​য়, সুস্থ ব্লগিং না। সবাই সবার পিছনে লেগে নিজের প্রাণটাকেই মেরে ফেলেছেন। প্রাণে প্রাণ আর মিলানো হবে কিনা সন্দেহ।

    1. সবাই যদি চায় তার নিজ নিজ
      সবাই যদি চায় তার নিজ নিজ রাজনৈতিক ভাবাদর্শ অনুযায়ী ব্লগের নীতিমালা চলবে তাহলে কিভাবে হবে? আওয়ামী বিরুদ্ধ লেখা আসলে সবাই ঝাঁপায়ে পড়ে এইটা বোধ হয় বামদের ব্লগ। আবার বামদের বিপক্ষে গেলে বলে এটা আওয়ামী ব্লগ। ছাগুরা কয় এইটা নাস্তিকদের ব্লগ। তাইলে যাবেটা কোথায়?

        1. কাউকে বলেই কোন লাভ আছে বলে
          কাউকে বলেই কোন লাভ আছে বলে মনে হয় না। তালগাছের সত্ত্ব ছাড়তে কেউ রাজী নন। একদিকে চলছে ইমোশনাল কথাবার্তা, আবার অন্যদিকে গিয়েই উস্কানিমূলক বক্তব্য। চলুক… দেখি কতদূর যায়…

  18. কয়েকজন ব্লগারের কারনে
    কয়েকজন ব্লগারের কারনে ইস্টিশনে ঢুকলে মনে হয় এইখানে হুদাকামে খালি কেচাল হয়। এই কয়েকজনের কারনেই মনে ইস্টিশনে আলোচনার জন্য ‘পোষ্ট স্টিকি করা ক্যান হলো’ ‘এর পোষ্ট সেরা হইলো ক্যনা’ আর কথায় কথায় মাস্টাররে নিয়া পোষ্ট নয়তো স্ক্রিনশটের তুগ্লি তুগ্লি খেলা! কবে মুক্তি ঘটবে???

    1. মডারেশন প্যানেলকে প্রশ্নবিদ্ধ
      মডারেশন প্যানেলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে এক হাজার একবার ভাবা দরকার। মডারেশন প্যানেলকে বলা যায় ব্লগের অভিভাবক। তো অভিভাবকের বিরুদ্ধেই যদি লাগাতার অভিযোগ উত্থাপন করে যাই তাহলে ব্লগে ভালো কিছু পাওয়ার আশাটা বাদ দিতে হবে। সেটা নিশ্চয়ই আমরা কেউই চাইবো না। তাই মডারেশন প্যানেলের উপর আস্থা রেখে তাদেরকে তাদের মতো কাজ করতে দেয়াই মনে হয় এই মুহূর্তে প্রধান কাজ হবে আমাদের সবারই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *