>>নারীমুক্তি ৪র্থ পর্ব <<

>>নারীমুক্তি ৪র্থ পর্ব << এভাবে মেয়েদের একটা অদ্ভুত যৌগিক পদার্থে পরিণত করা হয়েছে যুগে যুগে কল্পনায় সে চূড়ান্ত গুরুত্বের যোগ্য কার্যত তার কোন মূল্যই নেই। কবিতায় ছত্রে ছত্রে তারা উল্লেখ যোগ্য কমনীয় নারী, কিন্তু বাস্তব ইতিহাসে সে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।( ক্রমশ) কথাসাহিত্যে সে রাজা ও বিজেতাদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করে বাস্তবে সে যেকোনো বালকেরও দাসী। এইভাবে মেয়েরা তৈরি হয়েছে এক আজব চিড়িয়ায়। প্রথমে সাহিত্যে ও পরে বাস্তব ইতিহাস পড়ে এদের সম্পর্কে একটা যৌগিক ধারনা হয়। আর ফ্রয়েড (অনেক নারীবাদী লেখিকাই যাকে বলত ফ্রড) তো ইনি মনো বিশ্লেষণ কর দেখিয়েছেন-

>>নারীমুক্তি ৪র্থ পর্ব << এভাবে মেয়েদের একটা অদ্ভুত যৌগিক পদার্থে পরিণত করা হয়েছে যুগে যুগে কল্পনায় সে চূড়ান্ত গুরুত্বের যোগ্য কার্যত তার কোন মূল্যই নেই। কবিতায় ছত্রে ছত্রে তারা উল্লেখ যোগ্য কমনীয় নারী, কিন্তু বাস্তব ইতিহাসে সে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।( ক্রমশ) কথাসাহিত্যে সে রাজা ও বিজেতাদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করে বাস্তবে সে যেকোনো বালকেরও দাসী। এইভাবে মেয়েরা তৈরি হয়েছে এক আজব চিড়িয়ায়। প্রথমে সাহিত্যে ও পরে বাস্তব ইতিহাস পড়ে এদের সম্পর্কে একটা যৌগিক ধারনা হয়। আর ফ্রয়েড (অনেক নারীবাদী লেখিকাই যাকে বলত ফ্রড) তো ইনি মনো বিশ্লেষণ কর দেখিয়েছেন- “মেয়েরা প্রাকৃতিক ভাবে স্বভাবতই দুর্বল মানসিকতার অধিকারী হয়” তার মতে- “মেয়েদের চরিত্রে প্রভুত্বের চেয়ে অধীনস্থ থাকার প্রবণতা বেশী,পিরীত হবার বাসনা প্রবল” এক কথায় মেয়েরা হচ্ছে মর্ষ কামী। কথাটার মধ্যে কিছুটা সত্য আছে কনিষ্ঠ পরিমাণে। মেয়েরা বাল্য থেকেই ছেলেদের প্রতি এক প্রকার প্রভুত্বের প্রেষণায় ভোগে এবং শেষ পর্যন্ত পুং লিঙ্গের প্রতি এই ঈর্ষা বোধ থেকে তারা হীনমন্যতায় ভোগে এবং অধীনস্থ থাকায় প্রবণতা তাদের মাঝে দেখা দেয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, যেমন আধুনিক নারীবাদী লেখকরা বিশ্বাস করেন যে মেয়েরা আসলে পুরুষাঙ্গকে হর্ষ করেনা করে শুধুমাত্র এই নির্বাধ প্রত্যঙ্গটার জন্য পুরুষের প্রাপ্ত সুবিধা সমূহকে। সুতরাং কম চিন্তা এবং অর্থনৈতিক সাম্য সাধিত হলেই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। পুরুষ তন্ত্রের পক্ষে আর একটি বড় রক্ষাকবচ হল ডার উইনের বিখ্যাত “ SURVIVAL OF THE FITTEST” মতবাদ। “যোগ্যতমরাই রাজত্ব করবে পৃথিবীতে।“ সুতরা পুরুষ প্রমাণ করে যে পুরুষরাই শ্রেয় তর। এটা একটা শোচনীয় যুক্তি আসলে কোন যুক্তিই না। নাকের ডগায় গোলাপি চশমা পুরুষদের মনে করিয়ে দেয় বা তাঁরা অবতারণা করে এরকম পঙ্গু যুক্তির। ( ক্রমশ)

১ thought on “>>নারীমুক্তি ৪র্থ পর্ব <<

  1. এই সিরিজ আগে চোখে পড়েনি। তাই
    এই সিরিজ আগে চোখে পড়েনি। তাই সবগুলো সিরিজের মন্তব্য একসাথে করে দিচ্ছি।
    প্রথমত নারীমুক্তির মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লিখতে এসে হুদাই বিভাগ বেছে নিলেন কেন বুঝতে পারলাম না। প্রথম পর্বে ‘আমি মূল্যায়ন করব কবির, এত বড়…’ এই মন্তব্যে আপনার পোস্টের পুরো দৃঢ়তাই হারিয়ে গেছে। প্রথম পর্বটাই বেশি ছুঁইয়েছিল, কিন্তু মন্তব্য দেখে মনে হল আপনি এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণে যেতে নারাজ তাই হুদাই হুদাই বলে দায় সাড়ছেন।
    দ্বিতীয় পর্বে বেশ কিছু বিষয় আছে বিতর্কিত।প্রথমত নারী আধিপত্য থেকেই যেহেতু পুরুষ আধিপত্যের সূচনা অতএব নারী আধিপত্য পুনরায় ফিরে আসার আশংকা করার পুরুষতান্ত্রিকদের জন্য খুবই স্বাভাবিক। যদি নারী আধিপত্যের ভয় নাই থাকত তাহলে এত ধর্ম, আইন, সমাজ রচিত হত না। প্রিয়া হয়েও প্রতিদন্দ্বী? আরে ভাই নারী তো পুরুষের প্রিয়তে এসেছেই দূর্বলভূজার হিসেবে, সেই ভূজ মুষ্টিবদ্ধ হবার ভয় কি পুরুষের তাহলে থাকবে না? আর পুরুষ নারীকে প্রতিদন্দ্বী ভেবে অনেক আগেই নারীর অস্ত্র কেড়ে রেখে দিয়েছে এখন নারীর প্রতিদন্দ্বী ভাবার সময় এসেছে। প্রতিদন্দ্বী না ভাবলে নারী উঠে দাঁড়াতে পারবে না। এর বিপক্ষে আপনার প্রিয় বিশেষণের ব্যবহারে লাভ নেই কারণ সেই সহনশীলতার সময় অনেক আগে পেরিয়ে গেছে।
    তৃতীয় পর্ব সম্পর্কে কবিতা তোমায় দিলামের সাথে সহমত। অনেক বেশি বিশ্লেষণ আশা করি।
    চতুর্থ পর্ব অপেক্ষাকৃত বেশি বিশ্লেষিত। তবে এখানকার কথাগুলো পুরনো। ফ্রয়েডীয় মতবাদ অনেক আগেই নারীবাদীরা প্রত্যাখ্যান করেছে। আপনি প্রতিটা পর্বে যে বিরোধিতাগুলো করে এসেছেন সেগুলো সম্পর্কে অনেক আগে থেকেই নারীবাদীরা কথা বলে এসেছেন। তবে নতুন লেগেছে শেক্সপীয়রীয় চরিত্রের অংশটি। এই বিষয়ে আলোকপাতের জন্য ধন্যবাদ। তবে একটা কথা আমি বরাবর বলি নারীমুক্তি ঘটাতে হলে নারীর বর্তমান প্রেক্ষাপট দেখে নারীর অবস্থান আর মানসিকতা বিবেচনা করে পথ দেখাতে হবে। পুরনো মতবাদগুলোর পাশাআশি নতুন মতবাদের প্রতি আলোকপাত করুন।
    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখে যাবার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *